বিদায় নিতে হবে ফোরাম থেকে। ভাবতেই কষ্ট হচ্ছে!!!!!!!!!!!!স্নেহের সামিউল,
আদর ও ভালবাসা নিও। কেমন আছ বাবা।খুব অবাক হচ্ছো না।ভাবছো বাবার চিঠি।এ কি করে সম্ভব।তিনি তো সেই কবে-------।হ্যাঁ বাবা সম্ভব।এখন অনেক কিছুই সম্ভব।পৃথিবীতে মানুষ কত অসাধ্য সাধন করেছে।বিজ্ঞান কত এগিয়েছে ।গোটা বিশ্বকে এখন ইন্টারনেটের মাধ্যমে একটা ছোট্ট গন্ডিতে বেধেঁছে।অনেক দূরে থেকেও মো্বাইল ফোনে যখন তখন কথা বলতে পারছে ইচ্ছেমত।মানুষ দূরে থেকেও এখন কত কাছাকাছি বসবাস করছে।শুধু মানুষ ও বিজ্ঞান একটা জায়গায় পরাজিত।
তাহলো আমাদের এপারের জগত। আল্লাহও চায়না এই জগতের সীমানা জীবিত মানুষ বা বিজ্ঞান অতিক্রম করুক। নাহলে মানুষ সয়ং আল্লাহর অস্তিত্ব অস্বীকার করবে।আমরা কিন্তু চাইলেই তোমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারি। ভাবছ কি ভাবে? এই যেমন স্বপ্নের মাধ্যমে।আর তো্মাকে লিখেছি সেতো তো্মাদের ইন্টারনেটের আকাশবার্তার মাধ্যমে।
তোমার ফোরমের বন্ধুদের দু:খ করে বলছি তোমার বাবা নেই। তোমার জন্মের ৫ মাস পরেই আমি ওপারে চলে গেছি। বাবাকে নিয়ে বলার মত কোন স্মৃতিই নেই তোমার। শুনে আমার খুব কষ্ট হচ্ছে বাবা। কিন্তু কি করব। আল্লাহর হুকুম হলে আমাদের সবাইকে তো আসতেই হবে। যেদিন পৃথিবী ছেড়ে আমি আসি সেদিন তুমি ছোট্ট ও অবুঝ শিশু হলেও বুঝতে পেরেছিলে আমি চলে যাচ্ছি। তুমি তখন খুব কাঁদছিলে। তোমার সে অবুঝ কান্না আমি সহ্য করতে পারছিলাম না। আমি ছিলাম নিথর নি:স্পন্দন। দু:খ করোনা বাবা। তুমি ছোট্ট ( ৫ মাসের) হলেও আমার পরশ পেয়েছো, পেয়েছ আমার শরীরের গন্ধ আমার আদর। আমার বুকে মুখ লুকিয়ে ঘুমিয়েছ। সে সব স্মৃতি তোমার মনে থাকার কথা নয়। কারন ওই বয়সে স্মৃতি বলে কিছু থাকে না। কিন্তু দেখ এমন অনেকেই আছে যাদের জন্মের আগেই বাবা মারা গেছে। তাদের কথা ভাব।
বাবা আমি ওপারে গিয়েও তোমার পাশে সবসময় থেকেছি। তুমি যখন ঘুমিয়ে থাকতে তখন কখনও ঘুমের মাঝে তুমি হাসতে। আমি কিন্তু তখন স্বপ্নে তোমার সঙ্গে কথা বলতাম। আদর দিতাম। যখন আমি চলে যেতাম তখন তুমি কেঁদে উঠতে। তোমার মা তখন তোমাকে বুকের মাঝে টেনে নিত। তুমি আবার পরম নির্ভরতায় ঘুমিয়ে যেতে।
