প্রকৃত শিল্পীকে জয়ী করুনআলমগীর লিখেছেন:
যার বাবা মামা চাচারা মুক্তিযুদ্ধ করেছে তার ফোরামে এসে জানতে হয় ওসমানী কেন ওই সময় থাকল না।
একাত্তর পূর্ব ইতিহাস, রবীন্দ্রনাথ সোনার বাংলা আসলে বঙ্গভংগের জন্য লিখেছেন, এসব নিয়ে যে নিত্য নতুন থিওরি দেয় কিন্তু ৭১ এ জামাতিরা কী করেছে সেটা অজানা থাকে তার মোটিভ নিয়ে আমার প্রশ্ন আছে। জাফর ইকবালের নানা শান্তিবাহিনীর ছিলেন (কাজেই জাফর ইকবাল রাজাকার) এটাও আবিষ্কার হয়েছে সেদিন।
এটা তো আগে জানা ছিল না। জেনে ভালই হল। যদি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আদৌ হয় তখন তাকেও কাঠগড়ায় তুলতে হবে।
অফলাইন
দত্ত লিখেছেন:
এটা তো আগে জানা ছিল না। জেনে ভালই হল। যদি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আদৌ হয় তখন তাকেও কাঠগড়ায় তুলতে হবে।


সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন রুমন (২২-০৪-২০০৮ ১৭:৫৭)
অনলাইন
দত্ত লিখেছেন:
আলমগীর লিখেছেন:
জাফর ইকবালের নানা শান্তিবাহিনীর ছিলেন (কাজেই জাফর ইকবাল রাজাকার)
এটা তো আগে জানা ছিল না। জেনে ভালই হল। যদি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আদৌ হয় তখন তাকেও কাঠগড়ায় তুলতে হবে।
কথাটা যদি কৌতুক করে বলে থাকেন, তবে প্রাণখুলে হাসলাম। আর যদি সিরিয়াসলি বলেন, তাইলে

অফলাইন
দত্ত লিখেছেন:
এটা তো আগে জানা ছিল না। জেনে ভালই হল। যদি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আদৌ হয় তখন তাকেও কাঠগড়ায় তুলতে হবে।
স্বপ্নচারী লিখেছেন:
কথাটা যদি কৌতুক করে বলে থাকেন, তবে প্রাণখুলে হাসলাম। আর যদি সিরিয়াসলি বলেন, তাইলে
![]()
![]()
ত্রিভুজ তত্ত্ব।
আলমগীর
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন আলমগীর (২২-০৪-২০০৮ ১৮:১৩)
অফলাইন
আলমগীর ভাই, আমি দত্তের কমেন্টের কথা বললাম। আপনারটা না।
অফলাইন
আমার নানা বাড়ির নিচতলায় জেনারেল ওসমানী থাকতেন। আমার বাবাও তাকে এই কথা জিজ্ঞাসা করেছিলেন কেনো আত্মসমর্পনের সময় উনি উপস্থিত ছিলেন না??
