বাংলাদেশের অন্যতম নাম রাজনীতি যার কারনে আজ এই অল্প বয়সে কাজ করছি প্রবাসে। কলেজ মানে রাজনীতি আর রাজনীতি মানে মারামারি সন্ত্রাসী। যা বাংলাদেশের নিত্যদিনের খবর প্রতিদিনই গড় ছাড়ছে হাজারও মানুষ। কিন্তু তারপরও কি আমরা পাচ্ছি শান্তি আজ আমাদের দুর্নিতি দমন করতে গিয়ে আমরা হারিয়েছি আমাদের অর্থনীতিক ভারসাম্য। আমার প্রশ্ন আজ কেন চালের দাম ৩৫ টাকা কেরসিন ৭০ টাকা প্রতি লিটার, হয়ত প্রশ্ন করতে পারেন তাহলে কি দুর্নিতী দমন করবনা? কেন নয় যখন যা করার দরকার তখন তাহাই করা উচিত। বর্তমান সরকারকে বলছি বলতে পারবেন কি? কি দিয়েছেন বাংলাদেশকে শুদুই দুর্নিতীমুক্ত সমাজ আর সাথে দিয়েছেন হাহাকারযুক্ত জীবন যা মানুষকে ঠেলে দিয়েছে মৃত্যর কোলে। পারবেন কি পিরিয়ে দিতে ২০০৬ এর অর্থনীতিক বাজার। বাংলাদেশের সরকারের বর দোষ ছিল অনবিঞ্জতা যা সর্ম্পকে কিছু জানেন না সেটা করেতে যাওয়া। এবং বাংলাদেশ সরকার ছিল দুর্নিতীর ব্যপারে সুম্পুর্ন অনবিজ্ঞ।
অফলাইন
আপনার কষ্ট বুঝতে পারছি। কিন্তু মূল্যবৃদ্ধি দূর্নীতি দমনের প্রতিক্রিয়া নয়। সারা পৃথিবীতেই অর্থনীতি অস্থিতিশীল। অব্যহত মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ইউরোপসহ অন্যান্য জায়গায় প্রতিবাদ চলছে।
আমরা এই পৃথিবীরই একটি অংশ ... কাজেই ঐ পরিস্থিতি আমাদেরকেও প্রভাবিত করবে - এটাতে অস্বাভাবিকত্বের কিছু নাই।
একটু চোখ কান খোলা রাখুন। আমেরিকাসহ অন্য সব দেশেই চাল, তেলের দাম আকাশ ছাড়িয়ে গেছে - এগুলো নিশ্চয়ই আমাদের দেশের দূর্নীতি দমন কার্যক্রমের ফলাফল নয়। আমার তো মনে হয় যে, এই তত্বাবধায়ক সরকার না থেকে এখন যদি রাজনৈতীক সরকার ক্ষমতায় থাকতো, তাহলে দেশে মারাত্নক অরাজকতার সৃষ্টি হতো। কারণ মূল্যবৃদ্ধির দায় বিরোধী দলগুলো চোখ বন্ধ করে সরকারের উপর চাপিয়ে দিত এবং হরতাল, ভাঙচুর ইত্যাদি করতো। আর ঐদিকে চলত লাগামহীন দূর্নীতি - ১০% ভাইয়া আর গডমাদার আপাদের বস্তাভর্তি টাকা কামানোর প্রতিযোগিতা। আমার আর কম্পিউটারে বসে ফোরাম করতে হত না।
অফলাইন
আলম ভাই দ্রব্যমূল্য শুধু বাংলাদেশেই সমস্যা না। বিশ্বের সব জায়গায় একই সমস্যা। তবে অন্যান্য জায়গায় দাম বাড়ার সাথে সাথে আয় বাড়লেও বাংলাদেশে তা বাড়ে না। সেই জন্য সমস্যা। তেলের দাম সব জায়গায় প্রতিনিয়ত বাড়ছে। এখানেও সরকার বিভিন্ন জিনিসের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। এটা শুধু রাজনীতির জন্য নয়।
অফলাইন
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাইসমস্যাটা সারা বিশ্ব জুড়েই। সতরাং অহেতুক দেশের বর্তমান সরকারকে দোষারোপ করে কোন লাভ নেই । ৩ রিয়াল এর চাল এখন ৭ রিয়াল, এক রিয়াল এর কফি এখন ২ রিয়াল, ৮০০ রিয়াল এর রুম এখন ১২০০ রিয়াল, ৩ রিয়াল এর স্যান্ডউইচ এখন ৫ রিয়াল , আর বলতে হবে?
