আর ভাল লাগে না!আশা করছি পরবর্তী প্রেসিডেন্ট পরিবর্তন ঘটাবে (ওবামার শ্লোগানই "Change, We Can Believe In")।
মনে হয় না। কারণ আলমগীর ভাইয়ের পোস্টের মাঝের প্যারা'র শেষ বাক্যে আছে।
; যদি ব্যাংক একাউন্ট লোপাট হয়ে যায়
!অফলাইন
ঘৃণা ছাড়া আর আমার পক্ষে কি করা সম্ভব ![]()
নিজেকে খুব অসহায় মনে হচ্ছে
অফলাইন
মুঠোফোনে সুডোকু খেলছিtridib লিখেছেন:
ঘৃণা ছাড়া আর আমার পক্ষে কি করা সম্ভব
নিজেকে খুব অসহায় মনে হচ্ছে
অবশ্যই কিছু করা সম্ভব।আপনি মানুষকে অন্যায় সম্পর্কে সচেতন করতে পারেন।এতে কিছু না হোক অন্তত নিজের বিবেকের কাছে দায়মুক্ত হতে পারবেন।
অফলাইন
যুদ্ধের কী দরকার!আলমগীর লিখেছেন:
এরা হায়েনা না। আমি আপনি মার্কিনি হলে বুশ যা করেছে তাই করতাম। বুশের যুদ্ধনীতির সমর্খন খুব শক্ত। আর যুদ্ধে বুশের ব্যক্তিগত লাভের চেয়ে মার্কিনিদের জাতিগত লাভই বেশী এটা তারা ভালমতো বুঝে।
পেট্রলের দাম আর সরাবরাহ ঠিক রাখার জন্য তারা যে কোন কিছু করতে পারবে।
ব্যাপারটা কিন্তু মিলাতে পারলাম না। যতদুর জানি সামগ্রীকভাবে আমেরিকায়ও মন্দা চলছে - সবকিছুর দাম বেড়ে গেছে। জনগণের হাতে তেল বা ডলার কিছুই নাই।
বরং ঐ যুদ্ধ না করলে এটা না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি ছিল। সিনিয়র বুশের করা ১ম মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের খরচ উঠে গিয়েছিল কারণ সৌদি আরবের মাথায় নিরাপত্তার আশংকা ঢুকিয়ে প্রচুর অস্ত্র বিক্রি করেছিল।
কিন্তু বাবার ফর্মূলা অনুসরন করে রাম ধরা খেয়েছে এরা।
কবিরাজের সব অসুখেই একই বড়ি, ডোজ কম আর বেশি। এক বাসায় গিয়ে রোগীর অবস্থা উন্নতি না দেখে কবিরাজ মহা রাগ .... .... খুব গরম দেখায় জিজ্ঞেস করে - রোগীকে মুড়ি খাইয়েছে কে? সবাই ভয়ে জড়োসরো কারণ আসলেই তাই হয়েছে। ঔষুধের ডোজ পাল্টিয়ে দিয়ে এল। সাগরেদ তো অবাক। গুরু কিভাবে রোগী কী খেয়েছে জানলো। ... আরে বেটা চোখ খোলা রাখতে হয় ... রোগীর বিছানার তলে মুড়ি পড়ে ছিল - ওটা দেখেই। শিষ্য মস্ত শিক্ষা লাভ করলো।
গুরুর পরে শিষ্যও কবিরাজি করে। একবার তার রোগীও একই অবস্থায় পড়লো। সে গিয়ে খুব গম্ভীর মুখে পায়চারী করলো। তারপর দাঁতমুখ খিচিয়ে জিজ্ঞেস করলো - রোগীকে লাটিম খাইয়েছে কে?
