Forum, Projanmo, projonmo, Bangla Forum, Bangladeshi Forum,Bangladesh,Adda, bangla, community, bulletin board, software, hardware, information technology, mobile, politics, history, culture, friendship, tutorial,get together, university, study, higher study, computer, trouble, troubleshooting, telecome

#২১ ১৮-০৬-২০০৮ ১৬:৫৭

মহাকাল
নিয়মিত
থেকে: মেলবোর্ন
নিবন্ধিত হয়েছেন: ২৬-০৪-২০০৮
পোস্ট: ১৮২

Re: ইলেক্ট্রনিক্স

ওহমের সূত্র: ইলেক্ট্রনিক্সের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূত্র, V = I × R । যেখানে R হল কোন রোধকের রোধের মান, V হল রোধকের দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য, I হল রোধকের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত কারেন্ট। যে কোন দুইটির মান জানা থাকলে তৃতীয়টির মান বের করা যায়।

রোধক নিয়ে কথা বার্তা মোটামুটি শেষ। এখন একটু অন্য কথায় আসি। সিরিজ সংযোগ আর সমান্তরাল সংযোগের ধারণা আগেই পেয়েছেন। তার সাথে আর একটু যোগ করছি।

সিরিজ সংযোগে প্রবাহিত কারেন্টের মান পরিবর্তিত হয় না। নিচের চিত্র ভিত্তি করে বলি তাহলে পরিষ্কার হবে। এখানে R3 ও R4 সিরিজ আকারে সংযুক্ত; এদের মধ্যে দিয়ে একই পরিমাণ কারেন্ট I প্রবাহিত হচ্ছে। তবে সমান্তরাল সংযোগে যুক্ত R1(এর মধ্যে প্রবাহিত কারেন্ট I1) ও R2 (এর মধ্যে প্রবাহিত কারেন্ট I2) এর ক্ষেত্রে I = I1 + I2 অর্থাৎ মূল কারেন্ট  I দুইটি পথে বিভক্ত হয়ে যাবে।

ভোল্টেজের ক্ষেত্রে এর বিপরীত। R3 এর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য V1 এবং R4 এর V2। উৎসের বিভব  V । সিরিজ সংযোগের জন্য, V = V1 + V2। আর সমান্তরাল R1 ও R2 এর বিভবের কোন পরিবর্তন হবে না, এদের দুইপ্রান্তের বিভব হবে V।

http://forum.projanmo.com/uploads/2008/06/1182_ohm.JPG

বুঝাতে পারলাম তোthinking গত কিছুদিন একটু ব্যস্ত ছিলাম, তাই লিখতে পারিনি। আরেকটু নিয়মিত লেখার চেষ্টা করব।

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মহাকাল (১৮-০৬-২০০৮ ২১:১৩)


-----------------------
জ্ঞান => শক্তি ; প্রয়োগ => ক্ষমতা ; অভিজ্ঞতা => দক্ষতা

অফলাইন

 

#২২ ১৮-০৬-২০০৮ ১৮:৫৩

ত্বোহা
প্রজন্মাসক্ত
Current Status...ভীষণ ব্যস্ত, পরীক্ষা আর পরীক্ষা
থেকে: سرت - ليبيا
নিবন্ধিত হয়েছেন: ২৮-০২-২০০৭
পোস্ট: ৮৫১
ওয়েবসাইট

Re: ইলেক্ট্রনিক্স

ফাটাফাটি টপিক +++

চালিয়ে যান। আরও নতুন নতুন বিজ্ঞান এবং গণিত বিষয়ক টপিক খুলুন।

আশা করছি সবাই এটাকে আরো সমৃদ্ধ করবে এবং আগামী সেমিস্টারে আমি এখান থেকে ফায়দা লুটব ... wink

অফলাইন

 

