Forum, Projanmo, projonmo, Bangla Forum, Bangladeshi Forum,Bangladesh,Adda, bangla, community, bulletin board, software, hardware, information technology, mobile, politics, history, culture, friendship, tutorial,get together, university, study, higher study, computer, trouble, troubleshooting, telecome

#১ ১৯-০৬-২০০৮ ০৫:১৩

ত্বোহা
প্রজন্মাসক্ত
Current Status...পড়ছি রহস্যপত্রিকা
থেকে: سرت - ليبيا
নিবন্ধিত হয়েছেন: ২৮-০২-২০০৭
পোস্ট: ৮৪০
ওয়েবসাইট

একটি প্রেমের গল্প - নাম না জানা সেই মেয়েটি

ফোরামে সম্পূর্ণ গল্প পোস্ট করার কোন রীতি আছে কিনা জানি না। তবে শততম পোস্ট হিসেবে সবার জন্য এটা একটা উপহার .....গল্পটা এর চেয়ে ছোট করে লিখতে পারলাম না বলে দুঃখিত। sad

ঘন্টাখানেক ধরেই আরিফ বিভিন্ন অজানা নাম্বারে ফোন করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। কিন্তু তার ভাগ্য খারাপ – বেশির ভাগ নাম্বারই ভুল পড়ছে। লক্ষ লক্ষ মানুষ যেখানে মোবাইল ফোন ব্যবহার করছে, সেখানে এতবেশি সংখ্যক নাম্বার অবশ্য অব্যবহৃত হওয়ার কথা না। কিন্তু আরিফের ক্ষেত্রে যে হচ্ছে, তার কারণ আরিফ ট্রাই করছে অদ্ভুত অদ্ভুত নাম্বার। এই যেমন প্রথমেই সে তার নিজের নাম্বারটাকেই উল্টো দিক থেকে ডায়াল করল। এরপর করল তার নিজের নাম্বারটার সবগুলো ডিজিট ঠিক রেখে শুধু শেষ দুটো ডিজিটকে পাল্টে দিয়ে। সে হয়তো আরও ঘন্টাখানেক এভাবে চেষ্টা করে যেত এবং এক সময় হয়তো তার অধ্যাবসায়ের ফলস্বরূপ মিষ্টি কন্ঠের কোন তরুণীর সাথে তার পরিচয় হয়েই যেতো, কিন্তু বাধ সাধল তার রুমমেট সবুজ।
সবুজ অনেকক্ষণ ধরেই আরিফের মোবাইল টেপাটেপি সহ্য করে আসছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সে মুখ খুলল – দেখ আরিফ, আমি তোকে ফ্রি একটা পরামর্শ দেই? আমার মনে হয় তোর মানসিক ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিৎ।
–    কেন?
–    কারণ তুই যেভাবে প্রতিদিন ঘন্টার পর ঘন্টা অজানা নাম্বারে টেপাটেপি করিস, এটা মোটেই কোন সুস্থ মানুষের লক্ষণ না।
–    বাহ! অজানা নাম্বারে ট্রাই করা বুঝি অসুস্থতার লক্ষণ? জানতাম না তো! তাহলে তো অজানা মানুষের সাথে পরিচিত হওয়ার চেষ্টা করাটাও অসুস্থতার লক্ষণ হওয়া উচিৎ। তুই যখন অপরিচিত মেয়েদের সাথে পরিচিত হওয়ার চেষ্টা করিস তখন কি আমি তোকে ধরে নিয়ে পাগলাগারদে ভর্তি করিয়ে দিয়ে আসি?
–    অজানা নাম্বারে ট্রাই করাটা মোটেই পাগলামির লক্ষণ না। কিন্তু তুই যেটা করছিস সেটা স্পষ্ট পাগলামির লক্ষণ। তুই অজানা নাম্বারে ফোন করছিস নতুন কোন মেয়ের সাথে পরিচিত হওয়ার জন্য। ভালো কথা। কিন্তু তুই বেছে বেছে এমন নাম্বারে ফোন করছিস যেগুলোর অস্তিত্ব থাকার সম্ভাবনা খুবই কম। তোর তো শালা অন্য সব কাজের মতো এটাও সেলফ কন্ট্রাডিক্টরি!
আরিফের আরেক রুমমেট নাজিম এতক্ষণ চুপচাপ দুজনের তর্ক শুনে মিটিমিটি হাসছিল। এবার সেও মুখ খুলল। মুচকি একটা হাসি দিয়ে আরিফকে উদ্দেশ্য করে বলল – আর তাছাড়া তুই কি ভেবেছিস এভাবে উল্টাপাল্টা নাম্বারে ফোন করলেই আকাশ থেকে কোন পরী নেমে এসে তোর সাথে প্রেমালাপ শুরু করে দিবে? ফর ইওর কাইন্ড ইনফরমেশন, এই যুগে মোবাইল শুধু পরীদের হাতেই থাকে না, বস্তির মেয়েদের হাতেও থাকে। আমার তো ধারণা, তোর প্রথম কলটাই রিসিভ করবে কোন এক অজপাড়াগাঁয়ের অশিক্ষিত কোন মধ্যবয়সী মহিলা, যার প্রথম কথাটাই হবে, আফনে কেডা? কার লগে কতা কইবার ছান? তুই কি বসে বসে সেই মহিলার সাথে ইটিশ-পিটিশ করবি?
নাজিমের বিদ্রুপাত্মক মন্তব্য হজম করতে না করতেই সবুজ যোগ করল – এই যদি হয় তোর ভবিষ্যত, তাহলে আর ফোন করে পয়সা খরচ করবি কেন? আমাদের কাজের বুয়া রহিমার মায়ের সাথেই ইটিশ-পিটিশ শুরু করে দে না!
