ভাবছিপ্রজন্ম ফোরামের গেট টুগেদার- একটি (পরি) কল্পিত গল্প-১ম পর্ব
এক এক করে প্রায় সবাই এসে পরেছে। এমনকি শিপলু ভাই-ও বহু ঝক্কি ঝামেলা পেরিয়ে আসতে পেরেছে। উনাকে এখন অভ্যর্থনায় দেওয়া হয়েছে। যাই হোক ভিতরে কাতার ভাই, রসি ভাই, সামিউল ভাই, জুয়েল ভাই আরো কয়েকজন নিয়ে একটা জটলা তৈরি হয়েছে। সেখানে ভাল-ই গল্প চলছে। আমি-ও গেলাম তাদের গ্রুপে। গিয়ে দেখি একজন মেয়ে-ও আছে। নতুন মেম্বার, নাম অর্থি। সবাই চিটাগাংয়ের ভাষায় কথা বলছে। আমি প্রথমে তাদের কথা কিছু বুঝতেই পারলাম না। আমি চিটাগাংয়া ভাষা খুব কম বুঝি। অনেক কষ্ট করে কথা ধরতে পারলাম। রসি ভাই বলছে, উনি আজ হাফ-অফিস করে ঢাকায় এসেছেন। কাল মায়ের অসুখের নাম করে ছুটি নিয়েছেন। এ কথাটা নিয়ে তিনি ঠাট্টা করছেন। ছোটকালে নিজের অসুখের নাম করে ছুটি নিতেন, আজ মার অসুখের নাম করে ছুটি নিলেন। ভবিষ্যতে দরকার হলে নাকি ছেলের অসুখের নাম করেও ছুটি নিবেন। ওনার রসাল কথা শুনে আমার-ও হাসি পাচ্ছে। হয়ত বেশি আম খাওয়ার ফল, রসাল আম খেতে খেতে নিজেয় রসাল হয়ে গেছেন। কাতার ভাই তার কলেজ লাইফ নিয়া গল্প শুরু করলেন। তাদের সময়ে এত মোবাইল টোবাইল ছিল না। তাই এই সব অ্যাফেয়ার ট্যাফেয়ার নিয়ে তাদের কত লুকোচুরি করতে হত। ছাদে উঠে পাশের বাসার সুন্দরীর সাথে কেমনে টানকি মারতেন। সামিউল ভাই দুঃখ করছে। কলেজ লাইফে কারও সাথে টানকি মারতে পারেন নাই। এখন প্রবাসী জীবনে পড়ালেখা আর কাজের মাঝে অবসরই নাই এসব ভাববার। অর্থি আপু এখন একটু চিটাগাংয়া ভাষা শুরু করলেন। মেয়েরা বিশেষ করে সুন্দরী মেয়েরা আঞ্চলিক ভাষা বললে কেমন জানি লাগে। আমারও অড লাগল। এরপর তোহা ভাই আসল। সবাইকে এক সাথে দেখে উনি খুব খুশি। কথায় কথায় আরবির প্রসঙ্গ আসল। মিসরের আরবি, লিবিয়ার আরবি, সোদি আরবির পার্থক্য। আমি বেশি কিছু বুঝতে পারছি না। কোনমতে সূরা মিলায়ে নামায পড়তে পারি। তাই ভালয় ভালয় ওখান থেকে কেটে পরলাম।
দেখি মুন আপু এক কোনায় দাড়িয়ে আছে। ওনার সাথে কথা বলার ইচ্ছা অনেকদিনের। তাই যেয়ে ওনার খোজ খবর নিলাম। ওনার মার কথা জিগেস করলাম। উনি বললেন, আম্মু এখন ভালই। ভাইয়ার বিয়ে নিয়ে ব্যস্ত। উনিও নাকি খুব ব্যস্ত। আজ প্রজন্ম ফোরামের গেট টুগেদার দেখে সব বাদ দিয়ে এখানে এসেছেন। আমাকে একটা কবিতা দেখালেন। আজ অনুষ্ঠানে তিনি এটা আবৃত্তি করবেন। কবিতাটায় প্রজন্ম ফোরামকে একটা ফুলের সাথে তুলনা করেছেন। ফুলের পাপড়ি গুলা যতক্ষন একসাথে থাকে, ততক্ষন সে সুন্দর। তাই আমাদের ফোরাম মেম্বারদেরও সব সময় এক সাথে থাকতে হবে। উনার কথা শুনে ভাল লাগল।
এই ভীড়ের ভিতর আমার চোখ ঘুরেভিরে শুধু তাকেই খুজছিল। ও আগে বলা হয়নি আমি সুন্দর মেয়েটার পরিচয় পেয়েছি। পরিচয় পেয়ে আমি একবারে অবাক। সে ভিতরে যাওয়ার পর আমি অনেক দ্বিধাদ্বন্দ কাটিয়ে সুমন ভাইকে জিগেস করি মেয়েটা কে। সুমন ভাই আমার কথা শুনে একটু হাসলেন। বুঝলেন ছেলে কট খেয়েছে। বললেন এত আমাদের রাক্ষসী। আমি তো পুরা অবাক। আমার মনের অবস্থা বুঝতে পেরে উনি বললেন। ফোরামে রাক্ষসী ইচ্ছে করেই এমন ভাব নিয়ে থাকে যে সে সুন্দর না, সে একটু পাগলি টাইপের। বাস্তব লাইফে সে অনেক ব্যক্তিত্বসম্পন্না। ফোরামে যাতে তাকে কেউ প্রোপোজ না করতে পারে তাই এই ভান। আমি মনে মনে বলি, প্রপোজ তো আজ আমি-ই করব। সুমন ভাই যাওয়ার সময় বললেন। তুমি কিন্তু আবার ওর প্রেমে পড়ে যেও না। আমি বললাম, না ভাইয়া পড়াশুনা নিয়েই কুল পাই না আর প্রেম করব। আমার এসবের সময় নাই।
