হেহেহে...আর তাকাবি???দেখ...ক্যামনে ভেঙ্গাই ...হেহেহেআম্মু : এই উঠ...ক্লাসে যাবি না? আজকে ও বাস মিস করবি কিন্তু!
আমি: হু...

তারপর আমি চোখ পিটপিট করে ঘড়ি দেখি...
১০ মিনিট পর...
আম্মু : এই...উঠঠঠঠ...একটু পর তো ঠিক ই বলবি টাইম মতো উঠাও নাই কেন??
আমি: মনে মনে " হেহে...তা তো বলবো ই...দোষ তো একজনের ঘাড়েই ফেলা যায় !
""
খাওয়ার টেবিল এ--
আম্মু : পুরাটা রুটি খাইতে হবে কিন্তু
আমি: ওকে।
আম্মু : ওকে তো বলো...খাও তো না একদিন ও
আমি:হেহে
আম্মু একটু রান্না ঘরে গেলে ই আমি প্লেট টা জগ এর পিছনে লুকায় রেখে ---
আমি:টাকা দাও...তাড়াতাড়ি...
দেরি হয়ে যাচ্ছে তো
আম্মু ব্যাগ থেকে টাকা বের করতে করতে---
আম্মু : " কই দেখি প্লেট টা?
"
আমি:"আগে টাকা দাও।"
টাকা হাতে নিয়ে ই আমি দৌড়...
আর আম্মুর চিৎকার " রোজ রোজ খাবার নষ্ট করে...এতো বড় মেয়ে হইসে...তোর বয়সী মেয়েদের বাচ্চা হয়ে ঘর-সংসার করতেসে না??
আর অনেক...যা আমার কানে পৌঁছায় না
:-
সারা দিন ক্লাস শেষ করে ক্লান্ত হয়ে ঘরে এলে ...
আম্মু : যা...হাত মুখ ধো...কিছু খা...ভাত দেই?
আমি আরামসে বিছানায় কাত
...কে শুনে কার কথা...
হাত মুখ ধোয়ার তো প্রশ্ন ই আসে না
...
অনেকক্ষণ বকাবকির পর---
আমি: ভাত খাব না
খালি ভাত ভাত করে...
অসহ্য!ফ্রেঞ্চ ফ্রাই খাবো।
আম্মু : আগে ভাত খা...তারপর ফ্রেঞ্চ ফ্রাই...
আমি:নাহ...
আগে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই...তারপর ভাত
তারপর কোন দিন আমি জিতি...
কোন দিন আম্মু
তারপর নেট এ ঘুটঘাট...আর তারপর আম্মু আবার "ভাত ভাত" মিছিল করা শুরু করে রাত ১০ টা না বাজতেই
"
আম্মু : "তন্বি...খেয়ে যাও" 
আমি:আসছি তো...ও.........
আম্মু : ঠান্ডা হয়ে গেল তো...
আমি:এই যে...আসতেসি...

আম্মু : আমি আর কতক্ষন বসে থাকবো?সবাই খেয়ে ফেলছে

আমি:আরে এই যে...
এরপর আমার রুম এ এসে সে কি ঝাড়ি






আম্মু : খাওয়া দাওয়া করবে না...সারা দিন কম্পিউটার ( পুরা মিথ্যা কথা
) নিয়ে পড়ে থাকবে...আর ভাত ঠান্ডা হয়ে গেলে খাইতে আসবি:-...আর কত জ্বালাবি...শ্বশুরবাড়ি গেলে তো সব নিজে নিজে করবি...এখন খালি বাপের বাড়ি তেই সবাই রাণির মতো পায়ের উপর পা তুলে.........বাকি গুলা আর আমার মনে নাই...
এই হচ্ছেন আমার আম্মু ...আমার লক্ষী কিউট আম্মু।
আম্মু আসলে বুঝে ই না আমি তাঁকে কতটা ভালোবাসি...
রাগ উঠে গেলে একটূ চিৎকার করি আর কি..
.নাইলে আমি তো খুবি ভাল মেয়ে...
হেহেহে
মা দিবসে আম্মু কে একটা বই গিফট করলাম...খুলে ও দেখে নাই
তাই ঝাড়ি দিসি রাতে...তখন দৌড় দিসে বইটা খুঁজতে...মাঝপথে আবার মনে হয় ভুলে গেসে
এর আগে এক দিন চিকেন এনেছিলাম...খায় নাই......ভুলে গেছে...