–     শালা চুপ করবি তোরা? আরিফ রীতিমতো হুঙ্কার ছাড়ল, তোরা তো শালা আরামেই আছিস। বাপের টাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছিস আর একসাথে দুই তিনটা প্রেম করছিস। আমি নতুন এসেছি, এখনও কিছু চিনিনা জানিনা, তার উপর কলেজের পড়া আর টিউশানিতেই সারাদিন ব্যস্ত থাকি। তাই অবসরে একটু নতুন কারো সাথে বন্ধুত্ব করে সময়টা কাটাতে চাচ্ছি। কোথায় তোরা বন্ধু মানুষ একটু হেল্প করবি, তা না, যত্তোসব ফাও প্যাঁচাল।
–    ঠিক আছে বাবা, ঠিক আছে। একটু নরম হল সবুজ। হেল্প দরকার হলে বল। কিন্তু তুই যেই পথে এগোচ্ছিস, তাতে কোন হেল্পই কাজে আসবে না। তার চেয়ে তোকে একটা বুদ্ধি দেই – তুই আমার কাছ থেকে আমার পরিচিত কিছু সুন্দরীর ফোন নাম্বার নিয়ে সেগুলোতে চেষ্টা করে দেখ। কাজটা অনেক সহজ হয়ে যাবে।
সবুজের কথা হা হা করে উঠল নাজিম – বলিস কি তুই? এতগুলো মেয়ের ফোন নাম্বার ওকে একেবারে বিনামূল্যে দিয়ে দিবি? বন্ধু বলে টাকা যদি নাও নিস, অন্য কোন ব্যবস্থা করবি না? তা না হলে একবার যদি প্রেম হয়েই যায়, তখন তো এই শালা আমাদেরকে পাত্তাই দিবে না!
–    তা অবশ্য ঠিক। আচ্ছা শোন আরিফ, তোর সাথে একটা অলিখিত চুক্তি হয়ে যাক। আমি তোকে আমার পরিচিত সাতটা মেয়ের ফোন নাম্বার দিব। এদের যেকোন একজনকে দেখলে তোর চোখ ট্যারা হয়ে যাবে। কিন্তু শর্ত হলো তুই এদের ব্যাপারে আমার সাথে কোন রকম আলোচনা করতে পারবি না। আমি দুই সপ্তাহের জন্য দেশের বাড়িতে যাচ্ছি। এর মধ্যেই যদি তুই এদের কারো সাথে মোটামুটি একটা ফ্রেন্ডশীপ দাঁড় করাতে পারিস, তাহলে কনগ্র্যাচুলেশান্স ফর ইউ। প্রয়োজনে তখন আমি তোকে আরও সাহায্য করব। আর যদি না পারিস, তাহলে আমাদের সামনে তুই আর কোনদিন এভাবে নাম্বার টেপাটেপি করতে পারবি না। তুই রাজি?
সবুজের কথা শেষ হতে না হতেই বাগড়া দিল নাজিম – আরে দাঁড়া, দাঁড়া। এত সহজ করিস না। যে নাম্বারগুলো দিবি সেগুলোর অর্ডার সামান্য উল্টাপাল্টা করে দিস। আরিফকে সেগুলো সাজিয়ে ঠিক নাম্বারটা বের করে নিতে হবে। ওর তো নাম্বার নিয়ে কম্বিনেশন পারমিউটেশনের অভ্যাস আছেই। তাই না?
–    হ্যাঁ, বুদ্ধি টা খারাপ না। সো আরিফ, লেটস টেক ইট অ্যাজ এ চ্যালেঞ্জ। ওকে?
–    ওকে। আই অ্যাকসেপ্ট ইট। শান্ত ভঙ্গিতে উত্তর দিল আরিফ।
ঝোঁকের মাথার সবুজের চ্যালেঞ্জটা গ্রহণ করাটা কত বড় ভুল হয়েছে, সেটা আরিফ গত এক সপ্তাহ ধরে হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে। রাজুর সাহায্য নিয়ে অনেক কষ্ট করে দুটো নাম্বার যদিও বা মিলাতে পেরেছে, দুমিনিটের বেশি কথা চালাতে পারেনি একজনের সাথেও। একজন তো রীতিমতো অপমানই করেছে তাকে। কিন্তু তৃতীয় নাম্বারটা মিলিয়ে সেটাতে ফোন করেই তার আক্কেল গুড়ুম হয়ে গেল। ফোনটা রিসিভ হতেই ওপাশ থেকে মিষ্টি একটা কন্ঠ তার নাম ধরে বলে উঠল – আরে আরিফ ভাই না, কি আশ্চর্য! আপনি হঠাৎ আমার নাম্বারে ফোন করলেন?
আরিফ এতই অবাক হল যে সে কোন উত্তর না দিয়েই ফোনটা কেটে দিল। তাড়াতাড়ি নাজিমকে ডেকে ঘটনাটা খুলে বলল – বুঝতেই পারছিস মেয়েটা আমাকে চিনে এবং আমার নাম্বারও তার কাছে সেভ করা আছে। কিন্তু এটা কিভাবে সম্ভব সেটাই তো বুঝতে পারছি না। আমার নাম্বার তো শুধু তাদের ক্লাসের কয়েকটা মেয়ে ছাড়া এখানে অন্য কেউ জানে না! আচ্ছা মেয়েটাকে কি জিজ্ঞেস করব সে কে?
–    আরে না গাধা, এখন তো তাও একটা সম্ভাবনা আছে। কিন্তু মেয়েটা যদি বুঝে তুই ওকে চিনতে পারছিস না, তাহলে শুরুতেই সম্ভাবনাটা ভেস্তে যেতে পারে। তুই বরং আবার ফোন কর। বল যে লাইন কেটে গিয়েছিল। আর ভান কর যে তুইও তাকে চিনিস। সাবধান ধরা খেয়ে যাস না আবার!
–    ঠিক আছে। আচ্ছা শোন, আপনি করে বলব না তুমি করে বলব?
–    এটা তো শালার আরেক মুশকিল। গলার আওয়াজে বয়স কি করকম মনে হয়? তোকে কি বলে ডেকেছে?
–    বয়স আমার চেয়ে কম। আঠারোর বেশি হবে বলে মনে হয় না। আর আমাকে তো ভাইয়া আপনি করেই বলেছে।
–    তাহলে তুই তুমি করেই বল। দেখ যদি লাইগ্যা যায়!

