যুদ্ধের কী দরকার!Loose Change নামে আমেরিকার টুইন টাওয়ার ধ্বংসের উপরে একটি প্রামান্য চিত্র দেখেছিলাম জাপানে থাকতে। এটা গুগল ভিডিওতে আছে; শেষ সংকলনটা প্রায় ১২৯ মিনিট লম্বা। এই প্রামান্য চিত্রতে ৯/১১ তে আমেরিকায় তথাকথিত সন্ত্রাসী হামলার তাৎক্ষনিক টেলিভিশন রিপোর্টগুলোর সাথে আছে কিছু যৌক্তিক বিশ্লেষণ। এতে বেরিয়ে আসছে যে বুশ প্রশাসনের দেয়া ব্যাখ্যা মনগড়া। দুই টাওয়ার ধ্বসে পড়ায় জেট ফুয়েলের কোন ভূমিকা নেই। ওগুলো আগে থেকে পেতে রাখা বোমা দিয়ে উড়িয়ে দেয়া হয়েছে প্রশাসনের লোকজনের ব্যক্তিগত স্বার্থ সিদ্ধির জন্য। ইন্টারনেটের মত একটা মাধ্যম না থাকলে এই ঘটনাটা অতি সহজেই ধামাচাপা দিয়ে ফেলতো সংশ্লিষ্টরা।
এটাকে কনস্পিরেসি থিওরীও বলে উড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, এটা বানানোর সাথে জড়িতদেরকে বিভিন্ন ভাবে নাকাল করা হচ্ছে। মুক্তচিন্তার দেশ আমেরিকার (!) প্রচারমাধ্যমে এটা কখনও প্রচার হয়নি। নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার দুটি টিভি চ্যানেল এই রকম আরেকটি ভিডিও প্রচার করে যেটার নাম: 911 in plane site। এই ডিভিডিটি ঢাকার বাজারে পাওয়া যায়। এটা প্রচার করে ঐ চ্যানেলের দায়িত্বপ্রাপ্তরা রাজনৈতীক রোষের মুখামুখি হন, অপরপক্ষে প্রচুর দর্শক এটা প্রচারের সাহস দেখানোর জন্য ধন্যবাদ দেয়। (রিপোর্ট)
সংক্ষেপে ঐ বিশ্লেষণমূলক প্রামান্যগুলোর চুম্বক অংশগুলো তুলে ধরি।
১. প্রথম প্রশ্ন আসে যে ঐ সময়ে বিল্ডিং-৭ কেন একই ভঙ্গিতে ভেঙ্গে পড়লো। টুইন টাওয়ার কম্পাউন্ডে মোট ৭টি বিল্ডিং ছিল। এর মধ্যে টুইন টাওয়ার দুটি এবং বিল্ডিং-৭ মোট ৩টি বিল্ডিং একই ভঙ্গিতে ভেঙ্গে পড়ে। বিল্ডিং-৭ ভেঙ্গে পড়ে আরও ৫/৬ ঘন্টা পরে। এটাতে কোন বিমান আঘাত করেনি, তাই জেট ফুয়েল বা অন্য অযুহাত খাটে না। তবে এই বিল্ডিং-এ গোয়েন্দা সংস্থার অনেকগুলো অফিস (এবং ওয়াল স্ট্রীটের বিভিন্ন কেলেঙ্কারির তদন্ত রিপোর্ট রক্ষিত) ছিল।
২. বিল্ডিং ভেঙ্গে পড়ার মেকানিজমে বলা হয়েছে - অত্যন্ত তাপে স্টীল স্ট্রাকচার ফেইল করে। একটা ফ্লোর আরেকটার উপরে ভেঙ্গে পড়ে আর এভাবে ধারাবাহিকভাবে পুরা দালান ভেঙ্গে পড়ে।
- এটার বিরূদ্ধে প্রথম যুক্তি হচ্ছে: পুরা বিল্ডিং দুইটা মোট ১১ ও ৯ সেকেন্ডে ভেঙ্গে পড়েছে। টুইন টাওয়ারের ছাদ থেকে অভিকর্ষের প্রভাবে কোন বস্তু পড়লেও সেটা মাটিতে পৌছাতে একই সময় লাগবে। অর্থাৎ পুরা ভবনটি মোটামুটি ফ্রী-ফল বা মুক্ত ভাবে পড়ার গতিতে নেমে এসেছে। এক ফ্লোর ভেঙ্গে আরেক ফ্লোরের উপরে পড়লে এবং তার প্রভাবে ভাঙ্গলে সময় আরেকটু বেশি লাগার কথা।
