অফলাইন 
আমি বাইরে পড়াশুনা করতে আগ্রহী...... আমাকে কেউ উপদেশ দিলে উপকৃত হব। আসলে দেশের প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় গুলতে পড়তে যে খরচ সে হিসাবে বাইরে পড়াশুনা করা কি ভালো হবে...... শুনেছি বাইরে পার্টটাইম কাজ করে পরাশুনার খরচ চালানো যায়। আমি বড় ভাইয়াদের মতামত আশা করছি......
অফলাইন
হায় হায় রে কি করবো সময় নাই !বাইরে যাবার ইচ্ছা খুব বেশী রাখলে যাওয়া হয় না
তখন মন খারাপ হয়
ইচ্ছা কম রাখবেন ট্রাই করবেন নিজে নিজে
ঠিকই চলে যাবেন একসময়
অফলাইন
অফলাইন 
আহমাদ মুজতবা লিখেছেন:
বাইরে যাবার ইচ্ছা খুব বেশী রাখলে যাওয়া হয় না
তখন মন খারাপ হয়
ইচ্ছা কম রাখবেন ট্রাই করবেন নিজে নিজে
ঠিকই চলে যাবেন একসময়
ভাই আমি আপাতত একটা বেসরকারীতে ভর্তি হব এবং বাইরে চেষ্টা চালাতে থাকব...... হইলে হবে না হইলে দেশেই একটা সিল পামু আর কি...... আপনি কি বলেন?
অফলাইন
হায় হায় রে কি করবো সময় নাই !রবি লিখেছেন:
ভাই আমি আপাতত একটা বেসরকারীতে ভর্তি হব এবং বাইরে চেষ্টা চালাতে থাকব...... হইলে হবে না হইলে দেশেই একটা সিল পামু আর কি...... আপনি কি বলেন?
আমি তো কই পেরাইভেট ইউনি থেইকা বাইরে যাইয়া পড়া অনেক অনেক ভালো
আপনি সময় কইরা IELTS or TOEFL কইরা ফেলান
ব্যাস অস্ট্রেলিয়া, সুইডেন অথবা ইংল্যান্ড এ টেরাই করেন এইগুলাতে মনে হয় খুব একটা কঠিন হবে না...
আর বাইরে কোন পরিচিত কেউ থাকলে তাকে বলুন আপনাকে ভার্সিটি ভর্তির ব্যাপারে সাহায্য করতে...মানে ইনভাইটেশন লেটার যদি পেতে পারেন তাহলেই আপনার এম্বাসি ফেইস করা সহজ হবে অনেক... আমাদের এক ফ্রেন্ড ইংল্যান্ড যাচ্ছে ওর বোন সেখান থেকে একটা কলেজে ভর্তির ব্যাপারে ওকে সাহায্য করেছে... ব্যাস ঐ কাগজ পত্র দেখানোর ১ সপ্তাহের মাঝেই ওর ভিসা কনফার্ম হয়েছে... কি মজা তাই না!
আমারও অবশ্য এইচ,এস,সি র পরে ইউ,এস যাওয়া হইতে পারে আর তখন যদি না হয় তাহলে ডাক্তারী পড়ার পরে সিওর যাবো... ইনশাল্লাহ দোয়া করবেন ... আমার লক্ষ্য মেডিকেল ওখানে চান্স পাইতেই হবে যেভাবেই হোক... 
এখন বাকিটা আল্লাহর ইচ্ছা 
অফলাইন
বায়বীয় পোস্টরবি লিখেছেন:
আমি বাইরে পড়াশুনা করতে আগ্রহী...... আমাকে কেউ উপদেশ দিলে উপকৃত হব। আসলে দেশের প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় গুলতে পড়তে যে খরচ সে হিসাবে বাইরে পড়াশুনা করা কি ভালো হবে...... শুনেছি বাইরে পার্টটাইম কাজ করে পরাশুনার খরচ চালানো যায়। আমি বড় ভাইয়াদের মতামত আশা করছি......