#২৩ ২০-০৬-২০০৮ ১০:৪৬

মহাকাল
নিয়মিত
থেকে: মেলবোর্ন
নিবন্ধিত হয়েছেন: ২৬-০৪-২০০৮
পোস্ট: ১৮২

Re: ইলেক্ট্রনিক্স

ক্যাপাসিটর (ধারক) নিয়ে আলোচনা শুরু করার আগে, এ.সি (AC) ও ডি.সি. (DC) কারেন্ট এবং ভোল্টেজ নিয়ে কিছু কথা বলে নেই।

ডি.সি.(DC): DC মানে Direct Current। যে ভোল্টেজ বা কারেন্ট এর মান সব সময় স্থির থাকে এবং কোন একটি মাত্র নির্দিষ্ট দিকে প্রবাহিত হয় (সময়ের সাথে এর দিক পরিবর্তীত হয় না), সে ভোল্টেজ বা কারেন্টকে ডিসি ভোল্টেজ বা ডিসি কারেন্ট বলে। ডিসি ভোল্টেজ বা কারেন্টের উৎস হল: ব্যাটারী, সৌরকোষ ইত্যাদি। ডিসি ভোল্টেজ উৎস ডিসি কারেন্ট উৎপন্ন করে।

গ্রাফে :
http://forum.projanmo.com/uploads/2008/06/1182_dc.JPG

এ.সি (AC): AC মানে Alternating Current। অর্থাৎ যে ভোল্টেজ বা কারেন্টের মান ও দিক সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তীত হয় তাকে এ.সি. কারেন্ট বা ভোল্টেজ বলে। এরকম উৎস হল: জেনারেটর । এ.সি ভোল্টেজ উৎস এ.সি কারেন্ট উৎপন্ন করে।

গ্রাফে:
http://upload.wikimedia.org/wikipedia/en/thumb/e/ea/Sine_wave.svg/320px-Sine_wave.svg.png

এখানে দেখা যাচ্ছে, শুরুতে ভোল্টেজের মান ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেয়ে এক পর্যায়ে সবোচ্র্চ হয়েছে (একে বলা হয় পিক ভোল্টেজ,Vp; এখানে Vp=1V)। এরপর তা ক্রমান্বয়ে হ্রাস পেয়ে একপর্যায়ে শূন্য হয়েছে। এ মুহুর্তে এসে উৎসের ভোল্টেজ পরিবর্তীত হয়েছে (উচ্চ বিভব প্রান্ত নিম্ন বিভব প্রান্তে পরিণত হয়েছে, vice versa)। ফলাফল স্বরূপ কারেন্টেও দিক পরিবর্তন করেছে (প্রথমে যে দিকে প্রবাহিত হয়েছিল তার বিপরীত দিকে প্রবাহিত হতে শুরু করেছে)। পরিবর্তীত ভোল্টেজ একসময় যথারীতি সবোচ্র্চ হয় এবং আবার শূণ্যে উপনীত হয়। সবশেষে পুনরায় দিক পরিবর্তন করে একেবারে শুরুর অবস্থায় ফিরে যায়। (উৎসের বিভব পরিবর্তীত হয় তড়িৎচুম্বকীয় ক্ষেত্রের ঘূর্ণনের কারনে (জেনারেটরের ভিতর), এ ব্যাপারে পরবর্তীতে আলোচনা করার চেষ্টা করব)

এভাবে একটি চক্র (cycle) পূর্ণ হয় (শূণ্য -> সর্বোচ্চ -> শূণ্য -> দিক পরিবর্তণ করে সর্বোচ্চ ->পরিবর্তীতে দিকে শূন্য-> দিক পরিবর্তন করে পুনরায় প্রাথমিক অবস্থায় আসা)। কোন উৎস প্রতি সেকেন্ডে যতগুলো চক্র পূর্ণ করছে তাকে সেই উৎসের কম্পাংক (frequency) বলে। আমাদের দেশের মেইন পাওয়ার লাইনের কম্পাংক ৫০ হার্জ। অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে ৫০ টি চক্র পূর্ণ হয়। কম্পাংকের একক হার্জ (Hz)।