তিনি নাকি জানান যে ভারতীয় বাহিনী চায়নি মুক্তিবাহিনীর হাতে পাকিস্তানী বাহিনী আত্মসমর্পন করুক।
হুমম তাদের প্রতিদন্ধীতামূলক আচরনই এর পিছনে কারন।
জেনারেল ওসমানীকে নির্দেশ দেয়া হয় উনি যেনো ওদিন পাকিস্তানীদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেন যখন পাকিস্তানীরা ভারতীয় প্রধানের কাছে আত্মসমর্পন করবে। এতে ওসমানী অপমানিত বোধ করেন ও তার আগের দিনই জানিয়ে দিন তিনি উপস্থিত থাকবেন না।
অফলাইন
অফিসেসাধু সাবধান!!! রাজাকারেরা আবার মাথা তুলছে। এই ওয়েবসাইটটি সম্প্রতি আমার নজরে এসেছে। http://www.firozmahboobkamal.com
একাত্তরের আত্মঘাতের ইতিহাস নামক প্রবন্ধটির কিছু বিতর্কিত অংশ তুলে ধরছি,
বাংলাদেশে একাত্তরের ঘটনাবলি নিয়ে প্রচুর মিথ্যাচার হয়েছে। বিকৃত হয়েছে ইতিহাসের পাঠ্যপুস-ক। লেখা হয়েছে অসত্যে ভরপুর অসংখ্য গ্রন', গল্প, উপন্যাস ও নাটক। নির্মিত হয়েছে বহু ছায়াছবি। এখনও সে বিকৃত ইতিহাস রচনার কাজ চলছে জোরেসোরে। এ পরিকল্পিত মিথ্যাচারের লক্ষ্য একটিই। আর তাহলো, দেশ-বিদেশের মানুষ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম থেকে সত্যকে আড়াল করা। এবং যারা একাত্তরের লড়াইয়ে বিজয়ী হয়েছে তাদের কৃত অপরাধগুলো লুকিয়ে ফেরেশতাতুল্য রূপে জাহির করা। সে সাথে বিরোধী পক্ষকে দানব রূপে চিত্রিত করা। যারা দেশকে আন-র্জাতিক অঙ্গনে ভিক্ষার ঝুলিতে পরিণত করলো, গণতন্ত্রকে পাঠালো নির্বাসনে এবং মানুষকে পাঠালো ডাষ্টবিনের পাশে কুকুরের সাথে উচ্ছিষ্ঠ খোঁজের লড়াইয়ে তাদেরকে আজ হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী বলা হচ্ছে বস'ত সে পরিকল্পনারই অংশ রূপে। এ মিথ্যাচারের আরেক বড় লক্ষ্য, একাত্তরে বাংলার মুসলামানদের মধ্যে যে রক্তক্ষয়ী বিভক্তি সৃষ্টি হল, সেটিকে স'ায়ী রূপ দেয়া। এমন ইতিহাস রচনার লক্ষ্য তাই দেশের কল্যাণ নয়, সত্যকে তুলে ধরাও নয় বরং এখানে প্রাধান্য পেয়েছে ব্যক্তি ও দলের ইমেজকে বড় করে দেখানো।
নানা প্রেক্ষাপটে প্রতিদেশেই বিভক্তি দেখা দেয়। সে বিভক্তি নিয়ে প্রকান্ড রক্তপাতও হয়। নবীজীর (সাঃ) আমলে আরবের মানুষ বিভক্ত হয়েছিল মুসলমান ও কাফের এদুুটি শিবিরে। কিন' সে বিভক্তি বেশি দিন টেকেনি। সে বিভক্তি বিলুপ্ত না হলে মুসলমানগণ কি বিশ্বশক্তি রূপে আত্মপ্রকাশ করতে পারতো? জার্মানরা বিভক্ত হয়েছিল নাজি ও নাজিবিরোধী এ দুই দলে। সে বিভক্তিও বেশীদিন টেকেনি। তা বিলুপ্ত না হলে জার্মানরা আজ ইঊরোপের প্রধানতম রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক শক্তি হতে পারতো? বিভক্তি দেখা দিয়েছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও। সে বিভক্তি এতটাই প্রবল ছিল যে আব্রাহাম লিংকনের আমলে উত্তর ও দক্ষিণের রাষ্ট্রগুলোর মাঝে প্রকান্ড গৃহযুদ্ধ হয়েছিল। হাজার হাজার মানুষ তাতে নিহতও হয়েছিল। কিন' সে বিভক্তি বেশী দিন টেকেনি। সেটি বিলুপ্ত না হলে দক্ষিণ আমেরিকার মত উত্তর আমেরিকাতেও উরুগুয়ে, প্যারাগুয়ে, বলিভিয়ার মত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বহু রাষ্ট্রের জন্ম হত। ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আজ যেভাবে এক নাম্বার বিশ্বশক্তিরূপে আত্মপ্রকাশ করছে তা কি তখন সম্ভব হত? পারতো কি পৃথিবী জুড়ে প্রভাব সৃষ্টি করতে? আত্মপ্রতিষ্ঠা, আত্মসম্মান ও সভ্যতার নির্মাণ ঘটে তো একতার পথ ধরেই। বিভক্তির মধ্য দিয়ে আসে আত্মহনন, আত্মগ্লানি ও চরম অপমান। বাংলাদেশ আজ সে বিভক্তির পথ ধরেই অগ্রসর হচ্ছে। একটি দেশের জন্য এর চেয়ে বড় আত্মঘাত আর কি হতে পারে? একতার গুরুত্ব শুধু বিবেকবান মানুষই নয়, পশুপাখিও বোঝে। তাই তারাও দল বেঁধে চলে। একতা গড়া ইসলামে ফরয এবং বিভক্তি গড়ার প্রতিটি প্রচেষ্টাই হল হারাম। বিষয়টি এতই গুরুত্বপূর্ণ যে একতার পথে চলা ও না-চলার বিষয়টি ব্যক্তির খেয়াল খুশির উপর ছেড়ে দেওয়া হয়নি। অলংঘনীয় নির্দেশ এসেছে মহান আল্লাহতায়ালার পক্ষ থেকে। পবিত্র কোরআনে তিনি সুস্পষ্ট ভাবে বলেছেন,
‘‘ওয়া তাছিমু বিহাবলিল্লাহে জামিয়াঁও ওলাতাফারত্মাকু ..।’’
অর্থ ঃ ‘‘এবং তোমরা আল্লাহর রশি (আল্লাহর দ্বীন তথা পবিত্র কোরআন বা ইসলামকে) আঁকড়ে ধর এবং পরস্পরে বিভক্ত হয়োনা..।’’
আলোচ্য আয়াতে আল্লাহতায়ালা শুধু যে একতাবদ্ধ হতে বলেছেন তা নয়, কিসের ভিত্তিতে একতা গড়তে হবে সেটিও বলে দিয়েছেন। সে একতা ভাষা, ভূগোল ও বর্ণভিত্তিক হবে না, হবে আল্লাহর রশি তথা ইসলাম বা কোরআন ভিত্তিক। মুসলমানদেরকে বলা হয়েছে কোরআনকে বা ইসলামকে আঁকড়ে ধরতে, ভাষা, বর্ণ ও ভুগোলকে নয়। আল্লাহতায়ালা যেমন একতাবদ্ধ হতে বলেছেন তেমনি পরস্পরে বিভক্ত না হওয়ার বিরুদ্ধেও সতর্ক করে দিয়েছেন। আল্লাহর প্রতিটি হুকুমই তো অলঙ্ঘনীয়। ফলে একতা প্রতিষ্ঠার প্রতিটি প্রয়াস যেমন আল্লাহর আনুগত্য তথা ইবাদত, তেমনি বিভক্তি ও বিচ্ছিন্নতার প্রতিটি প্রয়াসই হলো বিদ্রোহ। দেশের রাজা বা বিচারকের বিরুদ্ধে যে কোন বিদ্রোহ শাসি- অনিবার্য করে তোলে। মহান আল্লাহর এ হুকুমের অবাধ্যতা কি রহমত বয়ে আনে? এটি তো গুরুতর বিদ্রোহ। এমন বিদ্রোহ যে আযাব ডেকে আনে তা নিয়ে কি সন্দেহ আছে? বাংলাদেশে সে অবাধ্যতা চলছে নানা ভাবে। আল্লাহর অবাধ্যতা শুধু এ নয় যে জনগণের অর্থে ও সমর্থণে দেশে সূদী ব্যাংক প্রতিষ্ঠা পেয়েছে বা রাষ্ট্রীয় অর্থে বেশ্যাবৃত্তি বা জ্বিনা পাহারাদারি পাচ্ছে বা আইন-আদালত থেকে আল্লাহতায়ালার