চুল কেন সাদা
ছেলে : মা তোমার চুল সাদা কেন?
মা : ছেলেমেয়েরা দুষ্টু হলে বাবা-মায়ের চুল সাদা হয়ে যায়।
ছেলে : ও বুঝেছি, তাই তো নানীর মাথার চুল এত সাদা।
সেভেন সেকেন্ড ইয়ার
ভদ্রমহিলা : বাবা, তুমি কোন ক্লাশে পড়।
বালক :ক্লাশ সেভেন সেকেন্ড ইয়ার।
ভদ্রমহিলা : এটা আবার কেমন ক্লাশ?
বালক : আমি সেভেনে দুই বছর পড়ছি তো তাই।
হাসির বই
বই বিক্রেতা : এই বইটা পড়লে হাসতে হাসতে মারা যাবেন।
ক্রেতা : তাহলে এক কপি দিন। আমার বসকে পড়তে দেব।
অপেক্ষা
ডাক্তার : আপনার কি হয়েছে?
রোগী : ডাক্তার সাহেব আমাকে বাঁচান! আমি মনে হয় ১০মিনিটের মধ্যে মারা যাবো।
ডাক্তার : একটু অপেক্ষা করুন, আমি ২০ মিনিটের মধ্যে ফিরে আসছি।
ডাক্তার ও রোগী
রোগী : ডাক্তার সাহেব, আমার খুব খারাপ লাগছে। মনে হয় আমি মরে যাবো।
ডাক্তার : কোন চিন্তা করবেন না। ওটা আমার উপর ছেড়ে দিন।
দাঁত তোলা
এক দাঁতের রোগী ডাক্তারের সঙ্গে ভিজিট নিয়ে তর্ক করছে।
রোগী : একটা দাঁত তোলার জন্য তিনশ টাকা! এটা তো এক মিনিটের কাজ।
ডাক্তার : আপনি চাইলে আমি আরো সময় নিয়ে তুলে দিতে পারি।
সূত্রঃ http://kidz.bdnews24.com/jokes.php
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন তনয়_ (২২-০৭-২০০৮ ১৬:১৮)
অফলাইন
৩ ও ৪ নং টা জানি
বাকি গুলো ফাটাফাটি ভীষন 

দারুন![]()
![]()


অফলাইন
সবগুলোই জোসসসসসসসসসস 




অফলাইন
নামাজ পড়তে মাত্র কয়েক মিনিট সময় লাগে। আপনি আজকের নামাজ পড়েছেন কি???২ ও ৩ নং টা বেশী ভাল লেগেছে।


অফলাইন
পড়ছি রহস্যপত্রিকাএই ছয়টাই একটু আগে বিডি নিউজে দেখলাম। বুঝাই যাচ্ছে আপনি সেখান থেকে নিয়েছেন। তাই সূত্রটা উল্লেখ করলে ভালো হত না?
অফলাইন
ত্বোহা লিখেছেন:
এই ছয়টাই একটু আগে বিডি নিউজে দেখলাম। বুঝাই যাচ্ছে আপনি সেখান থেকে নিয়েছেন। তাই সূত্রটা উল্লেখ করলে ভালো হত না?
সহমত
অফলাইন
দুঃখিত, সুত্র দিতে ভুলে গিয়েছিলাম। এখন আমি যোগ করে দিয়েছি।
অফলাইন
আরো কিছু দিলাম। এগুলো প্রথম আলো থেকে নেয়া।
কৃতজ্ঞতাঃ bnwebtools
স্ত্রী : তোমার বন্ধু যাকে বিয়ে করতে যাচ্ছে সে মেয়েটা কঠিন দজ্জাল । তাকে বারণ করো।
স্বামী : কেন বারণ করব ও কি আমার সময় বারণ করেছিল ?
গৃহ শিক্ষক :আমার সঙ্গে সঙ্গে বল ,লেখাপড়া করে যে গাড়ি ঘোড়ায় চড়ে সে ।
ছাত্র : কথাটা ঠিক না স্যার ।
শিক্ষক :কেন ?
