Forum, Projanmo, projonmo, Bangla Forum, Bangladeshi Forum,Bangladesh,Adda, bangla, community, bulletin board, software, hardware, information technology, mobile, politics, history, culture, friendship, tutorial,get together, university, study, higher study, computer, trouble, troubleshooting, telecome

#১ ০৬-০৫-২০০৮ ১৯:৪০

ফকিরইলিয়াস
নবাগত
থেকে: NEWYORK . USA
নিবন্ধিত হয়েছেন: ২০-০২-২০০৮
পোস্ট: ৫০
ওয়েবসাইট

অর্থনৈতিক মন্দায় কাঁপছে যুক্তরাষ্ট্র

অর্থনৈতিক মন্দায় কাঁপছে যুক্তরাষ্ট্র
ফকির ইলিয়াস
===================================
প্রেসিডেন্ট বুশ স্বীকার করে নিলেন, বিশ্বের অর্থনৈতিক মন্দাভাব কাটাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অনেক কিছু করার আছে। তিনি বললেন, গোটা বিশ্বে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি খুবই শংকার কারণ। যুক্তরাষ্ট্রে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম যে প্রতিদিন বাড়ছে তা কাঁপিয়ে তুলেছে প্রশাসনকে। গেল ২৯ এপ্রিল মঙ্গলবার দুপুরে প্রেসিডেন্ট হোয়াইট হাউসের লনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিচ্ছিলেন।
একজন সাংবাদিক জানতে চান, আমেরিকা চালের জন্য প্রসিদ্ধ ছিল। সেই যুক্তরাষ্ট্র চালের দাম এমনভাবে হু হু করে বাড়ছে কেন? প্রেসিডেন্ট বলেন, বিশ্বজুড়ে খাদ্য সংকট চলছে। আমরা তা কাটিয়ে উঠতে চেষ্টা করছি। প্রেসিডেন্ট মিডিয়া, জনগণ এবং রাজনীতিকদের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, এ সংকট মানবতাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে। আসুন আমরা তা সাহসের সঙ্গে মোকাবেলা করি।
জর্জ বুশ বলেন, আমি প্রতিটি ক্রেতা সংস্থাকে অনুরোধ করি, আপনারা স্থানীয় কৃষকের কাছ থেকে ফলমূল, শাকসবজি কিনে তা বাজারজাত করুন। প্রতিটি ফার্মের মালিক যাতে তার প্রোডাক্ট বিক্রী করে অর্থনৈতিক সচ্ছলতা আনতে পারেন সেদিকে নজর দিতে হবে। তিনি বলেন, আমি ইতিমধ্যেই কংগ্রেসকে অনুরোধ করেছি, কংগ্রেস যেন ফেডারেল সুদের হার কমানোর বিলটি শিগগিরই পাস করে। এছাড়া খাদ্য মন্ত্রণালয়কে মোটা অংকের বরাদ্দ দিয়ে মার্কিনিদের খাদ্য সমস্যা ও সাময়িক সংকট পুষিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থাও যেন করে কংগ্রেস।
রাষ্ট্রক্ষমতা ছেড়ে দেওয়ার মাত্র কয়েক মাস আগে বুশ প্রশাসনকে যে এমন সংকটে পড়তে হবে তা অনুমান করেননি প্রেসিডেন্ট বুশ নিজেও। চাল, আটা, ময়দা এবং এসবের দ্বারা নির্মিত খাদ্যদ্রব্যগুলোর চড়ামূল্য মারাত্মকভাবে ভাবিয়ে তুলেছে মার্কিনি জনজীবনকে। ‘কস্টকো’, ‘জেটরো’, ‘ওয়ালমার্ট -প্রভৃতি হোলসেলার কোম্পানি সাপ্লাই দিতে হিমশিম খাচ্ছে। তারা সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দিয়ে চাল, ময়দা, আটা, সয়াবিন তেলসহ এরকম নিত্যব্যবহার্য কিছু খাদ্যদ্রব্যের ‘হাই ডিম্যান্ডের’ কারণে খুচরো বিক্রেতাদের সীমিত সাপ্লাই দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।  