ওরে মাটি হব মাটি.....যদিও জানতাম তবুও নতুন করে জানলাম। কালোজিরার তেল সর্দি-কাশি তে মারাত্মক অব্যর্থ! একেবারে তেলেসমাতি কাণ্ড ঘটে-নিমেষে ঠান্ডা দূর হয়ে যায়।
মুন কে ধন্যবাদ বিষয়গুলি সামনে নিয়ে আসার জন্য।
আর, ইয়ে..মানে কাতার ভাইয়ের নব্য মধুপ্রীতি
চিন্তায় পড়ে গেলাম
বিদেশ বিভূঁইয়ে আত্ম-নিয়ন্ত্রণ কঠিনই বটে!!!!! হা হা হা হা
অফলাইন
লিনাক্স, পাইরেসী, উন্মত্ততা এবং কিছু কথাবার্তাছোটবেলা থেকে দেখে আসছি আমার বাড়ি তিনটে টোটকা চলে। মধু, তুলসীপাতা আর কালোজিরা। এই তিনটে সত্যি সত্যিই ঠান্ডা-সর্দির অব্যর্থ মারণাস্ত্র।
। কাজের একটা পোস্ট। + রেপু পাওনা।
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন উন্মাতাল_তারুণ্য (০৯-১০-২০০৮ ০৯:৫০)
অফলাইন
মুন লিখেছেন:
ভাইরে, খাইতে পাইনা আবার রূপচর্চা!
জানি না।
ইহাতে রূপচর্চার কি হইলো। খুশকি বড়ই যন্ত্রণাদায়ক। খুশকি হইতে এমনকি চক্ষুদ্বয়ে সমস্যাও উদ্ভব হইতে পারে। চক্ষুর ডাক্তার খুশকি সংক্রান্ত প্রশ্ন নিয়মিত জিজ্ঞাসা করিয়া থাকেন।
মুন লিখেছেন:
খুশকির চিকিৎসাঃ
খুশকি দূর করতে টকদই ২ চামচ, পাতিলেবুর রস (মাথার ত্বকে) লাগিয়ে রাখুন ৪০ মিনিট। চায়ের লিকার ও পাতিলেবুর রস মিশিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।
খুশকি থেকে মুক্তি পেতে দুই চামচ মেথির বীজ সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রেখে পরদিন সকালে পেস্ট করে নিয়ে এর সঙ্গে পাতি লেবুর রস ও টক দই মিশিয়ে চুলের গোড়ায় লাগিয়ে রাখুন। আধ ঘণ্টা পর শ্যাম্পু করে নিন।
HAWN!!!
আমার ৩ টাকা মূল্যের "হেড & shoulder"-ই ভালো।
যা হউক, ধন্যবাদ।
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন রুমন (০৯-১০-২০০৮ ১১:২৪)
অফলাইন
কিছুই ভাল লাগেনাএকটা মারাত্মক পোস্ট।
আচ্ছা খাটি মধু কোথায় পাব কেউ কি জানেন?
আর মুন আপু আপনি তো অনেক কিছু জানেন দেখছি। আর এগুলো নিয়ে পড়াশোনাও করেন মনে হচ্ছে?
অফলাইন
মুন লিখেছেন:
বিভিন্ন দামের মধু পাওয়া যায়। বড় কোম্পানীর বাজারজাতকৃত মধুর দাম অনেক বেশি। সাধারণ কৃষকরা মৌচাক ভেঙে সাথে সাথে এনে বিক্রি করে, দাম কমে পাবি। চোখ কান খোলা রাখলেই হয়। তোর মা বাবাকেও বলে রাখতে পারিস। শহর এলাকার চেয়ে ভালো মধু পেতে পারিস ওখানে।@ বিবেক পিকলু
আপসুস... আপাতত ওখানেটাও শহর এলাকা...
S
অফলাইন
তবে খুশকি দুর করার জন্য মাথার চুল ছোট রাখাই সবচেয়ে ভাল উপায় (অামার তাই মনে হয়)
অফলাইন
হারিয়ে গিয়েছি এই তো জরুরী খবর...khaled4net লিখেছেন:
তবে খুশকি দুর করার জন্য মাথার চুল ছোট রাখাই সবচেয়ে ভাল উপায় (অামার তাই মনে হয়)
আমার চুলে কিন্তু খুসকি নেই
।
অফলাইন
আমার মানি ব্যাগ হারানো গেছে। 


