গতকাল প্রজন্ম ফোরামে বিচরণ শেষে যখন ভাবলাম ঘুমাতে যাব, দেখি সূর্য্য উঠতেসে।
মেজাজ খারাপ হয়ে গেল, ঘুমের সময় এইসব কি? যাইহোক, অনেকক্ষণ হল কিন্তু ঘুম আর আসে না। তখন হঠাৎ মনে হল, আর যদি কখনও ঘুম না আসে তা হলে কি হবে?

তখন কোডারভাইয়ের কথাটা মনে পড়ল "কে ঘুম! বার বার তুমি কি চাও?"
কিন্তু আমার তখন বলতে ইচ্ছা করছিল" ঘুম !তুমি কেন এত ভয় ভয় কর, আসো না আমার কাছে।"
আসলেই ঘুমের চেয়ে আরাম আর কি আছে।
শীতের সকালে হালকা ঠান্ডায় কাথা মুরি দিয়ে ঘুমের তুলনা হয়।
আহা, যদি অনন্তকাল ঘুমানো যেত, কেবল একবার চোখ মেলে দেখতাম কয়টা বাজে।
এখানে বলুন ঘুম সর্ম্পকে আপনার অনুভূতি , ঘুমে কত আরাম আর ঘুম কখন হয় হারাম।
(ঘুম তো দৈনন্দিন বিষয় নাকি, মানে আমরাতো প্রতিদিনই ঘুমাই, তাই এখানে দিলাম)
অফলাইন
!!! ইন্ট্রাপিড আইবেক্স !!! ভাই অবশেষে ঘুম নিয়ে পোস্ট করেছেন বলে আপনাকে ধন্যবাদ
ঘুমের থেইকা শান্তি আর কিছুতে নাই ![]()
অফলাইন
ঘুমের চেয়ে শান্তির আর কিছু নাই মানলাম কিন্তু সেই ঘুমানোর টাইম তো পাই না 




। সকালে উঠতে হয়।
অফলাইন
আমার সকালবেলার ঘুমই ভালো লাগে। আর সবচেয়ে ভালো হয় যখন পরীক্ষার কিছু ঘন্টা বাকি তখন। পড়া সব হলে এমনই হওয়ার কথা

অফলাইন
ঘুমাইলে অামাগো ব্যাটারি চাজ' হয়..........
অফলাইন
নামাজ পড়তে মাত্র কয়েক মিনিট সময় লাগে। আপনি আজকের নামাজ পড়েছেন কি???সামিউল লিখেছেন:
ঘুমের চেয়ে শান্তির আর কিছু নাই মানলাম কিন্তু সেই ঘুমানোর টাইম তো পাই না
। সকালে উঠতে হয়।
.....................এবং অবশেষে অফিসে গিয়ে ঝিমায়
অফলাইন
মেহেদী আকরাম লিখেছেন:
.....................এবং অবশেষে অফিসে গিয়ে ঝিমায়
অফিসে না ক্লাশে বসে ঝিমাই। আর কাজে থাকলে কাস্টমারের সামনে হাই তুলি। তখন ইচ্ছা করে ঘুমাইতে। যেমন এখন ক্লাশে বসে আছি কিন্তু ঘুমাতে ইচ্ছা করতেছে। ক্লাশ আর ভাল লাগে না।
অফলাইন
আলোকিত লিখেছেন:
RightNumber লিখেছেন:
ঘুমাইলে আমাগো ব্যাটারি চার্জ হয়..........
ঠিক কইছেন!
হুমম্ কথা ঠিক, তবে চার্জ হওয়া ব্যাটারি বার বার চার্জ দিলে দুর্বল হয়ে যায়। মানে প্রয়োজনের বেশী ঘুমালে সতেজ ভাব চলে যায়।
সোজা কথায় আইলসা (অলস) হয়ে যায়।
অফলাইন
মহাকাল লিখেছেন:
আলোকিত লিখেছেন:
RightNumber লিখেছেন:
ঘুমাইলে আমাগো ব্যাটারি চার্জ হয়..........
ঠিক কইছেন!
হুমম্ কথা ঠিক, তবে চার্জ হওয়া ব্যাটারি বার বার চার্জ দিলে দুর্বল হয়ে যায়। মানে প্রয়োজনের বেশী ঘুমালে সতেজ ভাব চলে যায়।
সোজা কথায় আইলসা (অলস) হয়ে যায়।
অামরা চান্দা ব্যাটারি.... ১,০০০০০০০০০০০০০০০০০.++++ বার চাজ' দিলে ও কিছু হয় না.
অার অাপনিতো েপনসিল ব্যাটাির........
অফলাইন
হেহেহে...আর তাকাবি???দেখ...ক্যামনে ভেঙ্গাই ...হেহেহেRightNumber লিখেছেন:
মহাকাল লিখেছেন:
আলোকিত লিখেছেন:
ঠিক কইছেন!
হুমম্ কথা ঠিক, তবে চার্জ হওয়া ব্যাটারি বার বার চার্জ দিলে দুর্বল হয়ে যায়। মানে প্রয়োজনের বেশী ঘুমালে সতেজ ভাব চলে যায়।
সোজা কথায় আইলসা (অলস) হয়ে যায়।অামরা চান্দা ব্যাটারি.... ১,০০০০০০০০০০০০০০০০০.++++ বার চাজ' দিলে ও কিছু হয় না.
অার অাপনিতো েপনসিল ব্যাটাির........



