যুদ্ধের কী দরকার!ইশতিয়াক লিখেছেন:
শামীম লিখেছেন:
ইশতিয়াক,
আমার বানান টপিকের কোন লিংক? ... http://forum.projanmo.com/t544.html এইটাতে কিছু পেলাম না।নিচের পোস্টে
শামীম লিখেছেন:
নিশ্বাস, নিঃশ্বাস ....দুটি বানানই সঠিক। তথ্যসূত্র:সামসাদ/একুশে অভিধান
কাজেই আমাদের স্পেলচেকার ভাই ঠিক আছেন।
এইবার পাইছি..
গতকাল বাংলা-ইংরেজি, ইংরেজি-বাংলা .... এইগুলোতে খুঁজেছিলাম .... সেখানে নাই।
এবার বাংলা-বাংলা দেখলাম: ওখানে সন্যাসী পেলাম। 
অফলাইন
হ্যাঁ, 'কি' নিয়ে আমার বেশ সমস্যা হয়, ইশতিয়াক। এটা ঠিক করার প্রচেষ্টা চলছে। অবশ্য, ছেলেপেলের পরীক্ষার খাতা দেখার সময় সমস্যা হয় না। তখন ঠিক মতই মার্কস কাটি 
কি ব্যবহৃত হয় অব্যয়ের মতো, অন্যদিকে কী ব্যবহৃত হয় বিশেষ্য বা সর্বনামের মতো।
অনলাইন
সন্যাস হবে না সন্ন্যাস সেটা নিয়ে বলছি না। সাধারণভাবে বলছি -
বইয়ের নামে ভুল থাকে না বা কবিতা গল্পে ভুল বানান লেখা থাকে না, কথাটা বোধ হয় ঠিক না। অনেক লেখক আছেন যারা নতুন বানান ইচ্ছে করে দিয়ে থাকেন। ঠিক কী কারণে এসব করেন, আমি জানি না। উদাহরণ হিসেবে যায় যায় দিনের ঋ-কার ব্যবহার প্রীতির কথা বলা যায়। যায় যায় দিনে র-ফলা + ই-কার/ঈ-কার বলতে কিছু নেই, সব ঋ-কার। অর্থাৎ ক্রিকেট নয় কৃকেট, সিগারেট নয় সিগ্রেট, ইত্যাদি। এসব কি অসহ্য নয়? সবাই যদি এরকম বানান আবিষ্কার করতে শুরু করেন, তাহলে তো অবস্থা গুরুতর হয়ে যাবে।
এছাড়াও আরও সমস্যা আছে। নীচের বাক্যটি দেখুন -
সাদা উটটি শাদা পাথরে পরিণত হয়েছে।
এখানে সাদা আর শাদা-র মধ্যে পার্থক্য কী?
অনলাইন
যুদ্ধের কী দরকার!শামীম লিখেছেন:
বানান রীতি বিষয়ক পোস্ট দরকার ... ... বেশ কিছু ব্যাকরণ বইতে বাংলা বানান রীতির উপরে ভাল আলোচনা আছে....