খুজতে খুজতে রাক্ষসীর দেখা পেলাম। না এখন তাকে আর রাক্ষসী বলা চলে না। সে শুধু রূপসী। দেখি কোডার ভাইয়ার সাথে গল্প করছে। এত কি গল্প করে??? আর কোডার ভাইয়া ও কত হাসি খুশি ভাব নিয়ে গল্প করছে। আচ্ছা কোডার ভাই আপনার কি কোন কাজ নাই, এত ব্যস্ততা, রূপসীকে আমার জন্য ছেড়ে দেন। আমি তাকে গল্প শোনাই। আর রূপসীও এত হাসি খুশি কেন? উনি ফোরামের মডারেটর তাই ওনার সাথে এত গল্প করতে হবে? দাড়াও আমিও ফোরাম খুলতাছি। শুধু বাংলা কেন, আরবি ফারসি চাইনিজ হিন্দি সব খুলতাছি। তোমার জন্য সব পারি। কোডার ভাই দেখলাম চলে গেলেন। রূপসী এখন নবনীতা আপুর সাথে। এইতো চান্স।
আমি নবনীতা আপুর দিকে এগিয়ে গেলাম। উনার সাথে উনার স্বামী ও ছেলেও এসেছে। উনার স্বামী রূপসীর সাথে কথা বলছে। আর উনার ছেলে উনাকে জিগেস করছে ঐ দুই আংকেলের নাম এমন কেন। একজন কাঠাল আর একজন রশি। নবনীতা আপু ওকে বুঝাইতাছে। আরে এগুলা এমনি ডাকে। উনি কাতারে থাকেন তাই রসি ফাইযলামি করে কাতাল ডাকে। আর আরেকজনের নাম রসি, রশি না। অনেক রস ওনার মনে তাই। আমি তাড়াতাড়ি আমার আসল নাম বললাম। পরে না পিচ্চি বলে তোমার নাম প্রলয় কেন। নবনীতা আপু বলল এ তোমার আরেক আংকেল। ছেলেটা বলে, ও তো ভাইয়া আংকেল না। আমি বললাম আচ্ছা তাই ঠিক। আমাকে ও জিগেস করল, তুমি কার সাথে এসেছ? আমি বললাম আমি একাই। তাহলে তুমিও ফোরাম মেম্বার? ও অবাক হল। আমি বললাম কেন নয়? ও বলল, আম্মু বলে ফোরাম মেম্বার হতে বড় হতে হয়। আমি বললাম আমি তো বড়ই। তুমি কোন ক্লাসে পড়। ও বলল টু। আমি বললাম আমি তের ক্লাসে পড়ি। আমি তাহলে তোমার চেয়ে কত বড়। ও বলল তুমি তো তের ক্লাসে পড় তাহলে তো অনেক জান। এবার বলতো, উজবেকিস্তানের রাজধানী কি? আমার মাথায় তো বাজ এই প্রশ্নের উত্তর কিভাবে দেই। আমি তো দুরে থাক আমার পূর্ব ও ভবিষ্যত ৭ প্রজন্ম পর্যন্ত ঐ দেশে কেউ যায় নাই আর যাবে না। কিন্তু উত্তর তো দিতে হয়। তাই বললাম আমি বিদেশ নিয়ে ভাবি না। দেশের কথাই চিন্তা করি। ও বলল, তাহলে বল বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান জন্মে। আমি তো মহাফাপড়ে। কাটতে পারলে বাচি। এবার হার মেনে বললাম জানি না তো। তুমি জান। ও বলল এগুলা তো আমাদের ওয়ানে জেনারেল নলেজে ছিল। আমি ভাবি, এই ছোট বয়সেই বিসিএস পরীক্ষা দেওয়া উচিত। বড় হলে এইসব মনে থাকে না। ছোটকালে আমিও কত জেনারেল নলেজ শিখতাম। যাই হোক চান্স পেলাম না রূপসীর সাথে কথা বলতে। এর মধ্যে কোডার ভাই ঘোষণা করলেন অনুষ্ঠান এখন শুরু হতে যাচ্ছে। সবার নজর তাই মঞ্চে। কোডার ভাই শুরু করলেন.......................
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন হাঙ্গরিকোডার (২২-০৬-২০০৮ ১৭:৩৪)
অফলাইন
The Ultimate fun zone 