কোন বিষয়ে পড়াশোনা করতে আগ্রহী সেটা জরুরী। এছাড়া, কোথায় স্থায়ী হতে চান সেটাও জরুরী। অর্থাৎ পড়াশেষে যেখানে থাকতে চান (দেশে: ঢাকা/ঢাকার বাইরে অথবা বিদেশে) সেখানে কোন ধরণের পেশাদারের চাহিদা রয়েছে/ তৈরী হবে সেটা দেখে বিষয় নির্বাচন করা জরুরী। যেমন: কেউ যদি দেশে থাকতে/ফিরতে চান তাহলে অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার কোন মানে নাই।
কোথায় কোন কাজের চাহিদা বেশি সেটা জানতে বিভিন্ন চাকরীর সাইটে ঢু মারতে পারেন। তাহলেই চাকরীর বাজার সম্পর্কে একটা ধারণা পাওয়া যাবে। সেই অনুযায়ী বিষয় নির্বাচন করতে সুবিধা হবে।
পড়াশোনার খরচ দেশের চেয়ে বিদেশে বেশি। আমি একটা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে পড়াচ্ছি। এখানে ইঞ্জিনিয়ারিং করতে গড়ে মোট (১,৮০০টাকা/ক্রেডিট * ১৪৬ ক্রেডিট + ১০ সেমিস্টারের ল্যাব ফী ১০০০০ =) ২,৭২,৮০০ টাকা লাগে। তবে, আসল খরচ আরও কম। কারণ ফলাফলের উপর ভিত্তি করে ২০% - ১০০% টিউশন ওয়েইভার পাওয়া যায়। তাই খরচও অনেক কমে আসে। ৪ মাসে এক সেমিস্টার; সেমিস্টারের পেমেন্ট এক মাস পর পর করে ৩ বারে করতে হয়। সেই হিসেবে প্রতিবারে সর্বোচ্চ ৯,৫০০ টাকা (ওয়েইভার ছাড়া) খরচ লাগে। সাধারণত: ওয়েইভার সহ মাসে ৪,০০০ টাকার বেশি লাগে না। অন্য দেশি প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিগুলোতেও মোটামুটি এরকমই বা একটু বেশি খরচ পড়ে বলে জানি।
দেশে থাকলে থাকা-খাওয়ার খরচ কম। বিদেশে সেটা বেশি। অবশ্য প্রবাসে যদি কোন নিকটাত্মীয় থাকে (ভাই/বোন/চাচা/মামা ইত্যাদি) তাহলে হয়ত থাকা খাওয়ার খরচ খুবই কমে যেতে পারে। একজন নবাগতের জন্য পার্ট-টাইম চাকরী খুব সহজ কিছু নয় দুটি কারণে। প্রথমত: ঐ নতুন জায়গার রীতিনীতি/ভাষা না জেনে চাকরী করলে ব্যবসার ক্ষতি হতে পারে - তাই চাকরীদাতারা একটু শঙ্কিত থাকে; বেতন কম দেয়। দ্বিতীয়ত: হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করতে হয়। আমাদের দেশের মত গায়ে হাওয়া লাগিয়ে বেড়ানোর কোন উপায় নেই। আর ঐ পরিশ্রমের পর পড়াশোনা এবং ভাল ফলাফল করা খুবই কঠিন। অনেকেই বাইরে গিয়ে সেজন্য এডজাস্ট করতে পারেন না... ফ্রাস্টেশনে ভোগেন। অর্থনৈতীক দায়ের কথা মনে করে ফিরেও আসতে পারেন না, পড়াশোনাও হয় না।
তবে আমার কাছে খরচের চেয়ে হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রমটাকে বড় অন্তরায় মনে হয়।
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন শামীম (০৮-০৩-২০০৮ ১৮:৫৩)