তাছাড়া ইদানিং উইকিপিডিয়াতে লিখতে গিয়ে ঘনঘন বানান বিভ্রাটের সম্মুখিন হচ্ছি.... বিশ্বকোষ ধরণের এই উইকিপিডিয়াতে বানান ভুল খুবই দৃষ্টিকটু ... তাই বানান বিষয়ে জ্ঞানবৃদ্ধি আমার জন্য জরুরী হয়ে পড়েছে।
শুধুমাত্র সঠিক বানান বলে দেয়াটাই সমাধান নয়, কেন বানানটা এরূপ হবে সেটাও ক্ষেত্রবিশেষে বলে দেয়া আবশ্যক .... যেমন... ন/ণ এর ব্যাপার (ণ-ত্ব বিধান), স/ষ এর ব্যাপার (ষ-ত্ব বিধান), ই-কার/ঈ-কার জনিত ভুল, উ-কার/ঊ-কার জনিত ভুল ... ... সাথে ব্যতিক্রমগুলো। ইতিপূর্বে একটা পোস্টে দেখেছিলাম যে মন/মণ এর ব্যাখ্যা ... ... ভাল লেগেছিল।
আশা করছি যারা জানেন ... এই বিষয়ে পোস্ট করে আমাদেরকে সমৃদ্ধ করবেন।
কোন একটা বানানের জন্য শব্দটার মূল উৎসটা সম্ভবত জরুরী। আর ব্যাকরণ হল, ভাষারীতিকে বৈজ্ঞানিক ভাবে উপস্থাপনা করা ..... ... যেখানে ভাষা নিজেই একটি চলমান/পরিবর্তনশীল জিনিস, সেখানে পুরাতন ব্যাকরণ অন্ধের মত আঁকড়ে ধরে থাকাটা কতটা যুক্তিযুক্ত সেটা আলোচ্য হতে পারে।
--------------------------------------------------------------
য় এর পূর্বে সবসময় দীর্ঘ-ঈ-কার বসে
যেমন:
জাতি বানানে ই-কার, কিন্তু জাতীয় বানানে ঈ-কার
দ্বিতীয়, অম্লীয়, ক্ষারীয়, জলীয়
১. স্বয়ংক্রিয় বানানটা ই-কার দিয়ে লেখা হয় কেন? কিংবা ক্রিয়া - বা এই সংক্রান্ত কথাগুলো কেন ই-কার দেয়া লেখা হয়?
২. য়-এর পূর্বে ঈ-কার বসার নিয়মটা খুব সম্ভবত আমার আম্মার শেখানো। এটার কোন রেফারেন্স আছে কি?
আপাতত একটা অনুমান করছি:
অপর কোন বস্তু/শব্দ হতে উৎপন্ন বা বৈশিষ্টযু্ক্ত বস্তু/শব্দের ক্ষেত্রে মূল শব্দের শেষে <ঈয়> যোগ করে করা হয় (জাত-->জাতীয়, ক্ষার-->ক্ষারীয়, জল-->জলীয়, ঈর্ষা-->ঈর্ষনীয়, মানব-->মানবীয় ... ইত্যাদি)। তাই য়-এর আগে ঈ-কার হয়। কিন্তু অন্য ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য না-ও হতে পারে।
অফলাইন
মু হা হাসারমর্ম একটা পোস্টে থাকলে ভালো হয়।
অফলাইন
যুদ্ধের কী দরকার!মানচুমাহারা লিখেছেন:
সারমর্ম একটা পোস্টে থাকলে ভালো হয়।
যে কোন সেমিনার/ফোরামে একটা সেশনের চেয়ারম্যান, সেই সেশন শেষে সবার বক্তব্য ও আলোচনার একটা সারমর্ম টানেন। অনেকসময়, একটা কমিটি থাকে সারমর্ম/রিপোর্ট লেখার জন্য। তবে আফসোসের ব্যাপার হল, এই ফোরামটা সেরকম নয় .... 
