ভাবছিকাতার ভাইয়ের জন্য পাত্রী খোঁজা - ১মপর্ব
তপু ভাইর পরামর্শ অনুসারে গল্প সেখান থেকে শুরু করলাম। একটু ঝামেলা হল। কারন আগে থেকেই ভেবে রেখেছিলাম। আমার গল্পটায় নাটকীয়তা কম ছিল। তপু ভাই-র আউটলাইনটা ভাল। আমি পুরোপুরি সেটা মেইনটেইন করতে পারব না বোধহয়। তাই তপু ভাই-র কাছে ক্ষমা চেয়ে শুরু করলাম। আর আমার গল্পটা থার্ড পারসনে ছিল তাই আপনার অংশটুকু ফার্স্ট পারসন থেকে থার্ড পারসনে নিয়ে এডিট করলাম।
মোশাররফ ভাই ঢাকার বাসে উঠে বসে আছেন। তার মেজাজটা বিগড়ে আছে। সোহেল ভাই তার সাথে আসেনি। কি একটা জরূরি কাজে সে আটকে গেছে। এক সাথে গেলে কত মজা হত। অনেক কিছু ভেবে রেখেছিলেন। একা একা এত বড় একটা জার্নি কাহাতক ভাল লাগে। জানালার পাশের সিটে বসে বাইরে তাকিয়ে এইসব ভাবছেন। পাশের সিট টা খালি। এমন সময় মোবাইলে কল এল। সোহেল ভাইয়ের কল।
- কি রে কই আছস? ফোনের ওপার হতে সোহেল ভাইর জিজ্ঞাসা,
-এই গাড়িতে, এখনি ছাড়বে, তোর বাসায় কি সম্যসা সিরিয়াস কিছু?
-তেমন কিছু না, আমি বাসাকে ম্যানেজ করেছি, কাল সকালে রওনা হয়ে বিকালে খালার বাসায় মিট করব, মাইন্ড করিস না দোস্ত।
-আরে না মাইন্ড করি নি,
- আচ্ছা রাখি।
-আচ্ছা, বাই।
ফোনটা বন্ধ করে পকেটে রাখবেন এমন সময় তার চোখ দুটি বাসের গেটের দিকে আটকে গেল। বুকের ভেতরটা হয়তো ধক করে উঠল।
ও কে?
কে ও?
কোন মানবী কি?
মানুষ কেমন করে এত সুন্দর হয়।
কোন মেকীভাব নাই, কত সাধারণ অথচ চেহারাটা কত মায়া। কত স্মিত, পবিত্র হাসি।
মনে হচ্ছে এর জন্যইতো জনম জনম ধরে অপেক্ষা।
মোশাররফ ভাইয়ের মাথায় এমন হাজার চিন্তা একসাথে দোলা দিল। অচেনা একটা মেয়ের জন্য এমন ভাবনা। তার মনে হল মাথাটা বোধহয় এবার খারাপই হয়ে গেল। জীবনে তো এমন হয়নি কখনও।
তিনি অবাক মেয়েটি তার দিকেই আসছে।
মেয়েটি এসে বলল, ক্ষমা করবেন।
মোশাররফ ভাইয়ের কানে কোন কথায় হয়তো যাচ্ছে না। তিনি নিস্পলক দৃষ্টিতে মেয়েটির দিকে তাকিয়ে আছেন ভাবনার গভীরে হারিয়ে।
মানুষের চোখ কেমন করে এত সুন্দর হয়। এযে দীঘির স্বচ্ছ পানির মত,গভীর, কত লাবণ্য, কত মায়া। এমন চোখের দিকে তাকিয়ে হাজার রাত্রি কাটিয়ে দেয়া যায়।
কিন্তু ঐ চোখে এত কস্ট কেন? মনে হচ্ছে কত দুঃখ, কত কষ্ট, বেদনা সযত্নে যেন আড়াল করে রাখা । কিসের এত কষ্ট ওর?
- এই যে শুনছেন? , মেয়েটি হয়ত একটু বিরক্ত হয়েই বলল।
মোশাররফ ভাই এবার ভার্চুয়াল স্বপ্নপূরী থেকে মর্ত্যলোকে ফিরলেন। মেয়েটি কিছু বলছে।
মেয়েটি আবার বলল, আমাকে ক্ষমা করবেন। আপনি যে সিটে বসে আছেন সে সিট টা বোধহয় আমার। মোশাররফ ভাই তার টিকেট নাম্বার দেখে বুঝলেন আসলে জানালার পাশের সিট টা তার না, খালি সিট টা তার। তিনি বের হয়ে মেয়েটাকে বসতে দিলেন। পরে তিনি তার সিটে বসলেন।
ভোরবেলা খালার বাসায় এসে পৌছালেন। খালা অনেক গল্প টল্প করলেন। এরপর নাস্তা খেতে দিলেন। অনেক কিছু করেছেন। মোশাররফ ভাই শুধু আলু-পরাটা আর চা খেলেন। খুব ক্লান্ত লাগছে। এখন একটা ঘুম দিবেন।
শেষ বিকেলে সোহেল ভাই এসে পৌছাল। দুই বন্ধু ঘুরতে বের হলেন। সোহেল ভাইকে তিনি বাসের মেয়েটার কথা বলবেন। বলা শুরু করার আগে নিজেই একটু অন্য মনষ্ক হয়ে গেলেন। যেন তিনি স্বপ্নাচ্ছন্ন। আসলেই তো একটা স্বপ্নই তো ছিল।