ছাত্র : কারন আপনি তো অনেক লেখাপড়া করেছেন ! তাহলে আপনি রোজ রোজ হেঁটে আমাকে পড়াতে আসেন কেন ?
তিন বন্ধু ঘুম থেকে উঠে একজন আরেক জনকে তাদের স্বপ্নের কথা বলছে
১ম জন: জানিস , স্বপ্নে দেখলাম মরুভুমির পাথর-বালু সব সোনা হয়ে গেছে ,এবং আমি ওগুলোর মালিক হয়েছি ।
২য় জন: আমি স্বপ্নে দেখলাম আকাশের সব তারা স্বর্নমুদ্রা হয়ে গেছে এবং সব মুদ্রার মালিক হয়ে গেছি ।
৩য় জন: আর আমি স্বপ্নে দেখলাম এত কিছু পেয়ে তোরা দুজনেই হার্ট ফেল করেছিস এবং তার আগে তোরা তোদের সব কিছুই আমাকে উইল করে দিয়ে গেছিস ।
গৃহশিক্ষক :গতকাল যে বলেছিলাম চারটা ইংরেজী বাক্য শিখে রাখতে ,তা শিখেছ ?
ছাত্র : নো স্যার ।
গৃহশিক্ষক : কেন ?
ছাত্র :নাউ আই অ্যাম বিজি স্যার ।
গৃহশিক্ষক: যতই ব্যাস্ত থাক তোমাকে বলতেই হবে ।
ছাত্র : ডোন্ট ডিষ্টার্ব মি !
গৃহশিক্ষক :কী! এত বড় সাহস !
ছাত্র : ইউ শার্ট আপ!
গৃহশিক্ষক : বেয়াদব ছেলে ! তোমাকে ।আমি পড়ানো না ! ছাত্র কেন স্যার ? আমি তো চারঠি ইংরেজী বাক্যই বলতে পেরেছি !
ম্যানেজার: তুমি নাকি আলমিরার চাবি আবারও হারিয়েছ?
কেরানি: জ্বী স্যার।
ম্যানেজার: আগে একটা হারিয়েছিলে তাই এবার তালার সঙ্গে দুটো চাবিই তোমাকে দিয়েছিলাম ।
কেরানি: দুটোই হারাই নি স্যার ! একটা মাত্র হারিয়েছি ।
ম্যানেজার: তাহলে অন্যটা কোথায় ?
কেরানি: হারিয়ে যাবার ভয়ে আগে থেকেই সাবধান ছিলাম । তাই ওটা আলমিররার মধ্যেই সংরক্ষণ করে রেখেছিলাম ।
স্বামী-স্ত্রী ঝগড়া করছে । ঝগড়ার এক পর্যায়ে স্ত্রী স্বামীর গালে চড় মারল-
স্বামী: তুমি আমাকে চড়টা সিরিয়াসলি মেরেছ, নাকি ইয়ার্কি করে মেরেছ ?
স্ত্রী: সিরিয়াসলিই মেরেছি ।
স্বামী:তাহলে আজ বেঁচে গেলে। তুমি তো জানো আমি ইয়ার্কি একদম পছন্দ করি না।
দুই বন্ধুতে কথা হচ্ছে
১ম বন্ধু : তোকে আমি টাকা দিতে পারি কিন্তু প্রতিজ্ঞা কর টাকা পেলে ওই পুরোনো বাজে আড্ডার দিকে আর হাঁটবি না !
২য় বন্ধু : তা হলে আরও ১০ টাকা বেশী দিস , না হয় রিকসা করেই যাব ।
দুই চাপাবাজের মধ্যে আলাপ হচ্ছে -
১ম চাপাবাজ : জানিস মাঝে মাঝে ইচ্ছে হয় ফন্সান্সের আইফেল টাওয়ার টা কিনে ফেলি !