কাজেই সবুজ আবার ফোন করল। রিসিভ হতেই ওপাশ থেকে শোনা গেল – কি ব্যাপার আরিফ ভাই, ফোন করেও আবার কেটে দিলেন?
–    না, আসলে লাইনটা কেটে গিয়েছিল।
–    ও আচ্ছা! তা কি জন্য ফোন করেছিলেন?
–    আসলে তেমন কোন কারণ নেই। এমনিই করেছি। কেমন আছ তুমি?
–    এমনিই ফোন করেছেন? আপনার সাথে দেখা হলে আপনি ভালো করে আমার দিকে চোখ তুলে পর্যন্ত তাকান না, আর এখন বলছেন আমি কেমন আছি স্রেফ এটা জানার জন্য ফোন করেছেন?
মনে মনে একটু খুশি হল আরিফ। মেয়েটা যেই হোক, তার দিকে যেহেতু সে চোখ তুলেই ভালোমতো তাকাতে পারে না, তারমানে তার সাথে খুব বেশি কথাবার্তাও নিশ্চয়ই হয় নি। সুতরাং ধরা খাওয়ার সম্ভাবনাও কম। কাজেই সে কথা চালিয়ে যেতে লাগল – আরে বল কি? তোমার দিকে না তাকিয়ে আমি কার দিকে তাকাবো? তবে ড্যাবড্যাব করে তাকিয়ে তাকানোটা তো অভদ্রতা ... নাকি তুমি তাই চাও?
আরিফের কথা শুনে হেসে উঠল অপর প্রান্তের মেয়েটি – যাক আপনি তাহলে হিউমারও করতে পারেন? দেখলে তো মনে হয় ভাজা মাছটাও উল্টে খেতে জানেন না। আচ্ছা শোনেন, আপনাকে যে সেদিন বাসায় আসতে বললাম আসেননি কেন?
–    আসলে যাওয়া হয় নি। মানে ... ঠিক সময় হয় নি।
–    হ্যাঁ, সময় হয় নি! মনে হয় কি কতো রাজকারবার নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। আচ্ছা শোনেন, আপনি সেদিন আমার বান্ধবীর সাথে এরকম ব্যবহার করলেন কেন?
–    কই ... কিরকম ... মানে ...
নাজিম দেখল আরিফের ধরা খেতে বেশি বাকি নেই। কাজেই সে পাশ থেকে জোরে বলে উঠল – এই আরিফ, চল চল, তোর না আমার সাথে বাইরে যাওয়ার কথা? এখনও বসে আছিস কেন?
আরিফ আচ্ছা এখন রাখি বলে কোনমতে ফোন রেখে হাঁফ ছেড়ে বাঁচল।
–    আরেকটু হলেই তো গেছিলাম। বাবারে বাবা!
–    তবে যাই বলিস, মেয়েটার কথার ভঙ্গি যতটুক শুনলাম বেশ ইন্টারেস্টিং। তোর সাথে আর কিছু না হোক, ফ্রেন্ডশীপ হওয়ার একটা জোরালো সম্ভাবনা আছে।
–    তা অবশ্য হতে পারে। কিন্তু পরিচয়টাই তো জানি না। সবুজ শালা এ কি মুশকিলের মধ্যে আমাকে ফেলে গেল? আচ্ছা শোন, তুই একটা কাজ করতো, তোকেতো মনে হয় চিনবে না। তুই ফোন করে বের করার চেষ্টা কর তো মেয়েটা কে? নিজের নাম্বার থেকে করিস না। অন্য কারো নাম্বার থেকে অন্য কেউ সেজে কর।
–    ঠিক আছে। করছি।
–    কিন্তু নাজিম ফোন করে তেমন কোন সুবিধা করতে পারল না। অপরিচিত নাম্বার দেখে ওপাশের মিষ্টি কন্ঠ প্রথমে কিন্নর কন্ঠে এবং শেষে কর্কষ তন্ঠে রূপান্তরিত হয়ে গেল। ভবিষ্যতে যেন দ্বিতীয়বার এই নাম্বারে ফোন না করে এ ধরনের হুমকি-ধামকি দিয়ে নাজিমকে ফোন ছাড়তে বাধ্য করল রহস্যময়ী সেই তরুনী। ব্যর্থ মনোরথ হয়ে ফিরে এল নাজিম।

