কদিন ধরেই বুশের মনে হচ্ছিল, তার ব্রেইনটা কেন যেন ঠিক কাজ করছে না। কিন্তু মান-সম্মানের ব্যাপার বলে কথা! তাই আশেপাশের কাউকে কিছু না জানিয়ে একদিন চুপিচুপি তিনি চলে এলেন সম্প্রতি তার সাথে বন্ধুত্ব স্থাপনকারী দেশ লিবিয়ার সিরত শহরের ইবনে সীনা হসপিটালের চীফ ব্রেইন স্পেশালিস্ট ডঃ আব্দুল কাদিরের কাছে।
আব্দুল কাদির দীর্ঘক্ষণ ধরে বুশের ব্রেইন পরীক্ষা করে শেষমেষ একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললেন,
মিঃ বুশ, আপনার সমস্যাটা আসলে লেফট-রাইট সমস্যা।
মানে? অবাক হয়ে জানতে চাইলেন বুশ।
মানে, আপনার ব্রেইনটা আসলে লেফট সাইড এবং রাইট সাইড - এই দুই ভাগে বিভক্ত।
বুশ এবার অত্যন্ত বিরক্ত হয়ে বললেন,
কিন্তু তাতে কি? আমি যতদূর জানি, পৃথিবীর সব মানুষের ব্রেইনই তো দুই ভাগে বিভক্ত।
হ্যাঁ, সেটা তো আমিও জানি। সেটা কোন সমস্যা নয়। সমস্যাটা হচ্ছে, আপনার ব্রেইনের লেফট (বাম) সাইডে কোন কিছুই রাইট (সঠিক) নেই। অপরদিকে, আপনার ব্রেইনের রাইট (ডান) সাইডে কোন কিছুই লেফট (অবশিষ্ট) নেই!
বিঃদ্রঃ এই কৌতুকটা ফোরামের একেবারে যাত্রা শুরুর দিকে পোস্ট করেছিলাম। কিন্তু ভুলক্রমে বিজয়ে লেখা কপিটা পোস্ট করায় অনেকেই সেটা পড়তে পারেন নি। তাই আবার ...
অফলাইন
আপনার ব্রেইনের লেফট (বাম) সাইডে কোন কিছুই রাইট (সঠিক) নেই। অপরদিকে, আপনার ব্রেইনের রাইট (ডান) সাইডে কোন কিছুই লেফট (অবশিষ্ট) নেই!



হোহো হিহি খিক খিক...দারুন মজা পাইলাম। তবে ঘটনা সত্যও হইতে পারে...
।
অফলাইন
ফিন্যান্স ব্লগ মজা পেয়েছি



অফলাইন
মুঠোফোনে সুডোকু খেলছিঅফলাইন
অফলাইন
নামাজ পড়তে মাত্র কয়েক মিনিট সময় লাগে। আপনি আজকের নামাজ পড়েছেন কি???দারুন হয়েছে।
অফলাইন





অফলাইন
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাইঅফলাইন
হেহেহে...আর তাকাবি???দেখ...ক্যামনে ভেঙ্গাই ...হেহেহে


