আজ থেকে ২০ বছর আগে ইউরোর সাথে আমার পরিচয়। ইউরো-১৯৮৮ এর ফাইনালে হল্যান্ড আর CCCP(রাশিয়া) খেলায় বাস্তেন-এর(বর্তমানে হল্যান্ডের কোচ) করা গোলটি এখনও চোখে লেগে আছে। রাইট উইং(কর্ণার স্পট) থেকে ভলি করা একটা উদ্দেশ্যহীন বল গোলপস্টে ঢুকা সেই গোলটি আমার দেখা সেরা গোল। আর আজকে দিবাগত রাতে দেখলাম আমার জীবনের সেরা ম্যাচ - তুর্কি বনাম চেক প্রজাতন্ত্র।
৭৫ মিনিট পর্যন্ত ০-২ গোলে পিছিয়ে থাকা ম্যাচ-এ শেষ পর্যন্ত তুর্কিরা জিতল ৩-২ গোলে। তাদের জিতার অদম্য ইচ্ছাটা প্রকাশ পাচ্ছিল খেলার সেকেন্ড হাফ(তখন তুর্কিরা ০-১ গোলে পিছিয়ে) থেকেই, যে কারনে ঘুমাতে যাব যাব করেও টিভি বন্ধ করতে পারছিলাম না। অতিরিক্ত আক্রমনের কারনে কাউন্টার এটাকে আরেকটি গোল খাওয়ার পর যে কোন টিম খেলা ছেড়ে দিত। কিন্তু ৭৫ মিনিটে পেয়ে গেল তুর্কিরা তাদের প্রথম গোল। চেকদের গোলকিপার 'চেক'(ক্লাবঃচেলসি) কেবল ডান হাতের আঙ্গুলের ডগাটা কেবল ছোঁয়াতে পেরেছিল বলে। বাকি ২০ মিনিটে (ইনজুরি এক্সট্রা ৫ মিনিট) কেবল ইতিহাস।
৮৭ মিনিটে আর ৮৯ মিনিটে নিহাতের পর পর দুই গোল নিয়ে গেল তুর্কিদের অসম্ভব এক জয়ের সীমানায়। কিন্তু খেলার মজা আরো কিছু বাকী তখনও। ৯২ মিনিটে চেকদের একটি আক্রমণ নস্যাত করে দেয়ার পর তুর্কির গোল্কিপার দিল এক রাম ধাক্কা চেকদের বিশালদেহী স্ট্রাইকার কোলারকে। সাথে সাথে লাল কার্ড। এদিকে সম্ভবতঃ তুর্কিদের রিজার্ভ বেঞ্চে আর কোন গোলকিপার নেই। তুর্কিদের সেন্টার ব্যাক গ্লাভস্ পরে গোলকিপার সাজল! খেলা বাকী আরো ৩ মিনিট। চেকদের শেষ ৩ মিনিটের ভয়াল আক্রমন। আল্লাহ আল্লাহ করতে করতে অবশেষে খেলা শেষ হল। দেশপ্রেমে উদ্ভুদ্য তুর্কিদের খেলা দেখে চোখে পানি এসে গেল। বাংলাদেশের ছেলেরা কি কখনো খেলবে এরকম খেলা?
অফলাইন
ধইন্যাপাতা...
কারন আমি খেলা দেখি নাই, দেখুম ও না....
অফলাইন
মনোবিজ্ঞানে নোবেল প্রাইজ কখন যে দিবে!![]()
![]()
![]()
![]()
অফলাইন
যাচ্ছি...দূর থেকে দূরে...সবকিছু ঝাপসা!আজ থেকে ২০ বছর আগে ইউরোর সাথে আমার পরিচয়।
কোন ইউরোর কথা কইতাছেন, ইউরো কোলা আছে শুনছি
।
একটু মজা আরকি
।
যাই হোক আমাদের সোনার ছেলেরা ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেটে যা ফলাফল(
) দেখাচ্ছে, ফুটবল খেলার সুযোগ পাইলে না জানি কি কি দেখাইতো, আর আমরা দেইখা চোখ জুরাইতাম
।
অনলাইন
এই খেলা দেখে ঢাকা স্টেডিয়ামে অনেকদিন আগে দেখা মোহামেডান-মুক্তিযোদ্ধার খেলার কথা আমার মনে পড়ে গেল। মোহামেডান ০-২ গোলে পিছিয়ে থেকেও ৩-২ গোলে সেদিন জিতেছিল। অভাবনীয় ছিল সেই অনুভূতি। তুরস্কও ঠিক একই কাজ করে দেখিয়েছে।
বাংলাদেশের কথা বলছেন, দেখেন সাফ ফুটবলের থলের বিড়াল এখন বের হচ্ছে।
অফলাইন