অলস সময়ের পাড়েক্যাসিনি-হাইগেন্স মিশনে প্রেরিত ক্যাসিনি মহাকাশ যানটি শনি গ্রহের উপগ্রহ টাইটানকে অতিক্রম করার সময় টাইটানে একটি তরল পদার্থের সমুদ্র আবিষ্কার করে। তবে তরল পদার্থটি পানি নয় কারন তাহলে -১৮০ ডিগ্রি সে. তাপমাত্রায় জমাট বেধে বরফ হয়ে থাকত। ধারনা করা হচ্ছে সমুদ্রটি হাইড্রোকার্বনের। সাগরটি প্রায় ১,১০০ কি.মি. লম্বা যা রাশিয়ার কাম্পিয়ান সাগর থেকে কিছুটা ছোট। 
টাইটান এটি আবিষ্কারের আগে ২২শে ফেব্রুয়ারী আরেকটি হ্রদের সন্ধান পায় যেখানে প্রায় হাওয়াই দ্বীপের মত একটি ভূখন্ডের সন্ধান পাওয়া গেছে। এবং হ্রদটির আয়তন প্রায় ৩৯,০০০ ব.মাইল যা পৃথিবীর সুপিরিয়র হ্রদ থেকেও বড়।

অফলাইন
বাহ! বাহ! হাইড্রোকার্বনের সমুদ্র। কি কি আছে হাইড্রোকার্বনের মধ্যে, তা জানা গেছে কি? পৃথিবীর তাহলে শনি গ্রহের উপগ্রহ টাইটান হতে ডিজেল, পেট্রোল আমদানী শুরু করতে দেরী নাই। ইদানীং জ্বালানী তেলের দাম যে হারে বাড়ছে!!!!!!
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন তপু (২৩-০৫-২০০৮ ১২:১৬)
অফলাইন
টাইটানের হ্রদ পৃথিবীর হ্রদের চেয়ে বড় হওয়াই স্বাভাবিক। টাইটানতো মনে হয় পৃথিবীর চেয়ে বেশ বড়।
ঠিক জানিনা যদিও।
অসীম শক্তির আধার সুর্য।
সেখান থেকে যদি কোনভাবে জ্বালানী ইম্পোর্ট করা যায় তবে পৃথিবীর চীরকালের জন্য জ্বালানীর সংস্থান হয়ে যাবে।
অনলাইন
আর ভাল লাগে না!শিপলু লিখেছেন:
অসীম শক্তির আধার সুর্য।

যতটুকু জানি সূর্যের শক্তি অসীম নয়। তবে ব্যাপকতা অর্থে বোঝাতে চাইলে ঠিক আছে
।
; যদি ব্যাংক একাউন্ট লোপাট হয়ে যায়
!অফলাইন
তপু লিখেছেন:
বাহ! বাহ! হাইড্রোকার্বনের সমুদ্র। কি কি আছে হাইড্রোকার্বনের মধ্যে, তা জানা গেছে কি? পৃথিবীর তাহলে শনি গ্রহের উপগ্রহ টাইটান হতে ডিজেল, পেট্রোল আমদানী শুরু করতে দেরী নাই। ইদানীং জ্বালানী তেলের দাম যে হারে বাড়ছে!!!!!!
ঠিক বলেছেন। ভবিষ্যতে হয়তো এমনটাই হবে।
অফলাইন
হারিয়ে গিয়েছি এই তো জরুরী খবর...শিপলু লিখেছেন:
অসীম শক্তির আধার সুর্য।
সেখান থেকে যদি কোনভাবে জ্বালানী ইম্পোর্ট করা যায় তবে পৃথিবীর চীরকালের জন্য জ্বালানীর সংস্থান হয়ে যাবে।
ভালই বলেছেন। তাহলে অন্তত আমেরিকার লোভাতুর দৃষ্টি থেকে অনেক দেশ রক্ষা পেত।
অফলাইন
আমার মানি ব্যাগ হারানো গেছে। 


এটা আমেরিকা পারলে তো ,আগেই তা করতো এবং পুরো পথিবী বাসী বলতো এবার আমার গোলামী না করে যাবে কোথায়। তেলের জন্য যা করতাছে, আর সূর্য মামাকে বাগাতে পারলেতো কথাই নাই।
স্বপ্নবাজ লিখেছেন:
শিপলু লিখেছেন:
অসীম শক্তির আধার সুর্য।
সেখান থেকে যদি কোনভাবে জ্বালানী ইম্পোর্ট করা যায় তবে পৃথিবীর চীরকালের জন্য জ্বালানীর সংস্থান হয়ে যাবে।ভালই বলেছেন। তাহলে অন্তত আমেরিকার লোভাতুর দৃষ্টি থেকে অনেক দেশ রক্ষা পেত।
অফলাইন
দারুন পোস্ট। 


অফলাইন