ফিন্যান্স ব্লগ বাংলদেশের রাজনীতিকদের কাজাখাস্তানে পাঠানো দরকার ভাবছেন কেন? কারন আর কিছুই নয় নিচের খবরটা পড়ুন। বাংলদেশের রাজনীতিকের নামকরন সংস্কৃতিতে বিখ্যাত। এরা পাবলিক টয়লেটের নামও নিজের নামে নামকরন করতে চায়।কাজাখাস্তানে গেলে ঐ দেশের মজলিশের সদস্যরা তাদের পক্ষ ভারি করতে পারবে।
১৯৮৯ সালে নুরসুলতান নাজারবায়েভ প্রথম যখন কাজাখস্তানের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন, তখন আস্তানা ছিল ধুলিমলিন এক লਆড়ঝਆড় শহর। আধুনিকতার কোনো ছোঁয়াই তাতে ছিল না। ২০ বছরে সেকেলে সেই শহরটাকেই ঝকঝকে আর বহুতল ভবনে সমৃদ্ধ এক কসমোপলিটন নগরীতে পরিণত করেন নাজারবায়েভ। শুধু তাই না, ১৯৯৭ সালে এই আস্তানাতেই স্থানান্তরিত করেছেন দেশের রাজধানী। সুতরাং রীতিমতো নতুন জীবন দান করা এ শহরের নাম যদি কেউ জীবনদাতার নাম অনুসারে নুরসুলতান রাখতে চায় তাহলে সেটাকে অন্যায় আবদার বলা যাবে না। ঠিক সেটাই করতে চেয়েছিলেন কাজাখ আইন পরিষদের সদস্যরা। প্রস্তাবটার প্রতি নিম্নকক্ষ মজলিশেরও ৭০ শতাংশ ডেপুটি সমর্থন জানিয়েছিলেন। কিন্তু অমন সাধের একটা পরিকল্পনায় বেরসিকের মতো বাগড়া দিয়ে বসেছেন একজন। কে জানেন? স্বয়ং নুরসুলতান নাজারবায়েভ। সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, নাম বদলানোর এমন কোনো বিলে সই করবেন না তিনি। কেন কেন, তিনি কি চান না, তাঁর নামে রাজধানীর নাম হোক? অবশ্যই চান। ‘কিন্তু নাম বদলানোর এই সিদ্ধান্তটা আসতে হবে অন্য প্রজন্মের কাছ থেকে।’ পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছেন নাজারবায়েভ। ইঙ্গিতটা পরিষ্ককার, ‘ক্ষমতার জোর দেখিয়ে নাম বদলানোর কোনো ইচ্ছা আমার নেই, তবে আমার অনুপস্থিতিতে পরবর্তী প্রজন্ন যদি ভালোবেসে নাম বদলায়, সেটা ভিন্ন কথা।’
সুত্র: প্রথম আলো ১৩.০৬.০৮
অফলাইন
দারুন লাগল খবরটা পড়ে। আমাদের দেশে কবে যে এই রকম হবে
অফলাইন
আমার মানি ব্যাগ হারানো গেছে। 


আমাদের দেশে তো এর বিপরীত চিত্র দেখা যায়।
অফলাইন
নামাজ পড়তে মাত্র কয়েক মিনিট সময় লাগে। আপনি আজকের নামাজ পড়েছেন কি???দারুন। শেযার করার জন্য ধন্যবাদ্
পত্রিকাতে লক্ষ্য করেনি সংবাদটা।
অনলাইন
অন্য-আলোতে পড়েছিলাম...তাও অনেক আগে...এখানে দেখে ভাল লাগল।
অফলাইন
![]()
![]()
![]()
![]()
অফলাইন
প্রকৃত শিল্পীকে জয়ী করুনবাংলাদেশে এমন রাজনীতিবিদ সামনের কয়েক যুগেও হবে কিনা ঈশ্বর জানে!