২য় চাপাবাজ : অত সহজ না বন্ধু ! ওটা আমি বেচলে তো ।
ডাক্তার রোগীকে ব্যাবস্খাপত্র দিয়ে বললেন -
ডাক্তার : আপনার খাবার সব সময় ঢাকা রাখবেন।
রোগী : কেন ? ঢাকা তো অনেক দূর ! কুমিল্লায় রাখলে চলবে না ?
বিচারক : একমাত্র আজে বাজে নেশার কারণেই আজ তোমার এই দশা !
অভিযুক্ত : ধন্যবাদ হুজুর। একমাত্র আপনিই আমার কোন দোষ দিলেন না।
এক ভদ্রলোক হোটেলে খেতে বসে বিরক্ত হয়ে বেয়ারাকে ডাকলেন
ভদ্রলোক : এই যে, শোন এ কি খাবার দিয়েছ ?
বেয়ারা : কেন স্যার ! কোন গোলমাল হয়েছে?
ভদ্রলোক : গোলমাল মানে ! আরে এ খাবার তো একেবারে গাধার খাদ্যের অযোগ্য !!
বেয়ারা : গাধার যোগ্য খাদ্য তো এই হোটেলে পাবেন না স্যার । আপনাকে না দিতে পাবার জন্য দু:খিত।
১ম বন্ধু : জানিস আমাদের বাড়ির সবাই বাথরুমে গান গায় ।
২য় বন্ধু : স-বা-ই ?
১ম বন্ধু : চাকর-বাকর পর্যন্ত।
২য় বন্ধু : তোরা তাহলে সবাই গানের ভক্ত ।
১ম বন্ধু : দুর, তা নয় , আসলে আমাদের বাথরুমের ছিটকিনিটা নষ্ট তো ............
চাকর : স্যার, আপনি রাত জেগে কি সব এত লেখেন ?
সাহিত্যিক : বই লিখি ।
চাকর : অত কষ্ট কইরা বই লেখার কি দরকার । কয়টা টাকা খরচ করলেই তো বাজার থেকে প্রচুর বই
কেনা যায় !
শিক্ষক : বল তো , চিড়িয়াখানায় বাঘ -ভাল্লুক কি খেয়ে বাঁচে ?
ছাত্র : নিশ্চয় চিড়া খেয়ে !
শিক্ষক : ব্যাটা গর্ধভ কোথাকার !
ছাত্র : আফিন্সকার স্যার ।
শিক্ষক : তোর মাথায় কিচ্ছু নেই ?
ছাত্র : চুল আছে স্যার !
দুই বন্ধুর মধ্যে কথা হচ্ছে
১ম বন্ধু : তুমি তো দেখছি একেবারে তোমার বউয়ের চাকর হয়ে গেছ !
সেদিন দেখলাম তুমি তোমার প্যান্টটা নিজেই সেলাই করছ ।
২য় বন্ধু : তুমি ঠিকই দেখেছ । কিন্তু সেই প্যান্টটা তো আমার নয় , ওটা আমার স্ত্রীর।
ডাক্তার : মনে হয় ঔষধ টায় কাজ হয়েছে । আজ আপনার কাশির আওয়াজটা বেশ ভাল ঠেকছে।
রোগী : ভাল তো ঠেকবেই। কাল সারা রাত জেগে কাশিটা প্রাকটিস করেছি যে!
দুই বাস যাত্রীর মধ্যে ঝগড়া হচ্ছে
১ম যাত্রী : বেশী প্যাচাল পাড়বে না !
২য় যাত্রী : বাড়াবাড়ি করলে কলাম এক লাথিতে করাচি পাঠায়া দিমু !!
৩য় যাত্রী : ভাই, দয়া করে আমাকে একটু আস্তে লাথি দেন , আমি গাবতলী যাব ।
গৃহশিক্ষক : আচ্ছা রেজা , একটা বড় শব্দ বল তো ?
রেজা : রাবার,স্যার !
গৃহশিক্ষক : এটা তো ছোট শব্দ !