উপরের গ্রাফে যে ডট ডট লাইন দেখা যাচ্ছে তা হল, এই পরিবর্তনশীল ভোল্টেজের গড় মান (Root Mean Square, Vrms: মূল বর্গীয় গড় মান)। ইহা নির্ণয়ে নিয়ম হল:  Vrms =Vp/(root 2); যেমন এখানে Vp হল 1V  তাই Vrms হবে 0.707V ।

আমাদের দেশে মেইন পাওয়ার লাইনের ভোল্টেজ হল 220V । ইহা আসলে RMS মান। এর Vp হল = 220 x (root 2) = 311.1V

আজ এ পর্যন্তই। ধন্যবাদ।smile

এ.সি. গ্রাফ: উইকিপিডিয়া।

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মহাকাল (২০-০৬-২০০৮ ১০:৫১)


-----------------------
জ্ঞান => শক্তি ; প্রয়োগ => ক্ষমতা ; অভিজ্ঞতা => দক্ষতা

অফলাইন

 

#২৪ ২২-০৯-২০০৮ ১৮:২০

মহাকাল
নিয়মিত
থেকে: মেলবোর্ন
নিবন্ধিত হয়েছেন: ২৬-০৪-২০০৮
পোস্ট: ১৮২

Re: ইলেক্ট্রনিক্স

তড়িৎ ক্ষেত্র: কোন চার্জিত বস্তু তার চারপাশে যে অঞ্চলব্যাপী প্রভাব বিস্তার করে অর্থাৎ যে অঞ্চল পর্যন্ত অন্য সমধর্মী চার্জিত বস্তুকে বিকর্ষণ বা বিপরীতধর্মী চার্জিত বস্তুকে আকর্ষণ করে, তাকে ঐ চার্জিত বস্তুর তড়িৎ ক্ষেত্র বলে। চার্জ যত বেশী হবে তড়িৎ ক্ষেত্রের বিস্তৃতি ও প্রাবল্য ( আকর্ষণ বা বিকর্ষণের তীব্রতা) তত বেশী হবে।

চার্জের একক কুলম্ব। আগেই বলেছিলাম যে চার্জের প্রবাহ হল কারেন্ট। আরও নির্দিষ্ট করে বললে একক সময়ে কোন পরিবাহীর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত চার্জকে অর্থাৎ চার্জ প্রবাহের হারকে কারেন্ট বলে। t সময়ে Q চার্জ প্রবাহতি হলে, কারেন্ট I = Q/t।

ধারক (Capacitor): পরা-বৈদ্যুতিক (Di-electric) পদার্থ (অন্তরক জাতীয় পদার্থ) দ্বারা বিচ্ছিন্ন দুইটি সমান্তরাল পরিবাহী পাত (প্লেট) নিয়ে গঠিত ইলেক্ট্রনিক কম্পোনেন্টকে ধারক বা ক্যাপাসিটর বলে। মূলত সাময়িকভাবে তড়িৎ শক্তি জমা করে রাখার জন্য ধারক ব্যবহৃত হয়। ধারক দুই প্রান্ত বিশিষ্ট http://thumbnails.imajr.com/2236.bmp-1230244.jpg Through Hole বা http://thumbnails.imajr.com/24.bmp-1230246.jpgSurface Mount আকারে পাওয়া যায়। সার্কিটে সাধারণ ধারক http://upload.wikimedia.org/wikipedia/commons/thumb/6/6d/Capacitor_Symbol_alternative.svg/37px-Capacitor_Symbol_alternative.svg.png এই চিহ্ন দ্বারা প্রকাশ করা হয়।


http://img135.imageshack.us/img135/5274/capck9.jpg
উপরের সার্কিটের চিত্রের মাধ্যমে ধারক কিভাবে কাজ করে এবং তড়িৎ শক্তি সঞ্চয় করে তা ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছি।

ব্যাটারী বা ডি.সি কারেন্টের উৎস দুইটি প্রান্ত বিশিষ্ট: ধনাত্মক (উচ্চ বিভব) ও ঋনাত্মক (নিম্ন বিভব)। স্বাভাবিক ভাবে পরিবাহক দ্বারা এই দুইটি প্রান্ত যুক্ত করলে বিদ্যুত প্রবাহিত হবে যতক্ষণ না দুই প্রান্তের বিভব সমান হবে। ব্যাটারি ও অন্যান্য তড়িৎ উৎস সম্পর্কে পরবর্তীতে বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করব।