খুচরো বিক্রেতাদের আগের ক্রয় তালিকা অনুসারে এখন সাপ্লাই দেওয়া হবে। অর্থাৎ এক মাস আগে যে খুচরো বিক্রেতা দু’শ বস্তা চাল কিনেছেন, এখন তিনি হঠাৎ একসঙ্গে পাঁচ শ’ বস্তা কিনতে পারবেন না।
যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও বাণিজ্য বিভাগের ইন্সপেক্টররা ইতিমধ্যেই মাঠে নেমেছেন জোরেশোরে। কেউ সুযোগ নিয়ে মজুদ করে মুনাফা লুটতে চাইছে কি-না তা তারা যাচাই করে দেখছেন। বিভিন্ন সুপার মার্কেটে মেয়াদোত্তীর্ণ জিনিসপত্র বিক্রি করা হচ্ছে কি-না তাও তল্লাশি করে দেখার প্রবণতা বেড়েছে। কারণ মনে করা হচ্ছে, সুযোগ নিয়ে কেউ কেউ পুরনো খাদ্যসামগ্রী বিক্রির চেষ্টায় লিপ্ত হতে পারে। পাকা কলার পাউন্ড যেখানে ছিল ৫০ সেন্ট, তা এখন হয়েছে ১ ডলার। শাক ৭০ সেন্ট পাউন্ড থেকে এখন হয়েছে ১ ডলার ৩০ সেন্ট। দুধ, ব্রেড, ফলমূল, সবকিছুর দাম বেড়েছে ৫০ শতাংশ।
যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশি কমিউনিটিতে নেমে এসেছে চরম মন্দাভাব। বাংলাদেশ থেকে আমদানিকৃত হিমায়িত মাছ, মসলাপাতি, শুকনো খাবারসহ সব আইটেমের দাম বেড়ে গেছে মাত্র ক’সপ্তাহের ব্যবধানে। সে তুলনায় নিম্নবিত্তের আয় বাড়ছে না। বেকারের সংখ্যা বেড়েছে ছ’মাসের ব্যবধানে ২৭ শতাংশ। চলতি বছরের এ সংকট মার্কিনিদের ‘দ্য গ্রেট ডিপ্রেশনের’ (১৯২৯-১৯৪১) কথাই স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে। আয়-ব্যয়ে অসঙ্গতি, অর্থনৈতিক স্বচ্ছতা নির্মাণে ব্যর্থতা, স্টক মার্কেটে তীব্র অদূরদর্শিতা, পুঁজিবাদের একক দাপট, যু্দ্ধ খাতে অনর্থক ব্যয়, কৃষিক্ষেত্রে সমস্যা, ট্যাক্সের বাড়তি চাপ এবং রাজনৈতিক অবহেলাকে এ মন্দার কারণ বলে চিহিক্রত করেছেন মার্কিনি বিশেষজ্ঞরা।
বিশিষ্ট সমাজবিজ্ঞানী অধ্যাপক ইভান ইয়েনসের মতে, দীর্ঘ ৮ বছরে বুশ প্রশাসন তিলে তিলে ধস নামিয়েছে মার্কিন অর্থনীতিতে। এদিকে টাইম ওয়ার্নার, ডেল কম্পিউটার্স, আর্থলিংক, সিটি ব্যাংক, চেজ ব্যাংক, আমেরিকা অনলাইনসহ বেশকিছু বড় কোম্পানি আরো কয়েক হাজার লোক ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দিয়েছে। আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টিকে হারিয়ে ডেমোক্র্যাটরা ক্ষমতায় আসতে পারবে কি-না তা নিয়ে দ্বিধাদ্বন্ধ বাড়ছে প্রতিদিনই। হিলারি-ওবামা দু’জন আক্রমণ-পাল্টাআক্রমণ করেই চলেছেন। অন্যদিকে শক্তি সঞ্চয় করে চলেছেন রিপাবলিকান প্রার্থী জন ম্যাককেইন।
-------------------------------------------------------------------------------
দৈনিক সমকাল / ঢাকা/ ৬ মে ২০০৮ মংগলবার প্রকাশিত।