রেজা : টানলেই বড় হবে স্যার ।
ইঁদুর বানান লিখতে ভুল করায় শিক্ষক ছাত্র কে ভৎসনা করছেন-
শিক্ষক : ইঁদুর লিখতে গিয়ে তুমি চন্দ্রবিন্দু দাওনি কেন ?
ছাত্র : এই ইঁদুরটাকে বেড়াল তাড়া করেছিল কিন্তুু , ইঁদুরটাকে ধরতে না পারলেও
এর চন্দ্রবিন্দু টাকে ধরে খেয়ে ফেলেছে স্যার।
ইতিহাস ক্লাস চলছে। বাথরুম থেকে ফিরে জনৈক ছাত্র বলছে
ছাত্র : আসতে পারি স্যার।
শিক্ষক : কিরে তুই কখন বাইরে গিয়েছিলি মনে আছে ?
ছাত্র : হ্যাঁ স্যার। পানি পথের দ্বিতীয় যুদ্ধের ঠিক পাঁচ মিনিট পর।
দুই বন্ধু গল্প করছে ---
সুমন : বুঝলি , কাল আমার বউয়ের সঙ্গে তুমুল ঝগড়া হয়েছিল ।
সাজু : কি নিয়ে ?
সুমন : আমি চাইছিলাম ক্লাবে যেতে আর ও চাইছিল সিনেমায় যেতে ।
সাজু : তা শেষ পর্যন্ত কোন ছিনেমাটা দেখলি ?
শিক্ষক : যারা একেবারে নির্বোধ ও গাধা তারা ছাড়া সবাই বসে পড়।
(সকলে বসে পড়লেও শুধু কিছলু একা দাড়িয়ে আছে )
শিক্ষক : কিরে কিছলু ক্লাসে তুই একাই তাহলে নির্বোধ ও গাধা ?
কিছলু : না স্যার,আপনি একা দাঁড়িয়ে আছেন , এটা ভাল দেখাচ্ছে না , তাই . . . . . .
বড় ভাই ছোট ভাইকে গান শোনাচ্ছে
বড় ভাই : আমার গান তোর কেমন লাগল ?
ছোট ভাই : তোমার আসলে টিভিতে চান্স পাওয়া উচিত ।
বড় ভাই : আসলেই আমি এত ভাল গান করি ?
ছোট ভাই : না, মানে টিভিতে হলে চ্যানেলটা বদলে দিতে পারতাম
যুক্তিবিদ্যার ক্লাস চলছে
শিক্ষক : আমি টেবিলটা ছুয়েছি, টেবিলটা মাটি ছুঁয়েছে , সুতরাং আমি মাটি ছুঁয়েছি ।
এভাবে একটা যুক্তি দেখাও তো
ছাত্র : যেমন ধরুন স্যার , আপনি মুরগি খেয়েছেন , মুরগি কেঁচো খেয়েছে , সুতরাং আপনি কেঁচো
খেয়েছেন ।
বাজারে ভাল দাম না পাওয়ায় বলদ বিক্রি না করেই কৃষক তার বলদটাকে নিয়ে বাড়ি ফিরছে । এদিকে বলদ বিক্রিও টাকা ছিনতাই করতে পথে ঘাপটি মেরেও বসেছিল এক ছিনতাইকারী ।
ছিনতাইকারী : কী ব্যাপার, বলদ বিক্রি না করেই ওটাকে সঙ্গে নিয়ে ফিরে এলে যে ?
কৃষক : ভাল দাম ওঠেনি তাই ।
ছিনতাইকারী : কম দামেও তো বিক্রি করতে পারতি , লোকসান কি তোর হতো, নাকি আমার?
দুই বন্ধুর মধ্যে কথা হচ্ছে ---
১ম বন্ধু : জানিস, আমার জীবনে একটা ইচ্ছেও পূরণ হলো না । তোর কোনো ইচ্ছে পূরণ হয়েছে ?