- বিরূদ্ধে দ্বিতীয় যুক্তি হচ্ছে - জেট ফুয়েলে সৃষ্ট আগুনে তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ২০০০ ডিগ্রী ফারেনহাইট হতে পারে, আর স্টীল স্ট্রাকচার ভেঙ্গে পড়তে হলে কমপক্ষে ৩০০০ ডিগ্রী তাপমাত্রা দরকার (- এই ব্যাপারে বিভিন্ন মতামত আছে)। এছাড়া ভেঙ্গে পড়ার সময়ও আগুন লাগা ঐ তলাগুলোর জানালাতে মানুষ সাহায্যের জন্য হাত নাড়ছিল। এত তাপমাত্রায় মানুষের বাষ্পীভূত হয়ে যাওয়ার কথা।
- এছাড়া ভবন দুইটা থেকে কালো ধোঁয়া বের হচ্ছিল, অর্থাৎ আগুনের তেজ ছিল না কারণ সঠিকভাবে জ্বলা আগুনে ধোঁয়ার রং অন্যরকম হয়।
৩. ঐ তিনটি ভবন ছাড়া আগুন লেগে পৃথিবীতে কোন ভবন সম্পুর্ন ভেঙ্গে পড়েনি। (ভাল কথা ভবন-৭ কেন ভেঙ্গে পড়লো ... ওখানে তো জেট ফুয়েলের ছিটেফোটাও পড়েনি)
৪. ৯/১১ এর সকাল বেলা পর্যন্ত ঐ তিন ভবনের নিরাপত্তার দায়িত্ব যে কম্পানির হাতে ছিল, ঐ নিরাপত্তা কম্পানির মালিক কে জানেন কি? জেব বুশ - জর্জ বুশের ছোট ভাই।
৫. মোট ৭টি বিল্ডিং-এর মধ্যে শুধুমাত্র ঐ তিনটিই একজন মালিকের লিজ নেয়া ছিল। এবং মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেই ঐ তিনটি বিল্ডিং-এর নিরাপত্তার জন্য প্রায় সাড়ে তিন বিলিওন ডলারের ইন্সুরেন্স করা হয়েছিল যার মধ্যে সন্ত্রাসী হামলার একটা বিশেষ ধারা/অনুচ্ছেদ ছিল। বিল্ডিং ধ্বংসের পরে দুটি বিল্ডিং দুটি আলাদা সন্ত্রাসী হামলা এই দাবী দেখিয়ে আদালতের রায় পেয়ে উনি ৮ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ নিয়েছেন।
৬. ফায়ার সার্ভিসের কথোপকথনের টেপ থেকে জানা যায়, ঐ ভবনগুলোর আগুনের অংশগুলোতে ফায়ার সার্ভিসের কর্মী পৌঁছে গিয়েছিল এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে বলে রিপোর্ট করছিল। (- এই টেপ অনেকদিন পর আদালতের নির্দেশে অবমুক্ত করা হয়)
৭. ভবন ভেঙ্গে পড়ার ভিডিওগুলো মনোযোগ দিয়ে দেখলে দেখা যায় যে যেই তলা ভাঙ্গছে সেই তলা থেকে বেশ কয়েক তলা নিচের জানালাগুলো থেকে বিষ্ফোরণের ধোঁয়া বেরিয়ে আসছে। (ধারাবাহিক ভাবে)। এছাড়া তাৎক্ষনিক টিভি রিপোর্ট এবং অন্য প্রত্যক্ষদর্শীদের রিপোর্টেও ভবনের ভেতরে প্রচুর বিষ্ফোরণের কথা এবং ক্লিপ আছে - যেগুলো ঐ একবার ছাড়া আর প্রচার হয়নি!
