পৃষ্ঠা: ১
আমি প্রসন্নচিত্তে সমুদ্রের বালুকাবেলায় অথবা কাঁটা কাঁটা ঘাসের ওপর দিয়ে হেঁটে হেঁটে প্রকৃতির সঙ্গে মিশে যেতাম; সে সময় ভাটা থাকতো; অনেকগুলো গরুর পাল ঐ কাঁটা কাঁটা ঘাসের ভেতর মুখ গুঁজে পড়ে থাকতো উদর পুর্তির জন্য; যখন জোয়ারের পানি ফুলেফেঁপে ওপরের দিকে অগ্রসর হতে থাকে গরুগুলোও সেখান থেকে আস্তে আস্তে ওপরে চলে আসতে থাকে। সেই সমুদ্রের গর্জন আমি শুনতাম আমাবস্যার রাতে যখন আমি বাঁশের আন্তা বা মাছ ধরার ফাঁদ জমিনের আইল কেটে বসিয়ে দিয়ে ওপরে (বড় উঁচু স্থানে) এসে চুপ করে বসে থাকতাম কখন জোয়ার আসবে আর জোয়ারের পানির সাথে সাথে উল্টো দিক থেকে মাছগুলো ঐ ফাঁদে আটকার পড়ার জন্য পানির স্রোতের বিপরীতে আসা শুরু করতো এবং সেই বাঁশের আন্তাতে আটকে যেতো; ঐ সীমাহীন অন্ধকার রাতে আমি সমুদ্রের গর্জন শুনেছি আর ভয়ের পরিবর্তে এক অনাবিল আনন্দ সাগরে নিজেকে মিশিয়ে দিতাম; প্রকৃতির মাঝে মিলেমিশে যেই শান্তি আমরা পাই তা আর কোন উৎস থেকে পাওয়া সত্যিই অসম্ভব।
তো যখন প্রবাসের জীবনটা একঘেয়েমীতে কাটাতে কাটাতে জীবন সায়াহ্ণে এসে যখন মরনের অপেক্ষা করছি প্রায় বৃদ্ধ বয়সে পৌঁছার কারণে সেই সময় প্রজন্মের খবর পাই খবরের কাগজে; সমুদ্রের বিশাল বুকের পরিবর্তে তাই সুখ খুঁজবার আশ্রয় নিলাম এই প্রজন্মে নিজের তিক্ততার/একাকীত্বের জ্বালা কিছুটা হলেও মেটানোর জন্যে।
তো ইদানিং যেভাবে ফোরামে অসহনশীল অবস্থা বিরাজ করছে বা আনফরগিভিং এ্যাটিচিউড লক্ষ করছি তাতে করে মনে হয় আমাদের ফোরামে অনেক ভাইবোন যেভাবে প্রতিনিয়তই ফোরামে লেখালেখি করতেন বা ঢু মারতেন তেমন করে আর সবার উপস্থিতি দ্যাখা যাবে না।
আসলে সবাই আমরা ম্যাটেরিয়ালিষ্টিক হয়ে যাওয়ার কারণেই সিনিওরিটি, জুনিয়রিটি বা সুপেরিওরিটি বা যোগ্যতায় কে কার চাইতে বড় ইত্যাদি ব্যাপারগুলো আমাদের মাঝে কাজ করে বলেই আমরা সবাইকে আপন করে নিতে পারছি না; যদি মহান রব্বুল আলামিনের কুরআনের আলোয় আমরা আলোকিত হতাম তাহলে অন্যের মনে দুঃখ দিয়ে ফেললেও পরক্ষনে আবার ক্ষমা নিয়ে একটা সুন্দর পরিবেশের সৃষ্টি করা তখন আর এতোটা কষ্টসাধ্য ব্যাপার হতো না কারও পক্ষেই; আরও একটা ব্যাপার আছে যা নিয়ে প্রায় এক বছর আগে কিছুটা লেখালেখি হয়েছিল আর তা হলো ব্যাকবাইটিং বা গীবত; যাক আর দূরে যেতে চাই না; সবার মাঝে একটা সুন্দর বন্ধুত্বসুলভ মনোভাব ফিরে আসুক এবং সবাই যাতে একটা দারুন পরিবেশ সৃষ্টির প্রয়াসে প্রজন্মে একটি নুতন দিগন্তের সূচনা করতে এগিয়ে আসেন সেই কামনা নিয়ে রাখছি।
অফলাইন
আমার মানি ব্যাগ হারানো গেছে। 