ওই মিয়া প্রলয় ভাই, চিটাগাংগের গ্রুপে আমারে ফালাইয়া দিলেন কি মনে কইরা
, চট্রগ্রামের ভাষা তো দুরের কথা আমি জিন্দেগিতে এখন পর্যন্ত ঢাকার বাইরেই যাইনাই (সিলেট আর মালয়শিয়া ছাড়া
)। কক্সবাজার যাওয়ার সাধ ছিল শেষ পর্যন্ত আর যাওয়া হইলনা
। আপনের এই ভার্র্চুয়াল স্টোরির পরিমার্জন ও সংশোধনের দাবি জানাচ্ছি



অনলাইন
অফিসেজোস... এই সুপ্ত প্রতিভা অকালে হারাতে চাই না । সামনের বই মেলায় কিন্তু নতুন লেখকের খাতায় নাম লিখতেই হবে। না হলে....
অনলাইন
ভাবছিজুয়েল লিখেছেন:
ওই মিয়া প্রলয় ভাই, চিটাগাংগের গ্রুপে আমারে ফালাইয়া দিলেন কি মনে কইরা
, চট্রগ্রামের ভাষা তো দুরের কথা আমি জিন্দেগিতে এখন পর্যন্ত ঢাকার বাইরেই যাইনাই
ভাই আমিও আপনার মত চিটাগাংয়া ভাষা জানি না। লক্ষ্য করবেন আপনি কিন্তু কিছু বলেন নাই। আপনিও হয়ত আমার মত নীরব শ্রোতা ছিলেন। আমি তা বুঝতে পারি নাই।


অফলাইন
পড়ছি রহস্যপত্রিকাঅসাধারণ। 

চালিয়ে যান ..... +++
অফলাইন
আর ভাল লাগে না!ফুলের পাপড়ি গুলা যতক্ষন একসাথে থাকে, ততক্ষন সে সুন্দর। তাই আমাদের ফোরাম মেম্বারদেরও সব সময় এক সাথে থাকতে হবে। উনার কথা শুনে ভাল লাগল।
চমৎকার
খুজতে খুজতে রাক্ষসীর দেখা পেলাম। না এখন তাকে আর রাক্ষসী বলা চলে না। সে শুধু রূপসী। দেখি কোডার ভাইয়ার সাথে গল্প করছে। এত কি গল্প করে??? আর কোডার ভাইয়া ও কত হাসি খুশি ভাব নিয়ে গল্প করছে। আচ্ছা কোডার ভাই আপনার কি কোন কাজ নাই, এত ব্যস্ততা, রূপসীকে আমার জন্য ছেড়ে দেন। আমি তাকে গল্প শোনাই। আর রূপসীও এত হাসি খুশি কেন? উনি ফোরামের মডারেটর তাই ওনার সাথে এত গল্প করতে হবে? দাড়াও আমিও ফোরাম খুলতাছি। শুধু বাংলা কেন, আরবি ফারসি চাইনিজ হিন্দি সব খুলতাছি। তোমার জন্য সব পারি।