প্রথম যখন হাঁটি হাঁটি পা পা করে তুমি হাটতে শিখলে তখন কিন্তু আমি তোমার পাশে থেকে তোমাকে আগলে রাখতাম। যেন তুমি পড়ে গিয়ে ব্যাথা না পাও। যেদিন প্রথম বাবা ডাক শিখলে সেদিন আমার খুব কষ্ট হয়েছিল । তোমাকে ওই মুহুর্তে বুকে জড়িয়ে ধরতে পারিনি বলে। অবশ্য তোমার মা তোমাকে বুকে জড়িয়ে সেকি কান্না। আমি অসহায়ের মত শুধু চেয়ে দেখেছি। এভাবেই হাসি কান্না দু:খ আর আন্ন্দ নিয়ে তুমি বড় হয়েছ তোমার মার কাছে।
আজ তুমি প্রবাসী। আমি অবশ্য এখন তোমার কাছে যাই না। ওই দুর আকাশ থেকে তোমাকে দেখি। কেন জান? প্রবাস আমার ভাল লাগে না। আমার দেশের মাটিতে আমার জন্ম আমার মৃত্যু। তাছাড়া তুমি চলে যাবার পর তোমাকে ছাড়া তোমার মা খুব একা হয়ে গেছে। আমি প্রতিনিয়ত শুনতে পাই তার দীর্ঘশ্বাস। দেখতে পাই তোমাকে ভেবে তোমার মায়ের চোখের অশ্রুজল। তুমিই বল তোমার মাকে এইভাবে একা ফেলে ঐ দুর প্রবাসে যেতে পারি?
তোমার বন্ধু কাতারের বাবা বলছিল আমার ছেলেটা বড় বেশি অভিমানী আর আত্মকেন্দ্রীক। সেই মরূভুমির দেশে গিয়ে ছেলেটা কেমন মরুভুমির মতই হয়ে গেছে। ওর মা কত করে বলছে যে বাবা দেশে আয় কত দিন দেখিনি তোকে। ছেলের নাকি দেশে যাওয়ার সমই হয় না। ওর মা সেদিন খুব আফসোস করে বলছিল আমার ছেলেটা এই বরষার সময় খিচুড়ি আর ইলিশ ভাজা খেতে খুব পছন্দ করত। তুমি বাবা তোমার বন্ধুকে বলে দিও ও যেন দেশে গিয়ে ওর মার সঙ্গে দেখা করে আসে। তোমার বান্ধবী তরু না কি যেন নাম ওর বাবাও বলছিল আমার মেয়েটা বড় বোকা আর পাগলী। ঠিক যেন আমার মত স্বভাব। ওর মা নাকি গত কাল লিখালেখি নিয়ে অনেক কথা বলেছে। তাতে ওর মনটা খুব খারাপ হয়েছে। তার উপর আবার তোমার আরেক বন্ধু জুয়েল না বুঝে কি কমেন্ট করেছে তার জন্য ও ভিষন কষ্ট পেয়ে বালিশে মুখ গজেঁ খুব কেঁদেছে। অভিমান করে ওর বাবার কাছে চলে আসতে চেয়েছে।
তোমরা আজকালকের ছেলেমেয়েরা বড় বেশি যান্ত্রিক হয়েছ। বাবা মায়েদের কথা তেমন করে ভাবই না। কিসে তাদের কষ্ট কিসে আনন্দ একদম তা বুঝতে চাও না। শুধু নিজেদের নিয়েই ব্যস্ত থাক। আর এখন কি সব বাবা দিবস মা দিবস হয়েছে শুধু এই দিনে কিছু ইংরেজি বুলি আওড়িয়ে কিছু উইশ করে এবং গড়পড়তা কিছু কর্তব্য পালন করেই দায়িত্ব মুক্ত হতে চাও। তবুও মন্দের ভাল এসব দিবসে অন্তত মনে কর বাবা মাকে। একদিন তোমরাও বাবা মা হবে সেদিন বুঝবে সন্তানের কাছে বাবা মায়ের কত আশা আর প্রত্যাশা। আজ এ পর্য়ন্তই । ভাল থেক সবসময়।
ইতি
তোমার পরলোকগত বাবা...................................