বাসে মেয়েটার সাথে কথা হল। মেয়েটা একটু লাজুক প্রকৃতির। খুব বেশি কথা বলতে চাইছিল না। যতই হোক একটা অপরিচিত পুরূষের সাথে কত কথা বলবে। তারপরও তিনি যতটা ভদ্রতা বজায় রাখা উচিত ততটা বজায় রেখে তার সম্পর্কে জেনেছেন। মেয়েটি সিটি কলেজে অনার্স পড়ছে। চিটাগাং-এ নানীবাড়ি। বেড়াতে এসেছিল। একা একা খুব একটা বের হয় না। এই বার ই প্রথম চিটাগাং-ঢাকা একা একা সফর করছে। তাই একটু ভয়ে ভয়ে ছিল। তার নামটা খুব সুন্দর- মিথিলা। মোশাররফ ভাই যেন এখনও স্পষ্ট শুনতে পাচ্ছেন "মিথিলা" খুব সুন্দর করে সে তার নামটা উচ্চারণ করেছিল। কন্ঠস্বরটা ভারী মিষ্টি। মিথিলার সাথে আরো অনেক গল্প করার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু সে খুব তাড়াতাড়ি ই ঘুমিয়ে পড়ে। সকালে বাস থেকে নামার পর আর কথা বলার সুযোগ হয়নি। মিথিলার বড় ভাই এসেছিল তাকে নিতে।
সোহেল ভাই শুনলেন। বললেন, মেয়েটার ফোন নাম্বার রেখেছিস। মোশাররফ ভাই বললেন না। সো: কোন ঠিকানা। মো: না। সো: তোর কি মেয়েটাকে খুব পছন্দ হইছে। মো: পছন্দ মানে প্রেমে পরে গেছি। সো: শ্যা#। মেয়ে পছন্দ হইছে। কোন নাম্বার বা ঠিকানা রাখছ নাই। তোকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না। চল কাল সিটি কলেজে যাব। মো: বাদ দে। ঐটা হয়তো একটা স্বপ্ন ছিল। আমার কপালে যে আছে সে এমনি আসবে। আর রাস্তাখাটে অপরিচিত মেয়ের কাছে ফোন নাম্বার বা ঠিকানা চাওয়ার মত সাহস আমার নেই। যা হওয়ার হবে। চল দুই বন্ধু চা খাই।..... (চলবে। শেষ করা গেল না।)
অফলাইন
প্রলয় ইউ রকস![]()
আর আমার আউটলাইন যে ফলো করতে হবে এমন কথা নাই। তুমি গল্পকার, প্লট তুমিই তৈরী করবে, তুমিই সাজাবে ঘটনার পর ঘটনা।
একটু ঝামেলা হল।
তোমাকে ঝামেলায় ফেলার জন্য সরি।
অফলাইন
আহা ! মোশা ভাইয়ের কপালের লিখন এখনও জানা গেলো না 
অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতেসি 
অফলাইন
যুদ্ধের কী দরকার!শামীম ভাইয়ের শাশুড়ী সিটি কলেজের শিক্ষিকা .... কাজেই চিন্তা নেই পরের পর্বেও।
অফলাইন
ভাবছিতপু লিখেছেন:
একটু ঝামেলা হল।
তোমাকে ঝামেলায় ফেলার জন্য সরি।
আমি আপনার ছোট ভাইয়ের মত। তাই আমাকে ঝামেলায় ফেলার পূর্ণ অধিকার আপনার আছে। সরি বলে আমাকে লজ্জা দিবেন না। আপনার আউটলাইন থেকে গল্পে একটা নতুন মোড় আসছে। সে জন্য গল্পটা আরো উপভোগ্য হবে। তাই আপনাকে অবশ্যই ধন্যবাদ দিতে হয়।
অফলাইন
ধ্রুবক অন্ধকার, দৈব রাজপথে আমার চিহ্ন, আমি নৈশ ঈশ্বর যেন আরেক ধ্রুবতার জন্ম.আমার মেনে হয় গল্পে মোশা ভাইয়ের কল্পনাটা খুব একটা ব্যাক্তিক্রম হয়নি,বেশ পরিচিত মনে হচ্ছে...শেষদিকে গল্পের বিন্যাসও বেশ পরিচিত.....এই অংশে গল্পের যে দিকর্নিদেশনা করছে তা মনে হয় বেশপূর্ব পরিচিত.....(একান্তই আমার ব্যক্তিগত মতামত)
মোশা ভাই তাহলে কাতার থেকে আসার সময় প্লেনে এয়ারহোটেজগুলো মারাত্মক সুন্দর,একটা ভাগতে পারলে আপনার কপাল খুলে যাবে.
সেই সুযোগ কিন্তু এখনো আছে...
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন Pongta-lyricist (০৯-০৭-২০০৮ ১৯:৩১)