ওই দিন মিষ্টি পান আনলাম...তাও খায় নাই
ভুলে গেছে।
আপু শাড়ি আনলো...সেইটা তো ঠিকি দেখলো

যাই হোক...আম্মু যখন আব্বুর কথা ভেবে কান্না কাটি করেন...আমার কষ্টে বুকটা ছিঁড়ে যায়...আম্মু কাঁদলেই আমি প্রমিস করি...আর কোন দিন আম্মুকে কষ্ট দিব না... কিন্তু আমি এতো শয়তান একটা মেয়ে
যাই হোক...মা দিবসে...সকল মা কে ভালোবাসা...আর আমার মা কে একটু বেশী ভালবাসা...
অফলাইন
age janle Tor vanga noukai chortam naহুমম!!
অফলাইন
তাদের আমি পিট্টি দিবআমার আম্মুর সাথে এই খেলাগুলাকেই সবচে মিস করি! অনেক সুন্দর লিখেছিস তারু! আজকাল জানি কি হয়েছে, একটু একটুতেই চোখে পানি চলে আসে! অনেক সস্তা হয়ে গেছে তো ওগুলো!
কিছু বলার নেই! রাক্ষসী থেকে দেখি মেয়ে হয়ে যাচ্ছিস! প্রিয়তে রাখলাম এই অদ্ভুত স্পর্শ করা গল্পটাকে! আর রেটিং অবশ্যই ৫ তারা! রেপু কয়েকটা বেশি দিতে পারলে তাই দিতাম!


অফলাইন
খুব সুন্দর লিখেছেন রূপসী আপু। আপনার লেখা পরে আমার নিজের মায়ের কথা মনে পরে গেল। 



। আপনার মত আমিও একই কাজ করতাম। কিন্তু এখন বুঝতেছি। এখন সব কাজ, রান্না বান্না করতে হয়। আর জীবনে আমি আমার কাপড় কখনো ধুয়েছি বলে মনে হয় না। আর এখন। ধন্যবাদ আপনাকে এরকম একটি লেখা দেয়ার জন্য। আসলে মা যে কি তা কাছে থাকলে টের পাওয়া যায় না। দূরে সরে যান তখন দেখবেন।
অফলাইন
The Ultimate fun zone 

মেয়ে রাক্ষসীর জন্য একটা বুদ্ধি দেই: আপনার আম্মুকে এখানে ফোরামে আমনত্রন জানান, উনি এসে লেখাগুলা পরলেই বুঝতে পারবে আপনি আম্মুকে কত ভালবাসেন
।
অফলাইন
কেন যে এমন করে লিখতে পারি না
অফলাইন
আমার ছুটি প্রয়োজন, রুটিন বাধা জীবন ভালো লাগছে না। ভাষা হারিয়ে ফেলেছি! মেয়ে হিসাবে তারানা ভালোই লেখে। বোনাস একটা + ,খাওয়ার জন্য দিলাম।
অফলাইন
হেহেহে...আর তাকাবি???দেখ...ক্যামনে ভেঙ্গাই ...হেহেহে@মুনপু -
এতো ভালো লাগসে? আমি তো আসলে তেমন কিছুই লিখি নাই
...তুমি এতো অল্পতেই কাঁদো?
@আমানাত ভাই -ধন্যবাদ!
@সামিউল ভাই - ধন্যবাদ! আমি অবশ্য আরো অনেক বিরক্ত করি
সব কি আর বলব নাকি?
) হহেহেহে
@জুয়েল ভাই - আপনার পরামর্শ টা আমার মাথায় ও আসছিল।কিন্তু লজ্জা লাগে