অফলাইন
স্বপ্নচারী লিখেছেন:
হ্যাঁ, 'কি' নিয়ে আমার বেশ সমস্যা হয়, ইশতিয়াক। এটা ঠিক করার প্রচেষ্টা চলছে। অবশ্য, ছেলেপেলের পরীক্ষার খাতা দেখার সময় সমস্যা হয় না। তখন ঠিক মতই মার্কস কাটি
কি ব্যবহৃত হয় অব্যয়ের মতো, অন্যদিকে কী ব্যবহৃত হয় বিশেষ্য বা সর্বনামের মতো।
একটি উদাহরণ দিতে পারেন কি? উদাহরণ দিলে বুঝতে সুবিধা হতো।
অফলাইন
ইশতিয়াক লিখেছেন:
স্বপ্নচারী লিখেছেন:
হ্যাঁ, 'কি' নিয়ে আমার বেশ সমস্যা হয়, ইশতিয়াক। এটা ঠিক করার প্রচেষ্টা চলছে। অবশ্য, ছেলেপেলের পরীক্ষার খাতা দেখার সময় সমস্যা হয় না। তখন ঠিক মতই মার্কস কাটি
কি ব্যবহৃত হয় অব্যয়ের মতো, অন্যদিকে কী ব্যবহৃত হয় বিশেষ্য বা সর্বনামের মতো।একটি উদাহরণ দিতে পারেন কি? উদাহরণ দিলে বুঝতে সুবিধা হতো।
কেন, আপনার উদাহরণ থেকে বোঝা যায় না? আপনি যে উদাহরণ দিয়েছেন, সেটাই ঠিক। ঠিক আছে, এবারে সরাসরি সংসদ অভিধান থেকে উদাহরণ দেই -
কি [ ki ] অব্য. 1 সংশয়াত্মক প্রশ্নসূচক শব্দ (সেও কি আসবে? তুমি কি সেখানে যাবে?); 2 কিংবা, অথবা (কি বালক কি বৃদ্ধ)। [সং. কিম্]।
তবে কী ব্যবহারে আরও একটু প্যাঁচ আছে। এটা বিশেষণ বা অব্যয় হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। আবারও সংসদ থেকে -
কী [ kī ] সর্ব. কোন্ বস্তু; কোন্ ধরনের জিনিস বা ব্যাপার (কী চাই? কী খাচ্ছ? কী যে বল)। ☐ বিণ. কেমন, কীরূপ (কী খেলা, কী কথা)। ☐ (বিস্ময়সূচক) অব্য. খুব, অতিশয় (কী আশ্চর্য!)। [বাং. কী < সং. কিম্]। ̃ জন্য অব্য. কেন (কীজন্য কাঁদছ?)। ̃ রকম অব্য. বিণ. কেমন, কী ধরনের (কীরকম আছ? কীরকম লোক তিনি?)।
অনলাইন
তুমি এখন কী খাবে?
তুমি এখন ভাত খাবো।
আমরা এখন কী খেলবো?
আমরা এখন ফুটবল খেলবো।
তুমি কি এখন খাবে?
- _______________ ।
আমরা কি এখন খেলবো?
- _____________ ।
বিঃ দ্রঃ 'হ্যাঁ', 'না' কি অব্যয় পদ?
অফলাইন
ইশতিয়াক লিখেছেন:
তুমি এখন কী খাবে?
তুমি এখন ভাত খাবো।
আমরা এখন কী খেলবো?
আমরা এখন ফুটবল খেলবো।
তুমি কি এখন খাবে?
- _______________ ।
আমরা কি এখন খেলবো?
- _____________ ।
বিঃ দ্রঃ 'হ্যাঁ', 'না' কি অব্যয় পদ?
হ্যাঁ, এরা অব্যয় পদ।
হাঁ, হ্যাঁ [ hā, m̐hyā ] অব্য. সম্মতি স্বীকৃতি প্রভৃতি সূচক সাড়া; সত্যতা অর্থাৎ নেতির বিপরীত জবাবসূচক; সম্বোধন বা অনুনয়সূচক (হ্যাঁ হে, হাঁগা)।
না [ nā ] অব্য. বি. বৈপরীত্য বা নিষেধসূচক (যাব না, ' যেওনা যেওনা ফিরে': রবীন্দ্র); 2 আপত্তি বা অমতসূচক (তার সবকিছুতেই না); 3 অনুরোধ বা আদেশসূচক ('আমায় থাকতে দে না': রবীন্দ্র; চিঠিটা পড়েই দেখ না); 4 সংশয়, সন্দেহ বা অনিশ্চয়তাসূচক (রোদ উঠবে না?); 5 আধিক্যসূচক (সেখানে কত-না মজা); 6 প্রশ্নসূচক বা বিস্ময়সূচক (বেড়াতে যাবে না? সে কি আজও যাবে না?); 7 অভাবসূচক (আমার না আছে টাকা না আছে জমি); 8 অথবা, কিংবা (কিছুই নেই, না অন্ন না বস্ত্র); 9 বিনা, ব্যতীত (না বুঝে কাজ কোরো না); 1 স্বকথিত প্রশ্ন ও উত্তরের সংযোগবাচক (অর্থ কী? না অনর্থের মূল); 11 ছড়ায় বা গানে স্বার্থে (একই অর্থে) প্রযুক্ত ('কোন না কোন কাম করে') [সং. ন]। ̃ বাচক, ̃ ধর্মী বিণ. না বোঝায় এমন, negative.