টুইন টাওয়ারের ঘটনার মোটিভগুলো:
১. জনগণ অতি সহজেই যুদ্ধের অনুমোদন দিয়েছে। ফলে ঐ ফান্ড পেয়ে সমরাস্ত্র কম্পানি টিকে থাকলো।
২. সোভিয়েত রাশিয়ার সাথে ক্লোড ওয়র শেষ .. রাশিয়া এখন বন্ধু। কাজেই রাশিয়ার ভয় দেখিয়ে কোল্ড ওয়রের জন্য বরাদ্দ পাওয়া যাবে না। চায়না বিরাট ব্যাবসায়িক পার্টনার। দুনিয়াতে তেমন কোন বড় শত্রু বা ঘটনা নাই যে এই গ্রুপের (বুশ, চেনি গং) সমরাস্ত্র কারখানায় বাজেটের টাকা আসবে। সুতরাং একজন প্রতিপক্ষ দরকার যে ধরা ছোঁয়ার বাইরে। ওসামা বিন লাদেন সি.আই.এ.র একজন বড় সম্পদ।
৩. টুইন টাওয়ার শ্বেত হস্তীতে পরিণত হয়েছিল। এর রক্ষণাবেক্ষনের খরচ খুব বেশি ছিল। এছাড়া কয়েক বছর আগে ফায়ারপ্রুফিং-এর জন্য পুরা ভবনের স্টীলের উপরে অ্যাসবেসটস স্প্রে করা হয়েছিল। সম্প্রতি পরিবেশ বান্ধব শহরের জন্য এই অ্যাসবেসটস সরানোর নির্দেশ এসেছিল। এই কাজেও কয়েক মিলিয়ন ডলার খরচ হত। সুতরাং বিল্ডিংটা না থাকলেই ভাল।
৪. কোন লস নাই .... কারণ ইন্সুরেন্স কম্পানির কাছ থেকে নতুন টাওয়ার করার টাকা (৮ বিলিয়ন) পাওয়া গেছে।
৫. নিরপরাধ লোকের জীবন না গেলে পাবলিক সেন্টিমেন্টকে নিজেদের সুবিধা অনুযায়ী কাজে লাগানো যাবে না (ইরাক/আফগানিস্থান আক্রমন)। তাইতো পেন্টাগনেও হামলার মহড়া, বিমান ধ্বংসের নকড়া। হায়রে অস্ত্র ব্যবসা।
৬. বিল্ডিং-৭ এ গোয়েন্দা সংস্থার বিভিন্ন তদন্তের রিপোর্ট রক্ষিত ছিল। আর ওটাই ছিল সমস্ত অপারেশনের কমান্ড সেন্টার। কাজেই আলামত নষ্ট করে শুধু এটা না বরং অনেক বড় বড় শেয়ার কেলেঙ্কারির ঘটনাই পুরাপুরি চোখের আড়ালে চলে গেল।
অফলাইন
তাদের আমি পিট্টি দিবরুমন লিখেছেন:
লেখাটা পড়ার গুগল সার্চ করে দেখলাম, নিউইয়র্কে টুইনটাওয়ার হামলায় মৃতদের সংখ্যা ছিলো ২,৮২৩জন।
নিহত আর তাদের পরিবারের জন্যে নতুন করে বেদনা অনুভব করছি।
এরকমই একটা অনুভূতির কারনে আমি কি লিখব খুজে পাচ্ছিলাম না (এখনও পাচ্ছি না)! কি প্রচন্ড নিষ্ঠুরতা! সাথে ইরাক, আফগানিস্তানের মৃতের সংখ্যা যোগ করুন! তাদের এই সমস্ত নির্মম নিষ্ঠুরতার কথা যতই শুনি, কেন জানি নিজেকে অসহায়ই লাগে!
আমি এরকম শুনেছিলাম যে সেদিন টুইনটাওয়ারে যত জন ইসরায়েলী কাজ করত তারা সবাই ছুটিতে ছিল!!
আর আমার বান্ধবীর (কলেজে পড়তাম তখন!) এক ছোট কাজিন, আমেরিকায় থাকত, দূর থেকে টুইন টাওয়ারের ঘটনা দেখে মানষিক ভারসাম্য হারায়। আমার আম্মু টিভিতে দেখে প্রচারের সাথে সাথে! তারপরে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন!
দত্ত আর আলমগীর ভাই এর কাছ থেকে আরও কিছু জানলাম!