অফলাইন
ভাবছিPongta-lyricist লিখেছেন:
আমার মেনে হয় গল্পে মোশা ভাইয়ের কল্পনাটা খুব একটা ব্যাক্তিক্রম হয়নি,বেশ পরিচিত মনে হচ্ছে...শেষদিকে গল্পের বিন্যাসও বেশ পরিচিত.....এই অংশে গল্পের যে দিকর্নিদেশনা করছে তা মনে হয় বেশপূর্ব পরিচিত.....(একান্তই আমার ব্যক্তিগত মতামত)
পোংটা ভাই দুঃখিত। আপনাকে নতুন কিছু দিতে পারলাম না। আমার এই গল্পটা অতি সাধারণ। আর দশটা সাধারণ গল্পের মতই। আমি কোন চমক রাখি নাই এখানে। গল্পের নামকরন থেকেই বুঝতে পারছেন। এটা পাত্রী দেখা নিয়ে। কাতার ভাই হয়ত নেক্সট ইয়ার বিয়ে করবেন। আমি তাই উনার বিয়ের আগের সময়টা ভার্চুয়ালাইজ করতে চাইছি। আমরা সাধারন মানুষ। তাই আমাদের জীবনে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলা সাধারন। আমি সেই সাধারন ঘটনাগুলাই আপনাদের কাছে তুলে ধরছি। এর বেশি আর কিছু নয়।
আর আমি আমার স্টাইলে লিখি। সব সময়ই এক ধরনের। তাই নতুনত্ব খুজে লাভ নাই। বাংলায় লেখালিখি করার জন্য যতটুকু পড়াশোনা করা দরকার তা আমি করি নাই। আমি যখনই লিখি মনে মনে একটা অপরাধবোধে ভুগি। মনে হয় বাংলার সাথে কি ইনজাস্টিস করছি? আমার পাঠকদের কি ঠকাচ্ছি? তারপরও প্রজন্ম ফোরামে লিখি। কারন মনে হয় এখানে সবাই আমার মতই। সবাই লিখতে চেষ্টা করে। বাংলা ভাষায় আমাদের দক্ষতা যাই হোক, তার প্রতি ভালবাসায় কমতি নেই। অনেক কথা বললাম ফ্রাংকলি নিয়েন।
অফলাইন
আমার মানি ব্যাগ হারানো গেছে। 