সবুজ আসার আর তিনদিন বাকি। এরমধ্যে আরিফ বেশ কয়েকবার মেয়েটার সাথে কথা বলেছে। তাতে তাদের সম্পর্ক আগের চেয়ে আরকটু সহজ হলেও পরিচয় না জানার কারণে আরিফ আর বেশি কথা বলার সাহস করে নি। এদিকে মেয়েটা তার কলেজেরই কেউ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি হওয়ায় কলেজের সহপাঠিনীদের উপর নজর রাখতে গিয়ে আরিফের ঠগ বাছতে গাঁ উজাড়ের মতো অবস্থা। যার সাথে একটু কথা হয়, মনে হয় সেই তো নাম না জানা সেই মেয়েটি। আজ তো সে প্রায় নিশ্চিতই হয়ে গিয়েছিল যে তার এক সহপাঠি রিমিই হচ্ছে সেই মেয়েটি।
কলেজ থেকে ফেরার পথে রিমি তাকে বলল – আচ্ছা গতকাল আমি তোমাকে ভাইয়ার নাম্বার থেকে দুইবার কল করেছিলাম তুমি ধরনি কেন?
গতকাল আরিফের নাম্বারে সত্যি সত্যি দুটো কল এসেছিল নতুন কোন নাম্বার থেকে। সে বাথরুমে ছিল বলে রিসিভ করতে পারেনি। কিন্তু সেই সময়ে সেই নাম না জানা মেয়েটির নাম্বার থেকেও দুটো মিসকল এসেছিল। আর সে যেহেতু সেই মেয়েটির বিষয়েই বর্তমানে বেশি চিন্তিত, তাই তার মাথায় শুধু দ্বিতীয়টার কথাই ছিল। প্রথমটার কথা তার মনেই ছিল না। কাজেই রিমির কথা শোনামাত্র সে অনেকটা লাফিয়ে উঠল, আচ্ছা তুমিই তাহলে সেই মেয়েটা! তার মনেই রইল না এটা যদি সেই মেয়েটাও হয়, তবুও তার সামনে এরকম বিস্ময় প্রকাশ করা উচিৎ হবে না।
রিমি আরিফের কথা শুনে একটু অবাকই হল, হ্যাঁ আমিই সেই মেয়েটা। কেন তুমি আমাকে চিন না? নাকি আমি তোমাকে ফোন করতে পারি না?
– আরে না না, সেটা না। আমি তো ভাবতেই পারি নি যে তোমার সাথেই আমার প্রতিদিন ফোনে এত কথা হচ্ছে। অবশ্য আমি ভান করছিলাম ...
– আরিফ, তোমার কি মাথা ঠিক আছে? কি বলছ তুমি? তোমার সাথে আমার কোথায় কথা হচ্ছে? আমি তো কালই তোমাকে প্রথম ফোন করলাম।
এতক্ষণে আরিফ তার ভুল বুঝতে পারল। লাভ নেই বুঝেও একটু হাসার চেষ্টা করল, আরে না, আমি তো তোমার সাথে এমনিই একটু মশকরা করছিলাম ...
রিমি আরিফের দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল।