অফলাইন
অফলাইন 
আপনাকে ধন্যবাদ শামীম ভাই।
অফলাইন
হায় হায় রে কি করবো সময় নাই !শামীম লিখেছেন:
কোন বিষয়ে পড়াশোনা করতে আগ্রহী সেটা জরুরী। এছাড়া, কোথায় স্থায়ী হতে চান সেটাও জরুরী। অর্থাৎ পড়াশেষে যেখানে থাকতে চান (দেশে: ঢাকা/ঢাকার বাইরে অথবা বিদেশে) সেখানে কোন ধরণের পেশাদারের চাহিদা রয়েছে/ তৈরী হবে সেটা দেখে বিষয় নির্বাচন করা জরুরী। যেমন: কেউ যদি দেশে থাকতে/ফিরতে চান তাহলে অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার কোন মানে নাই।
কোথায় কোন কাজের চাহিদা বেশি সেটা জানতে বিভিন্ন চাকরীর সাইটে ঢু মারতে পারেন। তাহলেই চাকরীর বাজার সম্পর্কে একটা ধারণা পাওয়া যাবে। সেই অনুযায়ী বিষয় নির্বাচন করতে সুবিধা হবে।
পড়াশোনার খরচ দেশের চেয়ে বিদেশে বেশি। আমি একটা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে পড়াচ্ছি। এখানে ইঞ্জিনিয়ারিং করতে গড়ে মোট (১,৮০০টাকা/ক্রেডিট * ১৪৬ ক্রেডিট + ১০ সেমিস্টারের ল্যাব ফী ১০০০০ =) ২,৭২,৮০০ টাকা লাগে। তবে, আসল খরচ আরও কম। কারণ ফলাফলের উপর ভিত্তি করে ২০% - ১০০% টিউশন ওয়েইভার পাওয়া যায়। তাই খরচও অনেক কমে আসে। ৪ মাসে এক সেমিস্টার; সেমিস্টারের পেমেন্ট এক মাস পর পর করে ৩ বারে করতে হয়। সেই হিসেবে প্রতিবারে সর্বোচ্চ ৯,৫০০ টাকা (ওয়েইভার ছাড়া) খরচ লাগে। সাধারণত: ওয়েইভার সহ মাসে ৪,০০০ টাকার বেশি লাগে না। অন্য দেশি প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিগুলোতেও মোটামুটি এরকমই বা একটু বেশি খরচ পড়ে বলে জানি।
দেশে থাকলে থাকা-খাওয়ার খরচ কম। বিদেশে সেটা বেশি। অবশ্য প্রবাসে যদি কোন নিকটাত্মীয় থাকে (ভাই/বোন/চাচা/মামা ইত্যাদি) তাহলে হয়ত থাকা খাওয়ার খরচ খুবই কমে যেতে পারে। একজন নবাগতের জন্য পার্ট-টাইম চাকরী খুব সহজ কিছু নয় দুটি কারণে। প্রথমত: ঐ নতুন জায়গার রীতিনীতি/ভাষা না জেনে চাকরী করলে ব্যবসার ক্ষতি হতে পারে - তাই চাকরীদাতারা একটু শঙ্কিত থাকে; বেতন কম দেয়। দ্বিতীয়ত: হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করতে হয়। আমাদের দেশের মত গায়ে হাওয়া লাগিয়ে বেড়ানোর কোন উপায় নেই। আর ঐ পরিশ্রমের পর পড়াশোনা এবং ভাল ফলাফল করা খুবই কঠিন। অনেকেই বাইরে গিয়ে সেজন্য এডজাস্ট করতে পারেন না... ফ্রাস্টেশনে ভোগেন। অর্থনৈতীক দায়ের কথা মনে করে ফিরেও আসতে পারেন না, পড়াশোনাও হয় না।
