!!! ইন্ট্রাপিড আইবেক্স !!! আমি অনেক কেই দেখেছি ভালোবাসার জন্য নানাধরণের পাগলামি করতে।
যাই হোক আজকে আপনাদের সাথে তার মাঝ থেকে কয়েকটা ঘটনা শেয়ার করব।
১ম ঘটনাঃ
আমাদের ক্লাসের ছেলে হাসান... কয়েকদিন আগে ওর মেয়েবন্ধু ( যে ওর জীবনের সবচাইতে ভালো বন্ধু) ওকে ফোন করে বললো যে মেয়ের প্রেমিক তাকে ছেড়ে দিয়েছে তাই সে সব বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ বন্ধ রাখবে এই কথা শুনে হাসান ওকে অনেক চেষ্টা করল বোঝাতে।
কিন্তু কে শুনে কার কথা? মেয়ে ফোন রেখে দিলো এরপরে হাসান অনেক বার ওর মোবাইলে ট্রাই করল কেউ রিসিভ করে না ফোন... কি করা যায়? তাই হাসান বাধ্য হয়ে করল এক পাগলামী ভোঁতা একটা ছুড়ি নিয়ে নিজের হাত কাটলো শুধু এক জায়গায় না বা-হাতের বেশ কয়েকটা জায়গায় বড় বড় করে ছুড়ির কাটা ক্ষত নিয়ে পরের দিন সে কলেজে আসলো আমরা দেখে তো পুরা টাশকি!
আমি ওর কাছ থেকে এই কাহিনী করার কারণ জানতে চাইলাম সে আমাকে সত্যিকার অর্থে কোন কারণ দেখাতে পারলো না... আসলেই কারণ ছাড়া এইটা কেন করল হাসান?
২য় ঘটনাঃ
অনি সাদিয়াকে অনেক অনেক ভালোবাসতো। তাদের মাঝে দারূন একটা বন্ধুত্ব ছিলো। অনি সাদিয়ার প্রেমে পড়ে যায় একসময় কিন্তু সাদিয়া যখন ১৫ বছর তখন সে ব্যাপারটা সহজভাবে নেয় না। সে অনি কে বলে আমি এখনি এইসব নিয়ে ভাবছিনা কারণ আমার অনেক কিছু করতে হবে আর প্রেম-ট্রেম আমার কাছে মোটেই ভালো লাগে না। পরে সাদিয়ার ব্যাপারটা অনি মেনে নেয় কারণ সে জানে সাদিয়া তাকে প্রচন্ড ভালোবাসে মুখে না বললেও সে বুঝতে পারে এটা। এইভাবে তাদের সম্পর্ক গড়াতে থাকে ঝগড়া। হাসি, কান্না সবকিছু মিলিয়ে অসাধারণ আনন্দে তারা একসাথে নিজেদের সঙ্গ উপভোগ করে নেয়। তবে একটা কথা অনি কখনই পছন্দ করত না সাদিয়া অন্য কারও সাথে এমন একটা বন্ধুত্ব গড়ে তুলুক। তবে সাদিয়া প্রায়ই অনিকে অনেক বিষয়ে কনফিউসড করে ফেলত তখন অনি ভাবত সাদিয়া বুঝি অন্য কাউকে ভালোবাসে বা সে অন্য কারো প্রেমে পড়েছে। সাদিয়া আসলে পুরোপুরি সৎ ছিলো এবং সে প্রস্তুত ছিলো যখন সময় আসবে অনি কে সে বিয়ে করবে।
ঐ দিকে সময়ের তালে সাদিয়া একসময় অনির সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় কেন জানি? অনি ভাবতে থাকে এই বুঝি হাতছাড়া হয়ে গেল সুযোগ। তাই সে নিজের উপর দোষারোপ করতে থাকে কি করলাম কেন করলাম?