অফলাইন
!!! ইন্ট্রাপিড আইবেক্স !!! এত বড় একটা ক্রাইম হল অথচ তার সুরাহা আজো কেন হচ্ছে না? এর জন্য কারা দায়ী মূলত 
অফলাইন
আসলে আমেরিকার অবস্থা যে কি তা এখন ওখানে যারা থাকে (যেমন দত্ত ভাই) ভাল করে বুঝে। আমার ভাই থাকে ওখানে। আমি যেতে চেয়েছিলাম। বলল ওখানে গিয়ে লাভ নেই এর চেয়ে অস্ট্রেলিয়া ভাল। কারণ প্রথমত ঢোকা খুব কষ্ট এর পর পাস করে কাজ পাওয়া কষ্ট। আর প্রতিনিয়ত জিনিস পত্রের দাম বাড়ছে অন্যান্য দেশের তুলনায় বেশী।
আর নিহতদের জন্য সমবেদনা জানানো ছাড়া আর কিছুই করার নেই। আর আফগানিস্তানে ওরা যা করে এসেছে। আমার এক আফগান বন্ধুর কল্যানে আমি বর্তমানের অবস্থা জানতে পেরেছি। টিভিতে যা দেখায় বাস্তবে তার অবস্থা আরও খারাপ। এখনো অনেক মানুষকে প্রতিনিয়ত হত্যা করছে মার্কিন বাহিনী।
শামীম ভাইয়ের জোকসটা পড়ে ভাল লাগল।
অফলাইন
অফিসেএইমাত্র আপানার লিংকটা দেখলাম। এক কথায় দুদার্ন্ত। ধন্যবাদ এই সত্যভাষনে। ধন্যবাদ শামীম ভাইকে।
অফলাইন
@কোডার ভাই,
পরিবর্তনের আশা নিয়েই বুক বাঁধি, যদি কোনদিন পরিবর্তন হয় 
@সামিউল ভাই,
চাকরি বাকরি পাওয়া এখানে এখন ভীষণ কষ্টসাধ্য হয়ে গেছে। Bear Sterns-এর মতো এক বড় কোম্পানীও তাদের কর্মচারী ছাঁটাই শুরু করেছিল গত কয়েক মাস আগে।
আর এখন এখানে মানুষের হাতে ডলারের এতই অভাব যে, সরকার ইনকাম ট্যাক্সের ওপর ভিত্তি করে গত দু'মাস যাবৎ রিবেট চেক পাঠাচ্ছে যাতে মানুষের কেনার ক্ষমতা বাড়ে, কারণ কেউ তো তেমন কিনছে না। যারা কিনছে তারা অধিক বিত্তশালী।
এক স্যার বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র আসলে যদিও বলে "of the people, for the people, by the people" কিন্তু এটা আসলে হয়ে দাঁড়িয়েছে "of the rich, for the rich, by the rich" মানে এক ধরনের plutocracy চালু হয়ে গেছে এই দেশে - এটাই ছিল স্যারের বক্তব্য।
অফলাইন
হাঙ্গরিকোডার লিখেছেন:
আমি অনেকদিন আগে এইটা নিয়ে পড়েছিলাম। কিন্তু লেখাটি ছিল জামায়াত পন্থী একজনের। সেখানে তিনি মূলত ইসরাইলিদের ষড়যন্ত্রের কথাই প্রমান করেছেন। বইটার নাম মনে নাই। গল্পের নায়ক "আহমদ মুসা"। সেখানে দেখানো হয়েছে: আমেরিকান প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় কিভাবে ইসরায়েলীরা বসে আছে। তারাই আমেরিকানদের ব্যবহার করে মুসলমানদের বিপক্ষে। তবে আমেরিকান প্রেসিডেন্ট মুসলিমদের প্রতি বেশ অনুরাগী। জামায়তের লেখকের বলেই হয়তো বইয়ের অনেক কিছুই গুরুত্ব দিয়ে ভাবিনি। কিন্তু অনেকগুলো ব্যাখ্যাই শামীম ভাইয়ের ব্যাখ্যার সাথে মিল আছে।
আপনি যে বইয়ের কথা বলছেন সেটি একটি গল্পের বই। লেখক কিছু সত্য ঘটনাকে তার নিজের ভাষায় উপস্থাপন করেছেন। এবং বইয়ের এক জায়গাতে তিনি লিখেছেন-
"এই বইয়ের কাহিনী সম্পূর্ণ কাল্পনিক। জীবিত বা মৃত কোন ব্যক্তি কিংবা কোন ঘটনার সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই।"