রোধক বা লোড (বৈদ্যুতিক বাল্ব বা মোটর; সকল লোডের কিছুনা কিছু রোধ আছে) দ্বারা কারেন্ট নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। এখন ব্যাটারীর ধনাত্মক প্রান্ত হতে ধনাত্মক চার্জ প্রবাহিত হয়ে ধারকের একটি প্রান্তে পৌছায়। ঐ প্রান্তের পরিবাহী পাত তখন সে ধনাত্মক চার্জ গ্রহন করে এবং নিজে ধনাত্মক আধান বিশিষ্ট পাতে পরিণত হয়। এই চার্জিত পাত এর বৈদ্যুতিক ক্ষেত্রের মধ্যে অবস্থিত অন্যান্য চার্জিত বস্তুকে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ করতে পারে চার্জের ধরণের উপর নির্ভর করে।

আধান নিরপেক্ষ অবস্থায় বস্তুতে সমান পরিমাণ ধনাত্মক ও ঋনাত্মক চার্জ থাকে। এখন ধারকের ধনাত্মক চার্জবিশিষ্ট পাতটি তার তড়িৎক্ষেত্রে অবস্থিত অপর পাতের ধনাত্মক চার্জকে বিকর্ষণ করবে। ফলে অপর পাতটি ধনাত্মক চার্জ হারিয়ে ঋনাত্মক আধান বিশিষ্ট হবে। ধারকের পাত দুইটি পরাবৈদ্যুতিক (অন্তরক জাতীয়) পদার্থ দ্বারা বিচ্ছিন্ন তাই ধনাত্মক পাত হতে ধনাত্মক আধান সরাসরি ঋনাত্মক পাতে যেতে পারবে না। তাই যতক্ষণ পর্যন্ত ব্যাটরী কারেন্ট সরাবাহ করে যাবে ততক্ষণ পর্যন্ত দুই পাতে বিপরীতধর্মী আধান বজায় থাকবে। আর যে ধনাত্মক আধান দ্বিতীয় পাত হতে বের হয়ে গিয়েছিল তা ব্যাটারীর ঋনাত্মক প্রান্তে গিয়ে সার্কিট পূর্ণ করবে।

লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, বিপরীত চার্জবিশিষ্ট ধারকের পাতদ্বয় ব্যাটারীর বিপরীতধর্মী দুই প্রান্তের অনুরূপ। পুরো চার্জ অবস্থায় ধারকের পাতদ্বয়ের বিভব পার্থক্য   ব্যাটারীর দুইপ্রান্তের বিভব পার্থক্যের সমান হয়।

লক্ষ্যনীয়, প্রাথমিক অবস্থায় চার্জহীন পাতদ্বয়ের মোট ইলেক্ট্রনের সংখ্যা, পূর্ণ চার্জ অবস্থায়ও অপরিবর্তীত থাকে। অর্থাৎ ধারক কোন অতিরিক্ত ইলেক্ট্রন বা চার্জ জমা করে না। যতগুলো চার্জ একটি পাত গ্রহণ করে ঠিক ততগুলো পাত অপর পাত ত্যাগ করে। ধারকে দুই পাতে ভিন্নধর্মী চার্জ সৃষ্টির কারণে বিভব পার্থক্য সৃষ্টি হয়। এই বিভবের আকারে তড়িৎ শক্তি ধারকে সঞ্চিত হয়।