কলেজ থেকে ফেরার সময় আরিফের মনে হলো, যথেষ্ট হয়েছে। ব্যাপারটার এখানেই সমাপ্তি টানা উচিৎ। রিমি নেহায়েতই শান্ত স্বভাবের মেয়ে বলেই ব্যাপারটা হয়তো এখানেই শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু অন্য কোন মেয়ে হলে সামনা সামনি কিছু না বললেও পরের দিন যে পুরা কলেজে তা রাষ্ট্র করে দিবে, সে ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই। কলেজ ভর্তি ছাত্রছাত্রীদের কাছে হাসির পাত্র হওয়ার চেয়ে চ্যালেঞ্জে হেরে দিনরাত সবুজর টিটকারি শোনা হাজার গুণে ভালো। ভাবতে ভাবতে কখন যে বাসার সামনে চলে এসেছে, আরিফ সেটা খেয়ালই করে নি। হঠাৎ সে চমকে উঠল স্বপ্নার ডাকে। স্বপ্না তাদের পাশের বাসাতেই থাকে। স্বপ্নার ভাই তাদের বেশ ভালো বন্ধু।
–    আরিফ ভাই, কলেজ থেকে ফিরলেন বুঝি?
–    হ্যাঁ। তুমি কেমন আছ স্বপ্না? স্বপ্নার মুখের দিকে সরাসরি না তাকিয়েই জবাব দিল আরিফ। কারণ স্বপ্নার এতই সুন্দরী যে আরিফ সরাসরি তার চোখের দিকে তাকাতে অস্বস্ত্বিবোধ করে।
–    ভালো। আচ্ছা আপনি আমাদের বাসায় আসেন না কেন বলেন তো! সব সময় আসবেন আসবেন বলেন কিন্তু আসেন না। কবে আসবেন এবার ঠিক করে বলেন।
আরিফের হঠাৎ মনে হল, আরে ফোনের সেই মেয়েটা স্বপ্না না তো! সেও তো সব সময় বাসায় যাওয়ার কথা বলে। নাহ্। মনে হয় না। স্বপ্নার মতো এলাকার সেরা সুন্দরী কেন ফোনে তার সাথে কথা বলে সময় নষ্ট করবে? আর তাছাড়া স্বপ্না তো তার ফোন নাম্বারও জানে না।
–    কি ব্যাপার আরিফ ভাই, মনে হচ্ছে গভীর কোন সমস্যায় আছেন?
–    না কই, কিছু না। কে বলল তোমাকে?
–    বলতে হবে কেন? চেহারা দেখলেই বোঝা যায়। মনে হচ্ছে কদিন ধরে খাওয়া-দাওয়া ছেড়ে শুধু কোন সমস্যা নিয়ে চিন্তা করছেন? কি ব্যাপার, প্রেম ঘটিত কোন ব্যাপার নাকি?
–    কেন কেন? তোমার এরকম কিছু মনে হল কেন?
–    না এমনিই বললাম। দুষ্টামি করলাম। কিছু মনে করবেন না। আসি আরিফ ভাই।
আরিফের হঠাৎ মনে হল সে যদি পুরো ব্যাপারটা স্বপ্নাকে খুলে বলে তাহলে হয়তো স্বপ্না কোন বুদ্ধি বের করে দিতে পারে। একটা মেয়ের পরিচয় কিভাবে চালাকি করে বের করা যেতে পারে, সেটা আরেকটা মেয়েরই ভালো জানার কথা। কাজেই সে স্বপ্নাকে পুরো ব্যাপারটা খুলে বলল। স্বপ্না পুরো ব্যাপারটা শুনে প্রথমে একা একা বেশ কিছুক্ষণ হাসল। তারপর বলল – আপনি কি মেয়েটাকে ভালোবাসেন?
–    দেখ, ভালোবাসা তো এভাবে হয় না! আমি শুধু এটা বলতে পারি তার সাথে কথা বলতে আমার ভালো লাগছে।
–    হুম। আচ্ছা ঠিক আছে আপনি তার সাথে দেখা করেন। তাহলেই হয়ে যায়।
–    কিভাবে দেখা করব? বাসার ঠিকানা চাইব? ওর তো ধারণা আমি ওর ঠিকানা জানিই। অন্য কোথাও দেখা করতে চাইলে যদি বলে যে, আজই তো সকালে দেখা হল, এখন আবার কি!
–    হ্যাঁ, সমস্যাই একটা! আচ্ছা শোনেন, আপনি দুদিন ঘর থেকেও বের হবেন না, ওর সাথে যোগাযোগও করবেন না। তারপর একদিন ও ফোন করবে তখন বলবেন আপনি মোটর সাইকেল অ্যক্সিডেন্ট করেছেন। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে এখন ঘরে আছেন। ও যেন আপনাকে দেখতে আসে। আমার ধারণা এটা কাজ করবেই।
–    বাহ্। তোমার মাথায় তো দেখা যাচ্ছে দারুণ বুদ্ধি! আরেকটা বুদ্ধি রেডি করে রাখ। এটা কাজ না করলে নেক্সট।
–    আর লাগবে না। আমি জানি এটাই কাজ করবে।

আজ সবুজ ফিরে আসবে। আর আজই নাম না জানা সেই মেয়েটি আরিফকে দেখতে আসবে। আরিফ তাকে অনুরোধ করেছে সে যেন গোলাপি রংয়ের কোন ড্রেস পরে আসে। বেল বাজতেই আরিফ মাথায় ব্যান্ডেজ লাগিয়ে বিছানায় শুয়ে পড়ল। কিন্তু যে ঘরে ঢুকল তাকে দেখে তড়াক করে লাফ দিয়ে বসে পড়ল। ঘরে ঢুকেছে স্বপ্না। তার পরনে জিন্স আর গোলপি কামিজ, হাতে একগুচ্ছ গোলাপ। আরিফ কোনমতে তোতলাতে তোতলাতে বলল – তুমি! এই সময়ে? তুমি কিভাবে জানলা যে আজকেই ঐ মেয়েটার এরকম ড্রেস পরে আমাকে দেখতে আসার কথা।
স্বপ্না হাসতে হাসতে বলল – আপনার সমস্যাটা কি বলেন তো? আপনি ফোনে কথা বলার সময় এত স্মার্ট আর সামনা সামনি দেখা হলেই এত নার্ভাস হয়ে যান কেন? আমিই যদি সেই মেয়েটা হই, আপনার কি কোন সমস্যা আছে?
–    তুমি? তুমি সেই মেয়েটা? আরিফকে দেখে মনে বিশ্বের অষ্টম আশ্চর্য আজ সেচ্ছায় তার হাতে এসে ধরা দিয়েছে।
–    হ্যাঁ আমিই। হাসতে হাসতে উত্তর দিল স্বপ্না। হাতের গোলাপগুলো আরিফের দিকে বাড়িয়ে বলল – অনেক হয়েছে। আর ঢং করে বিছানায় শুয়ে থাকতে হবে না। এবার উঠেন।
–    আরিফের বিস্ময় তখনও কাটেনি। সে বলল – কিন্তু তুমি আমার নাম্বার তোমার সেটে সেভ করে রেখেছিলা কেন?
–    আমি সেভ করিনি। আমি সেদিন আমার সিম দিয়ে ভাইয়ার সেটটা ব্যবহার করছিলাম। আর ভাইয়ার সেটে আপনার নাম্বারটা সেভ করা ছিল। বুঝলেন?
আরিফ বুঝল নাকি বুঝল না, সেটা ঠিক বোঝা গেল না। সে তখনও বিস্ময়ের প্রথম ধাক্কাটাই কাটিয়ে উঠতে পারে নি। স্বপ্না গড়গড় করে কথার তুবড়ি ফুটিয়ে যাচ্ছে আর আরিফ মুগ্ধ হয়ে তার দিকে তাকিয়ে আছে। আর তাদের দুজনের দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে এইমাত্র দেশের বাড়ি থেকে ফিরে আসা সবুজ। সে কি ভাবতে পেরেছিল, আপাতদৃষ্টিতে সহজ সরল টাইপের এই ছেলেটা মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যেই প্রায় অচেনা একটা একটা মেয়ের পরিচয় জোগাড় করে তাকে একেবারে বাসায় হাজির কর ফেলতে পারবে? smile

