টপিকঃ বিটিসিএল-এর ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পিছিয়ে যেতে পারে ~x(
একটি মাত্র প্রতিষ্ঠান দরপত্র জমা দেওয়ায় বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানী লিমিটেড (বিটিসিএল)-এর বাণিজ্যিকভাবে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়ার প্রক্রিয়া পিছিয়ে যেতে পারে।
বাণিজ্যিকভাবে ব্রডব্যান্ড সংযোগ প্রদান ও গ্রাহক সেবা দেওয়ার জন্য বিটিসিএল গত বছরের ডিসেম্বরে দরপত্র আহ্বান করে। ১১ জানুয়ারি ছিল দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। ১২ জানুয়ারি দরপত্র উন্মুক্ত করা হয়।
দরপত্রের শর্ত ছিল কোন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার এ জন্য আবেদন করতে পারবে না। শুধুমাত্র মনোনীত প্রতিষ্ঠান বিটিসিএল এর পক্ষে গ্রাহককে ইন্টারনেট সংযোগ ও সেবা প্রদান করবে। এমএম সিস্টেমস একমাত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে দরপত্র জমা দেয়।
বিটিসিএল-এর এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "শেষ পর্যন্ত যদি একমাত্র দরদাতা প্রতিষ্ঠানটি মনোনীত না হয় তাহলে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগের প্রক্রিয়া আরও পিছিয়ে যেতে পারে। কারণ আর্থিক বিবেচনায় একটি প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব যথার্থ হবে কিনা বিটিসিএল তা খতিয়ে দেখছে।"
বিটিসিএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আশরাফুল আলীম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "আমাদের সব কিছুই বিবেচনা করতে হবে। বাণিজ্যিকভাবে সংযোগ দেওয়ার পাশাপাশি সীমিত আকারে যতটুকু সংযোগ দেওয়া যায় তার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।"
দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির প্রধান হাবিুবুর রহমান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "দরপত্র মূল্যায়নের কাজ শেষ পর্যায়ে। এক সপ্তাহের মধ্যেই মূল্যায়ন প্রক্রিয়া শেষ হবে।"
বিটিসিএল জানিয়েছে, রাজধানী ঢাকা ছাড়াও চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা, রাজশাহী ও বগুড়াসহ বিভিন্ন জেলাশহরে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া হবে।
এসিমেট্রিক ডিজিটাল সাবসক্রাইবার লাইন (এডিএসএল) প্রযুক্তি ব্যবহার করে গ্রাহকদের ব্রডব্যান্ডে ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া হবে। এতে একই লাইনে গ্রাহক টেলিফোন ও ইন্টারনেট সুবিধা ব্যবহার করতে পারবে। এজন্য গ্রাহককে ইন্টারনেট মডেম ব্যবহার করতে হবে। এর দাম ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা।
বর্তমানে বিটিসিএল ডিজিটাল গ্রাহকদের সংযোগ ফি ছাড়া ডায়াল-আপ ইন্টারনেট সংযোগ দিচ্ছে। এজন্য গ্রাহকদের মিনিট প্রতি ১০ পয়সা (অফপিক) ও ১৫ পয়সা (পিক) দিতে হচ্ছে। ঘন্টায় ব্যয় হচ্ছে ৬ টাকা এবং ৯ টাকা।
এছাড়া দেশের ৪১টি জেলার ৭১টি এলাকায় ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগের পাশাপাশি ডিজিটাল ডাটা নেটওয়ার্কের সেবা দিচ্ছে বিটিসিএল।
বর্তমানে দেশে ৮০ লাখের মতো ইন্টারনেট সংযোগ রয়েছে। এর মধ্যে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারদের গ্রাহকসংখ্যা ১০ লাখের বেশি। বিটিসিএল-এর রয়েছে ৩০ হাজারের মতো গ্রাহক। মোবাইল ও পিএসটিএন অপারেটরা ইডিজিই ও জিপিআরএস প্রযুক্তি ব্যবহার করে ৫০ লাখের মতো গ্রাহককে ইন্টারনেট সেবা দিচ্ছে।
বেসরকারি খাতে ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়ার জন্য ১৭০টির মতো প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে।
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন রুমেল (31-01-2009 19:54)


হোম ইউজারদের জন্য না মনে হয়