পরে না আসলে সাদিয়াকে সে আবার ফিরে পায়... তবে কোন কারণে একবার অনি বুঝতে পারে সাদিয়া তার পাশাপাশি সাইদ নামক কাউকে সঙ্গ দেয়... এই বিষয়ে তাই সিওর না হয়ে সে কয়েকটা ঘটনা জোড়াতালি দিয়ে মিলিয়ে নিজের উপর ডেকে আনে ভয়ানক বিপদ... তার এই বিপদের কথা বলা হয়তোবা ঠিক হবে না... তবে তার জীবন আজ ধ্বংসের পথে ওদিকে সাদিয়া ভাবছে সবই ঠিক আছে সে তার মতই চলছে... অনিও সাদিয়াকে সাহস করে কিছু বলে নীরবে শুধু সে নিজের পায়ে কুড়াল মেরে যায়
এইসব পাগলামির শেষ কোথায়? কেন এইরকম হয়? মেয়েরা আরেকটু কেয়ারফুল হলেই কিন্তু এইরকম ঘটনা ঘটে না... খেয়ালিপনার খেসারত গুনতে হয় ছেলেদের... আপনাদের কারও এই বিষয়ে কোন অভিজ্ঞতা থাকলে শেয়ার করুন ... আর এই দুইটা কেস স্টাডি বিষয়ক কারো কোন ভাবনা থাকলে বলে ফালুন ঝটপট
----------------------------লেখক কোন ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত বলে মনে হয় না-----------
শিরোনাম পাগলামী হবে চেইঞ্জ করে দিয়েন মড ভাইরা
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন শিপলু (২৭-০৪-২০০৮ ০২:৪৬)
অফলাইন
সবসময় মেয়েদের দোষ দেখো কেনো? মেয়েদেরও তো স্বাধীনতা আছে নাকি?
তোমার প্রথম ঘটনায় মেয়েটার কোনো দোষই দেখছি না। মেয়েটা মনে ব্যাথা পেয়েছে বলেই কিছুদিন আলাদা থাকতে চেয়েছিল বন্ধু বান্ধবদের কাছ থেকে। আর ঐ ছেলে আর মেয়ের মধ্যে তো বন্ধুত্বের বাইরে কিছুই নেই। তাই মেয়েটা ঘুনাক্ষরেও চিন্তাও করতে পারেনি যে ছেলেটা এমন বোকামী করবে। এতে মেয়েটার দোষ কোথায়?
এখন আলসেমি লাগতাসে, ২য় ঘটনায় যাওয়ার জন্য শক্তি নাই

অফলাইন
!!! ইন্ট্রাপিড আইবেক্স !!! সেভারাস লিখেছেন:
সবসময় মেয়েদের দোষ দেখো কেনো? মেয়েদেরও তো স্বাধীনতা আছে নাকি?
তোমার প্রথম ঘটনায় মেয়েটার কোনো দোষই দেখছি না। মেয়েটা মনে ব্যাথা পেয়েছে বলেই কিছুদিন আলাদা থাকতে চেয়েছিল বন্ধু বান্ধবদের কাছ থেকে। আর ঐ ছেলে আর মেয়ের মধ্যে তো বন্ধুত্বের বাইরে কিছুই নেই। তাই মেয়েটা ঘুনাক্ষরেও চিন্তাও করতে পারেনি যে ছেলেটা এমন বোকামী করবে। এতে মেয়েটার দোষ কোথায়?
এখন আলসেমি লাগতাসে, ২য় ঘটনায় যাওয়ার জন্য শক্তি নাই
ছেলেটা যেইখানে দোষ করে নাই সুতরাং মেয়েটারও উচিৎ হয় নাই ছেলেটার সাথে এইভাবে যোগাযোগ ছিন্ন করার কথা বলাটা তাই না?
অফলাইন
আহমাদ মুজতবা লিখেছেন:
আমাদের ক্লাসের ছেলে হাসান... কয়েকদিন আগে ওর মেয়েবন্ধু ( যে ওর জীবনের সবচাইতে ভালো বন্ধু) ওকে ফোন করে বললো যে মেয়ের প্রেমিক তাকে ছেড়ে দিয়েছে তাই সে সব বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ বন্ধ রাখবে এই কথা শুনে হাসান ওকে অনেক চেষ্টা করল বোঝাতে।
কিন্তু কে শুনে কার কথা? মেয়ে ফোন রেখে দিলো এরপরে হাসান অনেক বার ওর মোবাইলে ট্রাই করল কেউ রিসিভ করে না ফোন... কি করা যায়? তাই হাসান বাধ্য হয়ে করল এক পাগলামী ভোঁতা একটা ছুড়ি নিয়ে নিজের হাত কাটলো শুধু এক জায়গায় না বা-হাতের বেশ কয়েকটা জায়গায় বড় বড় করে ছুড়ির কাটা ক্ষত নিয়ে পরের দিন সে কলেজে আসলো আমরা দেখে তো পুরা টাশকি!