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন ত্বোহা (১৯-০৬-২০০৮ ০৫:২৪)

অফলাইন

 

#২ ১৯-০৬-২০০৮ ১১:৫৬

সামিউল
প্রজন্ম গুরু
Current Status...আবার বাসা খোজাঁ, বাসা পাচ্ছি না, কেউ কি একটা বাসা দিবেন... cryingcrying
থেকে: ক্যাঙ্গারুস্থান।
নিবন্ধিত হয়েছেন: ২৩-০৭-২০০৭
পোস্ট: ২৭০৫
ওয়েবসাইট

Re: একটি প্রেমের গল্প - নাম না জানা সেই মেয়েটি

ত্বোহা ভাই দৈর্ঘ দেখে আর পড়লাম না। কপি করে রাখলাম। পরে পড়ে আপনাকে জানাবো কেমন লাগল।


-----------------------
বাংলাকে ভালবাসুন, বাংলাদেশকে ভালবাসুন।                              
আমাকে জানুন
রেডিও গুনগুন ২৪ ঘন্টা অনলাইন রেডিও

অফলাইন

 

#৩ ১৯-০৬-২০০৮ ১৩:২০

microqatar
প্রজন্ম গুরু
Current Status...আমার ছুটি প্রয়োজন, রুটিন বাধা জীবন ভালো লাগছে না।
থেকে: খেজুর গাছের তলায়, আগায় উঠতে ভয় লাগে
নিবন্ধিত হয়েছেন: ০৯-১২-২০০৭
পোস্ট: ৪১৫৮
ওয়েবসাইট

Re: একটি প্রেমের গল্প - নাম না জানা সেই মেয়েটি

এতো বড় গল্প, আমি ওয়ার্ড এ কপি করে রাখলাম। brokenhearthairpullsurprisedsurprisedsurprised


-----------------------
http://microqatar.files.wordpress.com/2008/07/projanmodb1.png
রক্তের গ্রুপ AB+

অফলাইন

 

#৪ ১৯-০৬-২০০৮ ১৬:৩৫

স্বপ্নবাজ
পাঁড়ফোরামিক
Current Status...হারিয়ে গিয়েছি এই তো জরুরী খবর...
নিবন্ধিত হয়েছেন: ১৩-০৪-২০০৭
পোস্ট: ১৪৯০

Re: একটি প্রেমের গল্প - নাম না জানা সেই মেয়েটি

গল্পটা ভালই লাগল, একটু রোমান্টিক আরকি tongue_smile


-----------------------
...ঈশ্বরের মত
ভবঘুরে স্বপ্নগুলো.....                                                                        রক্তের গ্রুপঃ B+
...because the life is too short !!!

অফলাইন

 

#৫ ১৯-০৬-২০০৮ ১৭:২৪

হাঙ্গরিকোডার
সমন্বয়ক (মডারেটর)
Current Status...আর ভাল লাগে না!
থেকে: $dream = 0
নিবন্ধিত হয়েছেন: ১৯-০১-২০০৭
পোস্ট: ৪০৪৭
ওয়েবসাইট

Re: একটি প্রেমের গল্প - নাম না জানা সেই মেয়েটি

আকর্ষণ নিয়েই একটানে পড়ে ফেললাম। গত কয়েকদিন থেকেই নিয়মিত ইংলিশ মুভি দেখছি। তাই ভাবছিলাম প্রায় প্রতিটি মুভি'র শেষ দৃশ্যও আসবে একটু পরে। কিন্তু যাক বাঁচা গেল আসল না বলেkiddingghusi

ভাল লাগল পড়ে।


-----------------------
আমি স্বাক্ষর দিব কিনা ভাবছিthinking; যদি ব্যাংক একাউন্ট লোপাট হয়ে যায় big_smile!
ইউটিউব ডাউনলোড ও টরেন্ট সার্চ  ::  টাইম পাস...