অফলাইন
হেহেহে...আর তাকাবি???দেখ...ক্যামনে ভেঙ্গাই ...হেহেহেআহ ঘুম I-) I-) I-)
কি যে প্রিউউউউউউউউউউউউউউউউউউউউউউ... কি আর বলবো 


ক্লাস এর জন্য আরাম করে ঘুমাইতে পারি না


রোজ রোজ এক্সাম দেয়
রাতে পড়তে পারি না খুব ঘুম আসে...সকালে পড়তে পারি না আর ও বেশী ঘুম আসে

আজ কে ভোর ৫টায় উঠলাম!
ফজর এর নামায পড়লাম অনেক দিন পর ঠিক সময়ে!
...তারপর পড়ার চেষ্টা করতেই আবার I-) ঘুম...
আবার ৬ঃ৩০ এ উঠে পড়া শুরু...তারপর ক্লাস...আর ক্লাসে গিয়ে শুনি এক্সাম হবে না









অফলাইন
মহাকাল লিখেছেন:
এখানে বলুন ঘুম সর্ম্পকে আপনার অনুভূতি , ঘুমে কত আরাম আর ঘুম কখন হয় হারাম।
আগে কইত হইব , কোন জাতের ঘুম?
এইডা কি গভীর রাইতের ঘুম, নাকি ভোর বেলার ঘুম?
এইডা কি 'ফাতল' ঘুম নাকি 'নাক ডাকা' গভীর ঘুম?
এইডা কি ফরীক্ষার আগর রাইতের ঘুম নাকি ফরের রাইতের ঘুম?
যদি গভীর রাইতের ঘুম হয়- তাইলে এইডা মশা আর লোডশেডিং-এর যন্ত্রণায় ক্লিষ্ট ঘুম - মাইনে হারাম ঘুম।
যদি ভোর বেলার ঘুম হয়- তাইলে আরাম ঘুম।
যদি ফাতল ঘুম হয় তাইলে হারাম ঘুম, আর ফাসে যদি কেউ 'নাক ডাকা' গভীর ঘুম দেয় তাইলে হেইডা হারামের উফুর দি আরো দুই আনা 'হারাম ঘুম'।
ফরীক্ষার আগর রাইতের ঘুম - কারে কয় আই জানি না, তয় ফরের রাইতে যেই ঘুম দিতাম হেইডার কোন মা-বাপ নাইগোওওওওও।
অফলাইন
রসি লিখেছেন:
আগে কইত হইব , কোন জাতের ঘুম?
এইডা কি গভীর রাইতের ঘুম, নাকি ভোর বেলার ঘুম?
এইডা কি 'ফাতল' ঘুম নাকি 'নাক ডাকা' গভীর ঘুম?
এইডা কি ফরীক্ষার আগর রাইতের ঘুম নাকি ফরের রাইতের ঘুম?
যদি গভীর রাইতের ঘুম হয়- তাইলে এইডা মশা আর লোডশেডিং-এর যন্ত্রণায় ক্লিষ্ট ঘুম - মাইনে হারাম ঘুম।
যদি ভোর বেলার ঘুম হয়- তাইলে আরাম ঘুম।
যদি ফাতল ঘুম হয় তাইলে হারাম ঘুম, আর ফাসে যদি কেউ 'নাক ডাকা' গভীর ঘুম দেয় তাইলে হেইডা হারামের উফুর দি আরো দুই আনা 'হারাম ঘুম'।
ফরীক্ষার আগর রাইতের ঘুম - কারে কয় আই জানি না, তয় ফরের রাইতে যেই ঘুম দিতাম হেইডার কোন মা-বাপ নাইগোওওওওও।





