ভোটার পরিচয় পত্র না করে নাগরিক পরিচয় পত্র করা উচিত। এই পরিচয় পত্র সকল ক্ষেত্রে ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।
অফলাইন
আর ভাল লাগে না!এটা অবশ্যই করা উচিৎ। তাহলে আমাদেরকে নাগরিক পরিচয় নিয়ে দোড়াদৌড়ি করতেও হবে না।
; যদি ব্যাংক একাউন্ট লোপাট হয়ে যায়
!অফলাইন
যুদ্ধের কী দরকার!সহমত।
অনলাইন
নাগিরক অাইিড কার্ড করার দািব করার পাশাপািশ এ দািব বাস্তবায়ন করতে অামােদর সরকার েক সহেযািগতা করা প্রেয়াজন। গত ৩৫ বছর ধরে সরকার েয কাজিট পােরিন তা খুব সহেজ করেত পারেেব তা অাশা করা উিচত নয়। অামােদর উিচত সরকারেক সহেযািগতা করা অার িকভােব করা সম্ভব তাই িনেয় অােলাচনা করা প্রেয়াজন।
অফলাইন
Sorry, Aami banglai type korte parchina.
Obosoi aamader nagorik porichoy potro er dorkar aache. Tobe jara desher baire aache tader bepar ta o vebe dekha dorkar.
অফলাইন
salam sobayke.nischoy sobay valo achen.ami ekjon probashi.eykhane kissu lekhar sujog peye ami khub khushi.ami aykhane niomito likhbo ayta amar asha.sobay valo thakben.
rafik
from china.
অফলাইন
প্রতিবার প্রতিটি স্থানীয় কিংবা সংসদ নির্বাচনে প্রায়ই শুনি ভোটার তালিকা ঠিক নেই - কেউ বলে বাদ পড়েছে, আর কেউ বলে অতিরিক্ত হয়েছে, আর স্থানীয় প্রসাশন নির্বাচনে শুনি অন্য এলাকার বা বাহিরের লোট এনে ভোট দিছে ইত্যাদি। এতে করে নষ্ট হয় অনেক মূল্যবান সময় এবং পরাজিত প্রার্থীদের শুরু হয় আন্দোলনের ও অবরোধের ডাক।
তাই আমার মতে আগামী নির্বাচন গুলোকে স্বচ্ছ করতে জেলা গুলোতে কোন খ্যাতনামা ইন্টারনেট বা ওয়েপ পেজ প্রসেসিং সংস্থার দায়িত্বে দিয়ে, দেশের সকল নাগরিকের ডাটা বেজ তৈরী করা যেতে পারে।
এ ডাটা বেজে দেশের সকল নাগরিকের নাম, পিতা/মাতার নাম, ছবি, বয়স ও ঠিকানা লিপিভূক্ত থাকবে। এবং প্রতি বৎসর তা আপডেটেড করবে। যা আদম শুমারীর প্রয়োজনে উক্ত ডাটা বেজ থেকেই দেশের জনসংখ্যা জানা যাবে এবং ডাটা বেজ কে রি-সর্টিং করে যাদের বয়স ১৮ বৎসর হয়েছে তাদের তালিকা বের করা সহজ হবে- যা ভৈাটার তালিকা হিসাবে ব্যবহার করা যাবে। এতে করে নিভুল ভোটার তালিকা যেমন তৈরী হবে তেমনি দেশের জনসংখ্যাও জানা যাবে। এই প্রক্রিয়ায় প্রতিটি খ্যাতনামা ইন্টারনেট বা ওয়েপ পেজ প্রসেসিং সংস্থা তাদের নিদির্ষ্ট জেলায় প্রতিটি নাগরিকের নাম, ছবি, বয়স ও ঠিকানা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সংগ্রহ করবে। কারো ছবি না থাকলে তারা সে ছবি তোলার ব্যবস্থা করবে। তারপর সকল ডাটা গুলো এনে ডাটা বেজে সংরক্ষন করবেন। এভাবে ৬৪ টি জেলার ডাটা সংগ্রহ করে তা কেন্দ্রিয় ভাবে একত্রিকরন করবে, তার পর সম্পাদনা করবে। নাগরিকের নাম, পিতা/মাতার নাম, ছবি, বয়স রি-সর্টিং করে - দেখে নিবে একই ব্যাক্তির নাম দু’বা ততোধিক স্থানে বা জেলায় লিপিভূক্ত হয়েছে কিনা। সম্পূর্ণ নিশ্চিত হয়ে তা নির্ভুল তালিকা করবে। এতে করে দ্বৈত ভোটার কিংবা ভোটার বাদ পড়ার সম্ভবনা থাকবেনা । বিষয়টি যে কেহ বা সংস্থা স্ব-প্রনোদিত হয়ে করতে পারে।
অফলাইন
আসলেই, ভোটার তালিকার এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে। এরা যেভাবে কয়েকশ কোটি টাকা পানিতে ফেলেছে গত কয়েক মাসে, তাতে খুব দুঃখ হয়। ঐ টাকায় দেশে একটা বিশ্ববিদ্যালয় খোলা যেতো!!