অফলাইন

 

#৬ ১৯-০৬-২০০৮ ১৭:৪৭

রূপসী-রাক্ষসী
পাঁড়ফোরামিক
Current Status...হেহেহে...আর তাকাবি???দেখ...ক্যামনে ভেঙ্গাই ...হেহেহে
থেকে: মুড়ানো ( ঢাকা )
নিবন্ধিত হয়েছেন: ০১-০২-২০০৮
পোস্ট: ১০০৪
ওয়েবসাইট

Re: একটি প্রেমের গল্প - নাম না জানা সেই মেয়েটি

[হাঙ্গরিকোডার

কয়েকদিন থেকেই নিয়মিত ইংলিশ মুভি দেখছি। তাই ভাবছিলাম প্রায় প্রতিটি মুভি'র শেষ দৃশ্যও আসবে একটু পরে। কিন্তু যাক বাঁচা গেল আসল না বলেkiddingghusi

lol2lol2lol2lol2lol2lol2lol2lol2big_smilebig_smilebig_smilelollollollol

বিদেশে এই গল্প লিখা হইলে শেষ দ্রৃশ্য আশ্তোkiddingkidding
ভালো লাগসে thumbs_up

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন রূপসী-রাক্ষসী (১৯-০৬-২০০৮ ১৭:৪৮)


-----------------------
ফিরতে ঘরে ভয়...ফিরলে ঘরে দুঃখগুলোর সঙ্গে দেখা হয়...
না না...শুন্য ঘরে নেইকো আমার একলা থাকার ভয়...

অফলাইন

 

#৭ ১৯-০৬-২০০৮ ১৮:১৯

ত্বোহা
প্রজন্মাসক্ত
Current Status...পড়ছি রহস্যপত্রিকা
থেকে: سرت - ليبيا
নিবন্ধিত হয়েছেন: ২৮-০২-২০০৭
পোস্ট: ৮৪০
ওয়েবসাইট

Re: একটি প্রেমের গল্প - নাম না জানা সেই মেয়েটি

রূপসী-রাক্ষসী লিখেছেন:

বিদেশে এই গল্প লিখা হইলে শেষ দ্রৃশ্য আশ্তোkiddingkidding
ভালো লাগসে thumbs_up

গল্পটা বিদেশে [লিবিয়া] বসেই লেখা। তবে লিবিয়াকে সেই অর্থে বিদেশ বলা যায় কি না সন্দেহ আছে।shame

অফলাইন

 

#৮ ১৯-০৬-২০০৮ ১৮:৩৪

উদাসীন
সমন্বয়ক (মডারেটর)
Current Status...আমি পথিক হব...
নিবন্ধিত হয়েছেন: ১৭-০২-২০০৭
পোস্ট: ৮০৫

Re: একটি প্রেমের গল্প - নাম না জানা সেই মেয়েটি

সুন্দর হয়েছে গল্প টা। স্বীকার করছি, প্রথমে দৈর্ঘ্য দেখে পড়ব কি পড়ব না করেছিলাম। পরে পড়েই ফেললাম। নাটকীয়তায় ভরপুর।  অসংখ্য ধন্যবাদ ত্বোহা কে।


-----------------------
ভন্ড আশ্লেষে এক বুক আদিম ক্ষুধায়
সংস্কারের পৌরাণিক পাথর চেপে চলি।

অফলাইন

 

#৯ ১৯-০৬-২০০৮ ১৮:৪৪

ত্বোহা
প্রজন্মাসক্ত
Current Status...পড়ছি রহস্যপত্রিকা
থেকে: سرت - ليبيا
নিবন্ধিত হয়েছেন: ২৮-০২-২০০৭
পোস্ট: ৮৪০
ওয়েবসাইট

Re: একটি প্রেমের গল্প - নাম না জানা সেই মেয়েটি

উদাসীন লিখেছেন:

সুন্দর হয়েছে গল্প টা। স্বীকার করছি, প্রথমে দৈর্ঘ্য দেখে পড়ব কি পড়ব না করেছিলাম। পরে পড়েই ফেললাম। নাটকীয়তায় ভরপুর।  অসংখ্য ধন্যবাদ ত্বোহা কে।

ধন্যবাদ উদাসীন ভাই। smile

আপনার মতো পাবলিককে গল্প খাওয়ানোর জন্য মনে গল্পগুলোকে ছোট ছোট পার্ট করে ধারাবাহিকভাবে দেওয়া দরকার। কি বলেন? thinking

অফলাইন

 

#১০ ১৯-০৬-২০০৮ ১৮:৪৮

উদাসীন
সমন্বয়ক (মডারেটর)
Current Status...আমি পথিক হব...
নিবন্ধিত হয়েছেন: ১৭-০২-২০০৭
পোস্ট: ৮০৫

Re: একটি প্রেমের গল্প - নাম না জানা সেই মেয়েটি

ত্বোহা লিখেছেন:

উদাসীন লিখেছেন:

সুন্দর হয়েছে গল্প টা। স্বীকার করছি, প্রথমে দৈর্ঘ্য দেখে পড়ব কি পড়ব না করেছিলাম। পরে পড়েই ফেললাম। নাটকীয়তায় ভরপুর।  অসংখ্য ধন্যবাদ ত্বোহা কে।

ধন্যবাদ উদাসীন ভাই। smile

আপনার মতো পাবলিককে গল্প খাওয়ানোর জন্য মনে গল্পগুলোকে ছোট ছোট পার্ট করে ধারাবাহিকভাবে দেওয়া দরকার। কি বলেন? thinking

হাহাহাহা না, ঠিকই আছে! গল্পে ফ্লো না থাকলে ছোট কি আর বড় কি আমার মত বান্দা জীবনেও পড়বে না..