২য় বন্ধু : হ্যাঁ হয়েছে । ছোটবেলায় স্যারের হাতে চুল টানা খেতে খেতে ভাবতাম চুলগুলো না থাকলেই
ভালো হতো। তা এখন দেখ মাথায় একটাও চুল নেই।
এক ছাত্র বাসে সীট থাকতেও দাঁড়িয়ে আছে বাস
কন্ডাক্টর : কী ভাই,বসুন না , খামাখা দাঁড়িয়ে আছেন ক্যান ?
ছাত্র : না ভাই ,আমার বসার সময় নেই , আমাকে ২০ মিনিটের মধ্যে কলেজে যেতে হবে ।
গরুর রচনা লেখার আগে শিক্ষক অনেক গুলো সূত্র ছাত্রদের বুঝিয়ে বললেন । সবাই তা ঠিকমত বুঝেছে কিনা তা আবার পরখ করে নিচ্ছেন --
শিক্ষক : আচ্ছা তুমি বলতো তোমার পায়ের জুতা কি দিয়ে তৈরী হয় ?
ছাত্র : চামড়া দিয়ে স্যার ।
শিক্ষক : চামড়া কোথায় পাওয়া যায় ?
ছাত্র : গরুর গা থেকে ।
শিক্ষক : আচ্ছা , এখন বলো দেখি, কোন সে জীব, যে তোমাদের পায়ের জুতো যোগায় ,
আবার নানা খাবার জিনিস ও সরবরাহ করে ?
ছাত্র : আমার বাবা , স্যার।
শিক্ষক ক্লাসে ব্যাকরণ পড়াচ্ছেন। হটাৎ তার দৃষ্টি গেল এক অমনোযোগী ছাত্রের দিকে --
শিক্ষক : এই যে তোমাকে বলছি , দুটি সর্বনামের উদাহরণ দাও তো?
ছাত্র : কে ? আমি ?
শিক্ষক : হ্যাঁ, ঠিক হয়েছে । আচ্ছা বসো।
প্রেমিকাকে নিয়ে প্রেমিক গেছে চায়নিজ রেস্টুরেন্টে---
প্রেমিক : নয়না , তোমাকে না আজ খুব সুন্দর লাগছে।
প্রেমিকা : হটাৎ এই কথা ! আজও কি মানি ব্যাগ বাসায় ফেলে এসেছ?
প্রেমিক : না , মানে, ইয়ে ,ভুলে গেছি
শিক্ষক : ধ্রুব, বলতো এসিসি তে কী হয়?
ধ্রুব : এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল।
শিক্ষক : ভালো । এবার অয়ন বলতো বিবি তে কী হয়?
অয়ন : বাংলাদেশ ব্যাংক, স্যার।
শিক্ষক : খুব ভাল , নন্দদুলাল তুমি এবার বলতো ইএসপিএন-এ কী হয়?
নন্দদুলাল : সারা দিন শুধূ খেলা হয় স্যার।
১ম বন্ধু : কী ব্যপার বন্ধু, তোর চূল উঠে যাচ্ছে কেন?
২য় বন্ধু : দুশ্চিন্তায় !
১ম বন্ধু : তোর আবার কিসের দুশ্চিন্তায় ?
২য় বন্ধু : টাক পড়ে যাচ্ছে সেই দুশ্চিন্তায়!
বিয়ের দিনক্ষণ পাকা। এমন পর্যায়ে প্রেমিক প্রেমিকার মধ্যে কথা হচ্ছে ---
প্রেমিক : এখন কাউকে কিছু বলব না ,একেবারে বিয়ে করে সবাইকে চমকে দেব।
প্রেমিকা : আমি শুধু রহমানকে একবার বলব।
প্রেমিক : এত লোক থাকতে রহমান কেন?
প্রেমিকা : ও-ই আমাকে বলেছিল,পৃথিবীতে এমন কোন ইডিয়ট নেই যে আমাকে বিয়ে করবে।
১ম ব্যাক্তি : আমি অত্যন্ত দুখি:ত আমার ছাগলটা আপনার লাউখেত সাবাড় করে দিয়েছে।
২য় ব্যাক্তি : না না ,দু:খিত হবার কিছু নেই,কিছুক্ষণ আগে আমরাও ওটাকে জবাই করে সাবাড় করে
দিয়েছি।
ভাগ্নে : আচ্ছা মামা, বলতো সবচেয়ে সাহসী কে?