অনলাইন
যুদ্ধের কী দরকার!আজকে একটা বানান নিয়ে বিভ্রান্তি দুর হল:
বেশি
অধিক বুঝাতে বেশি লেখা হয়। বানানটা ই-কার দিয়ে। আমি নিজেও অনেক সময় ঈ-কার দিয়ে লিখেছি ... যেগুলো ভুল ছিলো।
ঈ-কার দিয়ে লিখলে: বেশী -- এটা মূলত: রূপ/বেশ ধরা যেমন ছদ্মবেশী ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়। যদিও অনেক স্বনামধন্য ওয়েবসাইটেও অধিক অর্থে বেশী লেখা দেখলাম
।
নাকি দুটো বানানই সঠিক? কেউ কি ব্যাখ্যা দিবেন?
অফলাইন
ই-কার ব্যবহারই শুদ্ধ। কিন্তু অধিক ব্যবহারে ঈ-কার ব্যবহারও এখন প্রচলিত। তবে অবশ্যই ই-কার ব্যবহার করা উচিত। আমারও এটা নিয়ে প্রচুর ভুল হয়।
বেশ ধরাটাই বেশী। স্ত্রীলিঙ্গে কিন্তু এটা আবার বেশিনী 
অনলাইন
কম বুঝাতে বেশি আর বেশি বুঝাতে বেশী, কেমন?
অফলাইন
প্রকৃতিপ্রেমিক লিখেছেন:
কম বুঝাতে বেশি আর বেশি বুঝাতে বেশী, কেমন?


অফলাইন
যুদ্ধের কী দরকার!দায়িত্ব - বানানটা আমরা একটু আবেগ সহকারে প্রায়ই ভুল করে দ্বায়িত্ব লিখি। ... প্রথম দ-এর সাথে ব-ফলা হবে না।
তবে, দায়ী বানানে ঈ-কার হবে 
------------------------
দায়িত্ব (p. 0495) [ dāẏitba ] n responsibility; liability; charge or risk (নিজের দায়িত্বে at one's own risk). ̃জ্ঞান n. sense of responsibility. ̃জ্ঞানহীন a. devoid of a sense of re sponsibility. ̃পরায়ণ, ̃পূর্ণ, ̃শীল a. re sponsible; liable for carrying out a duty. ̃হীন a. without any responsibil ity, having no responsibility.
দায়ী (p. 0495) [ dāẏī ] a responsible; liable; (used as a sfx.) giving. দায়িনী a. fem. (used as a sfx.) giving.