শামীম লিখেছেন:
শামীম ভাইয়ের শাশুড়ী সিটি কলেজের শিক্ষিকা .... কাজেই চিন্তা নেই পরের পর্বেও।
আমারও ( প্রলু এর মতে) সেই কলেজের একজন জনকে পছন্দ হয়েছে। সুতরাং আমি শামীম ভাই এর শাশুড়ীর পরিচিত একজন কে পাচ্ছি




অফলাইন
আমার মানি ব্যাগ হারানো গেছে। 


বিবেক লিখেছেন:
আহা ! মোশা ভাইয়ের কপালের লিখন এখনও জানা গেলো না
অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতেসি
বিবেক ভাই, আমিতো আপনার চাইতেও প্রছন্ড উৎকন্ঠায় আছি।
অফলাইন
আমার মানি ব্যাগ হারানো গেছে। 


মোশা ভাই তাহলে কাতার থেকে আসার সময় প্লেনে এয়ারহোটেজগুলো মারাত্মক সুন্দর,একটা ভাগতে পারলে আপনার কপাল খুলে যাবে.
সেই সুযোগ কিন্তু এখনো আছে...
এতো সুন্দরী কি আর একটা বাগিয়ে লাভ আছে, আপনার জন্যও তো একটা লাগবে, কি বলেন পুংটা ভাই?
অফলাইন
microqatar লিখেছেন:
বিবেক লিখেছেন:
আহা ! মোশা ভাইয়ের কপালের লিখন এখনও জানা গেলো না
অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতেসি
বিবেক ভাই, আমিতো আপনার চাইতেও প্রছন্ড উৎকন্ঠায় আছি।
তার চেয়ে আমি আরও বেশী উৎকণ্ঠায় আছি। প্রলয় কাতার ভাইর কোন ছোট শ্যালিকা নাই? আমার গল্পের মত? যদি থাকে তাহলে তোমরা নজর দিয়ো না। বড় ভাইরা আছে না 

তোমার গল্প লেখাটা খুব সুন্দর।
অফ.ট সরি তোমাকে তুমি করে বলার জন্য। মনে হয় তুমি আমার ছোট হবা তাই বললাম। আমারে আজ যে একটা থ্রেড দিলা সেই থ্রেড খাইয়া ১.৫ পৃষ্ঠা লেইখা ফালাইছি। আর একটু লিখে ফোরামে দিব।
অফলাইন
ধ্রুবক অন্ধকার, দৈব রাজপথে আমার চিহ্ন, আমি নৈশ ঈশ্বর যেন আরেক ধ্রুবতার জন্ম.প্রলয় লিখেছেন:
Pongta-lyricist লিখেছেন:
আমার মেনে হয় গল্পে মোশা ভাইয়ের কল্পনাটা খুব একটা ব্যাক্তিক্রম হয়নি,বেশ পরিচিত মনে হচ্ছে...শেষদিকে গল্পের বিন্যাসও বেশ পরিচিত.....এই অংশে গল্পের যে দিকর্নিদেশনা করছে তা মনে হয় বেশপূর্ব পরিচিত.....(একান্তই আমার ব্যক্তিগত মতামত)
পোংটা ভাই দুঃখিত। আপনাকে নতুন কিছু দিতে পারলাম না। আমার এই গল্পটা অতি সাধারণ। আর দশটা সাধারণ গল্পের মতই। আমি কোন চমক রাখি নাই এখানে। গল্পের নামকরন থেকেই বুঝতে পারছেন। এটা পাত্রী দেখা নিয়ে। কাতার ভাই হয়ত নেক্সট ইয়ার বিয়ে করবেন। আমি তাই উনার বিয়ের আগের সময়টা ভার্চুয়ালাইজ করতে চাইছি। আমরা সাধারন মানুষ। তাই আমাদের জীবনে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলা সাধারন। আমি সেই সাধারন ঘটনাগুলাই আপনাদের কাছে তুলে ধরছি। এর বেশি আর কিছু নয়।
আর আমি আমার স্টাইলে লিখি। সব সময়ই এক ধরনের। তাই নতুনত্ব খুজে লাভ নাই। বাংলায় লেখালিখি করার জন্য যতটুকু পড়াশোনা করা দরকার তা আমি করি নাই। আমি যখনই লিখি মনে মনে একটা অপরাধবোধে ভুগি। মনে হয় বাংলার সাথে কি ইনজাস্টিস করছি? আমার পাঠকদের কি ঠকাচ্ছি? তারপরও প্রজন্ম ফোরামে লিখি। কারন মনে হয় এখানে সবাই আমার মতই। সবাই লিখতে চেষ্টা করে। বাংলা ভাষায় আমাদের দক্ষতা যাই হোক, তার প্রতি ভালবাসায় কমতি নেই। অনেক কথা বললাম ফ্রাংকলি নিয়েন।
সাধারণভাবে লিখতে পারাটা অনেক বড় গুন...কল্পনা কখন শিখে বা প্রশিক্ষণ নিয়ে আসে না..তাই আপনি সব সময় স্বাগতম কল্পণার রাজ্যে..কিন্তু একটা বৈশিষ্ট লেখায় থাকা আবশ্যক সেটা মৌলিকতা...যেটা আপনার চিন্তা চেতনাকে বিকাশিত করবে...কখনও কোন কিছুর বা লেখার অনুগামী বা সম্পূরক মনে হবে না..লেখা যেরকমই হোক না কেন সেটা সৃষ্টিশীল..আর সৃষ্টিকতার ইচ্ছায় লেখায় বর্ণতা প্রকাশ পায়....শুভ কামনা রইল.
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন Pongta-lyricist (০৯-০৭-২০০৮ ২১:০৩)