-----------------------
ভন্ড আশ্লেষে এক বুক আদিম ক্ষুধায়
সংস্কারের পৌরাণিক পাথর চেপে চলি।

অফলাইন

 

#১১ ২৩-০৬-২০০৮ ০৯:৩০

famay
প্রজন্মানুরাগী
থেকে: New York, USA
নিবন্ধিত হয়েছেন: ১৯-০৯-২০০৭
পোস্ট: ২৩৯

Re: একটি প্রেমের গল্প - নাম না জানা সেই মেয়েটি

সময় নিয়ে পরলম.... কিন্তু তার পর কী হলো....?

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন famay (২৫-০৬-২০০৮ ১৬:১৬)

অফলাইন

 

#১২ ২৩-০৬-২০০৮ ০৯:৪৬

সামিউল
প্রজন্ম গুরু
Current Status...আবার বাসা খোজাঁ, বাসা পাচ্ছি না, কেউ কি একটা বাসা দিবেন... cryingcrying
থেকে: ক্যাঙ্গারুস্থান।
নিবন্ধিত হয়েছেন: ২৩-০৭-২০০৭
পোস্ট: ২৭০৫
ওয়েবসাইট

Re: একটি প্রেমের গল্প - নাম না জানা সেই মেয়েটি

famay লিখেছেন:

সময় নিয়ে পরলা.... কিন্তু তার পর কী হলো....?

অফ.ট. আরে ফামে ভাই যে, কেমন আছেন? আপনার কোন খোঁজ নাই কেন? আবার নিয়মিত হন।


-----------------------
বাংলাকে ভালবাসুন, বাংলাদেশকে ভালবাসুন।                              
আমাকে জানুন
রেডিও গুনগুন ২৪ ঘন্টা অনলাইন রেডিও

অফলাইন

 

#১৩ ২৩-০৬-২০০৮ ১৬:৩৭

famay
প্রজন্মানুরাগী
থেকে: New York, USA
নিবন্ধিত হয়েছেন: ১৯-০৯-২০০৭
পোস্ট: ২৩৯

Re: একটি প্রেমের গল্প - নাম না জানা সেই মেয়েটি

খোজ খবর নিছেন নাকি কখনো........?

অফলাইন

 

#১৪ ৩০-০৬-২০০৮ ০৫:২০

ত্বোহা
প্রজন্মাসক্ত
Current Status...পড়ছি রহস্যপত্রিকা
থেকে: سرت - ليبيا
নিবন্ধিত হয়েছেন: ২৮-০২-২০০৭
পোস্ট: ৮৪০
ওয়েবসাইট

Re: একটি প্রেমের গল্প - নাম না জানা সেই মেয়েটি

famay লিখেছেন:

সময় নিয়ে পরলম.... কিন্তু তার পর কী হলো....?

ধন্যবাদ famay।

গল্পটার এরপরে কি হয়েছে সেটা আমি নিজেও জানি না। কারণ এর পরের কথা আর চিন্তা করিনি। ইচ্ছে করলে সম্ভবত গল্পটাকে আরো টেনে লম্বা করা যাবে, কিন্তু তাতে আর তেমন মজা থাকবে না। এ ধরনের গল্পের সার্থকতাই হচ্ছে তার অপূর্ণতায়। আর "এরপর" এর তো কোন শেষ নেই।

অফলাইন

 

#১৫ ৩০-০৬-২০০৮ ০৬:১৮

শিপলু
সমন্বয়ক
থেকে: দোলাইড়পার আর জুরাইনের মাঝে, ঢাকা
নিবন্ধিত হয়েছেন: ১০-০৯-২০০৭
পোস্ট: ২৪৮৩
ওয়েবসাইট

Re: একটি প্রেমের গল্প - নাম না জানা সেই মেয়েটি

বিশাল গল্পটা পড়তে একটু ভয়ই পাচ্ছিলাম।
কিন্তু শুরু করার পর শেষ হতে সময়ই লাগল না।

শেষ বাক্যটা না দিলেও হত। hehe

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন শিপলু (৩০-০৬-২০০৮ ০৬:৩৯)


-----------------------
আমার আবাসস্থল
http://www.cmyweb.net/dyntext/wp-blog-title.phphttp://www.cmyweb.net/dyntext/now-playing.phphttp://www.cmyweb.net/dyntext/twitter-update.php

অফলাইন

 

#১৬ ৩০-০৬-২০০৮ ১৫:৪৯

ত্বোহা
প্রজন্মাসক্ত
Current Status...পড়ছি রহস্যপত্রিকা
থেকে: سرت - ليبيا
নিবন্ধিত হয়েছেন: ২৮-০২-২০০৭
পোস্ট: ৮৪০
ওয়েবসাইট

Re: একটি প্রেমের গল্প - নাম না জানা সেই মেয়েটি

শিপলু লিখেছেন:

শেষ বাক্যটা না দিলেও হত। hehe

বলেন কি? তাহলে শেষ হতো কি করে? আরো অসমাপ্ত মনে হতো না? বরং বলুন, শেষ বাক্যটা একটু অন্যভাবে দিলে ভালো হতো। অবশ্য এর চেয়ে অন্য কিভাবে দেওয়া যায়, সেটা আমার মাথায় আসছে না।

অফলাইন

 

Board footer

এটি তৈরি করা হয়েছে পানবিবি ইঞ্জিনের উপর
অনুবাদ ও পরিচালনা: দ্যা হাঙ্গরিকোডার
পানবিবি'র স্বত্ব:  পানবিবি
তথ্য বিনিময় (সিন্ডিকেশন)

[ Generated in 0.178 seconds, 13 queries executed ]