অফলাইন
আর ভাল লাগে না!আরাফাত লিখেছেন:
হাঙ্গরিকোডার লিখেছেন:
আমি অনেকদিন আগে এইটা নিয়ে পড়েছিলাম। কিন্তু লেখাটি ছিল জামায়াত পন্থী একজনের। সেখানে তিনি মূলত ইসরাইলিদের ষড়যন্ত্রের কথাই প্রমান করেছেন। বইটার নাম মনে নাই। গল্পের নায়ক "আহমদ মুসা"। সেখানে দেখানো হয়েছে: আমেরিকান প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় কিভাবে ইসরায়েলীরা বসে আছে। তারাই আমেরিকানদের ব্যবহার করে মুসলমানদের বিপক্ষে। তবে আমেরিকান প্রেসিডেন্ট মুসলিমদের প্রতি বেশ অনুরাগী। জামায়তের লেখকের বলেই হয়তো বইয়ের অনেক কিছুই গুরুত্ব দিয়ে ভাবিনি। কিন্তু অনেকগুলো ব্যাখ্যাই শামীম ভাইয়ের ব্যাখ্যার সাথে মিল আছে।
আপনি যে বইয়ের কথা বলছেন সেটি একটি গল্পের বই। লেখক কিছু সত্য ঘটনাকে তার নিজের ভাষায় উপস্থাপন করেছেন। এবং বইয়ের এক জায়গাতে তিনি লিখেছেন-
"এই বইয়ের কাহিনী সম্পূর্ণ কাল্পনিক। জীবিত বা মৃত কোন ব্যক্তি কিংবা কোন ঘটনার সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই।"
গল্পতো বটেই। গল্পেই তো এসব দেখানো হয়। আমি বলেছি কিছু ব্যাখ্যা'র মিল আছে।
যেহেতু আপনি লাইনটা হুবহু তুলে দিয়েছেন সেহেতু মনে হয় আপনি বইটি পড়েছেন। ওটার নামটি কি বলতে পারবেন? আমি ভুলে গেছি।
; যদি ব্যাংক একাউন্ট লোপাট হয়ে যায়
!অফলাইন
যুদ্ধের কী দরকার!আহমেদ মুসা - নামটা দেখে যেটা মনে আসলো সেটা হল কিছুদিন আগে মাসুদ রানা সিরিজের মত করে একটা সিরিজ বের হয়েছে যেটার নায়ক আহমেদ মুসা। একটা বইয়ের কিছু অংশ পড়ার চেষ্টা করেছিলাম - এ্যাত জঘন্য ভাষা ... প্রতি পাতায় অন্ততপক্ষে ১০বার নায়কের পুরা নাম: আহমেদ মুসা চিন্তা করছে ... ডানদিকে তাকালো আহমেদ মুসা ................ এই ধরণের। সর্বনাম বলে কোন জিনিষ সম্ভবত লেখক জানে না।
লুজ চেঞ্জের শুরুতে যেই কাহিনী দেখানো আছে সেটা যে কোন এসপিওনাজ উপন্যাস থেকে শ্বাসরূদ্ধকর।
১৯৬২ সালের একটা কাহিনী আছে সি.আই.এ-র প্রকাশিত ফাইল থেকে: সেখানে পরিকল্পনা ছিল যে আমেরিকা থেকে একটা বিমান হাইজাক করে সেটা কিউবার আকাশসীমায় উড়িয়ে দেয়া হবে .. দোষ পড়বে কিউবার ঘাড়ে --- এই সুযোগে কিউবাতে সৈন্য পাঠাতে পারবে। প্লেনের যাত্রীরা থাকবে ছুটিতে যাওয়া কিছু ছাত্র, আসলে সব ছদ্মবেশী সি.আই.এ এজেন্ট। তারপর একটা গোপন যায়গায় ঐ প্লেন থেকে ওরা নেমে পড়বে এবং ফাঁকা প্লেন উড়বে ... ধ্বংস হওয়ার আগে ওটা একটা মে-ডে সিগনাল দেবে। ..... পরিকল্পনাটা তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বাতিল করে দেন এবং সি.আই.এ. প্রধানকে অপসারন করেন।