আইনকে সরিয়ে ব্রিটিশ প্যেনাল কোড প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। বরং আল্লাহর বিরদ্ধে বড় বিদ্রোহ ঘটেছে ভাষা, বর্ণ ও পৃথক ভূগোলের নামে মুসলিম উম্মাহর বিভক্তি গড়ার মধ্য দিয়ে। ১৯৪৭ সালে দক্ষিণ এশিয়ার মুসলমানেরা ভাষা ও বর্ণকে নয়, ইসলামকে আঁকড়ে ধরেছিল। বাঙ্গালী, বিহারী, পাঞ্জাবী, পাঠান, সিন্ধি, গুজরাটি এরূপ নানা ভাষার মুসলমানগণ ভাষার পরিচয় নিয়ে নয়, ঈমানী পরিচয় নিয়ে একাতাবদ্ধ হয়েছিল। তারা সেদিন ভুলে গিয়েছিল তাদের ধর্মীয় ফেরকা ও মাজহাবী বিরোধ। উপমহাদেশের মুসলিম ইতিহাসে এটি অনন্য। পবিত্র কোরআনে মুসলমানদের বলা হযেছে হিজবুল্লাহ বা আল্লাহর দল। এটি কি ভাবা যায়, আল্লাহতায়ালা তাঁর নিজের বাহিনীতে অনৈক্য চাইবেন? এবং সেটি ভাষা, বর্ণ বা ভৌগলিক স্বার্থের নামে? মুসলিম উম্মাহর একতা ও বিজয়ের চেয়ে এগুলি কি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে? আল্লাহতায়ালা তাঁর বাহিনীতে একতার যে কোন উদ্যোগে যে খুশি হবেন সেটিই তো স্বাভাবিক। উমহাদেশের মুসলমানদের সে একতা আল্লাহতায়ালাকে এতই খুশি করেছিল যে তাদের প্রতি তাঁর বিশাল রহমত জুটেছিল। ফলে বিজয়ও এসেছিল। এ রহমতের কারণেই বিশ্বের সর্ববৃহৎ মুসলিম রাষ্ট্র পাকিস-ানের প্রতিষ্ঠা করতে কোন যুদ্ধ লড়তে হয়নি। অস্ত্র না ধরেই বিশাল শত্রুপক্ষকে সেদিন তারা পরাজিত করতে পেরেছিল।
ইসলামের শত্রুপক্ষের কাছে তাদের ১৯৪৭ এর পরাজয় যেমন কাম্য ছিল না তেমনি সহনীয়ও ছিল না। তারা তো মুসলিম রাষ্ট্রগুলিকে ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রতর করতে ব্যস-। ফলে তাদের চোখের সামনে পাকিস-ানের ন্যায় বৃহৎ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা ঘটবে সেটি অসহ্য ছিল। ফলে জন্ম থেকেই পাাকিস-ান ইসলাম-বিরোধী আন-র্জাতিক কোয়ালিশনের টার্গেটে পারিণত হয়। আরবদেরকে এরাই বিশেরও বেশী টুকরায় বিভক্ত রেখেছে। নব্যসৃষ্ট এসব দেশের প্রতিটিতে এমন সব তাঁবেদারকে তারা বসিয়েছে যাদের কাছে এ বিভক্ত ভূগোল ভেঙ্গে এক অখন্ড রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার যে কোন প্রয়াসই হলো চরম ফৌজদারি অপরাধ। ১৪ কোটি মানুষের বাংলাদেশও একই কারণে শত্রুশক্তির অন্যতম টার্গেট। বিশেষ করে ভারতের। ভারতের পূর্ব সীমানে- পাকিস-ানের ন্যায় আরেক শক্তিশালী মুসলিম রাষ্ট্রের সৃষ্টিকে তারা মেনে নেবে না, তাদের এ ঘোষণা সুস্পষ্ট। বাংলাদেশের মানুষ আল্লাহর দেওয়া শরিয়ত প্রতিষ্ঠা করুক সেটিও তারা মানতে রাজী নয়। তারা আল্লাহর অনুগত বান্দাহ হোক ও তার আইনের অনুসারি হোক এতেও তাদের আপত্তি। ইসলামের এ অতি সনাতন রূপকে তারা মৌলবাদ বলে। এজন্যই বাংলাদেশের