৮. এক তলার উপরে আরেক তলা ভেঙ্গে পড়লে খুব জোরে ছিটকে কিছু বাইরে আসার কথা না। কিন্তু আশে পাশের ভবনে অনেক ভারী বস্তুকে গেথে থাকতে দেখা গিয়েছে যেটা বিষ্ফোরণের শক্তি ছাড়া সম্ভব না। (ছড়িয়ে পড়ার জন্য আনুভুমিক বল আসলো কোথা থেকে)
৯. ভবন ভেঙ্গে পড়ার মোট সময়, নিচের ফ্লোরগুলো থেকে ধারাবাহিক বিষ্ফোরণের ধোঁয়া এবং কেন্দ্রে সুনিয়ন্ত্রিত ভাবে ভেঙ্গে পড়া দেখে বোঝা যায় যে টুইন টাওয়ার এবং ভবন ৭ আগে থেকে পরিকল্পিত ভাবে পুতে রাখা বিষ্ফোরকের সাহায্যে কন্ট্রোল্ড ডিমোলিশনের মাধ্যমে ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। (রিপ্লিস বিলিভ ইট অর নট-এ এ ধরণের ভবন ধ্বংস দেখায় মাঝে মাঝেই - শতকরা ১০০ ভাগ সাদৃশ্য)
১০. এই ঘটনার ফলে লাভবান হয়েছে কারা (মোটিভ?)। এটাকে অযুহাত বানিয়ে দ্রুত জনগণের সমর্থন নিয়ে ইরাক আক্রমণ করা হয়েছে। আর যুদ্ধ মানেই যুদ্ধাস্ত্র ... আর সেগুলো কেনা হয় সমরাস্ত্র কারখানা থেকে --- ওগুলোর মালিক কে? সরকারী কোষাগারের টাকা সহজেই তাদের পকেটস্থ।
১১. ক্রাইসিস সৃষ্টি করে জনগণের সমর্থন আদায়ের কৌশল অনেক পুরানা রাজনৈতীক কৌশল।
১২. যেই বিমানগুলো টাওয়ারে আঘাত করেছিল তাৎক্ষনিক রিপোর্টে প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেছে যে ওগুলোতে কোন জানালা ছিল না। প্রথম আঘাতের মাত্র একটি ভিডিও ফুটেজ আছে তাই পরিষ্কার ছবি দিয়ে সত্যতা যাচাই করা যাচ্ছে না, কিন্তু ২য় আঘাতের বিভিন্ন ক্যামেরার ভিডিও ফ্রেম বাই ফ্রেম দেখলে দেখা যায় যে ঐ বিমানটি স্বাভাবিক কোন বিমান নয়। বিমানের নিচে পেটের মধ্যে বিশাল কিছু একটা লাগানো। এই ধরণের বিমান সেনাবাহিনী রিমোটকন্ট্রোল বিমান হিসেবে ব্যবহার করে ... যার কিছু ছবি দেখলে এই দুইয়ের সাদৃশ্য বোঝা যায়।
১৩. দুইটি বিমান ভবনে আঘাত করার ঠিক আগ মূহুর্তে (সেকেন্ডের ভগ্নাংশ) আঘাত স্থলের ভেতরে বিষ্ফোরণের আলো দেখা যায়। সম্ভবত জেট ফুয়েল প্রজ্জ্বলন নিশ্চিত করার জন্য ওগুলো করা হয়েছে। (911 in plane site)