তবে আমার কাছে খরচের চেয়ে হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রমটাকে বড় অন্তরায় মনে হয়।
আপনার মূল্যবান মন্তব্য জীবনে অনেক কাজে দিবে
অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে শামীম ভাই
অফলাইন
শামীম লিখেছেন:
:
...হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করতে হয়। আমাদের দেশের মত গায়ে হাওয়া লাগিয়ে বেড়ানোর কোন উপায় নেই। আর ঐ পরিশ্রমের পর পড়াশোনা এবং ভাল ফলাফল করা খুবই কঠিন। অনেকেই বাইরে গিয়ে সেজন্য এডজাস্ট করতে পারেন না... ফ্রাস্টেশনে ভোগেন। অর্থনৈতীক দায়ের কথা মনে করে ফিরেও আসতে পারেন না, পড়াশোনাও হয় না।
তবে আমার কাছে খরচের চেয়ে হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রমটাকে বড় অন্তরায় মনে হয়।
![]()
প্রবাসী বড়ভাই/কাছের বন্ধুদের অভিজ্ঞতা থেকে দেখাঃ এরপরেও যারা আন্ডার গ্রাজুয়েশন লেভেলে যেতে চায়, একটি গ্রুপ করে যাওয়া অন্তত ভালো। যাতে একই সাবজেক্টে গ্রুপ স্টাডী করতে পারে। পার্ট-টাইম চাকরী, এরপর বাসায় এসে নিজের জন্যে রান্না/বাজার করা, বিল দেওয়া; এত কিছুর পরে পড়া-শোনা ব্যাপারটি সহজ নয়। আরেকটি ব্যাপার হলঃ অর্থনৈতিক স্বাধীনতা। পার্ট-টাইম চাকরী দিয়ে যা আয় হয়, তা দিয়ে অনেক দেশেই লোন সিস্টেমের আওতায় খুব সহজে সেখানে ভালো একটি গাড়ীও কিনে ফেলা যায়।এই ধরনের চাক-চিক্য জীবন উপেক্ষা করে পড়া-শোনা করাটাও কারো কারো কাছে কঠিন হয়ে যায়।
শামীম ভাই, অনার্স লেভেলে শিক্ষাগত মানের তুলনা নিয়ে কিছুটা আলোচনা করতে পারেন। অবশ্যই আলাদা থ্রেডে। যারা প্রবাসে থেকে এসেছেন, তারা আলোচনা করলে সবাই উপকৃত হবেন।
অফলাইন
বিদেশে যাওয়ার আগে নিজেকে ভাল করে জানতে হবে যেমন আপনার যোগ্যতা কি বা আপনার সামর্থ্য কতটুকু আছে এসব দিক দেখার পরে চেস্টা সুরু করেন
মুজতবা ভাইয়ের কথায় চিন্তিত হয়ে ইচ্ছা ছেরে বা কমিয়ে দেয়ার দরকার নাই একটা কথা মনে রাখবেন পৃথিবী খুব ছোট কোথাও যাওয়া বা খাপ খাইয়ে চলা অসম্ভব নয়।
আর মুজতবা ভাইয়ের কথা মত IELTS TOEFL দিতে পারেন তবে যদি খুব ধনী না হন আর উদ্দেশ্য যদি পরাশুনা হয় তবে তার কথা মত সুইডেন বাদে বাকী ২ টা দেশে পড়তে যাওয়ার দরকার নাই তবে রুমন ভাই যা বলছে তাই হবে।
আর বিদেশে কাজ করে পরাশুনা করা খুব কঠিন তবে অসম্ভব নয়।
আর ভর্তির ব্যাপারে পরিচিত কারো দরকার নাই নিজেই নেটে খুজে বের করুন কিভাবে ইনভাইটেশন লেটার পাওয়া যায়।