অখন্ড ভূগোল যেমন টার্গেট তেমনি টার্গেট হলো একতাবদ্ধ জনগণও। যে কারণে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় তাদের প্রচন্ড আগ্রহ ছিল তেমনি আগ্রহ বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করায়ও। এজন্যই ১৯৭১ এ বিজয়ের পর পরই শুরু হয় ভারতীয় সেনাবাহিনীর ব্যাপক লুণ্ঠন প্রক্রিয়া। তাদের হাতে পাকিস-ান আর্মির ফেলে যাওয়া অস্ত্রসামগ্রীই শুধু লুট হয়নি। লুট হয়েছে অফিস-আদালত ও কলকারখানার বহু হাজার কোটি টাকার মালামাল। তাদের কাছে পাকিস-ান ভাঙ্গাটি ছিল প্রথব পর্ব মাত্র, শেষ পর্ব নয়। ভূগোল ভাঙ্গার লক্ষ্যে ভারতীয় সরকার ও পুলিশের সামনে পশ্চিম বাংলার মাটিতে প্রতিপালিত হচ্ছে ‘‘স্বাধীন বঙ্গভূমি’’ প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। খুলনা, যশোর, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, বরিশাল এসব প্রাক্তন বৃহত্তর জেলাগুলোকে বাংলাদেশ থেকে পৃথক করে এরা স্বাধীন বঙ্গভূমি রাষ্ট্র গড়তে চায়। এদের নেতা চিত্তরঞ্জন সুতার এক কালে আওয়ামী লীগের টিকেটে সংসদ সদস্য ছিলেন। জনগণকে বিভক্ত রাখার স্বার্থে এদের কাছে অতি গুরুত্বপূর্ণ হলো, বিভেদের সূত্রগুলো খুঁজে বের করা। আর এক্ষেত্রে সবচেয়ে উপযোগী হাতিয়ার রূপে ব্যবহৃত হচ্ছে একাত্তরের বিবাদ। ফলে বাংলাদেশের অধিকাংশ জনগণ চাইলে কি হবে, একাত্তরের ঘটে যাওয়া বিবাদ ও বিভক্তির সে দহন বেদনা থেকে বাংলাদেশের জনগণের মূক্তি নেই। বরং সে বিভক্তিকে আরো বিষাক্ত করে তারা আরেকটি গৃহযুদ্ধ শুরু করতে চায়। তাই স্বাধীনতার পক্ষ-বিপক্ষের বিতর্ক শেষ হবার নয়। বরং এ বিভেদ স'ায়ী রাখতে ভারত ও তাঁর তাবেদার পক্ষ অবিরাম পেট্রোল ঢালতেই থাকবে। ভারতের সাথে এখন যুক্ত হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্র পক্ষ। ইসলামের প্রতিষ্ঠার বিরুদ্ধে এরা সবাই মিলে গড়ে তুলেছে গ্লোবাল কোয়ালিশন। ইসলামকে এরা সবাই প্রতিপক্ষ শক্তি রূপে দেখে। বাংলাদেশের ১৪ কোটি মুসলমান যে মুসলিম উম্মাহর অংশ সে বিষয়টি বহু মুসলিম ভুলে গেলেও তারা ভূলতে রাজি নয়। ফলে যে লক্ষ্যে আরবদের বিভক্ত রেখেছে সেই একই লক্ষ্যে বাংলাদেশের মুসলমানদেরকেও তারা বিভক্ত রাখতে চায়। সে বিভক্তি সৃষ্টির লক্ষ্যেই বাংলাদেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ পাশ্চাত্য শক্তিবর্গের বিনিয়োগ শত শত কোটি টাকা। বিপুল বিনিয়োগে নেমেছে ভারত সরকারও। তবে শিল্পখাতে নয়। অর্থনীতির অন্য খাতেও নয়। বিনিয়োগ হচ্ছে দেশের সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বুদ্ধিজীবী, রাজনৈতিক নেতা-কর্মী এবং এনজিও পরিচালকদের উপর।
অফলাইন
.................১৯৭১ জানতে চাই
অফলাইন