১৪. পেন্টাগণে আসলেই কোন বিমান আঘাত করেছে বলে মনে হয় না। বিস্তারিত বিশ্লেষন 911 in plane site এবং loose change এ বলা আছে।
১৫. সাজানো ঘটনার মনগড়া রিপোর্ট আগেই ওদের নিয়ন্ত্রনাধীন সমস্ত চ্যানেলে চলে গিয়েছিল। বিবিসির একটা রিপোর্টে রিপোর্টার বলছে ভবন-৭ ও ধ্বসে পড়েছে, কিন্তু তখনও তাঁর পেছনে ভবন-৭ দাঁড়িয়ে ছিল এবং আরও ২০ মিনিট পরে ওটা ধ্বংস হয়
।
ডকুমেন্টারিটা দেখলে আরো অনেক কিছুই জানতে পারবেন। বিষ্ফোরণের শব্দ বিশ্লেষন দেখানো আছে -- সেটাতেও বিষ্ফোরণ করানো হয়েছে বোঝা যায়।
আমার কাছে 911 in plane site এর ডিভিডি আছে, দোকানেও পাবেন। আর loose change এবং 911 misteries -part 1 নামে দুইটা ভিডিও ডাউনলোড করেছি (প্রায় ৩০০মেগা)। কেউ চাইলে সিডি বা পেন ড্রাইভে নিতে পারেন। কিংবা ডাউনলোড করতে পারেন এখান থেকে।
যাদের ইন্টারনেট স্পীড বেশি তাঁরা লুজ চেঞ্জ - গুগল ভিডিও থেকে দেখতে পারেন। এটা ইন্টারনেটে সর্বাধিক দেখা ভিডিওগুলোর একটি।
http://video.google.com/videoplay?docid … 8768610598
কিছু দারুন লিংক: (ফারুক ওয়াসিফ ভাইয়ের কাছে কৃতজ্ঞতা)
১. http://www.garlicandgrass.org/issue6/Dave_Heller.cfm
২. http://911review.com/articles/index.html
৩. http://www.911truth.org/article.php?sto … 7011535140
এই বিষয়ে সচলায়তনে আমার পোস্টের লিংক। মন্তব্যগুলো দেখতে পারেন।
অফলাইন
চমৎকার ![]()
![]()
![]()
ধন্যবাদ, ধন্যবাদ এবং ধন্যবাদ...
ভিডিওগুলো আমার পিসিতে আছে অনেক দিন ধরে । কিন্তু খুটিয়ে খুটিয়ে দেখার ধৈর্য হয়নি । আর খুব খেয়াল করে না দেখলে বোঝাও যাচ্ছিলো না ব্যাপারটা ।
এখন দেখবো ভিডিওটা ।
অফলাইন
বুশ কে আর কি বলব !!!!!!!!
তথ্য গুলা চমৎকার ![]()
অফলাইন
ঈদের ছুটি শেষ..........ধন্যবাদ। ![]()
![]()
![]()
অফলাইন
ধন্যবাদ এবং ধন্যবাদ...![]()
![]()
![]()
অফলাইন
আমার মানি ব্যাগ হারানো গেছে। 


গতকাল সচলায়তনে পড়েছিলাম। তাহলে কি দাড়াল, পুরা ব্যাপারটি কি পূর্বপরিকল্পিত ছিল?