মামা : কেন, মানুষ ।
ভাগ্নে : দূর মামা ,তুমি যে কি বল না! আরে মানুষ যদি এত সাহসীই হত তাহলে সামান্য মশার ভয়ে কি
মশারির ভেতর লুকাত?
হোটেলে স্যুপ খেতে এসে এক খদ্দের স্যুপের ভেতর কি যেন দেখে বেয়ারার উদ্দেশ্যে---
খদ্দের : এ্যাই ! স্যুপের বাটির ভেতর মরা টিকটিকি কেন?
বেয়ারা : আস্তে, আস্তে বলেন স্যার, সবাই শুনে ফেললে সর্বনাশ হবে।
খদ্দের : কেন? কেন?!
বেয়ারা : আপনি পুরোনো কাস্টমার বলে দিতে পেরেছি ,কিন্তু সবাই চাইলে বিপদে পড়ে যাব স্যার।
এক সহজ সরল লোক রাস্তার ধারে একটি ইটে মলম লাগাচ্ছে
পথচারী : কি ব্যাপার! ইটে মলম লাগাচ্ছ কেন?
সরল লোক : ডাক্তার সাব বলেছে আমি যেখানে ব্যাথা পাইছি সেইখানে এই মলমটা মাখতে । আমি এই
ইটটাতেই ব্যাথা পাইছিলাম,তাই মলমটা মাখাচ্ছি। .........কিìুç ব্যাথা তো কমছে না!
বিচারক : গাড়িটা কিভাবে চুরি করলে বল ?
অভিযুক্ত : আমি চুরি করিনি হুজুর! গাড়িটা কবরস্খানের সামনে দাঁড়িয়েছিল কি না,
তাই ভাবলাম মালিক বোধহয় মারা গেছে, তার আর গাড়ির দরকার নেই।
এক ভদ্রলোক একবার এক হোটেলে ঢুকে মাংস রুটির অর্ডার দিলেন। বয় মাংস রুটি এনে তার সামনে রাখল। ভদ্রলোক এক টুকরা মাংসে কামড় দিয়েই সোজা ম্যানেজারের সামনে গিয়ে জিজ্ঞেস করলেন--
ভদ্রলোক : আপনাদের এই হোটেলটা খুব পুরানো, তাই না ?
ম্যানেজার : হ্যা, এই বাড়িটা মুঘল আমলের আর এ বাড়িতে হোটেল ব্যবসা চলছে সেই ব্রিটিশ আমল
থেকেই !
ভদ্রলোক : মুঘল আমল, ব্রিটিশ আমল সবই বুঝলাম, কিন্তুু বয় যে মাংস টি দিয়ে গেল সেটি কোন
আমলের?
শিক্ষক : পরীক্ষায় কখনো নকল কোর না । নকল করতে করতে অভ্যেস হয়ে যাবে।
ছাত্র : না স্যার, আমি চার বছর ধরে সকল পরীক্ষায় নকল করি। কিন্তুু এখনো আমার অভ্যাস হয়নি।
দুই বন্ধুর মধ্যে কথা কাটাকাটি হচ্ছে---
১ম বন্ধু : আসলে তুই একটা ইঁদুর।
২য় বন্ধু : তোর এই কথাটা আমি মানতে পারলাম না। কারণ ইঁদুর হলে আমার বউ এতদিনে আমাকে
দেখে ছুটে পালাত। ইঁদুরকে ওর ভীষণ ভয়।
বিচারক : কী হে ? তুমি ওই বাড়ির তালা ভাঙ্গতে গেলে কেন ?
চোর : কি করব স্যার আমার কাছে যে চাবি গুলো ছিল তার একটা দিয়েও তালাটা
খুলতে পাছিলাম না যে, তাই.......