বাংলাদেশের অন্যতম নাম রাজনীতি যার কারনে আজ এই অল্প বয়সে কাজ করছি প্রবাসে। কলেজ মানে রাজনীতি আর রাজনীতি মানে মারামারি সন্ত্রাসী।

অফলাইন
শামীম লিখেছেন:
আপনার কষ্ট বুঝতে পারছি। কিন্তু মূল্যবৃদ্ধি দূর্নীতি দমনের প্রতিক্রিয়া নয়। সারা পৃথিবীতেই অর্থনীতি অস্থিতিশীল। অব্যহত মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ইউরোপসহ অন্যান্য জায়গায় প্রতিবাদ চলছে।
আমরা এই পৃথিবীরই একটি অংশ ... কাজেই ঐ পরিস্থিতি আমাদেরকেও প্রভাবিত করবে - এটাতে অস্বাভাবিকত্বের কিছু নাই।
একটু চোখ কান খোলা রাখুন। আমেরিকাসহ অন্য সব দেশেই চাল, তেলের দাম আকাশ ছাড়িয়ে গেছে - এগুলো নিশ্চয়ই আমাদের দেশের দূর্নীতি দমন কার্যক্রমের ফলাফল নয়। আমার তো মনে হয় যে, এই তত্বাবধায়ক সরকার না থেকে এখন যদি রাজনৈতীক সরকার ক্ষমতায় থাকতো, তাহলে দেশে মারাত্নক অরাজকতার সৃষ্টি হতো। কারণ মূল্যবৃদ্ধির দায় বিরোধী দলগুলো চোখ বন্ধ করে সরকারের উপর চাপিয়ে দিত এবং হরতাল, ভাঙচুর ইত্যাদি করতো। আর ঐদিকে চলত লাগামহীন দূর্নীতি - ১০% ভাইয়া আর গডমাদার আপাদের বস্তাভর্তি টাকা কামানোর প্রতিযোগিতা। আমার আর কম্পিউটারে বসে ফোরাম করতে হত না।
আপনার কথায় কতটুকু যুক্তি আছে তা আমি জানিনা তবে এটা বলতে পাড়ি যে গরীবরা ভাত খেতে কষ্ট হচ্ছে। এবং যার সমাধান বাংলাদেশ সরকারকেই করতে হবে কখন কি দেখেছেন বাহিরের রুপ তা কতখানি ভয়ংকর হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ভাবতেই জল আসে চোখের পাতায়।
অফলাইন
২০০৮ এর সেরা দশটি প্রযুক্তির ব্রেকথ্রুআসলে আলম ভাই যেটা বলতে চাচ্ছেন সেটা মনে হয় যে, বাংলাদেশের গরীবেরা তো ঠিকমতো খেতে পারছে না দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতিতে যেখানে বহির্বিশ্বের দেশগুলোতে মানুষের আয় তেমন বেশী না বাড়লেও কিছুটা বেড়েছে যা বাংলাদেশের গড় মানুষের তুলনায় অনেক। যা হোক, এই যদি আপনার কথা হয়, তাহলে তো কি আর বলার আছে? বাংলাদেশের সরকারের কিছুটা ভূমিকা তো অবশ্যই মানুষ আশা করবে। আর যদি সেটা না করে তাহলে আপনার মতো ক্ষোভ মানুষের মনে দানা বাধবে এবং এটাই স্বাভাবিক।
অফলাইন