জাপানে Undergraduate লেভেলে পড়াশোনার জন্য বৃত্তির খোঁজ কোথায় পাওয়া যাবে? এছাড়াও জাপানে থাকা খাওয়ার মাসিক খরচ কিরকম? কেউ জানালে উপকৃত হব
অফলাইন
যাচ্ছি...দূর থেকে দূরে...সবকিছু ঝাপসা!এ ব্যপারে শামীম ভাইয়ের দৃষ্টি আকষন করছি। উনি ভালো বলতে পারবেন
।
অফলাইন
কঠিন জৃর থেকে উঠলামভাই আমি শুনেছি জাপানে সহজে নাকি ভিসা দেয় না...
ওখানে যাবেন নাকি আপনি??
অফলাইন
আহমাদ মুজতবা লিখেছেন:
ভাই আমি শুনেছি জাপানে সহজে নাকি ভিসা দেয় না...
ওখানে যাবেন নাকি আপনি??
যাওয়ার ইচ্ছা অাছে।
অফলাইন
যাচ্ছি...দূর থেকে দূরে...সবকিছু ঝাপসা!ওখানে পড়াশুনা করতে হলে আবার জাপানীস লেংগুয়েগ শিখতে হয়
। এছাড়া আর সব ঠিক আছে
।
অফলাইন
zahidprimex লিখেছেন:
জাপানে Undergraduate লেভেলে পড়াশোনার জন্য বৃত্তির খোঁজ কোথায় পাওয়া যাবে? এছাড়াও জাপানে থাকা খাওয়ার মাসিক খরচ কিরকম? কেউ জানালে উপকৃত হব
খরচের ব্যাপারটা জাপানের কোন শহরে, কোন বিষয়ে আর কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়বেন তার উপরে নির্ভর করে। আর জাপান সরকার প্রতিবছরই প্রচুর বৃত্তি দেয়। নিয়মিত দৈনিক পত্রিকাতে চোখ রাখুন। এছাড়া শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের ওয়েব সাইটেও ভিজিট করতে পারেন।
অফলাইন
আহমাদ মুজতবা লিখেছেন:
ভাই আমি শুনেছি জাপানে সহজে নাকি ভিসা দেয় না...
ওখানে যাবেন নাকি আপনি??
আমার বেলাতে ভিসা অফিসারের চেহারাও দেখিনি। শিক্ষা শাখাতে কাগজপত্র জমা দিয়ে পরে আর একবার যেয়ে নিয়ে এসেছি। আসলে কাগজপত্র ঠিক থাকলে ভিসা না দেওয়ার কোন কারণ নাই। তার উপর আবার জাপান সরকারের বৃত্তি পেলে ওরাই সব ফর্মালিটি করে দেয়।
অফলাইন
কঠিন জৃর থেকে উঠলামতপু লিখেছেন:
আমার বেলাতে ভিসা অফিসারের চেহারাও দেখিনি। শিক্ষা শাখাতে কাগজপত্র জমা দিয়ে পরে আর একবার যেয়ে নিয়ে এসেছি। আসলে কাগজপত্র ঠিক থাকলে ভিসা না দেওয়ার কোন কারণ নাই। তার উপর আবার জাপান সরকারের বৃত্তি পেলে ওরাই সব ফর্মালিটি করে দেয়।
সম্পূর্ণ প্রসেসটা সম্পর্কে বিস্তারিত জানান
বৃত্তি তো আর চাইলেই পাওয়া যায় না 
সুতরাং আরো কিছু তথ্য এবং লিংক আপনার থেকে আশা করছি তপু ভাই
অফলাইন
আহমাদ মুজতবা লিখেছেন:
তপু লিখেছেন:
আমার বেলাতে ভিসা অফিসারের চেহারাও দেখিনি। শিক্ষা শাখাতে কাগজপত্র জমা দিয়ে পরে আর একবার যেয়ে নিয়ে এসেছি। আসলে কাগজপত্র ঠিক থাকলে ভিসা না দেওয়ার কোন কারণ নাই। তার উপর আবার জাপান সরকারের বৃত্তি পেলে ওরাই সব ফর্মালিটি করে দেয়।
সম্পূর্ণ প্রসেসটা সম্পর্কে বিস্তারিত জানান
বৃত্তি তো আর চাইলেই পাওয়া যায় না
সুতরাং আরো কিছু তথ্য এবং লিংক আপনার থেকে আশা করছি তপু ভাই