ছেলে : বাবা! বাবা! কয়েকজন লোক সুইমিং পুলের জন্য তোমার কাছে চাঁদা চাইতে এসেছে ।
বাবা : ঠিক আছে , ওদেরকে এক বালতি পানি দিয়ে দাও।
শিক্ষক : বলতো রাজিব খুশি আর আনন্দ এই দুটি শব্দের মধ্যে পার্থক্য কী?
রাজিব : খুশি হল স্ত্রী লিঙ্গ আর আনন্দ হল পুলিঙ্গ।
শিক্ষক : কিভাবে?
রাজিব : কারন খুসি তো সবসময় মেয়েদের নাম হয় আর আনন্দ হয় ছেলেদের।
রসায়ন এর ব্যবহারিক ক্লাস চলছে --
শিক্ষক : আমি এই দ্রবণ প্রস্তুত করেছি এবং এই পাত্রে আমি আমার সোনার আংটিটা ডুবিয়ে দিলাম।
এখন বল তো আংটিটা দ্রবণে গলবে, নাকি গলে যাবে না?
ছাত্র : গলবে না স্যার?
শিক্ষক : গুড! ভেরি গুড! আচ্ছা বলতো কেন গলবে না?
ছাত্র : স্যার আপনি জ্ঞানী লোক ,এই দ্রবণে যদি সোনার আংটি গলে যেত ,
তবে আপনি নিশ্চয় জেনেশুনে এই পাত্রে আপনার সোনার আংটিটি ডুবাতেন না।
অফলাইন
হা হা বেশ মজার 




অফলাইন
সন্যাস জীবন বেশি ভালো ভাবছি তাই সস্যাসী হবোসবগুলোই










অফলাইন
আপনারা আরো কৌতুক পড়তে পারবেন এই সাইটে- http://www.abasar.net/binijokes.htm
এই সাইট দেখতে হলে আপনাকে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ব্যবহার করতে হবে।
অফলাইন
অফলাইন
![]()
![]()
![]()




হাসতে হাসেত চোখে পানি এসে গেল 

অফলাইন
ইংরেজীতে একটা কৌতুক পেলাম। আশা করছি মজা পাবেন 
Interviewer: Tell me the opposite of good.
Santa Singh: Bad.
Interviewer: Come.
Santa Singh: Go.
Interviewer: Ugly.
Santa Singh: Pichlli.
Interviewer: U G L Y?
Santa Singh: PICHLLY !!!!!!!
Interviewer: Shut Up.
Santa Singh: Keep Talking.
Interviewer: Get Out.
Santa Singh: Come In.
Interviewer: Oh my God.
Santa Singh: Oh your Devil.
Interviewer: You are Rejected.
Santa Singh: I am Selected.
ধন্যবাদ
অফলাইন
ভারতীয় কৌতুক
এক জাপানী ইন্ডিয়ান এয়ারপোর্টে যাচ্ছে টেক্সি দিয়ে। রাস্তায় সে অনেক রকমের হুন্ডা, গাড়ি দেখলো যেগুলো জাপানী। এবং প্রতিটা দেখার সাথে সাথে সে বলত Made in Japan। ড্রাইভার একটু মন খারাপ করল কিন্তু কিছু বলল না। এয়ারপোর্টে পৌছিয়ে সে দাম বলল। দাম শুনে জাপানী বলল- কি এত দাম?
দাম হবে না? meter made in india 
অফলাইন
দুটোই জোসসসসসসসসসসসসস 







অফলাইন
সামিউল লিখেছেন:
দুটোই জোসসসসসসসসসসসসস
ধন্যবাদ। আরো পেলে দিব। এগুলো কিছু আমার মায়ের থেকে শুনা। জিজ্ঞাস করবো উনি আর কিছু জানে কিনা।
অফলাইন
সন্যাস জীবন বেশি ভালো ভাবছি তাই সস্যাসী হবো















অফলাইন