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন নবনীতা_সেন (১৭-০৬-২০০৮ ২০:২১)
অফলাইন
নবনীতা দিদি আমি ভাষা হারিয়ে ফেলেছি কি বলব। আমি একটুও প্রস্তুত ছিলাম না এই চিঠির জন্য। আমি কখনও বুঝতেও পারিনি এ রকম কিছু ঘটতে পারে। দিদি আপনি এত ভাল কেন? এভাবে কেন লিখেন। আমার দুচোখ দিয়ে কেন অশ্রু ঝড়ালেন? আমি আপনার অন্য একটি টপিক পড়েছি যেখানে আপনি কিডনি বিক্রি করতে চেয়েছেন। প্লিজ প্লিজ দিদি (নাকি মা?) আপনি তা করবেন না। আপনার মত মানুষের আমাদের সমাজে খুব দরকার। আমি কি এই লেখাটি আমার ব্যক্তিগত ব্লগে রাখতে পারি? আর কিছু এই মুহুর্তে লিখতে পারছি না। পরে লিখব।
অফলাইন
হেহেহে...আর তাকাবি???দেখ...ক্যামনে ভেঙ্গাই ...হেহেহেতোমার বান্ধবী তরু না কি যেন নাম ওর বাবাও বলছিল আমার মেয়েটা বড় বোকা আর পাগলী। ঠিক যেন আমার মত স্বভাব। ওর মা নাকি গত কাল লিখালেখি নিয়ে অনেক কথা বলেছে। তাতে ওর মনটা খুব খারাপ হয়েছে। তার উপর আবার তোমার আরেক বন্ধু জুয়েল না বুঝে কি কমেন্ট করেছে তার জন্য ও ভিষন কষ্ট পেয়ে বালিশে মুখ গজেঁ খুব কেঁদেছে। অভিমান করে ওর বাবার কাছে চলে আসতে চেয়েছে।
কি মজা কি মজা 

এই গল্পেও আমি আছি
ধইন্যা পাতা নবু দিদি


লিখা টা খুব ভালো লাগলো
অফলাইন
নামাজ পড়তে মাত্র কয়েক মিনিট সময় লাগে। আপনি আজকের নামাজ পড়েছেন কি???এ সব এর অর্থ কি? আপনি কি বোঝাতে চাচ্ছেন?
আপনার পোষ্টগুলো আমার কাছে অদ্ভুদ লাগছে।
অফলাইন
মেহেদী আকরাম লিখেছেন:
এ সব এর অর্থ কি? আপনি কি বোঝাতে চাচ্ছেন?
আপনার পোষ্টগুলো আমার কাছে অদ্ভুদ লাগছে।
দেখুন মেহেদী ভাই উনি আপনাকে কিন্তু কিছু বলে নাই। উনাকে আপনার এরকম মন্তব্য করা মোটেই উচিত হয় নাই 

।এটা ফোরাম। এখানে যে কেউ তার মনের মত (নিয়মাবলীর বাইরে নয়) লিখতে পারে। উনি আমাকে উদ্দেশ্য করে একটি কাল্পনিক চিঠি লিখেছেন। আমার তো ভাল লেগেছে। আপনার এতে এত সমস্যা কেন?