ও বলল তুমি তো তের ক্লাসে পড় তাহলে তো অনেক জান। এবার বলতো, উজবেকিস্তানের রাজধানী কি? আমার মাথায় তো বাজ এই প্রশ্নের উত্তর কিভাবে দেই। আমি তো দুরে থাক আমার পূর্ব ও ভবিষ্যত ৭ প্রজন্ম পর্যন্ত ঐ দেশে কেউ যায় নাই আর যাবে না। কিন্তু উত্তর তো দিতে হয়। তাই বললাম আমি বিদেশ নিয়ে ভাবি না। দেশের কথাই চিন্তা করি। ও বলল, তাহলে বল বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান জন্মে।



পরীক্ষার কারণে আগের পর্ব পড়িনি। এই মাত্র দ্বিতীয় পর্বের পোস্ট দেখে প্রথম পর্ব পড়লাম। প্রথম পর্ব পড়ে তেমন কিছু মনে হয় নি। কিন্তু ২য় পর্ব পড়ে 

। অসাধারণ লেখা হচ্ছে। আমার পরীক্ষার সকল ক্লান্তি মুছে গেল। আবার কেউ ভেবে বসবেন না যে রূপসী রাক্ষসীর সাথে কথা বলার কারণে
।
কোট করা দুইটা জায়গায় হাসতে হাসতে আমার পেট ব্যাথা হয়ে গেছে।
আমি সাধারণত কোন সিরিয়াল কিছু একসাথে কালেকশন না করে পড়ি না/ দেখি না। কারণ একটা পড়ার পর আরেকটা পড়ার আকর্ষণ সহ্য করতে পারি না। এখানেও ঠিক সেরকম হচ্ছে।
; যদি ব্যাংক একাউন্ট লোপাট হয়ে যায়
!অফলাইন
প্রলয় লিখেছেন:
মেয়েরা বিশেষ করে সুন্দরী মেয়েরা আঞ্চলিক ভাষা বললে কেমন জানি লাগে।
বলে কি?
আমারতো খুবই ভাল লাগে।
যেমন সিলেটি মেয়েরা সুর দিয়ে বলে "ওও ডাইভার, যাইতানি?"।
প্রলয় লিখেছেন:
দেখি মুন আপু এক কোনায় দাড়িয়ে আছে। ওনার সাথে কথা বলার ইচ্ছা অনেকদিনের। তাই যেয়ে ওনার খোজ খবর নিলাম। ওনার মার কথা জিগেস করলাম। উনি বললেন, আম্মু এখন ভালই। ভাইয়ার বিয়ে নিয়ে ব্যস্ত। উনিও নাকি খুব ব্যস্ত। আজ প্রজন্ম ফোরামের গেট টুগেদার দেখে সব বাদ দিয়ে এখানে এসেছেন। আমাকে একটা কবিতা দেখালেন।
মুন এইটা ঠিক করে নাই।
তার ছড়া আনা উচিৎ ছিল।
প্রলয় লিখেছেন:
এই ভীড়ের ভিতর আমার চোখ ঘুরেভিরে শুধু তাকেই খুজছিল। ও আগে বলা হয়নি আমি সুন্দর মেয়েটার পরিচয় পেয়েছি। পরিচয় পেয়ে আমি একবারে অবাক। সে ভিতরে যাওয়ার পর আমি অনেক দ্বিধাদ্বন্দ কাটিয়ে সুমন ভাইকে জিগেস করি মেয়েটা কে। সুমন ভাই আমার কথা শুনে একটু হাসলেন। বুঝলেন ছেলে কট খেয়েছে। বললেন এত আমাদের রাক্ষসী।
আগের পর্বে লক্ষণ পড়েই বুঝে গিয়েছিলাম এটা রাক্ষসী।
প্রলয় লিখেছেন:
আমি মনে মনে বলি, প্রপোজ তো আজ আমি-ই করব।
তাই বুঝি?? তা কিসের প্রপোজ করবে ??
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন শিপলু (২২-০৬-২০০৮ ১৮:২৪)
অফলাইন
আর ভাল লাগে না!প্রলয় নিজের গল্পে নিজেই নায়ক। লালন, হাসান রাজা, উদাসীন প্রমুখদের অনুসারী
।
; যদি ব্যাংক একাউন্ট লোপাট হয়ে যায়
!অফলাইন
পড়ছি রহস্যপত্রিকাউনি ফোরামের মডারেটর তাই ওনার সাথে এত গল্প করতে হবে? দাড়াও আমিও ফোরাম খুলতাছি। শুধু বাংলা কেন, আরবি ফারসি চাইনিজ হিন্দি সব খুলতাছি।
এই অংশটাই সবচেয়ে ফাটাফাটি।
অফলাইন
আমার মানি ব্যাগ হারানো গেছে। 