৯/১১ ঘটনাটাও সেইরকম। সেদিন সকালেই কোন একটা অনুশীলনের নামে গুরুত্বপূর্ণ পেন্টাগণ ও অন্যান্য জায়গা রক্ষাকারী সমস্ত ফাইটার জেট উত্তর কিংবা দক্ষিনে দূরে কোন ঘাটিতে পাঠিয়ে দেয়া হয়। সেই সময়ে পুরা আমেরিকার আকাশসীমা রক্ষা করার জন্য মাত্র ১৪টি ফাইটার অবশিষ্ট ছিল ডিউটিতে। আর আগের দিন নিউইয়র্কে ফিমার রেসকিউ দল এসেছিল একটা রেসকিউ-এর মহড়া দিতে। পেন্টাগনে আক্রমনের পরে যখন সারা দেশে বিমান উড্ডয়ন নিষিদ্ধ ছিল তখনও পেন্টাগণের আকাশে দুইটা বিমান চক্কর দিতে দেখা গেছে -- ভিডিও আছে। অথচ ঐটা হল সংরক্ষিত আকাশসীমা।
অফলাইন
মুঠোফোনে সুডোকু খেলছিহাঙ্গরিকোডার লিখেছেন:
যেহেতু আপনি লাইনটা হুবহু তুলে দিয়েছেন সেহেতু মনে হয় আপনি বইটি পড়েছেন। ওটার নামটি কি বলতে পারবেন? আমি ভুলে গেছি।
বইটি সাইমুম সিরিজের।লেখক আবুল আসাদ।বইয়ের নাম সম্ভবত ধ্বংস টাওয়ার(ঠিক মনে করতে পারছিনা এই ধরনের নামের অনেক বই পড়েছি)
অফলাইন
শামীম লিখেছেন:
ব্যাপারটা কিন্তু মিলাতে পারলাম না। যতদুর জানি সামগ্রীকভাবে আমেরিকায়ও মন্দা চলছে - সবকিছুর দাম বেড়ে গেছে। জনগণের হাতে তেল বা ডলার কিছুই নাই।
বরং ঐ যুদ্ধ না করলে এটা না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি ছিল। সিনিয়র বুশের করা ১ম মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের খরচ উঠে গিয়েছিল কারণ সৌদি আরবের মাথায় নিরাপত্তার আশংকা ঢুকিয়ে প্রচুর অস্ত্র বিক্রি করেছিল।
মার্কিন অর্থনীতি অন্যদেশের মতো চলে না। (আমি অর্থনীতি বুঝিও না)।
যেমন- বিশ্বে জ্বালানি তেলের কিন্তু কোন সংকট নেই। সাধারণত জিনিশের দাম বাড়ে সরাবরাহের তুলনায় চাহিদা বেড়ে গেলে। পেট্রলের বেলায় চাহিদাও বাড়েনি, যোগানও কমেনি। ওপেক স্পষ্ট বলেছে তেলের সরাবরাহে কোন সংকট নেই। তা হলে তেলের দাম বাড়ল কেন? একটা কারণ হলো- তেলের বেচাকেনা হয় মার্কিন ডলারে যেটার দাম পড়ে গেছে। আরো অনেক বিষয় থেকে থাকবে।
আমেরিকার কিছু বিষয় বুঝতে পারবেন জেইটজেস্ট সিরিজের ভিডিওগুলো দেখলে। মার্কিন রিজার্ভ ব্যাংকের উপর দেখুন:
http://www.youtube.com/watch?v=_dmPchuXIXQ
অফলাইন
এক পাশে সাগর-এক পাশে বালি...আমার ছোট তরীচমৎকার তথ্য।
অফলাইন
লিনাক্স, পাইরেসী, উন্মত্ততা এবং কিছু কথাবার্তাএই ব্যাপারটা নিয়ে আমি বিস্তারিত গবেষণা করেছি এক সময় (৮-৯ মাসে আগের কথা)। এর টেকনিক্যাল ব্যাপারগুলো বিস্তারিত জানতে চাইলে 9/11 Mysteries দেখুন। অখানেই বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা আছে।
আরো দেখতে পারেন 9/11 Ripple Effects .
প্লেন ক্রাশের ব্যাপারে পাইলটদের বক্তব্য Pandora's Black Box - Chapter Two - Flight Of American 77
৯/১১ সম্পর্কে যাবতীয় ডকুমেন্টারি পাবেন এইখানে - 911docs.net/
রগরগে ডকুমেন্টারি সব। মজার ব্যাপার কি জানেন? বিল্ডিং-৭ ধ্বসে পরার আগেই বিবিসিতে প্রচার করা হয়েছিল বিল্ডিং-৭ ধ্বসে পড়েছে। এমন সে সময়ের লাইভ যে ছবি দেখাচ্ছিল তাতেও বিল্ডিং-৭ বহাল তবিয়তেই দেখা যাচ্ছিল।
অফলাইন