আসলে চঁাদের হিসাবে রোজার সময় না এলেও এখনই আসুন রোজা পালন করি। রোজ মানে কি না খেয়ে থাকা? রোজা মানে কি সেহেরীন্তে ইফতারীর সমাহার সাজানোয় মনোনিবেশ! মনের গ্রন্থি গুলো শুদ্ধ করার ব্রতইতো রোজা, তাই না? তবে এই আকড়ার দিনে সেই ধর্মীয় চেতনায় যুক্ত হই। মনের গ্রন্থির না হোক অন্য কোনো ফয়দাতো হবে। এই জন্য যে, তারপর হয়তো বা আমাদের কাছে ঈদের খুশির আমেজ নিয়ে হাজির হবে কোন বার্তা। এতে হয়তো ধর্মীয় মূল্যবোধের পরিবর্তন হবে না। আর নাস্তিকের রূপান্তর তাও সম্ভব নয়। শুধু মনোনিবেশ হবে আমাদের চেতনার ঘরে। উপাশান্তে ফুল-বেলপাতা-জল ঢেলে যে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে ব্রতচারী সেই নিশ্বাসে অমঙ্গল ধুয়েঁ যাওয়ার কথা কিন্ত হায়! তারা তথৈবচ: নিথর দঁাড়িয়ে থাকে তাদেরই সীমানায়। কারণ সেই রোজাদার আর ব্রতচারী তার আরাধ্যের সাধনায় উপঢৌকন সাজাতে কষ্ট দিয়েছে পথে পথে। সেই কষ্টের ভারে নয়ে পড়া মানুষের নিশ্বাস সেও তো এক পরম রোজদার অথবা ব্রতচারীর। আমার প্রিয়পরম তো সেই মহান অনুভুবের উত্তর পাঠাবেনই। যদিও নৈনিতাল তিলোত্তমায় কবিতার তালা বন্ধ। তবু চাবি আসবেই নৈতিকতা’র।
অফলাইন