উপরের সার্কিটে লোড হিসেবে কোন বৈদ্যুতিক বাল্ব যুক্ত করলে দেখা যাবে প্রথমে উজ্জল ভাবে জ্বলছে। সময়ের সাথে ঔজ্জল্য হ্রাস পাবে, একপর্যায়ে নিভে যাবে। এর কারণ ধারকে চার্জ বৃদ্ধির সাথে সাথে সার্কিটে কারেন্ট প্রবাহ হ্রাস পায়। ধারকের ধনাত্মক পাত যখন পুরো চার্জিত হয়, তখন সেটি আর কোন ধনাত্মক চার্জ নিতে পারে না ফলে অপর পাত থেকেও আর কোন ধনাত্মক চার্জ বেরিয়ে ব্যাটারির ঋনাত্মক প্রান্তে যায় না। তাই সার্কিট পূর্ণ হয় না, ফলে কারেন্ট প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়।

এখন ব্যাটারী যদি কোন পরিবাহী দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয় তবে দেখা যাবে বাল্ব আবার জ্বলে উঠেছে। আর সময়ের সাথে সাথে ঔজ্জল্য হ্রাস পেয়ে একপর্যায়ে নিভে যাবে। সার্কিটে ব্যাটারী বা অন্য কোন তড়িৎ উৎস না থাকা সত্ত্বেও সার্কিটে তড়িৎ প্রবাহিত হল ধারকের কারণে। ধারকের ধনাত্মক প্রান্তের চার্জ লোড বা বাল্ব হয়ে ধারকের ঋনাত্মক প্রান্তে পৌছায়, এভাবে সার্কিট পূর্ণ হয়। অনেকটাই ব্যাটারীর মত ধারকের দুই পাতের বিভব পার্থক্য শূণ্য না হওয়া পর্যন্ত এই তড়িৎ প্রবাহ চলে। এভাবে ধারক অস্থায়ী তড়িৎ উৎস হিসেবে কাজ করে।

ধারক সম্পর্কিত বাকি আলোচনা পরের পোস্টে দিব। অনেক দিন পর লিখলাম। জানি না গুছিয়ে লিখতে পেরেছি কিনা thinkingconfused। কোন বিষয় অস্পষ্ট থাকলে জানাবেন। ধন্যবাদ। smile

ছবি সূত্র: উইকিপিডিয়া ও অন্যান্য।


-----------------------
জ্ঞান => শক্তি ; প্রয়োগ => ক্ষমতা ; অভিজ্ঞতা => দক্ষতা

অফলাইন

 

#২৫ ২২-০৯-২০০৮ ২৩:৫৫

microqatar
প্রজন্ম গুরু
Current Status...যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই
থেকে: খেজুর গাছের তলায়, আগায় উঠতে ভয় লাগে
নিবন্ধিত হয়েছেন: ০৯-১২-২০০৭
পোস্ট: ৪৪২১
ওয়েবসাইট

Re: ইলেক্ট্রনিক্স

ধন্যবাদ । তবে এখনো পুরাটা পড়ি নাই। big_smile


-----------------------
http://microqatar.files.wordpress.com/2008/07/projanmodb1.png
রক্তের গ্রুপ AB+

অফলাইন

 

#২৬ ২৩-০৯-২০০৮ ০১:২৭

স্বপ্নবাজ
প্রজন্ম গুরু
Current Status...জীবন চলছে জীবনের মত আর আমি চলছি তার সাথে.....
নিবন্ধিত হয়েছেন: ১৩-০৪-২০০৭
পোস্ট: ১৫০৭

Re: ইলেক্ট্রনিক্স

আমি পড়েছি, কিছু এন্টেনায় ধরেছে আর কিছু ধরেনি। ব্যাপার না, কয়েকবার পড়লেই আশাকরা যায় যে ধরা যাবে। পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ clapclapclap, চালিয়ে যান।


-----------------------
...ঈশ্বরের মত
ভবঘুরে স্বপ্নগুলো.....                                                                        রক্তের গ্রুপঃ B+
...because the life is too short !!!

অফলাইন

 

Board footer

এটি তৈরি করা হয়েছে পানবিবি ইঞ্জিনের উপর
অনুবাদ ও পরিচালনা: দ্যা হাঙ্গরিকোডার
পানবিবি'র স্বত্ব:  পানবিবি
তথ্য বিনিময় (সিন্ডিকেশন)

[ Generated in 0.187 seconds, 18 queries executed ]