স্বপ্নবাজ লিখেছেন:
khaled4net লিখেছেন:
তবে খুশকি দুর করার জন্য মাথার চুল ছোট রাখাই সবচেয়ে ভাল উপায় (অামার তাই মনে হয়)
আমার চুলে কিন্তু খুসকি নেই
।
বাচ্চাদের মাথায় খুশকি হয় না। 
অফলাইন
হারিয়ে গিয়েছি এই তো জরুরী খবর...microqatar লিখেছেন:
স্বপ্নবাজ লিখেছেন:
khaled4net লিখেছেন:
তবে খুশকি দুর করার জন্য মাথার চুল ছোট রাখাই সবচেয়ে ভাল উপায় (অামার তাই মনে হয়)
আমার চুলে কিন্তু খুসকি নেই
।
বাচ্চাদের মাথায় খুশকি হয় না।


আংকেল জটিল কমেন্ট করলেন, খুব মজা পেলাম।
একদম ঠিক বলেছেন, এই চুলে খুসকি হলে লোকে কি বলবে
।
অফলাইন
কিছুই ভাল লাগেনাযা চুল দেকালেন দাদা।
অফলাইন
আমার মানি ব্যাগ হারানো গেছে। 


স্বপ্নবাজ লিখেছেন:
http://i290.photobucket.com/albums/ll26 … C00389.jpg
একদম ঠিক বলেছেন, এই চুলে খুসকি হলে লোকে কি বলবে।
এ চুল কার? 
অফলাইন
তাদের আমি পিট্টি দিবএই সারছে, স্বপ্নবাজ ভাইয়া, রুক্ষ চুল তো! তেল দিতে হবে!
অলিভ অয়েল (যয়তূন বা জলপাই এর তেল) বা নারকেল তেল!
ফোরামের কয়েকটা পোস্ট এই পোস্টের সাথে যায়, পোস্টগুলোর লিংক দিলাম!
অতীব গুরুত্বপূর্ণঃ ফলের ঔষধি গুণ
কৃত্রিম মিষ্টি কি নিরাপদ?


অফলাইন
হারিয়ে গিয়েছি এই তো জরুরী খবর...মুন লিখেছেন:
এই সারছে, স্বপ্নবাজ ভাইয়া, রুক্ষ চুল তো! তেল দিতে হবে!
অলিভ অয়েল (যয়তূন বা জলপাই এর তেল) বা নারকেল তেল!
ফোরামের কয়েকটা পোস্ট এই পোস্টের সাথে যায়, পোস্টগুলোর লিংক দিলাম!
অতীব গুরুত্বপূর্ণঃ ফলের ঔষধি গুণ
কৃত্রিম মিষ্টি কি নিরাপদ?
প্রথমেই এতবড় দুটা আর্টিকেল দেখে মাথা ঘুরে গেছে, মাথা সোজা করা যাচ্ছে না আর তাই পড়তেও পারলাম না বলে দুখিঃত
। আর আপুমনি কোন শর্টকাট ওয়ে থাকলে বইলেন, এত যত্ন নেবার কথা শুনতে শুনতে মাঝে মাঝে ইচ্ছা করে চুল কেটে ফেলি। মনে হচ্ছে কেটেই ফেলতে হবে
।
অফলাইন
নিজেকে খুঁজছি রুমন লিখেছেন:
খুশকি হইতে এমনকি চক্ষুদ্বয়ে সমস্যাও উদ্ভব হইতে পারে। চক্ষুর ডাক্তার খুশকি সংক্রান্ত প্রশ্ন নিয়মিত জিজ্ঞাসা করিয়া থাকেন।
এই কারণেই কি তোমার দুই কর্ণের উপর চশমা বিরাজমান 