------------------------
উৎসঃ সামসাদ অভিধান
অফলাইন
যুদ্ধের কী দরকার!এই ব্লগটাকে বেশ সমৃদ্ধ মনে হল।
বাংলা ভাষা
অফলাইন
বেশ ভালো জিনিষ! ![]()
![]()


অনলাইন
পড়ছি রহস্যপত্রিকাকি এবং কী বিষয়ে দেখি অনেকেরই সংশয় আছে। অব্যয় আর সর্বনামের কচকচিতে না গিয়ে ব্যাপারটা এভাবে মনে রাখার চেষ্টা করলে আরো সুবিধা হয় - যে সব প্রশ্নের উত্তর শুধু হ্যাঁ অথবা না দিয়ে দেওয়া যায়, সে সব প্রশ্নে কি বসে। আর যে সব প্রশ্নের উত্তর শুধু হ্যাঁ অথবা না দিয়ে দেওয়া যায় না, সে সব প্রশ্নে কী বসে।
কিন্তু সমস্যা হল, আমার স্মৃতিশক্তি এতই দুর্বল যে, এই সহজ নিয়মটাও আমার মনে থাকে না। তাই আমি এটা মনে রাখার জন্য একটা মজার সম্পর্ক আবিষ্কার (!) করেছি। সেটা হল, যদি প্রশ্নের উত্তর হ্রস্ব বা সংক্ষিপ্ত (হ্যাঁ অথবা না দিয়ে) হয়, তবে কি বানান হ্রস্ব-ই কার হবে। অপরদিকে প্রশ্নের উত্তর যদি দীর্ঘ (বাক্য বা বাক্যাংশ) হয়, তবে কী বানান দীর্ঘ-ঈ কার হবে। 
যারা আমার মতো 64 মেবাগাইট মেমরি বিশিষ্ট মানুষ, তারাও এই পদ্ধতিতে মনে রাখার চেষ্টা করে দেখতে পারেন। 
অফলাইন
শামীম ভাইয়ের এই থ্রেড আবার সক্রিয় করলাম। ইদানিং অনেকেই নানান বিষয়ে লিখছে কিন্তু বানানের প্রতি নজর একটু কম। সরাসরি নির্দিস্ট পোস্টে লিখলে অনেকেই মাইন্ড খান কিনা তাই একটু ঘুর পথে। আশা করব এখানকার পোস্টগুলো দেখে প্রত্যেকে তার নিজ নিজ লেখাতে ভুল বানানগুলো সংশোধন করবেন। আমার জানামতে ভুল বানানগুলো ও সঠিক বানানগুলো এখানে দেয়ার চেস্টা করব । আমি ভাই বাংলা ভাষার লেখাপড়ার সাথে কোনভাবেই জড়িত নই, তাই আমারো ভুল হতে পারে, সেক্ষেত্রে সঠিক বানানটা অন্য সদস্যরা সংশোধন করবেন এই প্রত্যাশায়।
শুরু করলাম এটা দিয়ে-
শূন্য (ভুল) = শূণ্য (''ন" এর পরিবর্তে "ণ" হবে)
কৈশর = কৈশোর
শাষন = শাসন
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন তপু (০১-০৮-২০০৮ ১৪:৪১)
অফলাইন
হারিয়ে গিয়েছি এই তো জরুরী খবর...তপু লিখেছেন:
শামীম ভাইয়ের এই থ্রেড আবার সক্রিয় করলাম। ইদানিং অনেকেই নানান বিষয়ে লিখছে কিন্তু বানানের প্রতি নজর একটু কম। সরাসরি নির্দিস্ট পোস্টে লিখলে অনেকেই মাইন্ড খান কিনা তাই একটু ঘুর পথে। আশা করব এখানকার পোস্টগুলো দেখে প্রত্যেকে তার নিজ নিজ লেখাতে ভুল বানানগুলো সংশোধন করবেন। আমার জানামতে ভুল বানানগুলো ও সঠিক বানানগুলো এখানে দেয়ার চেস্টা করব । আমি ভাই বাংলা ভাষার লেখাপড়ার সাথে কোনভাবেই জড়িত নই, তাই আমারো ভুল হতে পারে, সেক্ষেত্রে সঠিক বানানটা অন্য সদস্যরা সংশোধন করবেন এই প্রত্যাশায়।
শুরু করলাম এটা দিয়ে-
শূন্য (ভুল) = শূণ্য (''ন" এর পরিবর্তে "ণ" হবে)
কৈশর = কৈশোর
শাষন = শাসন
কথাটা বলার জন্য ধন্যবাদ। তবে কারও পোষ্টে যদি বানান ভুল থাকে তাহলে ঐ পোষ্টের নিচেই অফটপিক হিসেবে দেয়া যেতে পারে। কারন অনেকে(আমিও
) হয়ত বুঝতেই পারবেন না যে তিনি বানান ভুল করছেন।
অফলাইন