অফলাইন
শামীম ভাই
এ বিষয়ে ইউটিউবে শত খানেক ভিডিও পাবেন। এগুলোর নাম কন্সপিরেসি থিওরি।
এগুলোর মধ্যে একটা আছে ফ্রান্সের একটা আর্টিটেক্ট গ্রুপের করা। তারা সিমুলেশন করে দেখিয়েছে বিল্ডিং ধ্বসে পড়া সম্ভব না।
ভবিষ্যতে সবই জানা যাবে আশা করি।
অফলাইন
যুদ্ধের কী দরকার!আলমগীর ভাই, আন্ডারগ্র্যাডে আমার মেজর ছিল স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং (পরে এনভায়রনমেন্টে বাকীগুলো)। ব্যাপারটা দ্রুত আত্মস্থ করার জন্য ঐ শিক্ষাটার কিছুটা ভূমিকা আছে বলে মনে হয়।
সময়ের সাথে সত্য প্রকাশ হবে ... অপরাধীদের শাস্তি হবে ... এই আশায় থাকি, আর নিহতদের পরিবারকে সমবেদনা জানাই।
অফলাইন
মুঠোফোনে সুডোকু খেলছিধন্যবাদ দারুন তথ্য শেয়ার করার জন্য।+ রেপু।
অফলাইন
মুঠোফোনে সুডোকু খেলছিশামীম লিখেছেন:
সময়ের সাথে সত্য প্রকাশ হবে ... অপরাধীদের শাস্তি হবে ... এই আশায় থাকি, আর নিহতদের পরিবারকে সমবেদনা জানাই।
দুরাশা
অফলাইন
এদের সাহস আসলে বেশী । চাঁদে যাওয়া নিয়েও অনেক বিতর্ক আছে। যেটা স্নায়ু যুদ্ধে অনেক ভুমিকা রেখেছিল।
অফলাইন
বিষন্ন এই মন কি যে করি....!ধন্যবাদ শামীম ভাই

অফলাইন
দুরুন টপিক। শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ। পেন ড্রাইবে পাব কিভাবে। আপনার ঠিকান তো জানিনা। 
অফলাইন
যুদ্ধের কী দরকার!মাসুম লিখেছেন:
দুরুন টপিক। শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ। পেন ড্রাইবে পাব কিভাবে। আপনার ঠিকান তো জানিনা।
অফিস প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি
বাসা: সেন্ট্রাল রোড (সায়েন্স ল্যাবের কাছে, ধানমন্ডি ল্যাব এইডের পেছনের রাস্তা), আইডিয়াল কলেজের পাশে।
ফোন/ইমেইল ইত্যাদি পাবেন আমার হোমপেজে।
অফলাইন
তাদের আমি পিট্টি দিবএ সম্পর্কে অনেক আগেই বেশ কিছুটা জেনেছি! আমার ভাইয়া (আর্কিটেক্ট) ব্যাখা করেছিল ব্যাপারগুলো! পেন্টাগণের ব্যাপারে যুক্তিগুলো আরও ইন্টারেস্টিং। ভালো একটা পোস্ট করেছেন ভাইয়া! (অনেক দিন পর আপনার কাছ থেকে এরকম একটা পোস্ট পেলাম! ইদানিং খুব ব্যস্ত মনেহয়!
)
শামীম লিখেছেন:
বাসা: সেন্ট্রাল রোড (সায়েন্স ল্যাবের কাছে, ধানমন্ডি ল্যাব এইডের পেছনের রাস্তা), আইডিয়াল কলেজের পাশে।
।
আমার বাসা থেকে খুব বেশি দূরে নয়!
কবে আসলে ভাইয়া ভাবী দুজনকেই পাবো!?



অফলাইন
ওরে মাটি হব মাটি.....চমৎকার তথ্যবহুল। আসলেই চিন্তার বিষয়
অনেক আগেই শুনেছিলাম ষড়যন্ত্রের ব্যাপারটি। আমেরিকার ঘৃণ্য দস্যুবৃত্তিতা আর কত দেখতে হবে আমাদের???? কেউ কি নেই এ হায়েনা গুলোকে থামায়? সোভিয়েত ইউনিয়ন যখন ছিল, তখনই ভালো ছিল বোধ হয়। ওরাও এমন আহামরি ভালো ছিল না কিন্তু শক্তির ভারসাম্য ছিল। যা ইচ্ছে তাই করার মনোভাব অবশ্যই অবদমিত ছিল।
অফলাইন
শামীম লিখেছেন:
সময়ের সাথে সত্য প্রকাশ হবে ... অপরাধীদের শাস্তি হবে ... এই আশায় থাকি, আর নিহতদের পরিবারকে সমবেদনা জানাই।
প্রথম অংশ ঠিক আছে, দ্বিতীয় অংশে ঠিক নাই। অন্তত পৃথিবীর অতীত ইতিহাস তা বলে না। জাতিগত বড় অপরাধের কোন সুরাহা কখনো হয়নি।
উদাসীন লিখেছেন:
কেউ কি নেই এ হায়েনা গুলোকে থামায়?