@তপু ভাই- কারন আপনি আমার চাইতেও ভালো লিখতে পারেন
তাই...
@কাতার ভাই -ছেলে হিসেবে কি খারাপ লিখতাম নাকি?
বাই দ্যা ওয়ে...এখন কোন ভাষায় কথা বলতেসেন?
হিহিহিইহ
অফলাইন
হুম মা দিবসে আমি আর আমার ভোন মিলে আম্মুকে একটা কার্ড দিসি আর একটা ফুটু-স্ট্যান্ড দিসি।
অফলাইন
নামাজ পড়তে মাত্র কয়েক মিনিট সময় লাগে। আপনি আজকের নামাজ পড়েছেন কি???এখন পরিবার থেকে একটু দুরে থাকি। তাই এমনটা আর হয়না।
তবে যে ক'দিন আম্মুর সাথে (বাড়িতে) থাকি সে ক'দিনে আমার অবস্থা কাহিল। মনে করে যেন এই কয়েক মাস ঢাকাতে আমি কিছুই খায়নি। ফলে তার পচ্ছন্দমত ভাল ভাল খাবার রান্না করে খাওয়াবে আর আমার ঔষুধ খেয়ে ঢাকাতে আসতে হবে।
আম্মুকে নিয়ে আর পারি না........
অফলাইন
আমার ছুটি প্রয়োজন, রুটিন বাধা জীবন ভালো লাগছে না। ভাষা হারিয়ে ফেলেছি! মেয়ে হিসাবে তারানা ভালোই লেখে। বোনাস একটা + ,খাওয়ার জন্য দিলাম।
@কাতার ভাই -ছেলে হিসেবে কি খারাপ লিখতাম নাকি? বাই দ্যা ওয়ে...এখন কোন ভাষায় কথা বলতেসেন? হিহিহিইহ
আমি বলতে চেয়েছিলাম রাক্ষসী ভঙ্গীমায় লিখলে ভয়ঙ্কর লাগতো। কারন রাক্ষসীদের মনেতো আর দয়া-মায়া নাই
তারা খালি সারাক্ষণ হাউমাউ খাও মানুষের গণ্ধ পাও এই টা নিয়ে ব্যস্ত থাকে