অফলাইন
যুদ্ধের কী দরকার!টুটুল, আপনার লেখাটি ভাল লাগল। এমন আরেকটি সুন্দর লেখা আর আলোচনা পাবেন এখানে।
অনলাইন
টুটুল ভাই এর আইডিয়া টা ভাল, কিন্তু সময় উপজোগি না।
আমাদের এখনকার পজিশানে এইটা সম্ভব না।
এখন শুরু করলেও 5 বছর লাগবে।
অফলাইন
I think you are wrong to take 5 Years to make this one.For your Kind information pls. read ""Daily Ajker Kagoj" dated 12/02/07 Tropic Dr. R.I. Sharif, Then you can underrstand "He told- It will be take only 90 days"
অফলাইন
আমার কাছেও টুটুল ভাইয়ের আইডিয়াটা খুব ভাল লেগেছে
অফলাইন
THANKS FOR YOUR COMMENTS,
http://www.prothom-alo.org/index.news.details.php?nid=Mzg5NA==
অফলাইন
ধন্যবাদ
অফলাইন
অফলাইন
আউল লিখেছেন:
প্রতিবার প্রতিটি স্থানীয় কিংবা সংসদ নির্বাচনে প্রায়ই শুনি ভোটার তালিকা ঠিক নেই - কেউ বলে বাদ পড়েছে, আর কেউ বলে অতিরিক্ত হয়েছে, আর স্থানীয় প্রসাশন নির্বাচনে শুনি অন্য এলাকার বা বাহিরের লোট এনে ভোট দিছে ইত্যাদি। এতে করে নষ্ট হয় অনেক মূল্যবান সময় এবং পরাজিত প্রার্থীদের শুরু হয় আন্দোলনের ও অবরোধের ডাক।
তাই আমার মতে আগামী নির্বাচন গুলোকে স্বচ্ছ করতে জেলা গুলোতে কোন খ্যাতনামা ইন্টারনেট বা ওয়েপ পেজ প্রসেসিং সংস্থার দায়িত্বে দিয়ে, দেশের সকল নাগরিকের ডাটা বেজ তৈরী করা যেতে পারে।
এ ডাটা বেজে দেশের সকল নাগরিকের নাম, পিতা/মাতার নাম, ছবি, বয়স ও ঠিকানা লিপিভূক্ত থাকবে। এবং প্রতি বৎসর তা আপডেটেড করবে। যা আদম শুমারীর প্রয়োজনে উক্ত ডাটা বেজ থেকেই দেশের জনসংখ্যা জানা যাবে এবং ডাটা বেজ কে রি-সর্টিং করে যাদের বয়স ১৮ বৎসর হয়েছে তাদের তালিকা বের করা সহজ হবে- যা ভৈাটার তালিকা হিসাবে ব্যবহার করা যাবে। এতে করে নিভুল ভোটার তালিকা যেমন তৈরী হবে তেমনি দেশের জনসংখ্যাও জানা যাবে। এই প্রক্রিয়ায় প্রতিটি খ্যাতনামা ইন্টারনেট বা ওয়েপ পেজ প্রসেসিং সংস্থা তাদের নিদির্ষ্ট জেলায় প্রতিটি নাগরিকের নাম, ছবি, বয়স ও ঠিকানা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সংগ্রহ করবে। কারো ছবি না থাকলে তারা সে ছবি তোলার ব্যবস্থা