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন সামিউল (১৭-০৬-২০০৮ ২১:০৩)
অফলাইন
C শিখতে হবে। সবার সাহায্যে লাগবে




কিছু বলবার কোন ভাষা নেই।
দয়া করে আপনার পরিচয় দিন - প্রজন্ম সদস্য তথ্য কনিকা
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন নীল আকাশ (১৭-০৬-২০০৮ ২১:১১)
অফলাইন
The Ultimate fun zone 

মেহেদি ভাইয়া, সবাইকে নিজের মত করে লিখার স্বাধীনতা দেওয়াটাই কি ভালো না
। নবনীতা আন্টি সামিউল ভাইকে নিজের ছেলের মত মনে করে তার কষ্ট কিছুটা হলেও কমানোর জন্য চেষ্টা করছে, এটাকে ভাল দৃষ্টিকোণ থেকেই দেখা উচিত। একটু চিন্তা করে দেখুন এই ছোট্ট চিঠিটা হয়ত আপনি বুঝতে পারছেননা কিন্তু এটাই হয়তো সামিউল ভাইকে একদিন অনেক বড় হওয়ার পেছনে প্রেরনা যোগাবে। নবনীতা আন্টির সবার মুখে হাসি ফোটাবার এই অন্তিম ইচ্ছা আরো সূদুরপ্রসারী হোক এই আশা করছি।
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন জুয়েল (১৭-০৬-২০০৮ ২১:১২)
অফলাইন
জুয়েল ভাইকে ধন্যবাদ। আসলে নবনীতা দিদি, আন্টি বা মা যাই বলি না কেন উনি আমাদের সবার বড়।
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন সামিউল (১৭-০৬-২০০৮ ২১:১৭)
অফলাইন
নামাজ পড়তে মাত্র কয়েক মিনিট সময় লাগে। আপনি আজকের নামাজ পড়েছেন কি???কাউকে ছোট করে আমি কিছু বলছি না।
@ সামিউল ভাই এবং জুয়েল ভাই
এখানে ফোরামের নিয়ম অনুযায়ী লেখার স্বাধীনতা সবারই আছে। সুতারাং উনি লিখেছেন উনার মত করে, আর আমি আমার মত করে। সবার সব লেখা অন্য সবারই পছন্দ হতে হবে বা ভাল লাগতে হবে বা ভাল বলতে হবে এমন শর্ত এই ফোরামে আছে বলে আমার জানা নেই।
তাছাড়া, কোন কিছু ভাল না লাগলে তা প্রকাশ করার স্বাধীনতাও অন্যের আছে বলে আমি মনে করি।
অফলাইন
মেহেদী আকরাম লিখেছেন:
এ সব এর অর্থ কি? আপনি কি বোঝাতে চাচ্ছেন?
আপনার পোষ্টগুলো আমার কাছে অদ্ভুদ লাগছে।
মেহেদী ভাই মানছি আপনি আপনার ইচ্ছামত লিখেছেন। কিন্তু প্রথম বাক্যটি কি আক্রমনাত্মক নয়? আপনি উক্ত বাক্যটি ছেড়ে নিচের বাক্যটি লিখলে কোন সমস্যা হত না।
অফলাইন
নামাজ পড়তে মাত্র কয়েক মিনিট সময় লাগে। আপনি আজকের নামাজ পড়েছেন কি???আচ্ছা উনার কিডনি বিক্রির কি হলো? এবি+ এখানে।
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মেহেদী আকরাম (১৭-০৬-২০০৮ ২১:৫৮)
অফলাইন
হেহেহে...আর তাকাবি???দেখ...ক্যামনে ভেঙ্গাই ...হেহেহেমেহেদী আকরাম লিখেছেন:
এ সব এর অর্থ কি? আপনি কি বোঝাতে চাচ্ছেন?