অনলাইন
টাট্টুহর্স লিখেছেন:
বাংলদেশের রাজনীতিকদের কাজাখাস্তানে পাঠানো দরকার ভাবছেন কেন? কারন আর কিছুই নয় নিচের খবরটা পড়ুন। বাংলদেশের রাজনীতিকের নামকরন সংস্কৃতিতে বিখ্যাত। এরা পাবলিক টয়লেটের নামও নিজের নামে নামকরন করতে চায়।কাজাখাস্তানে গেলে ঐ দেশের মজলিশের সদস্যরা তাদের পক্ষ ভারি করতে পারবে।
১৯৮৯ সালে নুরসুলতান নাজারবায়েভ প্রথম যখন কাজাখস্তানের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন, তখন আস্তানা ছিল ধুলিমলিন এক লਆড়ঝਆড় শহর। আধুনিকতার কোনো ছোঁয়াই তাতে ছিল না। ২০ বছরে সেকেলে সেই শহরটাকেই ঝকঝকে আর বহুতল ভবনে সমৃদ্ধ এক কসমোপলিটন নগরীতে পরিণত করেন নাজারবায়েভ। শুধু তাই না, ১৯৯৭ সালে এই আস্তানাতেই স্থানান্তরিত করেছেন দেশের রাজধানী। সুতরাং রীতিমতো নতুন জীবন দান করা এ শহরের নাম যদি কেউ জীবনদাতার নাম অনুসারে নুরসুলতান রাখতে চায় তাহলে সেটাকে অন্যায় আবদার বলা যাবে না। ঠিক সেটাই করতে চেয়েছিলেন কাজাখ আইন পরিষদের সদস্যরা। প্রস্তাবটার প্রতি নিম্নকক্ষ মজলিশেরও ৭০ শতাংশ ডেপুটি সমর্থন জানিয়েছিলেন। কিন্তু অমন সাধের একটা পরিকল্পনায় বেরসিকের মতো বাগড়া দিয়ে বসেছেন একজন। কে জানেন? স্বয়ং নুরসুলতান নাজারবায়েভ। সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, নাম বদলানোর এমন কোনো বিলে সই করবেন না তিনি। কেন কেন, তিনি কি চান না, তাঁর নামে রাজধানীর নাম হোক? অবশ্যই চান। ‘কিন্তু নাম বদলানোর এই সিদ্ধান্তটা আসতে হবে অন্য প্রজন্মের কাছ থেকে।’ পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছেন নাজারবায়েভ। ইঙ্গিতটা পরিষ্ককার, ‘ক্ষমতার জোর দেখিয়ে নাম বদলানোর কোনো ইচ্ছা আমার নেই, তবে আমার অনুপস্থিতিতে পরবর্তী প্রজন্ন যদি ভালোবেসে নাম বদলায়, সেটা ভিন্ন কথা।’
সুত্র: প্রথম আলো ১৩.০৬.০৮
আমাদের দেশে কবে এই রকম হবে?
অফলাইন
অফিসেআউল লিখেছেন:
টাট্টুহর্স লিখেছেন:
বাংলদেশের রাজনীতিকদের কাজাখাস্তানে পাঠানো দরকার ভাবছেন কেন? কারন আর কিছুই নয় নিচের খবরটা পড়ুন। বাংলদেশের রাজনীতিকের নামকরন সংস্কৃতিতে বিখ্যাত। এরা পাবলিক টয়লেটের নামও নিজের নামে নামকরন করতে চায়।কাজাখাস্তানে গেলে ঐ দেশের মজলিশের সদস্যরা তাদের পক্ষ ভারি করতে পারবে।
১৯৮৯ সালে নুরসুলতান নাজারবায়েভ প্রথম যখন কাজাখস্তানের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন, তখন আস্তানা ছিল ধুলিমলিন এক লਆড়ঝਆড় শহর। আধুনিকতার কোনো ছোঁয়াই তাতে ছিল না। ২০ বছরে সেকেলে সেই শহরটাকেই ঝকঝকে আর বহুতল ভবনে সমৃদ্ধ এক কসমোপলিটন নগরীতে পরিণত করেন নাজারবায়েভ। শুধু তাই না, ১৯৯৭ সালে এই আস্তানাতেই স্থানান্তরিত করেছেন দেশের রাজধানী। সুতরাং রীতিমতো নতুন জীবন দান করা এ শহরের নাম যদি কেউ জীবনদাতার নাম অনুসারে নুরসুলতান রাখতে চায় তাহলে সেটাকে অন্যায় আবদার বলা যাবে না। ঠিক সেটাই করতে চেয়েছিলেন কাজাখ আইন পরিষদের সদস্যরা। প্রস্তাবটার প্রতি নিম্নকক্ষ মজলিশেরও ৭০ শতাংশ ডেপুটি সমর্থন জানিয়েছিলেন। কিন্তু অমন সাধের একটা পরিকল্পনায় বেরসিকের মতো বাগড়া দিয়ে বসেছেন একজন। কে জানেন? স্বয়ং নুরসুলতান নাজারবায়েভ। সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, নাম বদলানোর এমন কোনো বিলে সই করবেন না তিনি। কেন কেন, তিনি কি চান না, তাঁর নামে রাজধানীর নাম হোক? অবশ্যই চান। ‘কিন্তু নাম বদলানোর এই সিদ্ধান্তটা আসতে হবে অন্য প্রজন্মের কাছ থেকে।’ পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছেন নাজারবায়েভ। ইঙ্গিতটা পরিষ্ককার, ‘ক্ষমতার জোর দেখিয়ে নাম বদলানোর কোনো ইচ্ছা আমার নেই, তবে আমার অনুপস্থিতিতে পরবর্তী প্রজন্ন যদি ভালোবেসে নাম বদলায়, সেটা ভিন্ন কথা।’
সুত্র: প্রথম আলো ১৩.০৬.০৮
আমাদের দেশে কবে এই রকম হবে?
গরু মেরে জুতা দান!!! হা!! হা!! আফনে কি আন্ধা??
অফলাইন