একটা পরিবারে একটু ঝগড়া-ঝাটি লে্গেই থাকে। আর পরিবারের সবাই ই ভালো হবে এমন কোন কথা নেই। রাত আছে বলেই তো দিনের আলোটাকে এত ভাল লাগে। সুতরাং, ভালো এবং মন্দ এ দুটো নিয়েই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।
ধন্যবাদ।
অনলাইন
পরীক্ষা..টপিকের ব্যাপারে কোনো মন্তব্য নাই। তবে..
রজনীবধুয়া লিখেছেন:
আমি প্রসন্নচিত্তে সমুদ্রের বালুকাবেলায় অথবা কাঁটা কাঁটা ঘাসের ওপর দিয়ে হেঁটে হেঁটে প্রকৃতির সঙ্গে মিশে যেতাম; সে সময় ভাটা থাকতো; অনেকগুলো গরুর পাল ঐ কাঁটা কাঁটা ঘাসের ভেতর মুখ গুঁজে পড়ে থাকতো উদর পুর্তির জন্য; যখন জোয়ারের পানি ফুলেফেঁপে ওপরের দিকে অগ্রসর হতে থাকে গরুগুলোও সেখান থেকে আস্তে আস্তে ওপরে চলে আসতে থাকে। সেই সমুদ্রের গর্জন আমি শুনতাম আমাবস্যার রাতে যখন আমি বাঁশের আন্তা বা মাছ ধরার ফাঁদ জমিনের আইল কেটে বসিয়ে দিয়ে ওপরে (বড় উঁচু স্থানে) এসে চুপ করে বসে থাকতাম কখন জোয়ার আসবে আর জোয়ারের পানির সাথে সাথে উল্টো দিক থেকে মাছগুলো ঐ ফাঁদে আটকার পড়ার জন্য পানির স্রোতের বিপরীতে আসা শুরু করতো এবং সেই বাঁশের আন্তাতে আটকে যেতো; ঐ সীমাহীন অন্ধকার রাতে আমি সমুদ্রের গর্জন শুনেছি আর ভয়ের পরিবর্তে এক অনাবিল আনন্দ সাগরে নিজেকে মিশিয়ে দিতাম; প্রকৃতির মাঝে মিলেমিশে যেই শান্তি আমরা পাই তা আর কোন উৎস থেকে পাওয়া সত্যিই অসম্ভব।
এই প্যারার বর্ণনাটা খুব সুন্দর লাগল। 
অফলাইন
রজনী বধুয়া অসাধারণ লিখেছেন। 


কাতার ভাইয়াও খারাপ লেখেননি।
অফলাইন
হারিয়ে গিয়েছি এই তো জরুরী খবর...@রজনীবধুয়া: আপনি যেমন বললেন ফোরামের অবস্থা আমার মনে হয় না এখনো তেমন
। কিছুদিন আগে হয়ত এরকম ছিল কিন্ত এখন পরিস্থিতি অনেক ভাল। তাই সব চিন্তা ঝেড়ে ফেলে নিয়মিত পোষ্টাতে থাকুন।
অফলাইন
The Ultimate fun zone 

স্বপ্নবাজ লিখেছেন:
@রজনীবধুয়া: আপনি যেমন বললেন ফোরামের অবস্থা আমার মনে হয় না এখনো তেমন
। কিছুদিন আগে হয়ত এরকম ছিল কিন্ত এখন পরিস্থিতি অনেক ভাল। তাই সব চিন্তা ঝেড়ে ফেলে নিয়মিত পোষ্টাতে থাকুন।
![]()
![]()
![]()
![]()
সহমত।
ফোরামের অবস্থা এখন যথেষ্ট সুস্থ আর স্বাভাবিক রয়েছে। বরং আপনার এই লেখাটাই সবাইকে কিছুটা বিব্রত করে দিয়েছে।
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন জুয়েল (২৫-০৬-২০০৮ ১৯:২৯)
অনলাইন
!!! ইন্ট্রাপিড আইবেক্স !!! ফোরামের অবস্থা খারাপ কোনদিক দিয়া দেখলেন আল্লাহই ভালো জানে 

অফলাইন
পৃষ্ঠা: ১