আপনার পোষ্টগুলো আমার কাছে অদ্ভুদ লাগছে।
অদ্ভুত
অফলাইন
প্রবাসীদের অনেক দুঃখবেদনা যা স্বদেশে থেকে কখনই অনুভব করা যায় না আর এই দুঃখবেদনা এবং একজন বাবা বা মায়ের অকৃত্রিম ভালবাসার কথা যেভাবে শিল্পীর মনের মাধুরী মিশিয়ে এখানে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে তা পড়ে আর কেউ শান্তি পাক বা না পাক আমার মতন বাঙ্গালী প্রবাসী যারা বাইরে আছেন এবং যাদের বন্ধুবান্ধব কম প্রবাসের মাটিতে তাদের চক্ষু ভিজে আসবেই; সেই সাথে আল্লাহর স্নরনের কথা বা মহান রব্বুল আলামিনকে ভুলে গিয়ে গাফেলীন দলের অন্তর্ভুক্ত যাতে আমরা না হই তার প্রচ্ছন্ন ইঙ্গিত রয়েছে; সত্যিই যেই মানবী দরদ দিয়ে এই লেখাটি লিখেছেন উনার ভেতরে একজন জননীর সন্তানের প্রতি অপরিসীম মমতার কথা হৃদয়ের গহীনে গিয়ে যাতে মিশে যায় তেমন লেখনী শক্তিরই পরিচয় মেলে; আমি উনাকে স্বশ্রদ্ধ ছালাম এবং শ্রদ্ধা জানাই।
অফলাইন
আমার মানি ব্যাগ হারানো গেছে। 


তোমার বন্ধু কাতারের বাবা বলছিল আমার ছেলেটা বড় বেশি অভিমানী আর আত্মকেন্দ্রীক। সেই মরূভুমির দেশে গিয়ে ছেলেটা কেমন মরুভুমির মতই হয়ে গেছে। ওর মা কত করে বলছে যে বাবা দেশে আয় কত দিন দেখিনি তোকে। ছেলের নাকি দেশে যাওয়ার সমই হয় না। ওর মা সেদিন খুব আফসোস করে বলছিল আমার ছেলেটা এই বরষার সময় খিচুড়ি আর ইলিশ ভাজা খেতে খুব পছন্দ করত।
আপনি যে কি করে বুঝেন, কি জানি আপনি হয়ত একজন মা, তাইতো বুঝেন মায়ের ব্যাকুলতা। আসেলই আমি মরু মত হয়ে গেছি
কারো আবেগ আর কাছে টানে না। ইলিশ পোলাও কত দিন ধরে খাই না। দেশে যেতে চা্ইলেও যেতে পারছিনা, কারণ আমি হলাম এই কাতারীদের টাকা বানানোর মেশিন। 
নবনীতা_সেন আপু আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এই লেখাটার জন্য। ![]()
অফলাইন
ছেলেটি কাঁদছিল আর বলছিল জীবনে বেঁচে থাকার কোন মানে সে খুঁজে পায় না; এভাবে মানি মেকিং মেশীন হয়ে সে আর এই যান্ত্রিক জীবনটাকে রাখতে চায় না; সে চায় স্বেচ্ছায় পরপারে চলে যেতে; তার ভেতরের দুঃখটা আমি বেশী করে টের পাই; কারণ আমি যখন প্রতি বছর ঘুরে না আসতেই দেশে চলে যেতাম বউয়ের কারণে প্রতিবার লক্ষ করতাম ও শুধু দাবার গুটি নিয়ে পুকুর ঘাটে বসে বসে সময় কাটাতে; এমন ভাবে বেকার হয়ে মনে হয় তার জীবনটা দুর্বিসহ ঠেকছিল সেই সময় একজন সহৃদ ব্যক্তি ওকে ভিসা দিয়ে সংযুক্ত আমিরাতে নিয়ে যায়; এখানে তার পারিবারিক জীবনের একটু আর্থিক ইঙ্গিত না দিলেই নয়; তারা বাবামা দুভাই দুবোন, কোন দিন খাওয়া মিলতো কোনদিন উপোস থাকতো, কিন্তু কখনই কারো কাছে হাত পাততে শেখেনি পরিবারটি; সেই পরিবারের এই বড় ছেলেটি যখন প্রবাসে পাড়ি জমাল আর মাসে মাসে ২০/৩০/৪০ হাজার করে দেশে পাঠানো শুরু করলো তখন তার মা হয়ে গেলেন উচ্চাকাঙ্খী এবং হাইফাই