অফলাইন
ধ্রুবক অন্ধকার, দৈব রাজপথে আমার চিহ্ন, আমি নৈশ ঈশ্বর যেন আরেক ধ্রুবতার জন্ম.microqatar লিখেছেন:
মোশা ভাই তাহলে কাতার থেকে আসার সময় প্লেনে এয়ারহোটেজগুলো মারাত্মক সুন্দর,একটা ভাগতে পারলে আপনার কপাল খুলে যাবে.
সেই সুযোগ কিন্তু এখনো আছে...এতো সুন্দরী কি আর একটা বাগিয়ে লাভ আছে, আপনার জন্যও তো একটা লাগবে, কি বলেন পুংটা ভাই?
কাতার ভাই আমার "পুংটি" যদি শুনে এই কথা আমার কপালে তো মাইর আছে আপনার কাপালেও খারাপি আছে..পুংটি আমার চেয়ে বড় গুন্ডি.....ভাই আমি পুংটিকে প্রচন্ড ভয় পাই..আমার সর্বনাশ কইরেন না.

অফলাইন
পায়ের চিহ্ন ধরে এগিয়ে আসছি.হি হি হি বেশ মজা হচ্ছে.অনেক ভাল লাগছে.
অফলাইন
তাদের আমি পিট্টি দিবপ্রলয় লিখেছেন:
কারন মনে হয় এখানে সবাই আমার মতই। সবাই লিখতে চেষ্টা করে। বাংলা ভাষায় আমাদের দক্ষতা যাই হোক, তার প্রতি ভালবাসায় কমতি নেই।
মনের মতো কথা! ![]()



অফলাইন
টেনশন? হেইডা আবার কেডা?মানুষ দুই প্রকার। যথাঃ জীবিত ও বিবাহিত।
ইস, কাতার ভাই তাহলে কি...
অনলাইন
C শিখতে হবে। সবার সাহায্যে লাগবেসামিউল লিখেছেন:
প্রলয় কাতার ভাইর কোন ছোট শ্যালিকা নাই? আমার গল্পের মত? যদি থাকে তাহলে তোমরা নজর দিয়ো না। বড় ভাইরা আছে না
খাটিঁ সত্য কথা।
তবে কিনা শ্যালিকা একটা হলেই মুশকিল।
আমরাও আছি কিনা।





অফলাইন
ঈদের ছুটি শেষ..........জটিল হইতাসে প্রলয় ভাই, চালায়ে যান। আমরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় আছি।
অফলাইন
নীল আকাশ লিখেছেন:
সামিউল লিখেছেন:
প্রলয় কাতার ভাইর কোন ছোট শ্যালিকা নাই? আমার গল্পের মত? যদি থাকে তাহলে তোমরা নজর দিয়ো না। বড় ভাইরা আছে না
খাটিঁ সত্য কথা।
তবে কিনা শ্যালিকা একটা হলেই মুশকিল।
আমরাও আছি কিনা।
ভাই আগে আসলে আগে পাবেন। আমি আগে কইছি 

অফলাইন
আমার মানি ব্যাগ হারানো গেছে। 


সামিউল লিখেছেন:
নীল আকাশ লিখেছেন:
সামিউল লিখেছেন:
প্রলয় কাতার ভাইর কোন ছোট শ্যালিকা নাই? আমার গল্পের মত? যদি থাকে তাহলে তোমরা নজর দিয়ো না। বড় ভাইরা আছে না
খাটিঁ সত্য কথা।
তবে কিনা শ্যালিকা একটা হলেই মুশকিল।
আমরাও আছি কিনা।
ভাই আগে আসলে আগে পাবেন। আমি আগে কইছি







আমার নিজের জন্য পাত্রীরই দেখা নাই , আর এরা কিনা শালীর হিসাব এখনই শুরু করছে
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন microqatar (১০-০৭-২০০৮ ১২:১৪)
অফলাইন