দারুন বলেছেন![]()
![]()
অফলাইন
ঘুম
সকল কাজ হলে সারা, তোমার প্রতীক্ষা শুরু
কত কথা মাথায় আসে, ক্লান্ত দেহ শয্যা নিলে
হোক সে রাজার পালংক বা মাটির বুক উর্ধ্বে তরু
সব ভাবনা যায় মিলিয়ে তোমার নরম পরশ পেলে
তোমার কোলে মাথা রেখে পাই অনন্ত স্বর্গসুখ
এযেন মেঘের বালিশে শুয়ে সূর্য্যের আঁচ নেওয়া
কিংবা জলেতে শয্যা পেতে দেখা চন্দ্রমুখ
আর জোৎস্নার মায়া অধরে চুমু খাওয়া
কখনও তুমি আসো, সাথী হয় স্বপন
যার শতরপ কখনও করে বিমোহিত বিভ্রান্ত
আবার চমকিয়ে দেখি তার বিকট রপ ভীষণ
তাও চাই না তুমি চলে যাও, আমি যে ক্লান্ত
তোমার এ অমৃত গন্ধ সুধা, নিবিঢ় আলিঙ্গন
চাইনা হারাতে, হোক সে যত বিভীষিকাময় স্বপন
যখন তুমি ছেড়ে যাও আমায় রাতের অন্তে
সতেজ আমি দেখি প্রভাত রবি ঐ দিগন্তে
কত কাজ, কত ব্যাস্ততায় ভরা সারা দিন
তোমায় মনে পড়ে বার বার, আর ভাবি একা
কখন আবার দেখা পাব, কখন বাজবে বীণ
আসবে তুমি প্রশান্ত হাওয়ায় মেলে দুটি পাখা
কত সৌভাগ্য আমার যখন দিনের অবসরে
আসো তুমি , আর থাকো আমার হাত ধরে
কত সময় তুমি এসে থাকো দাঁড়িয়ে ঐ দুয়ারে,
আমি দিতে পারি না কেন, তোমার ডাকে সাড়া
তুমি জানো, ঐ অভাগা বেরসিক কাজ হতচ্ছাড়া
থাকে আমায় ঘিরে, পাইনা এটুকু অবসর
তোমার কোলে মাথা রাখার , একটু কাছে পাবার
তাও তুমি কত ভালো, আসবে জানি
না হোক প্রতিদিন অবশ্যই প্রতি রজনী
হে রাতের সখী, তুমি মায়াবিনী
তবু তোমার প্রতীক্ষায় আমি মহাকাল
বসে থাকব, তুমি আসবে আসবেই আজ না হয় কাল
তোমায় ছাড়া আমি দেখতে চাইনা না কোন সকাল।
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মহাকাল (২৯-০৪-২০০৮ ২১:৪৫)
অফলাইন
সেভারাস লিখেছেন:
একই পোস্ট দুটি জায়গায় না করলেই ভালো হয়
একই পোস্ট দুই জায়গায় করার কারণ:
১. মহাকালের কবিতা টপিকটি আমি খুলেছি আমার নিজের যখন ইচ্ছা কবিতা লেখার জন্য। উক্ত কবিতাটি আমি প্রথমে ওখানেই লিখেছি।
২. এই টপিকের শিরোনাম ও পরবর্তী আলোচনার সাথে আমার কবিতাটি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। তাই এখানে দিয়েছি।
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মহাকাল (০৬-০৫-২০০৮ ১১:৫৬)
অফলাইন
আরামের ঘুম নষ্ট করে কবিতাটা লিখলাম আর কেই কিছু বলল না।
ধুর কবিতা লেখাই ছেড়ে দিব।

একটা ছোট্ট কাহিনী বলি অতি ঘুম বা আলসেমি নিয়ে:
একবার এক রাজ্যে কে সবচেয়ে বেশী অলস তার প্রতিযোগীর আয়োজন করা হয়। বিশাল এক মাঠে বেড়া আর চাদর বিছিয়ে প্রতিযোগীতা শুরু হয়। রাজ্যের যত অকর্মণ্য আর কুম্ভকর্ণ ছিল সবাই তাদের প্রতিভার প্রদর্শন করতে হাজির। অলস মানে যে কেবল ঘুমায় থাকা তা না, ঘুম চলে গেলেও মটকা মেরে শুয়ে থাকা। যে যত বেশী ক্ষণ আলসেমী করে শুয়ে থাকবে সেই বিজয়ী হবে। যাই হোক প্রতিযোগীতা চলছে, অনেক সময় ধরে। একে একে অনেকেই ঘুমাতে ঘুমাতে ক্লান্ত হয়ে আস্তে আস্তে উঠে যাচ্ছে। সবশেষে কেবল মাত্র দুই জন ঘুমিয়ে আছে। অনেক কাল পার হয়ে গেছে তাও উঠার নাম নেই। শেষে রাজা বিরক্ত হয়ে বলল যে চারপাশের বেড়ায় আগুন লাগিয়ে দিতে এবার নিশ্চয় উঠবে। যেমন হুকুম তেমন কাজ। দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। বেশ খানিকক্ষণ পড়ে একজন প্রতিযোগী একটা চোখের পাতা সামান্য খুলে বলে, " কত রবি জ্বলে।" আরেক জন এ কথা শুনে বিন্দুমাত্র নড়াচড়া না করে বলে, " কে বা আঁখি মেলে।" এতেই প্রতিযোগীতা শেষ হয় আর রাজ্যের সবচেয়ে অলস কে পাওয়া যায়।
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মহাকাল (০৬-০৫-২০০৮ ১২:১৬)
অফলাইন
মহাকাল ভাইয়া, এত বড় লেখা আমি পড়ি না,লেখি তো নাই-ই। সত্যিকার অর্থে এত বড় লেখা দেখলেই আমার ঘুম পায়।
কিন্তু লেখা থামাইবেন না কইলাম।
আমি আপনার একজন অন্ধ (না দেইখ্যা/না বুঝিয়া) ভক্ত।
অফলাইন