জুয়েল লিখেছেন:
ওই মিয়া প্রলয় ভাই, চিটাগাংগের গ্রুপে আমারে ফালাইয়া দিলেন কি মনে কইরা
, চট্রগ্রামের ভাষা তো দুরের কথা আমি জিন্দেগিতে এখন পর্যন্ত ঢাকার বাইরেই যাইনাই (সিলেট আর মালয়শিয়া ছাড়া
)। কক্সবাজার যাওয়ার সাধ ছিল শেষ পর্যন্ত আর যাওয়া হইলনা
। আপনের এই ভার্র্চুয়াল স্টোরির পরিমার্জন ও সংশোধনের দাবি জানাচ্ছি
ফুয়েল মিয়া, ফুয়েল এ আগুন লাগছে, চেত কা, চিটাগাং এর গ্রুপে অর্থি আছে না? 



সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন microqatar (২২-০৬-২০০৮ ১৯:৩৭)
অনলাইন
আমার মানি ব্যাগ হারানো গেছে। 


কাতার ভাই তার কলেজ লাইফ নিয়া গল্প শুরু করলেন। তাদের সময়ে এত মোবাইল টোবাইল ছিল না। তাই এই সব অ্যাফেয়ার ট্যাফেয়ার নিয়ে তাদের কত লুকোচুরি করতে হত। ছাদে উঠে পাশের বাসার সুন্দরীর সাথে কেমনে টানকি মারতেন।
আবার যদি ঐ সময়টাতে ব্যাক করতে পারতাম
অনলাইন
ব্যস্ত আছিচালাইয়া যান![]()
্দেখি সময় পাইলে উইড়া আসুম নে

অফলাইন
পরীক্ষা..এই গল্প যদি এক সপ্তাহের আগে থামে তাইলে কইলাম আমি পরের এক সপ্তাহ টানা মাইনাস দিমু। 
প্রলয়, দারুণ এগোচ্ছে। চলতে থাকুক।
অনেক কষ্টে এইটুকু বললাম। এখন একটু হাইসা নেই। 










বাই দ্যা ওয়ে, নবনীতাপুর পিচ্চিটাকে আমার বড্ড পছন্দ হইছে। ছোটবেলায় আমিও ঐ রকম ছিলাম কিনা। 
অফলাইন
ভাবছিমুশাফ লিখেছেন:
এই গল্প যদি এক সপ্তাহের আগে থামে তাইলে কইলাম আমি পরের এক সপ্তাহ টানা মাইনাস দিমু।
ভাই আমার সামনের সপ্তাহ থেকে মিড-টার্ম। আপনের কথা শুনে টেনশনে পরে গেলাম।
যাই হোক দেখি গল্প কোথায় যেয়ে থামে। এক সপ্তাহ হয়তো লেগে যাবে।
অফলাইন
বেশ ভালো হচ্ছে। চালিয়ে যাও প্রলয়।![]()