করবে। তারপর সকল ডাটা গুলো এনে ডাটা বেজে সংরক্ষন করবেন। এভাবে ৬৪ টি জেলার ডাটা সংগ্রহ করে তা কেন্দ্রিয় ভাবে একত্রিকরন করবে, তার পর সম্পাদনা করবে। নাগরিকের নাম, পিতা/মাতার নাম, ছবি, বয়স রি-সর্টিং করে - দেখে নিবে একই ব্যাক্তির নাম দু’বা ততোধিক স্থানে বা জেলায় লিপিভূক্ত হয়েছে কিনা। সম্পূর্ণ নিশ্চিত হয়ে তা নির্ভুল তালিকা করবে। এতে করে দ্বৈত ভোটার কিংবা ভোটার বাদ পড়ার সম্ভবনা থাকবেনা । বিষয়টি যে কেহ বা সংস্থা স্ব-প্রনোদিত হয়ে করতে পারে।
আমি প্রায় ৩ মাস আগে বলেছিলাম কিভাবে ভোটার লিষ্ট করলে ভালো হবে- আজ দেখছি আমার ধারনার সাথে বর্তমান ভোটার লিষ্টের ধারনার সঙ্গে কিছুটা মিলে যাচ্ছে।
অফলাইন
আর ভাল লাগে না!আউল লিখেছেন:
আমি প্রায় ৩ মাস আগে বলেছিলাম কিভাবে ভোটার লিষ্ট করলে ভালো হবে- আজ দেখছি আমার ধারনার সাথে বর্তমান ভোটার লিষ্টের ধারনার সঙ্গে কিছুটা মিলে যাচ্ছে।
আপনি তো তাহলে বুদ্ধিজীবি হয়ে গেলেন।
মজা করলাম। আপনার ধারণার সাথে মিলে যাওয়ায় অভিনন্দন।
; যদি ব্যাংক একাউন্ট লোপাট হয়ে যায়
!অফলাইন
যুদ্ধের কী দরকার!আন্তরিকভাবে চাইলেই করা সম্ভব। যমুনা সেতু, প্রজন্ম ফোরাম, বাংলায় লিখার অভ্র... এসবই এরকম আন্তরিক চাওয়ার ফসল। ডেটাবেস না হওয়ার কোন কারণ দেখি না।.... একমাত্র সমস্যা মনে হয়... এইটার প্রজেক্টে কিছু ক্ষেত্রে বাটোয়ারা নিয়ে সমস্যায় পড়েছে বিভিন্ন সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠী।
প্রতিটি স্কুলে প্রজেক্ট দিক ডেটাবেস করার..... দেশের অধিকাংশ মানুষের ডেটা চলে আসবে।
আমরা ছোটবেলাতে স্কুলের প্রজেক্টে গাছ লাগিয়েছিলাম। সেই গাছগুলো এখন বড় হয়ে স্কুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করছে। এটা এই কারণে বললাম যে, স্কুল চাইলে মালি নিয়োগ দিয়ে কাজটি করাতে পারত... কিন্তু সে ধরনের কিছু না করেই ছাত্রদেরকে কাজে লাগিয়ে সেটা করা গেছে। তবে সেক্ষেত্রে বিভিন্ন স্কুলকে এলাকা ভাগ করে দিতে হবে। সুবিধার কথা হল, এলাকাতে লোকসংখ্যার অনুপাতে স্কুলও (এবং ছাত্র) কম-বেশি হয়। তাই আমারও মনে হয় এটা কোন সমস্যা করবে না।
অনলাইন