অফলাইন

 

#২ ৩০-০৯-২০০৮ ১৯:০১

ইয়ানূর
পাঁড়ফোরামিক
Current Status...আমার চুল কেনো নড়ে জানি!!!
থেকে: সাভার
নিবন্ধিত হয়েছেন: ১২-০৪-২০০৮
পোস্ট: ১০৬৭
ওয়েবসাইট

Re: অর্থনৈতিক মন্দায় কাঁপছে যুক্তরাষ্ট্র

ওদের চিন্তা করার সময় কোথায় বলেন, নিজের দেশের অবস্থা ১২টা? আসলে তামাম পৃথিবীর ব্যবসা-বাণিজ্য একটা সাইকেলিং আকারে ঘুরে, যার কারনে কম বেশ সবখানে এক মৃদু বা ভারী আঘাত হানতে সক্ষম হয়।
ভাবী দিনগুলো শুধু ভাবাই আমাকে hairpullhairpullhairpullhairpullhairpullkiddingkiddingkidding

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন ইয়ানূর (৩০-০৯-২০০৮ ১৯:০৩)


-----------------------
Md. Rakibul Karim (Yeanoor)
আমি চাষা ভূষর;লোভ, হিংসা ও অহংকার পরিহার করুন।
http://rakibul.wordpress.com

অফলাইন

 

#৩ ৩০-০৯-২০০৮ ২২:৩০

শামীম
সমন্বয়ক
Current Status...যুদ্ধের কী দরকার!
থেকে: ঢাকা, বাংলাদেশ।
নিবন্ধিত হয়েছেন: ২৪-০১-২০০৭
পোস্ট: ২৯৮১
ওয়েবসাইট

Re: অর্থনৈতিক মন্দায় কাঁপছে যুক্তরাষ্ট্র

বিশ্ব অর্থনীতি এবং রাজনীতি আমার আগ্রহের বিষয়গুলির একটি। উপরের সংবাদে খাদ্যদ্রব্যের দামের উপরে বিশেষভাবে জোর দিয়েছেন  .... কিন্তু এটাই নিশ্চয়ই একমাত্র কারণ নয়।

অর্থনীতি বিষয়ে সুবিনয় মুস্তফি, ফারুক ওয়াসিফ ভাই এবং আরও কারো লেখা পেলে পড়ি .... সেইরকম একটা লেখা থেকে কিছু অংশ উদ্ধৃত করছি

dinmojur@yahoo.com
******দিনমজুর*************** লিখেছেন:


প্রকৃত সত্য হলো, এখনও দুনিয়ার মোট উৎপাদন- মোট চাহিদার তুলনায় বেশি। এটা ঠিক যে, বিগত কিছু সময়ে খাদ্য উতপাদন কিছু কমেছে, দুনিয়ার খাদ্য মজুদও কমছে। গত বছরে গমের মজুদ কমেছে ১১ শতাংশ। কিন্তু আসলেই কি সবজায়গাতে খাদ্য উৎপাদন কমেছে? উত্তর অবশ্যই না। বরং বেড়েছে। ১৯৮০ সালের তুলনায় বর্তমানে খাদ্যশস্য উৎপাদন বেড়েছে ৪০ শতাংশ- যা জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারের তুলনায় অনেক বেশি, যদিও এসময় দুনিয়াব্যপি ক্ষুধার্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮৫৪ মিলিয়ন- এই ক্ষুধার্ত জনগোষ্ঠী বৃদ্ধির হারও জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারের তুলনায় অনেক বেশি।

সূত্র:http://www.sachalayatan.com/guest_writer/12782

একই লেখা থেকে আরেকটু উল্লেখ করি:

আমেরিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের উচ্চ ভর্তুকির কারণে বিশ্বব্যপি কৃষিপণ্যের দাম কমে যায়। আর উল্টো দিকে- তৃতীয় বিশ্বে ভর্তুকি কমা, বেসরকারি খাতে কৃষি উপকরণের দাম বাড়া, রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ কমা প্রভৃতি কারণে কৃষি উৎপাদনের খরচ বাড়তে থাকে। আবার অন্যদিকে মুক্তবাজারের কারণে উন্নত দেশসমূহের কমদামের পণ্যের মুখে উন্নয়নশীল দেশের পণ্য টিকতে পারে না। ফিলিপিন, ভারত, শ্রীলংকা সহ উন্নয়নশীল দেশসমূহের অসংখ্য চাষী দেউলিয়া হয়ে পড়েছে। ফিলিপন বিশ্লেষক এইলেন কও বলেছেন, শস্যের মূল্য একবার কমে যাওয়ার কারণে দেখা গেছে, প্রতিযোগিতায় টিকতে পারবে না বলে অনেক কৃষক ভুট্টা জমিতেই রেখে এসেছেন এবং সেগুলো জমিতেই পঁচে নষ্ট হয়। ঘানার মাঠের মাঠ পতিত পরে থাকতে দেখা যায়, তারই পাশে দেখা যায়- আমদানিকৃত খাদ্য শস্যের বস্তা।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা যেখানে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে কৃষি থেকে ভর্তুকি কমানোর জন্য তদ্বির করে যায়, সেখানে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং আমেরিকা কৃষিখাতে ইতিমধ্যেই প্রচুর ভর্তুকি দিয়ে বাজারকে একটা অসম প্রতিযোগিতার দিকে ঠেলে দিয়েছে। বিশ্ববাণিজ্য সংস্থার নিয়মকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোয় আমেরিকার বিরূদ্ধে ব্রাজিলের তুলা চাষীরা অসম আচরণের মামলা প্রায় একযুগ ঝুলিয়ে রাখার পর আমেরিকার বিরূদ্ধেই রায় গিয়েছিল। এখন আবার সেখানেই আরো কৃষি ভর্তুকি দেয়ার কথা বলে .... ব্যাপারটা একই ভুলের পুণরাবৃত্তির মতই শোনাচ্ছে।