আমি ওর কাছ থেকে এই কাহিনী করার কারণ জানতে চাইলাম সে আমাকে সত্যিকার অর্থে কোন কারণ দেখাতে পারলো না... আসলেই কারণ ছাড়া এইটা কেন করল হাসান?
হুম... আমিও এরকম কেস দেখেছি। বাস্তবে নয়, অনলাইনে।
আগে অনলাইনে বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন বয়সের বিভিন্ন মানুষের সাথে কথা বলতাম আর তাদের মন-মানসিকতা বোঝার চেষ্টা করতাম। তবে এখন সেটা বাদ দিয়েছি, এখন বাঙালী ছাড়া আর কারও সাথে কথা হয়না(এবং এর ফলে ইংরেজিও ভুলতে বসেছি!
)
যাইহোক, এরকম করার কারণ হল মস্তিষ্কের অপরিপক্কতা। এটা শুধু ভালবাসা নয় যেকোন কারণেই হতে পারে। এবং শুধু শিশু-কিশোর নয় অনেক বয়স্ক ব্যাক্তিও এই কাজ করে থাকে! কারণ তাদের মস্তিষ্ক পরিণত নয়।
কিছু মানুষ কষ্ট পেলে ধৈর্য্য সহকারে কষ্ট কেটে যাওয়ার অপেক্ষা করতে পারে না। তারা মনে করে নিজেকে আঘাত করে রক্তাক্ত করলে তাদের কষ্ট লাঘব পাবে। এ কারণেই অনেকে ছুরি দিয়ে হাত কাটে।
এ ঘটনা সম্পর্কে আমার নিজস্ব মন্তব্যঃ তারা পারিপার্শ্বিক পরিবেশ থেকে পর্যাপ্ত শিক্ষা এবং স্বাভাবিক বন্ধুত্বপূর্ণ ব্যবহার পাচ্ছেনা দেখেই এ ধরণের অদ্ভুত আচরণ করছে। খারাপ আচরণ হতে পারে নিজ বাবা-মা/ভাই বোনের কাছ থেকে বা ঘনিষ্ঠ কোন বন্ধুর কাছ থেকে। হয়তো বা তাদের মনে কোন কারণে কোন কষ্ট জমা হয়েছে, এবং নিজেকে আঘাত করে কষ্ট দূর করতে চাইছে।
এটা একধরণের মানসিক অসুস্থতা, চিকিৎসার মাধ্যমে এর নিরাময় সম্ভব।
২য় ঘটনার বিশ্লেষণ পরের পোস্টে বলছি, আগে একটু ভেবে নেই 
তবে ফোরামের বয়স্ক এবং অভিজ্ঞ সদস্যরা আমার চেয়ে অনেক ভাল ব্যাখ্যা দিতে পারবেন। আমি আমার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গিতে আলোচনা করছি মাত্র! 
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন আলোকিত (২৭-০৪-২০০৮ ০২:৪১)
অফলাইন
আহমাদ মুজতবা লিখেছেন:
ছেলেটা যেইখানে দোষ করে নাই সুতরাং মেয়েটারও উচিৎ হয় নাই ছেলেটার সাথে এইভাবে যোগাযোগ ছিন্ন করার কথা বলাটা তাই না?
তুমি মেয়েটার কথা চিন্তা করো না কেন? একপাক্ষিক চিন্তা করলে জীবনে উন্নতি সম্ভব না

অফলাইন
@সেভারাস এবং মুজতবাঃ এখানে জেন্ডার কোন ফ্যাক্টর না!! আমি উপরের দুটো ঘটনা যেখানে দেখেছি তাদের দুজনই ছিল মেয়ে!