অফলাইন
তপু ভাইকে বলছি ক্যানো আমরা (ছেলেরা) লিখতে পারি না; আপনি দেখেছেন কি, না জানি না এবারে সাহিত্যে নোবেল পেলেন যেই মহিলা (নামটা মনে করতে পারছি না) তাছাড়া কিছুদিন আগে কাতারের কর্ণেল মেডিকেল কলেজ থেকে যে কয়েকজন ডাক্তার হয়ে বের হলেন তার ভেতরে মেয়েদের আধিক্য বেশী; বলছি কি, ওপরওয়ালা এখন উনাদের প্রতি বেশী সদয়; আমি হিংসে করে বলছি না, আই ফিল প্রাউড এ্যাবাউট দেম; তো এমনিতেই মেয়েরা মনের ব্যাপার স্যাপারে বেশী সেনসিটিভ, সাহিত্যের ছাত্রছাত্রীদের মাঝে দ্যাখা যায় মেয়েরাই অগ্রণী ভুমিকায়; তাই মন নিয়ে উনাদের কাজ-কারবার বলে এবং পুরুষ ও নারী দুজনকেই জন্ম দেয়া এই "মা" জাতীদের সবার ওপরে স্থান না দিয়ে উপায় নেই;
অফলাইন
মু হা হাইস তোর কি মজা আম্মার কাছে কাছে থাকতে পারিস। আর আমি সেই কতোদিন ধরে দূরে দূরে থাকি। যখন বাড়ি যেতে বলে তখন হয়তো আমার যাওয়ার সময় থাকে না।
বাড়ি থেকে যেদিন বের হয়েছি সেইদিন থেকেই মা বাবাকে খুব মিস করি। বিশেষহ করে বিশেষ দিনগুলো আমার মন খারাপ লাগে কারন পরিবারের কেউ কাছে থাকে না তাই। আসলে কিছু করার নাই।
মাঝে মাঝে মা বলে এই নাও বাবা হা করো.. যা মিষ্টিটা আমার বাবার গালে চলে যা.। মানে ফোনের ভেতর মা আমাকে মিষ্টি খাওয়ায়।
মাঝে মাঝে মার সাথে ফোনে কথা বলে মন বেশি খারাপ হয়ে যায় কারন আমার মা মাঝে মাঝে ফোনে উল্টা পাল্টা বকে। মানে উনি ফোনে কি বলেন নিজেই বুঝেন না কারন বুঝার মতো মানসিক শক্তি তার মাঝে মাঝেই থাকে না।( আমি যখন ক্লাস টেনে পড়ি তখন আমার মায়ের মাথায় সমস্যা দেখা দেয়। চিকিৎকার ফলে সুস্থ হলেও মাঝে মাঝে সার্ভার ডাউন..কি আর বলবো..সব কিছুর পরও আমরা সব ভাই বোন আমার মাকে প্রচন্ড ভালোবাসি। সব সময় তারমুখে হাসি রাখার জন্য আমাদের সব সময় প্রচেস্টা)।
একটা মজার ব্যাপার বলি, মা দিবসের দিন সকালে মাকে ফোন করলাম যে মা আজকে তো মা দিবস। তো মা বললো কি আর করবি আমি তো কাছে নাই তুই এক কাজ কর আমার ছবি বাধিয়ে ছবির উপর মাকে নিয়ে একটা কবিতা লিখে পড়ার টেবিলের উপর রেখে দে.. হে হে.
অফলাইন
ধ্রুবক অন্ধকার, দৈব রাজপথে আমার চিহ্ন, আমি নৈশ ঈশ্বর যেন আরেক ধ্রুবতার জন্ম."মা"


শব্দটা মাঝে কি মায়া তা কখন লিখে বলা সম্ভব নয়...."মা" ছাড়া কোন কিছু চিন্তা করতেই,কেমন জানি অদ্ভুত শূণ্যতা অনুভব করি...."মাগো" তোমাকে প্রচন্ড ভালবাসি, প্রচন্ড এবং অসীম..আমি দীর্ঘ ৫ বছর চেষ্টা করেও "মাকে" নিয়ে কবিতা বা কয়েকটা শব্দও লিখতে পারি না...কবিতা লিখতে বসলেই "মায়ের" ভালবাসার আচ্ছন্নতায় সব কল্পনা হারিয়ে যায়..আমি কখনও "মাকে" নিয়ে কবিতা লিখতে পারি না..........এটা আমার সবচেয়ে বড় ব্যার্থতা.
রূপসী আপনার মায়ের জন্য অন্তর থেকে দোয়া রইল..তিনি যেন দীর্ঘজীবি হোন..
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন Pongta-lyricist (১২-০৭-২০০৮ ০২:১০)

অফলাইন
!!! ইন্ট্রাপিড আইবেক্স !!! দারূন একটা পোস্ট আপু 
অফলাইন
চমৎকার...কিছু রেপু দিতে চেয়েছিলাম...কিন্তু আমার বেশি পোস্ট নাই জন্য সেটা দিতে দিল না...

অফলাইন
রূপসী (আপু), লেখাটা খুব সুন্দর। ওটা কি আপনার নিজের লেখা ছিল?![]()
অফলাইন
হেহেহে...আর তাকাবি???দেখ...ক্যামনে ভেঙ্গাই ...হেহেহেএলিন লিখেছেন:
রূপসী (আপু), লেখাটা খুব সুন্দর। ওটা কি আপনার নিজের লেখা ছিল?
জ্বী,এলিন( ভাইয়া)
,লেখাটা শুধু আমার নিজের লেখা ই না,বরং এইটা আমার সত্যিকারের লাইফ থেকেই নিয়ে লেখা 


আমি রোজ এই ভাবে আম্মু কে জালাই 

অফলাইন