এরা হায়েনা না। আমি আপনি মার্কিনি হলে বুশ যা করেছে তাই করতাম। বুশের যুদ্ধনীতির সমর্খন খুব শক্ত। আর যুদ্ধে বুশের ব্যক্তিগত লাভের চেয়ে মার্কিনিদের জাতিগত লাভই বেশী এটা তারা ভালমতো বুঝে।
পেট্রলের দাম আর সরাবরাহ ঠিক রাখার জন্য তারা যে কোন কিছু করতে পারবে।
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন আলমগীর (০৮-০৭-২০০৮ ১৯:১৪)
অফলাইন
আর ভাল লাগে না!আমি অনেকদিন আগে এইটা নিয়ে পড়েছিলাম। কিন্তু লেখাটি ছিল জামায়াত পন্থী একজনের। সেখানে তিনি মূলত ইসরাইলিদের ষড়যন্ত্রের কথাই প্রমান করেছেন। বইটার নাম মনে নাই। গল্পের নায়ক "আহমদ মুসা"। সেখানে দেখানো হয়েছে: আমেরিকান প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় কিভাবে ইসরায়েলীরা বসে আছে। তারাই আমেরিকানদের ব্যবহার করে মুসলমানদের বিপক্ষে। তবে আমেরিকান প্রেসিডেন্ট মুসলিমদের প্রতি বেশ অনুরাগী। জামায়তের লেখকের বলেই হয়তো বইয়ের অনেক কিছুই গুরুত্ব দিয়ে ভাবিনি। কিন্তু অনেকগুলো ব্যাখ্যাই শামীম ভাইয়ের ব্যাখ্যার সাথে মিল আছে।
; যদি ব্যাংক একাউন্ট লোপাট হয়ে যায়
!অফলাইন
আমি ব্যক্তিগতভাবে শামীম ভাইকে অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি এমন একটি জিনিস এখানে শেয়ার করার জন্য। আপনার এই লেখার মাধ্যমে অনেক কিছুই জানতে পারলাম। এবার আমি কিছু কথা বলতে চাই এ সংক্রান্ত কিছু ব্যাপারে।
আসলে গত পাঁচ বছর ধরে এই বুশের দেশে থেকে যা বুঝেছি যে, এখানে বুশ শাসনামলের প্রায় পুরো সময়টা জুড়েই মিডিয়া সরকার নিয়ন্ত্রণ করেছে পুরোপুরিভাবে। সরকার যদিও মুখে বলে তারা গণমাধ্যমের ওপর পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছে কিন্তু আসলে কিছুই না। মিডিয়াকে ব্যবহার করা হয়েছে সাধারণ মানুষকে সরকারের নানা বিষয়ে অজ্ঞ করা রাখার জন্য। সত্য খবর তো কোনভাবেই বের হতো না (ইদানীং কালের সময় বাদে)। আমার ইংরেজী ক্লাশে এই কারণে গত দু'বছর আগে George Orwell-এর 1984 বইটি পড়ানো হয়েছে যাতে আমরা ভবিষ্যৎ প্রজন্ম (আমেরিকানরা) বুঝতে পারি কিভাবে এই বইটির মতো সরকার আমাদের বর্তমান জীবনকে কন্ট্রোল করছে। যদিও প্রথম এমেন্ডমেন্টে বলা হয়েছে বাক স্বাধীনতার কথা কিন্তু কই আপনি আজ রাস্তায় বের