জাপান সরকার মনবুকাগাসু (যা আগে মনবুশো নামে পরিচত ছিল) নামে প্রতি বছরই আন্ডারগ্রাজুয়েট ও পোস্টগ্রাজুয়েট পর্যায়ে বৃত্তি দেয়। আমি যেহেতু পোস্টগ্রাজুয়েট পর্যায়ে বৃত্তি নিয়ে এসেছি, তাই সেটা সম্পর্কেই বলি। তবে আন্ডারগ্রাজুয়েট পর্যায়ের প্রস্তুতিও প্রায় একই রকম। পোস্টগ্রাজুয়েট পর্যায়ে বৃত্তি পাওয়ার আবার কয়েক রকম উপায় আছে।
প্রথমতঃ বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রনালয় যাদেরকে সিলেকশন করে। এক্ষেত্রে পেপারে সার্কুলার হয়। তবে শোনা যায় যে, মন্ত্রনালয়ের কর্মকর্তাদের আত্নীয়-স্বজনরাই নাকি বেশী সিলেকশন পায়। কেননা প্রত্যেক বারই তারা সার্কুলার জমা দেয়ারএক সপ্তাহ বা তার চেয়ে কিছু কম বা বেশি সময়ের আবেদন জমা দিতে বলে অথচ কাগজপত্র চায় প্রচুর। শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের সাইটে ঢুঁ মেরে দেখতে পারেন। http://www.moedu.gov.bd/
দ্বিতয়তঃ নিয়মত যোগাযোগ করে জাপানি বিশ্ববিদ্যালয় বা কোন গবেষণা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কোন প্রফেসর বা গবেষককে রাজী করানো। তাহলে তিনি আপনার হয়ে জাপান থেকে আবেদন করবেন।
তৃতীয়তঃ জাপান দুতাবাসের সরাসরি নিয়ন্ত্রনে কিছু বৃত্তি আছে যেগুলো তারা নিজেরাই প্রসেস করে। এই প্রোগামের আওতায় আপনাকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ আবেদন করতে হবে। প্রাথমিক বাছাই হয় জমা দেয়া ডকুমেন্টসের উপর ভিত্তি করে। পরে ওরা মৌখিক পরীক্ষা নেয়। সে সময় সরাসরি জাপান হতে প্রফেসর ও অন্যান্য কর্মকর্তারা আসেন। এমনই একটি বৃত্তির নাম হলো Asian Youth Fellowship। এই প্রোগামেরই আওয়াতায় আমি এসেছি। অন্যান্য প্রোগামের সাথে এটার পার্থক্য হল এই যে, এটাতে সিলেকশন পেলে প্রথমে ৬ মাসের জন্য জাপানে এসে জাপানী ভাষা শিখতে হবে (২০০৬ হতে জাপানে, তার আগে ১০ বছর মালয়শিয়াতে এই ভাষা শিক্ষার পার্টাটা হত)। এর পরে আপনি মনবুকাগাসু বৃত্তি পাবেন। এই প্রোগামের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল প্রফেসর বা সুপারভাইজর খুজঁতে হয় না নিজের। ওরাই করে দেয়। বর্তামানে এই প্রোগামের বিস্তারিত পাবেন
এই লিঙ্কে
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন তপু (১১-০৩-২০০৮ ১৮:৪৪)
অফলাইন
তপু লিখেছেন:
আহমাদ মুজতবা লিখেছেন:
তপু লিখেছেন:
আমার বেলাতে ভিসা অফিসারের চেহারাও দেখিনি। শিক্ষা শাখাতে কাগজপত্র জমা দিয়ে পরে আর একবার যেয়ে নিয়ে এসেছি। আসলে কাগজপত্র ঠিক থাকলে ভিসা না দেওয়ার কোন কারণ নাই। তার উপর আবার জাপান সরকারের বৃত্তি পেলে ওরাই সব ফর্মালিটি করে দেয়।
সম্পূর্ণ প্রসেসটা সম্পর্কে বিস্তারিত জানান
