গার্মেন্ট রফতানি আয়কেও ছাড়িয়ে গেছে প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো আয়। গত কয়েক বছরের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে প্রতিমাসে রেমিটেন্সের প্রবৃদ্ধির হার গার্মেন্ট রফতানি আয়ের দ্বিগুন হারে বাড়ছে। ৩০ বছরের হিসেবে দেশ থেকে কোনো সরকারি সুযোগ সুবিধা ছাড়াই প্রবাসীরা কেবল বৈধপথে দেশে পাঠিয়েছে প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা। অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, গত কয়েক বছর শত প্রতিকুলতা সত্ত্বেও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক খাতে যে স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে পেরেছে তার মূলেও আছে প্রবাসীদের পাঠানো বিপুল পরিমান অর্থ। ঐসব প্রবাসী মানুষ নিজেদের ভাগ্য পারবর্তনের পাশাপশি দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখছেন।
অফলাইন
সুন্দর একটি টপিক উত্থাপনের জন্য ধন্যবাদ। বিষয়টি সত্য তো বটেই তবে আরও ব্যাপক। আমি একটি জিনিস আগেও বলেছি, বাংলা এবং বাংলাদেশকে পৃথিবীর বুকে উজ্জল করে তুলতে সবচেয়ে বড় অবদান প্রবাসীদের। সেটি আর্থিক হতেও পারে আবার নাও হতে পারে।
দেখুন, বাংলা এবং বাংলাদেশ নিয়ে যতগুলো ওয়েবসাইট আছে, বেশির ভাগই প্রবাসীদের। বিনোদনমূলক ওয়েবসাইটগুলোও বিদেশ থেকে পরিচালিত। মুক্তিযুদ্ধের উপর কয়েকটি ওয়েবসাইটও প্রবাসীরা পরিচালনা করেন। বাংলা উইকিপিডিয়াতেও প্রবাসীদের প্রচুর অবদান।
এছাড়াও বিজ্ঞানী.কম এবং এই ফোরামের ৩ জন মডারেটরের মধ্যে দুজনই প্রবাসী।
বাংলাদেশ সরকারের সাহায্য একেবারে অপ্রতুল তা শূন্য নয়। কারণ, আমরা আয়কর পড়ার সময় জেনেছি, আগে প্রবাসীদের প্রেরণকৃত অর্থের উপর আয়কর দিতে হত যা বর্তমানে দিতে হয় না। সম্ভবত, গত সরকারের সময়, এ ধরনের প্রবাসীদের বিমান বন্দরে কিছু সুবিধা দেয়ার কথা বলা হয়েছিল। পরে কি হয়েছে তা অবশ্য জানিনা।
সরকারের সহযোগিতার অভাব বলেই এখনো হুন্ডিতে অনেকে টাকা পাঠায়। আমার পরিচিত অনেকেই আছে এদের মধ্যে। আমার এক বন্ধুর ভাই থাকে ইটালী। তারাও হুন্ডিতে টাকা পাঠায়। কারণ এতে বেশি রেট পাওয়া যায়। আমি আমার বন্ধুকে বললাম, এভাবে তো দেশের ক্ষতি করছো। তার উত্তর "আমলারা কোটি কোটি টাকা মেরে দেশকে ফকির বানালো আর আমারতো মাত্র কিছু টাকা। আমার এত কিছু দেখার দরকার নেই।" নিরাশ আমি চুপ মেরে গেলাম। এসব ক্ষেত্রে দেশপ্রেম না থাকলে সকল যুক্তিই অর্থহীন।
রোদেলাতুহিন, আপনি কি পত্রিকা থেকে এটি কপি-পেস্ট করেছেন? আমি কোন পত্রিকায় ঠিক এরকম একটি ফিচার পড়েছিলাম। অনুগ্রহ করে এরকম ক্ষেত্রে সূত্র উল্লেখ করবেন।
ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা প্রবাসীদের জন্য যারা প্রিয়জনের সঙ্গ ত্যাগ করে দেশের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।
অফলাইন
To safe our Garments we have to safe Port first. Pls. help everybody to safe our port.
অফলাইন
কালো ব্যাজ ধারণ করতে পারি?আহসানুল্লাহ টুটুল ভাই,
বাংলায় লিখুন দয়া করে।
অফলাইন
তাহলে বলতে হয়, প্রবাসী জিন্দাবাদ
অফলাইন
আমাদের এই ফোরামের মডারেটরেরও কি প্রবাসী?
অফলাইন
rodelatuhin
I think your report sofar are not correct. Pls. check again.
অফলাইন
Alway I try to write in Bangla, But Bangla word comes wrong word. I did not understand why It is happen.
অফলাইন
একুশ মােন মাথা নত না করা। একুশ এেল বাংলার কথা ম েন প েড়।
অফলাইন
Pls. Visit http://www.onlinenewspapers.com/banglade.htm
To ready Bangladeshi News every day.
অফলাইন
Ahsanullah Tutul লিখেছেন:
একুশ মােন মাথা নত না করা। একুশ এেল বাংলার কথা ম েন প েড়।
টুটুল ভাই,
একুশ ছাড়া বাকি দিন গুলোতে কি বাংলার কথা ভুলে থাকেন?
অফলাইন
বাংলায় সমস্যা হেচ্ছ- আমার কিম্পউটাের, েকান সমাধান পািচ্ছনা।
অফলাইন
কালো ব্যাজ ধারণ করতে পারি?টুটুল ভাই...
আপনার লেখা দেখে বুঝতে পারছি, সমস্যাটা কিবোর্ড সংক্রান্ত। আপনি বিজয় কী-বোর্ড অনুযায়ী টাইপ করছেন কিন্তু এখানে ব্যবহৃত কী-বোর্ড লে-আউটটি বিজয় নয়। বিজয়-এর মেধাস্বত্ব সংরক্ষিত করা বলে এর কাছাকাছি ইউনিজয় ব্যবহার করা হয়েছে।
এটিতে পার্থক্য হল, আ-কার, ই-কার, ও-কার সবই মূল হরফ টাইপ করার পরে টাইপ করতে হয়। আপনার শেষ মেসেজটার শব্দগুলোর সমস্যা ধরে উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছি ব্যাপারটা --
যেমন: হচ্ছে
বিজয় লেআউট: হ+ে+চ+g+ছ = হচ্ছে
ইউনিজয় লেআউট: হ+চ+g+ছ+ে = হচ্ছে
যেমন: কম্পিউটারে
বিজয় লেআউট: ক+ি+ম+g+প+উ+ট+া+ে+র = কম্পিউটারে
ইউনিজয় লেআউট: ক+ম+g+প+ি+উ+ট+া+র+ে = কম্পিউটারে
যেমন: কোন
বিজয় লেআউট: ে+ক+া+ন = কোন
ইউনিজয় লেআউট: ক+ো+ন = কোন
[এখানে ও-এর জন্য বরাদ্দ কী x চাপলে ও-কার আসে, আলাদা ভাবে এ-কার এবং আ-কার দেবার প্রয়োজন নাই; শুধু ও টাইপ করার জন্য x চাপুন; কোন বর্ণের পরে ও টাইপ করার জন্য gx চাপুন ]
যেমন: পাচ্ছিনা
বিজয় লেআউট: প+া+ি+চ+g+ছ+ন+া = পাচ্ছিনা
ইউনিজয় লেআউট: প+া+চ+g+ছ+ি+ন+া = পাচ্ছিনা
আশা করি আর সমস্যা হবে না। সমস্যা হলে জানাতে ভুলবেন না যেন।
অফলাইন
ধন্যবাদ`
অফলাইন