আমারও নিতে হইসে 

অফলাইন
গানের কালেকশন ২৬ জিবি হয়ে গেল!!!মজার থ্রেড!! মধু সম্পর্কে আমার একটা কথা যোগ করার আছে...বলে নাকি ছোটবেলায় বেশি মধু খেলে মানুষ চিলচিৎকার করতে শেখে... এটা কি মধুর গুণ না বেগুন?
অফলাইন
ব্যাক টু দ্যা ওল্ড মিউজিক টাইমমধুর আরেকটা উপকারিতা বোধহয় সংসার জীবনে শান্তি। বাংলা নাটক-সিনেমা-গল্প-উপন্যাসে প্রায়ই দেখি স্ত্রীর চিৎকার চ্যাঁচামেচিতে অতিষ্ট হয়ে স্বামী মানুষটি বলে ওঠে, "জন্মের পর আমার শ্বশুড়-শাশুড়ি বোধহয় তোমার মুখে মধু দেন নাই"। সুতরাং এক্ষেত্রে মধুর উপকারিতা মনে হয় নেহায়েত নগণ্য না। বিবাহিতরা ভাল বলতে পারবেন। 
অনলাইন
তাদের আমি পিট্টি দিবসুস্থ থাকতে পাতিলেবুঃ
লেবুর রসে আছে সাইট্রিক এসিড। লেবুর রস পেটের জীবাণু ধ্বংস করে। রক্ত শুদ্ধ করে। এতে আছে প্রোটিন, চর্বি, প্রাকৃতিক লবণ, শর্করা, ক্যালসিয়াম, পটাশ, ফসফরাস, লোহা।
লেবুতে ভিটামিন সি বেশী মাত্রায় আছে। তাই স্কার্ভি ও রক্তপিত্ত রোগে খুব উপকারী। দাঁত থেকে রক্ত পড়া বন্ধ করে। এতে ভিটামিন বি- ও আছে।
# সকাল বেলা খাওয়ার আগে খালিপেটে একটা পাতিলেবুর রস গরম পানিতে মিশিয়ে খেলে লিভারের দোষ ও পিত্তের দোষ সারে - স্বাস্থ্য ভালো থাকে। (জন্ডিসে উপকারি)
# এক পেয়ালা কড়া-চায়ে একটা পাতিলেবুর রস মিশিয়ে খেলে মাথা ধরা সারে এবং মন চাঙ্গা হয়ে ওঠে।
# পাতিলেবুর রস বহুমূত্র রোগে (ডায়াবেটিসে) উপকারী।
# স্কার্ভি ও অস্থিসংক্রান্ত রোগে টাটকা লেবুর রস মহৌষধি।
# কয়েক ফোঁটা পাতিলেবুর রস পানিতে মিশিয়ে পান করলে চোখের জ্যোতি বাড়ে।
# শীতকালে হাত-পা জ্বালা করলে, ত্বক বা চামড়া ফেটে গেলে গ্লিসারিনের সঙ্গে লেবু মিশিয়ে মাখলে উপকার পাওয়া যায়।
# চুলকানিতে, গায়ে সূর্যের তাপ বেশী লেগে গেলে যে কষ্ট হয় তাতে লেবু রস বিশেষ উপকারী।
# বিচ্ছু বা বিষাক্ত পোকা কামড়ানো যায়গায় লেবু ঘষলে জ্বালা কমে।
# শরীরে কোন স্থানে কেটে গেলে এক টুকরো কাপড় লেবুর রস ভিজিয়ে ঐ স্থানে জড়িয়ে রাখলে রক্তপড়া বন্ধ হয়।
# ২ চা চামুচ লেবুর রস ও ২ চা চামুচ আদার রস মিশিয়ে তাতে একটু চিনি মিশিয়ে খেলে বদহজমজনিত সব রকমের পেট ব্যাথা সারে।
# লেবু আর পেঁয়াজের রস ঠান্ডা পানিতে মিশিয়ে খেলে বদহজমজনিত যে পেটের অসুখ হয়, এমনকি কলেরাতেও উপকার পাওয়া যায়।
# শোওয়ার আগে গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে সর্দি সারে।
# অল্প লেবুর রস মধুর সাথে মিশিয়ে চেটে খেলে প্রবল কাশি সেরে যায়। হাঁপানির আক্রমণে তৎক্ষণাৎ আরাম পাওয়া যায়।
# লেবুর রস আঙ্গুলে লাগিয়ে দাঁতের মাড়িতে মালিশ করলে দাঁত থেকে রক্ত পড়া বন্ধ হয়।
# লেবুর রসে চিনি ও পানি মিশিয়ে এক মাস ধরে রাতে শোয়ার আগে খেলে বহু পুরানো কোষ্ঠ্যকাঠিণ্য সেরে যায়।
# একটি পাকা পাতিলেবুর রসে অল্প মধু মিশিয়ে চাটলে শরীরের স্থূলতা কমে ও শরীরে স্ফূর্তি আসে।
# লেবুর রসে সর্ষের তেল মিশিয়ে ফুটিয়ে নিয়ে ঠান্ডা করে শিশিতে রেখে প্রতিদিন কানে ২ ফোটা করে দিলে পুজ পড়া, চুলকানি, কানের ব্যাথা এমনকি বধিরতায় উপকার পাওয়া যায়।
# লেবুর রস মুখে ঘষলে নানা কারণে ত্বকের যে দাগ পড়ে তা দূর হয়।
# লেবু, সর্ষের তেল সমপরিমাণে মাথায় লাগিয়ে তারপরে টক দই দিয়ে ঘষে মাথা ধুয়ে ফেললে, খুশকী, মাথার ছোট ছোট ফুস্কুড়ি, ইত্যাদিতে উপকার পাওয়া যায়।
# লেবুর রস মাথায় ভাল করে ঘষে নিয়ে চুল ধুয়ে ফেললে চুলের ময়লা দূর হয় এবং চুলকানি সারে। চুল চকচকে হয়।
# এক বালতি গরম বা ঠান্ডা পানিতে একটা লেবুর রস দিয়ে সেই পানিতে গোসল করলে চামড়া নরম ও উজ্জ্বল হয়।
সংগ্রহঃ "ঘরোয়া শাক-সবজিতে রোগ সারান ও কি রোগে কি ফল খাবেন"
- ডা: সাধন চন্দ্র লাহা, ভারত ও
- সৌমেন দাস (পুষ্টি বিশেষজ্ঞ)
- সাধনা মুখোপাধ্যায়, বি.টি. কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
আরও তথ্যের জন্য এই লিংকগুলোও ঘাটা যেতে পারে। 
১. গুণকারী পাতিলেবু
২. অপুষ্টি ও রোগ প্রতিরোধেশীতের শাক-সবজি ফলমূল- মো: আবদুর রহমান
আল্লাহ মালুম এত্তোকিছু কেমনে পরীক্ষা করছে!!!
লিখতে লিখতে জান শেষ!
এবার টেরাই করে দেখি! 