জীবনের অভিলাসী; মান্যগণ্যদেরকে দাওয়াত দিয়ে খাওয়ানো, বিয়েতে ভাল উপঢৌকন দিয়ে নামজশ কামানো এই হয়ে গেল উনার নেশা; এদিকে ছেলেটা যে আইবুড়ো হয়ে যাচ্ছে মায়ের সেদিকে কোন খেয়াল নেই; কখনও ভুল করেও নাকি মায়ের মুখ দিয়ে ছেলেটি শুনতে পেলো না এই কথাটি যে, বাবা দেশে আয় তোর মাকে একটু দর্শন দিয়ে যা। ছেলের এই দুঃখে জীবনের প্রতি বীতশ্রদ্ধ ভাব এমনই প্রকট আকারে দ্যাখা দিয়েছে যে আমি তাকে এত করে বোঝাই যে যিনি তোমারে বানিয়েছেন তাঁর কথা কি করে তুমি ভুলে যাও যিনি ৭০ জন মায়ের চেয়েও তাঁর বান্দাকে ভালবাসেন; তুমি তাঁর ঘরে (পবিত্র কাবায়) গিয়ে ঘুরে আসো আর মনটাকে শান্ত করার চেষ্টা করো, তো ছেলে তো কিছুই বুঝতে চায় না; তার ঐ একটাই কথা এ আমি কেমন মা পেলাম যার সন্তানের প্রতি এমন বেদরদী ভাব; যিনি বাস্তবতার কারণে যিনি সুন্দর ভাবে সংসার চলুক, অভাব যেন আর হানা না দ্যায় উনার পরিবারে এই কারণে বিয়ের উপযুক্ত ছেলেকে একটি বারও বলছেন না দেশে গিয়ে ঘুরে আসতে বা বিয়েশাদী করার কথা।
বাস্তবতাকে মেনে নিয়ে প্রবাসে এসে আমরা যান্ত্রিক হয়ে গেলেও আমাদের মন মরে যায়নি তা আমাদের লেখার মাঝেই ফুঁটে উঠে; তবে ঐসব মায়েরা সত্যিই বড়ই কঠিন হৃদয় নিয়ে জন্মেছেন যারা নিজেদের সন্তানের মনটা একটু পড়তে বা জানতে চান না রিয়াল বা ডলার বা পাউন্ডের জন্য।
অফলাইন
আইডিফোরামে স্বাগতম এমন অনন্য একটা লেখায় অদ্ভূত ধরনের কমেন্ট কি করে করতে পারে মানুষ 


নবনীতা_সেন আপু, শ্রদ্ধা আপনার প্রতি, আপনার আন্তরিকতার প্রতি, আপনার ভালোবাসা-আপনার স্নেহময় অনুভূতির প্রতি ।
ভালো থাকবেন সবসময়, এই কামনা করি....
অফলাইন
মেহেদী আকরাম লিখেছেন:
আচ্ছা উনার কিডনি বিক্রির কি হলো? এবি+ এখানে।
অফ.ট. মেহেদী ভাই এভাবে অফটপিক করা ঠিক না। 





অফলাইন
মুঠোফোনে সুডোকু খেলছিসামিউল লিখেছেন:
মেহেদী আকরাম লিখেছেন:
আচ্ছা উনার কিডনি বিক্রির কি হলো? এবি+ এখানে।
অফ.ট. মেহেদী ভাই এভাবে অফটপিক করা ঠিক না।
ওনার এই পোস্ট আমার কাছে খুবই ব্যাঙ্গাত্বক লাগছে।ওনার এজন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করা উচিৎ।
অফলাইন
আমার মানি ব্যাগ হারানো গেছে। 


মেহেদী আকরাম লিখেছেন:
আচ্ছা উনার কিডনি বিক্রির কি হলো? এবি+ এখানে।
কাউকে খুচানোটা কি ঠিক কাজ? আপনার কাছ থেকে এই রকম কমেন্ট আমরা কেউ আশা করিনি। কারো ফিলিসং নিয়ে তামাশা করাটা শোভনীয় নয়। আশা করি আপনার ভূলটা আপনি ধরতে পারেছেন।
ধন্যবাদ।
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন microqatar (১৮-০৬-২০০৮ ১৪:১০)
অফলাইন
নবনীতা দিদি, অসাধারণ লিখেছেন। ![]()
মেহেদী আকরাম লিখেছেন:
আচ্ছা উনার কিডনি বিক্রির কি হলো? এবি+ এখানে।
একটি সিরিয়াস বিষয় নিয়ে এমন মন্তব্য ভাল লাগল না।![]()
অফলাইন