অফলাইন
এই জোকটা আমার নিজের কাছে এতই ভালো লেগেছিল যে আমি এটাকে কবিতায় রূপ দিয়েছিলাম।
কবিতাটা এরকম -
কহিল বুশ, শুন গো মিস লারা,
মাথাটা মোর করিতেছে না কর্ম।
মাথার কথা ভেবেই আমি সারা,
ফেলিয়া মোর সকল দ্বীন-ধর্ম।
কেন যে মোর হতেছে মনে আজ,
মাথাটা মোর হয়েছে পুরো নষ্ট।
নহিলে কেন ফেলিয়া সব কাজ,
তেলের লাগি করিব এত কষ্ট!
ভাবিয়া তুমি বাহির কর গতি,
মাথাতে মোর না যেন হয় ক্ষতি।
বুশের কথা শুনিয়া লারা কহে,
রাখিব কোথা এত যে মোর দুঃখ!
ব্যাপার খানা সোজাতো দেখি নহে,
ভাবিতে হবে ভাবনা বড় সূক্ষ্ম।
এমন ভাবে এগোতে হবে, যেন
না পারে কেহ করিতে কোন সন্ধ।
যদি বা কেহ ভাবেই কিছু হেন,
করিতে হবে তাহার মুখ বন্ধ।
নহিলে সবে বুঝিবে সব ঠিক,
পাগল ভেবে তোমাকে দেবে ধিক।
ভাবিয়া বহু ডাকিল শেষে লারা
গোপন সভা করিতে পরামর্শ।
সভার যারা গুণীন ছিল, তারা
ভাবিয়া পার করিয়া দিল বর্ষ।
বিফল হয়ে কহিল লারা শেষে,
এদের দিয়ে হবে না কোন কর্ম।
সময় শুধু চলিয়া যাবে ভেসে,
মাথার তব যাবে না জানা মর্ম।
কেন যে তবে রয়েছে এরা বসে,
দাওনা চড় এদের গালে কষে!
লারার কথা শুনিয়া অপমানে,
সভার হল সবার বাকরুদ্ধ।
লাজেতে কেহ চাহে না কারো পানে,
নীরব হয়ে রহিল সভাশুদ্ধ।
উঠিয়া শেষে কহিল জন ডিক,
হতেছি আমি মগজ বিশেষজ্ঞ।
বুশের মাথা করিব আমি ঠিক,
তোমরা শুধু করিতে থাক যজ্ঞ।
এখন তবে বুশকে দাও ডাক,
মাথাটা তার পরখ করা যাক।
বুশের মাথা দেখিয়া ডিক কহে,
মাথার তব অসুখ বড় শক্ত।
ভেতরে এর কিছুই ঠিক নহে,
ঘিলুটা তব দুইটি ভাগে ভক্ত।
রাইটে এর কিছুই নাহি ঠিক,
তেলের থটে হয়েছে সব পিষ্ট।
লেফটে সব করেছে পুরো লিক,
সেখানে কিছু নাহিকো অবশিষ্ট।
মাথাটা যদি করিতে চাহ ভালো,
তেলের লোভ সেখান থেকে ঢালো।
একটু বড় হয়ে গেল কি? 
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন toha_mh (০৮-০৬-২০০৮ ০৫:১৪)
অফলাইন
বাংলা ইসলামী ডিসকাশন ফোরাম সুপার একটা পোষ্ট পেলাম । দারুন দারুন এবং দারুন ...
কবিতাটা যে কতখানি দুর্দান্ত হইছে ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব না ...![]()
অফলাইন
মুঠোফোনে সুডোকু খেলছিঅফলাইন
দূর্দান্ত কাব্য-রূপ দিয়েছেন তোহা ভাই।
বুশের মস্তিষ্ক(!!) নিয়ে এতো ভালো কবিতা আর পড়ি নাই।
অফলাইন
ফিন্যান্স ব্লগ দারুন কবিতা![]()
![]()
![]()
অফলাইন


সুপার সুপার 


অফলাইন
এক পা কবরে আরেক পা কলার খোসায় 
Sঅফলাইন
দশ জোড়া অন্তর্মিলযুক্ত যুক্তাক্ষর বিশিষ্ট কবিতাটা লিখতে গিয়ে আমার নিজের মাথাটাই লেফট রাইট হয়ে গেছিল।
এখন মনে হচ্ছে কষ্টটা কিছুটা সার্থক হয়েছে।
অফলাইন
পুরানা? বলেন কি? এই কবিতা কি আগেও অন্য কেউ লিখেছিল নাকি?
অফলাইন
মুঠোফোনে সুডোকু খেলছিপ্রকৃতিপ্রেমিক লিখেছেন:
পুরানা তবুও চরম।
ওল্ড ইজ গোল্ড।
অফলাইন