হয়ে বুশের বিপক্ষে বলেন তাহলেই আপনাকে ধরবে। বাহিরে কেন বলি? আমার জানা মতে, এখানে এক বাঙালী মহিলা ফোনে আরেকজনের সাথে ইরাক যুদ্ধ বিষয়ে কী যেন কথা বলছিল, হঠাৎ করে লাইন কেটে দেয়া হয় এবং কিছুক্ষণ পরে মহিলাকে পুলিশ এসে ধরে নিয়ে যায়। এ থেকে শুরু হয় টেলিফোনে আড়িপাতার মতো হীন কাজ সরকারের মাধ্যমে। প্রথমে সভ্য সমাজ এখানে বিক্ষোভ করলেও পরে সরকারের এ পদক্ষেপকে তেমন প্রভাবিত করতে পারেনি। আর মিডিয়ার যে কথাগুলো বললাম তার মূল সার-সংক্ষেপ করলে বলবো, গত ৭-৮ বছর ধরে টেলিভিশন/রেডিও এসব গণমাধ্যমে সেলিব্রিটিদের সম্পর্কে যে পরিমাণ খবর প্রকাশিত হয় অন্য খবর তেমন জায়গাই করতে পারে না। আপনারা শুনলে হয়ত বিস্মিত হবেন, এখনকার ABC7 চ্যানেল যেটি বলতে গেলে এক নম্বর টেলিভিশন চ্যানেল, এতে সন্ধ্যা সাড়ে ছ'টার World News-এ খবর যা থাকে সব আমেরিকার অভ্যন্তরীণ। লোকাল নিউজই এতে দেখানো হয়। যদি কোনদিন কোন এক্কেবারে বড় কিছু ঘটে বিশ্বে (যেমন, বাংলাদেশের সিডার দেখিয়েছিল ১মিনিটেরও কম সময় ধরে) তাহলেই সেটা এটাতে স্থাণ পায়। এরকমভাবে জনগণকে নির্বোধ বানিয়ে রাখার চেষ্টার জন্য আমার এক স্যার প্রতিদিন বিশ্বের ১০টির মতো পত্রিকা পড়েন রোজ সকালে ইন্টারনেটে যাতে দুনিয়ায় কি হচ্ছে তা প্রকৃতই জানতে পারেন (এগুলো আমেরিকার পত্রিকা না, অন্য দেশের)।
তাহলে আশা করছি বুঝতেই পারছেন কেমনভাবে শেকল দিয়ে বাঁধা হাত-পা মানুষের এখানে। যারা এখনো বুশকে সমর্থন জানায় তাদের সংখ্যা আসলে ২৭%-এর মতো যে দেখানো হয় বাস্তবে আমার মতে এর চেয়ে অনেক কম। শুধুমাত্র বুশের মতো extremist/conservative কিছু মানুষ আছে যারা তাকে এখনো সমর্থন জোগাচ্ছে। আশা করছি পরবর্তী প্রেসিডেন্ট পরিবর্তন ঘটাবে (ওবামার শ্লোগানই "Change, We Can Believe In")। এতে অদূর ভবিষ্যতে হয়ত আরো এমন তথ্য বেরিয়ে আসবে। সেসব দিনের অপেক্ষায় আর অপরাধীর শাস্তির অপেক্ষায় (যদিও আলমগীর ভাইয়ের কথা সত্য, তবুও ঈশ্বর তো বলেছেন পাপীদের শায়েস্তা করতে তিনি যুগে যুগে আবির্ভূত হবেন)...
অফলাইন
লেখাটা পড়ার গুগল সার্চ করে দেখলাম, নিউইয়র্কে টুইনটাওয়ার হামলায় মৃতদের সংখ্যা ছিলো ২,৮২৩জন।
নিহত আর তাদের পরিবারের জন্যে নতুন করে বেদনা অনুভব করছি।
অফলাইন