বৃত্তি তো আর চাইলেই পাওয়া যায় না
সুতরাং আরো কিছু তথ্য এবং লিংক আপনার থেকে আশা করছি তপু ভাইজাপান সরকার মনবুকাগাসু (যা আগে মনবুশো নামে পরিচত ছিল) নামে প্রতি বছরই আন্ডারগ্রাজুয়েট ও পোস্টগ্রাজুয়েট পর্যায়ে বৃত্তি দেয়। আমি যেহেতু পোস্টগ্রাজুয়েট পর্যায়ে বৃত্তি নিয়ে এসেছি, তাই সেটা সম্পর্কেই বলি। তবে আন্ডারগ্রাজুয়েট পর্যায়ের প্রস্তুতিও প্রায় একই রকম। পোস্টগ্রাজুয়েট পর্যায়ে বৃত্তি পাওয়ার আবার কয়েক রকম উপায় আছে।
প্রথমতঃ বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রনালয় যাদেরকে সিলেকশন করে। এক্ষেত্রে পেপারে সার্কুলার হয়। তবে শোনা যায় যে, মন্ত্রনালয়ের কর্মকর্তাদের আত্নীয়-স্বজনরাই নাকি বেশী সিলেকশন পায়। কেননা প্রত্যেক বারই তারা সার্কুলার জমা দেয়ারএক সপ্তাহ বা তার চেয়ে কিছু কম বা বেশি সময়ের আবেদন জমা দিতে বলে অথচ কাগজপত্র চায় প্রচুর। শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের সাইটে ঢুঁ মেরে দেখতে পারেন। http://www.moedu.gov.bd/
দ্বিতয়তঃ নিয়মত যোগাযোগ করে জাপানি বিশ্ববিদ্যালয় বা কোন গবেষণা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কোন প্রফেসর বা গবেষককে রাজী করানো। তাহলে তিনি আপনার হয়ে জাপান থেকে আবেদন করবেন।
তৃতীয়তঃ জাপান দুতাবাসের সরাসরি নিয়ন্ত্রনে কিছু বৃত্তি আছে যেগুলো তারা নিজেরাই প্রসেস করে। এই প্রোগামের আওতায় আপনাকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ আবেদন করতে হবে। প্রাথমিক বাছাই হয় জমা দেয়া ডকুমেন্টসের উপর ভিত্তি করে। পরে ওরা মৌখিক পরীক্ষা নেয়। সে সময় সরাসরি জাপান হতে প্রফেসর ও অন্যান্য কর্মকর্তারা আসেন। এমনই একটি বৃত্তির নাম হলো Asian Youth Fellowship। এই প্রোগামেরই আওয়াতায় আমি এসেছি। অন্যান্য প্রোগামের সাথে এটার পার্থক্য হল এই যে, এটাতে সিলেকশন পেলে প্রথমে ৬ মাসের জন্য জাপানে এসে জাপানী ভাষা শিখতে হবে (২০০৬ হতে জাপানে, তার আগে ১০ বছর মালয়শিয়াতে এই ভাষা শিক্ষার পার্টাটা হত)। এর পরে আপনি মনবুকাগাসু বৃত্তি পাবেন। এই প্রোগামের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল প্রফেসর বা সুপারভাইজর খুজঁতে হয় না নিজের। ওরাই করে দেয়। বর্তামানে এই প্রোগামের বিস্তারিত পাবেন
এই লিঙ্কে
ধন্যবাদ অাপনাকে।স্কলারশীপের জন্য কি কি কাগজপত্র চায় একটু ধারনা দিতে পারবেন?
অফলাইন
অফিসেধন্যবাদ ভাইয়া ।
অফলাইন
তপু ভাই আপনার মত সহজে ভিসা পাবার ভাগ্য সবার নাই।
তবে masters বা MBA করার জন্য আমি কোথায় কিভাবে যোগাযোগ করতে পারি তা জানাবেন।পার টাইম জব করে খরচ চালাতে পারবত?পড়া শেষে কতদিন চাকরি করতে পারব সেখানে?
অফলাইন