অফলাইন
আমার মানি ব্যাগ হারানো গেছে। 


আমি লেবু পছন্দ করি না।
তবে কমলা লেবু খুবই পছন্দের একটা ।
তথ্যগুলো শেয়ার করার জন্য লেবুর পরিবর্তে ধইন্যাপাতা গ্রহন করুন। 
অফলাইন
তাদের আমি পিট্টি দিবপ্রিয় কোন মানুষের ডায়বেটিক, হেপাটাইটিস সি, কিডনী ডেমেজ সব এক সাথে হলে কি করা যায়? এই রোগে এটা মানা, তো সেই রোগে সেটা। জন্ডিসে বেশি করে পানি খাও আর ডায়ালাইসিস রোগীর পানি খেতে হবে মেপে মেপে- আধা লিটার কি বেশি হলে ১ লিটার। যাহোক স্বাস্থ্যবটিকায় বিভিন্ন রোগ সম্পর্কেও অল্প কিছু আলোচনা রাখলাম। 
হেপাটাইটিসঃ
যকৃৎ ও হেপাটাইটিস সম্পর্কে কিছু কথা
দেহের ভেতর সবচেয়ে বড় যন্ত্র হলো লিভার বা যকৃৎ। পেটের ডান দিকে পাঁজরগুলোর পেছনে থাকা এ যন্ত্রের ওজন হলো ১•২ থেকে ১•৫ কিলোগ্রাম। কত এর কাজ! দেহের বিপাক কাজের কারখানা হলো যকৃৎ। রক্তকে বিষমুক্ত করা, হরমোন ও লোহিত কণিকাকে (পুরোনো) ভেঙে ফেলা; শর্করা, চর্বি ও প্রোটিনের বিপাক; পিত্ত নিঃসৃত করা; ভিটামিন, খনিজ ও লৌহ সঞ্চয়-এ রকম অনেক কাজের কাজি হলো যকৃৎ। অথচ যকৃৎ পুনর্জনন হতে পারে, নতুন যকৃৎ টিস্যু গড়ে উঠতে পারে। তাই এর বড় অংশ নষ্ট হলেও যকৃৎ কর্মক্ষম থাকতে পারে।
হেপাটাইটিস মানে যকৃতের প্রদাহ। এর কারণ হিসেবে রয়েছে ভাইরাস, অ্যালকোহল, ওষুধ, অন্যান্য বিষ। মাঝেমধ্যে দেহের প্রতিরোধের ব্যবস্থা নষ্ট হলেও যকৃতের প্রদাহ হতে পারে। পাঁচটি ভাইরাস হেপাটাইটিস ঘটাতে পারে। হেপাটাইটিস ‘এ’, ‘বি’, ‘সি’, ‘ডি’ ও ‘ই’। এই ভাইরাসগুলোকে মূলতঃ দুভাগে ভাগ করা যায় যেমন
এক) পানি ও খাদ্যবাহিত ভাইরাস, যথাক্রমে হেপাটাইটিস এ ও হেপাটাইটিস ই এবং
খ) রক্ত কিংবা দূষিত সিরিঞ্জ সুই-এর মাধ্যমে বাহিত ভাইরাস, যথা, হেপাটাইটিস বি, সি ও ডি।
হেপাটাইটিস রোগটি যেমন একিউট হতে পারে, তেমনি হতে পারে ক্রনিক। একিউট রোগটি ক্ষণস্থায়ী, গুরুতর হলেও কয়েক সপ্তাহে আরোগ্য হতে পারে, দেহের ওপর তেমন কুফল পড়ে না। ক্রনিক হেপাটাইটিস দীর্ঘ সময় থাকে, হয়তো বা জীবনভর। যেসব হেপাটাইটিস ভাইরাস ক্রনিক সংক্রমণের পথে যায়, এটি যকৃতের অনেক ক্ষতি ঘটাতে পারে। কারণ ভাইরাসের পুনর্জনন ঘটে যকৃতে। কালক্রমে অনেক যকৃৎকোষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকে, ধ্বংস হতে থাকে, ক্ষত শুকিয়েও যায়। তন্তুতে ভরে যেতে থাকে যকৃৎ। এই প্রক্রিয়াকে বলে ‘ফাইব্রোসিস’। ফাইব্রোসিস গুরুতর হলে যকৃৎ কঠিন হয়ে যায়, নিষ্ক্রিয় হয়ে যেতে পারে। একে বলে লিভার সিরোসিস।
