রমাদান মোবারক! ২৮.০৫.২০০৮
একগাদা আইসক্রীম খাইছি বিকেলে! 



অফলাইন
১৭.০৬.২০০৮
ডেস্কের বামপাশেই বিশাল কাঁচের জানালা। একঝলক রাস্তা দেখা যায়। রাস্তার একধারে বৃষ্টির পানি জমে আছে। সারা সকাল ধরেই আকাশ অসম্ভব মেঘলা। অল্প-স্বল্প তেজের এই মেঘ-আলোটাকে মারাত্মক লাগে। কাঁচের ঘরে বাতি নিভিয়ে রেখেছি ২ কলিগ মিলে। আরেকজন কলিগ এসে বললঃ বাতি নেভানো কেন? উত্তর দিলামঃ ইলেক্ট্রিক বিল যাতে কম উঠে।
আজকে আর কাজ করতে ইচ্ছা করছে না, খাইতে ইচ্ছা করছে না, বসে থাকতেও ইচ্ছা করছে না। লাঞ্চ টাইমে টেবিলে খানিকক্ষণ তবলা বাজালাম। ইউনিভার্সিটির সেবা ম্যাডামকে ফোন করে কিছুক্ষন কথাও বললাম। গতকাল দেশে ফিরেছেন সুইডেন থেকে।
রাস্তায় যদি হাঁটা যেতো? প্যান্টের পকেটে দুই হাত ভরে। কিংবা রিক্সায় চুপচাপ বসে। নিমেষে কোনো অ-কাব্য জন্ম দিতাম আজকে। বেঁচে গেলো লাইনগুলো।
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন রুমন (১৭-০৬-২০০৮ ১৪:৩৩)
অফলাইন
রমাদান মোবারক! "সারাদিন তোমায় ভেবে, হল না আমার কোন কাজ,
হল না তোমাকে পাওয়া, দিন যে বৃথাই গেল আজ।"
............................................................
প্রচন্ড ব্যস্ততার মধ্যে এই অসম্ভব সুন্দর দিনগুলো চলে যাচ্ছে একে একে...
এতো কাজ, গুছিয়েই উঠতে পারছি না, বিরক্ত লাগছে এখন কাজের কথা শুনলেই ... তাই আজকে আর কিচ্ছু করতে ইচ্ছে করছিল না... নাহ কাজ এড়াতে পারি নি... তবে ফাঁকি মেরেছি প্রচুর...
দিন শেষে দেখি, সব কাজই জমে আছে প্রায়... কি যে হবে....?
ইস্ কিছুই করা হল না আজকে... এমনকি এই অপূর্ব দিনটাকে উপভোগও করা হল না 


অফলাইন
আমি ভাসবো যে জলে তোমায় ভাসাবো সে জলে১৮.০৬.০৮ সারা দিন রান্না করার ভয়ে না খেয়ে থেকে রাতে মরিচ, ডিম আর আটা দিয়ে সুস্বাদু পিঠা তৈরি করে খেয়ে এখন ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছি। আহ পিঠার যে কি স্বাদ আবার খেতে ইচ্ছে করছে
অফলাইন
১৯.৬.২০০৮
আরামসে ঘুমিয়ে আছি, সকাল ৮টায় ২গিবা পেনড্রাইভটা হাতে নিয়ে আম্মু এসে ধাক্কা দিয়ে জাগালেন। "জিন্সের প্যান্ট ধুতে দিসিস, পকেটে এইটা কেন? সারারাত পানিতে ডুবানো ছিল। সকালে গাছের টবে খুঁজে পেলাম।" হাত বাড়িয়ে পেনড্রাইভটা নিয়েই আবার ঘুম দিলাম। এখন শুকোতে দিসি।
সকালের প্রথম চা খাওয়া শেষ। আরেকটা খেতে ইচ্ছা করছে? ক্যাম্নে বলি।
অফলাইন
১৯.০৬.০৮
আজকে সকালে ঘুম থেকে উঠে (দেরী করে) ক্লাশে গেলাম। প্রায় ১ ঘন্টা দেরী করে ম্যাডাম এসে পরীক্ষা নিল। খাতা হাতে পেয়ে দেখি ১২ টার মধ্যে মাত্র ১ টা সহজ প্রশ্ন। ১ ঘন্টার মধ্যে ১২ টা প্রশ্নের ১১টার উত্তর দিয়ে বের হয়ে এলাম। এরপর গেলাম সেমিনার রুমে। ওখানে আবার আমাদের ম্যাডাম শেষ ক্লাশ উপলক্ষে কেক এনে রেখেছে। কেক কাটলাম এবং ফটোসেশনে অংশ নিলাম। তবে কেকটা খাইনি 
। কারণ কেকটা হালাল না হারাম তাই খেলাম না। ম্যাডাম জোড় করে কেক হাতে ধরিয়ে দিল। পরে কেক হাতে ল্যাব এ গিয়ে একটা টেবিলের উপর রেখে একটা ইন্ডিয়ান মেয়েকে (মহিলা) হেল্প করতে লাগলাম। গতকাল একটা প্রজেক্ট জমা দেবার শেষ দিন থাকলেও এর পেন ড্রাইভে ভাইরাস থাকাতে সব শেষ। ব্যাকআপ আমার পেন ড্রাইভে ছিল কিন্তু পুরোটা। পরে প্রায় ১ ঘন্টা ওর পিছনে ঢাললা এবং ওর প্রজেক্ট আমি করে ম্যাডামকে মেইল করে দিলাম। এই ফাঁকে পরিচয় হল আর একটা মেয়ের সাথে (মনে হয় মেয়েই হবে)। সে দেখলাম ঐ ইন্ডিয়ান মেয়েটার সাথে হিন্দীতে কথা বলছে। কিছুক্ষণ পর আমাকে জিজ্ঞেস করল আমি ইন্ডিয়ান কিনা। আমি বললাম আমি বাংলাদেশী। তখন সে বলল আমিও তো বাংলাদেশী। শুনে তো আমি 


। কারণ সে আর আমি একই সাবজেক্ট কিন্তু গ্রুপ ভিন্ন। তাকে এতদিন দেখেছি ইন্ডিয়ানদের সাথে চলতে হিন্দীতে কথা বলতে এখন কিনা কয় বাংলাদেশী। পরে অল্প বিস্তর কথা হল। সে চলে গেল পরীক্ষা দিতে আমি চলে আসলাম বাসায়। আসার সময় শুধু মনে মনে ভাবলাম এই প্রথম কোন বাংলাদেশী পাইলাম কলেজে কিন্তু তাও সেমিস্টার শেষে। আগে পাইলে অনেক হেল্প পাইতাম হয়তবা। কি আর করা।
অফলাইন