অটঃ রাক্ষসীর পেছনে একজন বাঁশিওয়ালা ঘুর-ফির করে। গল্প কিন্তু এত সহজ করলে চলবে না।
অফলাইন
দুই পর্বই পড়েছি। অনেক কিছু লিখতে ইচ্ছে করছে, কিন্তু লিখব না। কারণ আপনাদের ভাবীও ফোরামে নিয়মিত।
কিছু লিখতে গেলে হিসাব করন লাগে।
যাউগ্গা, পেল্লয় ভাই চালায়া যান, আমিও আছি।
অফলাইন
হবে আমাদের দেখা নিশ্চয়
একদিন
আসবেতো সবাই, প্রজন্ম সভায়
একদিন
বুকের গভীরে আছে প্রত্যয়
হবে একদিন দেখা নিশ্চয়।
(কিজানি একটা বিজ্ঞাপনের সুরে
)
প্রলয়, ভাল হচ্ছে
চালিয়ে যাও।
অফলাইন
হেহেহে...আর তাকাবি???দেখ...ক্যামনে ভেঙ্গাই ...হেহেহেএই ভীড়ের ভিতর আমার চোখ ঘুরেভিরে শুধু তাকেই খুজছিল। ও আগে বলা হয়নি আমি সুন্দর মেয়েটার 
পরিচয় পেয়েছি। পরিচয় পেয়ে আমি একবারে অবাক। সে ভিতরে যাওয়ার পর আমি অনেক দ্বিধাদ্বন্দ কাটিয়ে সুমন ভাইকে জিগেস করি মেয়েটা কে। সুমন ভাই আমার কথা শুনে একটু হাসলেন। বুঝলেন ছেলে কট খেয়েছে।
কট কি জিনিস?
বললেন এত আমাদের রাক্ষসী। আমি তো পুরা অবাক। আমার মনের অবস্থা বুঝতে পেরে উনি বললেন। ফোরামে রাক্ষসী ইচ্ছে করেই এমন ভাব নিয়ে থাকে যে সে সুন্দর না, সে একটু পাগলি টাইপের।
ইচ্ছে করে না
আসলেই পচা দেখতে
ছবি দেখামু নে 
বাস্তব লাইফে সে অনেক
ব্যক্তিত্বসম্পন্না
।
ওরে কে কোথায় আসোস?? আমারে ধর!
ফোরামে যাতে তাকে কেউ প্রোপোজ না করতে পারে তাই এই ভান।
তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি
আমি তো চাই।...কেউ না কেউ আমার......


আমি মনে মনে বলি, প্রপোজ তো আজ আমি-ই করব।
সুমন ভাই যাওয়ার সময় বললেন। তুমি কিন্তু আবার ওর প্রেমে পড়ে যেও না। আমি বললাম, না ভাইয়া পড়াশুনা নিয়েই কুল পাই না আর প্রেম করব। আমার এসবের সময় নাই। 






খুজতে খুজতে রাক্ষসীর দেখা পেলাম। না এখন তাকে আর রাক্ষসী বলা চলে না। সে শুধু রূপসী। দেখি কোডার ভাইয়ার সাথে গল্প করছে। এত কি গল্প করে??? আর কোডার ভাইয়া ও কত হাসি খুশি ভাব নিয়ে গল্প করছে। 

আচ্ছা কোডার ভাই আপনার কি কোন কাজ নাই, এত ব্যস্ততা, রূপসীকে আমার জন্য ছেড়ে দেন। আমি তাকে গল্প শোনাই। আর রূপসীও এত হাসি খুশি কেন?
কারন রুপসী কোন চান্স ছাড়তে রাজি না
উনি ফোরামের মডারেটর তাই ওনার সাথে এত গল্প করতে হবে? দাড়াও আমিও ফোরাম খুলতাছি।
শুধু বাংলা কেন, আরবি ফারসি চাইনিজ হিন্দি সব খুলতাছি। তোমার জন্য সব পারি। কোডার ভাই দেখলাম চলে গেলেন। রূপসী এখন নবনীতা আপুর সাথে। এইতো চান্স।
বেশি জোস...
বাস্তবে তো কেউ টাঙ্কিং মারার সাহস পাইলো না
তাই এই খানেই 
মজা পাইলাম প্রলয় গুট্টু মুট্টু বাবু টা 
চালায় যাও।...আর কেউ না থাকুক...আমি আসি
হেহেহ![]()
অটঃ রাক্ষসীর পেছনে একজন বাঁশিওয়ালা ঘুর-ফির করে। গল্প কিন্তু এত সহজ করলে চলবে না।hehe
অই রুমন ।।ওফ যা! শান্তিতে একটু টাঙ্কিও মারতে পারতেসি না।...এই সব বড় ভাইদের যন্ত্রণায়
অফলাইন
আবার কি হবে দেখা, এ দেখাই শেষ দেখা নয় তোপেলয় ভাই, জটিল হইতেছে। অনেক কিছু লেখার ইচ্ছে করছে, কিন্তু কি লিখব তা বুঝতে পারছি না। চালায়ে যান
ওহ হো হাসতেই তো ভুলে গেছি, দাড়ান একটু হাইসা লই

অফলাইন
!!! ইন্ট্রাপিড আইবেক্স !!! আমার নাম নাই কেন খেলুম না 
অফলাইন