হেপাটাইটিস ‘বি’র টিকা থাকলেও ‘সি’ ভাইরাস প্রতিরোধের কোনো টিকা নেই।
সংক্রমিত রক্তের সরাসরি সংস্পর্শে এর সংক্রমণ ঘটে।
হেপাটাইটিস ‘বি’ ভাইরাস প্রতিরোধে কী করবেন
?? হেপাটাইটিস ‘বি’ ভাইরাসের জন্য টিকা নেওয়া।
?? নিরাপদ যৌনাচার (কনডম ব্যবহার)।
?? রক্ত ও রক্তজাতদ্রব্য স্পর্শ করার পর হাত ভালো করে ধোয়া।
?? কাউকে ফার্স্ট এইড দেওয়ার সময়, রক্ত বা দেহ-তরল পরিষ্কার করার সময় হাতে গ্লাভ্স পরা।
?? টুথব্রাশ, রেজার, সুচ, সিরিঞ্জ, ব্যক্তিগত ব্যবহার্য কাপড় অন্য কেউ ব্যবহার না করা।
?? ইনজেকশন বা শেভ করার সময় একবার ব্যবহার্য (ডিসপোজেবল) সুচ-সিরিঞ্জ ও ব্লেড-রেজার ব্যবহার।
?? সব ক্ষতকে ব্যান্ডএইড বা ব্যান্ডেজ দিয়ে ঢেকে রাখা।
?? ব্যক্তিগত ব্যবহার্য-যেমন টিস্যু, স্যানিটারি প্যাড, টেমপুন, ব্যান্ডেজ-সিল করা ব্যাগে ভরে যথাযথ স্থানে ফেলা।
হেপাটাইটিস ‘সি’ কীভাবে প্রতিরোধ করা যায়
?? সংক্রমিত রক্ত ও রক্তজাত দ্রব্যের সংস্পর্শে না আসা।
?? ইনজেকশনের যন্ত্রপাতি পরস্পর ব্যবহার না করা।
?? ব্যক্তিগত টয়লেট দ্রব্য-যেমন রেজার, টুথব্রাশ, নেল ক্লিপার এবং ত্বক ফোটানো ও রক্ত গ্রহণের যন্ত্রপাতি অন্য কেউ ব্যবহার না করা।
?? হাতের কাছে ফার্স্ট এইড কিট রাখা।
?? ত্বকে কাটাছেঁড়া, ক্ষত পরিষ্কার রাখা ও ওয়াটারপ্রুফ ব্যান্ডেজ দিয়ে ঢেকে রাখা।
?? রক্তে ভেজা বা রক্তাক্ত যেকোনো দ্রব্য-যেমন টয়লেট দ্রব্য, স্যানিটরি প্যাড, টেমপুন, প্লাস্টিক ব্যাগে ভরে যথাযথ স্থানে ফেলা।
বিস্তারিতঃ
[১] বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস
[২] আপনি কি নম্বর ১২?
[৩]স্বাস্থ্য সুরক্ষা


অফলাইন
এক পাশে সাগর-এক পাশে বালি...আমার ছোট তরীধন্যবাদ মুনাপু।
বাংলাদেশে হেপাটাইটিস ‘সি’-এর চিকিৎসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাই।
অফলাইন