কোন এক জায়গায় পড়েছিলাম যে, আমেরিকার উদ্বৃত্ত শষ্য জাহাজ ভর্তি করে আটলান্টিকে ফেলে দেয়। কারণ ওই শষ্য অন্য দেশে দান করলে বা বিক্রয় করলে বাজার নষ্ট হবে ... অন্যরা আরো গরীব থাকবে না .... ইত্যাদি বিরাট পঙ্কিল রাজনীতি।

এছাড়া কিছুদিন পূর্বে বিশ্বে হঠাৎ করে খাদ্য শষ্যের দাম বেড়ে যাওয়ার পেছনে যে আন্তর্জাতিক ৩/৪টি সংস্থার মনোপলি ব্যবসা কাজ করেছে সেটাও পড়েছিলাম। জৈবজ্বালানী তৈরীর পেছনে যে দোষ দেয়া হয়েছিল সেটা উদ্দেশ্যপ্রনোদিত বলেই মনে হয়েছিল। ঐ সময়ে সারা বিশ্বের মন্দার সময়েও ঐ কয়েকটি কৃষিভিত্তিক কম্পানী বিলিয়ন ডলারের মুনাফা করেছিল। কিন্তু ঐ বিষয়ে হলুদ মিডিয়ায় তেমন একটা প্রচার দেখি না ....

গতকাল ৭০০ বিলিয়ন ডলারের ভর্তূকি প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পরপরই ওবামা'র লাইভ বক্তব্য দেখলাম ... উনি এই মন্দার জন্য ওয়াল স্ট্রীটের অদক্ষতাকেই (এবং সীমাহীন দূর্নীতি) দায়ী করেছেন।

বলাই বাহুল্য সারাবিশ্বের সেরা সন্ত্রাসীগোষ্ঠি হিসেবে নিজেদেরকে সকলের ধরা ছোঁয়ার বাইরে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমেরিকান সরকার সারা পৃথিবীতেই শুধু অত্যাচার চালায় নাই, তাদের নিজের জনগণকেও কৃতদাসের মত ব্যবহার করছে ... যার ফলশ্রুতিতে এই রকম বিপর্যয় আবশ্যম্ভাবী ছিল।

তাই, আমেরিকার জনগণের ট্যাক্সের পয়সা দিয়ে ঐসকল পুঁজিবাদীদের স্বার্থ রক্ষা না করে বরং সুস্থ অর্থনৈতীক ব্যবস্থা নিশ্চিত করলেই দীর্ঘমেয়াদে পুরা বিশ্ব লাভবান হবে।

অফলাইন

 

#৪ ৩০-০৯-২০০৮ ২৩:১৭

মেহেদী আকরাম
প্রজন্ম গুরু
Current Status...নামাজ পড়তে মাত্র কয়েক মিনিট সময় লাগে। আপনি আজকের নামাজ পড়েছেন কি???
থেকে: ঢাকা
নিবন্ধিত হয়েছেন: ১২-০৪-২০০৮
পোস্ট: ২৯৬১
ওয়েবসাইট

Re: অর্থনৈতিক মন্দায় কাঁপছে যুক্তরাষ্ট্র

আমিতো ভাবলাম ইলিয়াস ভাই ফিরে এসেছে।


-----------------------
সবকিছুর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি, এমনকি মৃত্যুর জন্যও...
আমার বর্তমান  এবং স্থায়ী আবাস।
www.shamokaldarpon.com

অফলাইন

 

Board footer

এটি তৈরি করা হয়েছে পানবিবি ইঞ্জিনের উপর
অনুবাদ ও পরিচালনা: দ্যা হাঙ্গরিকোডার
পানবিবি'র স্বত্ব:  পানবিবি
তথ্য বিনিময় (সিন্ডিকেশন)

[ Generated in 0.075 seconds, 11 queries executed ]