উভয় লিঙ্গেরই বিভিন্ন ধরণের সামাজিক ও পারিবারিক সমস্যা আছে। এই সমস্যাগুলো সৃষ্টি হয় সমাজ ব্যবস্থার কুসংস্কার, কুপ্রথা এবং অজ্ঞতার কারণে।
লিঙ্গভেদে হয়তো সমস্যাগুলোর পার্থক্য হতে পারে তবে উভয় ক্ষেত্রেই ফলাফল এক- মানসিক অসুস্থতা।
অফলাইন
আহমাদ মুজতবা লিখেছেন:
----------------------------লেখক কোন ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত বলে মনে হয় না-----------
এ মানে কি? আপনি কি কিছুটা জড়িত? যাই হোক এটা প্রেম বিষয়ক ব্যাপার আর আমি এই ব্যাপারে অজ্ঞ। আমাদের লাভ গুরু শিপলু ভাইয়ের মতামতের অপেক্ষায় আছি। আর আমি যেটা মনে করি অন্যের জন্য কেন নিজেকে শেষ করে দিতে হবে? নিজের জীবনের কি কোন মূল্যই নেই? এই পৃথীবিটা কত সুন্দর একবার চোখ মেলে দেখুন। একজন নারীর জন্য নিজেকে শেষ করে দেয়ার কোন অর্থ হয় না।
অনলাইন
পাগলামীর তো কিছুই দেখতাছি না...............
নাকি এটাই পাগলামী, আর যদি এটাই পাগলামী হয় তাহলে আমি যেগুলো জানি ওগুলো কি?
তবে ভালোবাসার পাগলামীর কথা বলতে পারবেন আমাদের এডমিন সুমন সাহেব,
ওনার কাছে পাগলামীর ঝুলি আছে................
(ওনার নিজের না... অন্যের)
তবে আমার মতে পোলাপাইনরাই বেশি পাগলামী করে.......
যাদের মাথায় যখন সেন্স থাকে না।
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মনি (২৭-০৪-২০০৮ ২৩:২৫)
অফলাইন
অলস সময়ের পাড়েমানুষের জীবনে ভালবাসা অবশ্যই অনেক বড় একটা বিষয়। তবে আমার মনে হয় ভালবাসা বিশেস একজনের প্রতি যেমন থাকা দরকার তবে তারচাইতেও বেশি থাকা দরকার মা, মাটি ও মানুষের জন্য। একজন মেয়ের জন্য একটি ছেলে অথবা একটি ছেলের জন্য একটি মেয়ে তার জীবন নষ্ট করবে নিজের শরীর থেকে রক্ত ঝরাবে, তার কোন মানে হয় না। জীবন অনেক বড়, এখন যাকে মনে হচ্ছে সবচাইতে আপন, কিন্তু কে যানে আরো আপন কেউ হয়ত তার জন্য অপেক্ষা করছে। জীবনে আশা একটা অনেক বড় বেপার। কেউ যদি ছেড়ে চলেও যায় তার জন্য প্রথমে আপনি জানতে চেষ্টা করেন আপনার ভুল গুলো কি তারপর তার ভুল গুলো বুঝাবার চেষ্টা করেন, কারন তালি এক হাতে বাজেনা, ভুল করলে দুই জনই করবে। তারপরও যদি কাজ না হয় তবে আমার মনে হয় না যে বৃথা চেষ্টা করে লাভ আছে। অনেকে থাকে নিজের রাগকেই বেশি প্রাধান্য দেয়, আবার অনেকে জেগে জেগেও ঘুমায়। সে যাইহোক সব কিছুই ব্যক্তি বিশেসের উপর নির্ভর করে।
তবে আমার কথা মুলকথা এই যে, যা পাওয়া জাবেনা বা হারিয়ে গেছে, তার পিছনে অন্ধের মত না ছুটে প্রোডাক্টিভ কিছু করা অনেক ভাল।
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন ধ্রুব (২৭-০৪-২০০৮ ২৩:৪১)

অফলাইন
কালো ব্যাজ ধারণ করতে পারি?ধ্যাৎ ... ... ...
শিরোনাম দেখে ভেবেছিলাম যে, আমাদের মানসিক চিকিৎসালয়গুলো বাসা হিসেবে খুব ভাল।
তাই সেই বাসা পাওয়ার জন্য পাগলামি
অফলাইন
ইহাকে "প্রেম পাগলামী" বলা ভালো। অপরিপক্ক মানসিকতায় এই ধরণের পাগলামীর আধিক্য দেখা যায়।
অফলাইন
কালো ব্যাজ ধারণ করতে পারি?ভালবাসার জন্য পাগলামী মতান্তরে ছাগলামী করে অনেকেই ভালবাঁশা পেয়েছে।
অফলাইন