বিদেশে পড়তে গিয়ে টাকার গচ্ছা যাবেনা হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রমের দরকার হবেনা আবার পরাশুনাও ঠিকভাবে হবে এমন একটা উপায় বা যায়গা খুজে বের করুন না।
সবসময় নিজের মন যা চাইবে তাই করবেন।
তবে একটা কথা মাথায় রাখবেন বিদেশে পরাশুনা করতে গিয়ে ধনী হয়ে ফিরে আসার ইচ্ছা কখনও করবেন না কারন আপনার উদ্দেশ্য হবে পরাশুনা। আর ইউরোপে student দের আলাদা মুল্যায়ন কাজের অনেক প্রকারভেদ আছে তবে তার জন্য আপনার যোগ্যতা এবং দক্ষতা থাকতে হবে।
আর শামীম ভাইয়ের কথায় মন খারাপ করার কিছুই নাই বিদেশে পড়ার ক্ষেত্রে কোন অন্তরায় নাই।
অফলাইন
শামীম লিখেছেন:
একজন নবাগতের জন্য পার্ট-টাইম চাকরী খুব সহজ কিছু নয় দুটি কারণে। প্রথমত: ঐ নতুন জায়গার রীতিনীতি/ভাষা না জেনে চাকরী করলে ব্যবসার ক্ষতি হতে পারে - তাই চাকরীদাতারা একটু শঙ্কিত থাকে; বেতন কম দেয়। দ্বিতীয়ত: হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করতে হয়। আমাদের দেশের মত গায়ে হাওয়া লাগিয়ে বেড়ানোর কোন উপায় নেই। আর ঐ পরিশ্রমের পর পড়াশোনা এবং ভাল ফলাফল করা খুবই কঠিন।
হাইলাইট করে দিলাম। পার্টটাইম চাকুরি করে পড়ার চিন্তা অন্তত কানাডা বা আমেরিকায় না করাই উত্তম। পরে পস্তাতে হবে।
অফলাইন
প্রকৃতিপ্রেমিক লিখেছেন:
হাইলাইট করে দিলাম। পার্টটাইম চাকুরি করে পড়ার চিন্তা অন্তত কানাডা বা আমেরিকায় না করাই উত্তম। পরে পস্তাতে হবে।
পার্টটাইম চাকুরি করে কানাডা বা আমেরিকায় পড়া সম্ভব তবে সেক্ষেত্রে আপনার টিউশন ফিস টা যেন না থাকে কানাডা বা আমেরিকার দৈনন্দিন যা খরচ তা পার্টটাইম চাকুরি করে মেটানো সম্ভব। আর এই দুই দেশেই ফিস ছাড়া পড়া সম্ভব তবে টিউশন ফিস দিয়ে এই দুই দেশে যাওয়া বোকামী কারন সমমানের শিক্ষা অন্য দেশ থেকে কম খরচে পাওয়া সম্ভব।
পার্টটাইম চাকুরি করে কানাডা বা আমেরিকার পড়ার খরচ মিটানো প্রায় অসম্ভব তাই নিজের সীমাবদ্দতার কথা মাথায় রেখে আগানো উচিত।
অফলাইন
কানাডাতে টুইশান ফি দিতে হয়না এমন কোন ইউনিভার্সিটির কথা আমি জানিনা। কোনো কোনো ভার্সিটি তাদের লোকাল (ইমিগ্রান্ট বা নেটিভ ক্যানাডিয়ান) স্টুটেন্ডদের জন্য টুইশান স্কলারশীপ দেয়। বিদেশীদের সেটা পাওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই।
আর কানাডায় (অন্টারিও প্রদেশে) পার্টটাইম কাজ করার কোন সুযোগই নাই অন্তত প্রখম ছয় মাস। তার পরেও কাজ পাওয়া খুবই কঠিন। আর আন্ডারগ্র্যাডে ৫-৬টা কোর্স নিয়ে পার্টটাইম কাজ করা অধিকাংশ বাংগালীর পক্ষেই অসম্ভব। তবে কিছু ইউনিভার্সিটিতে কো-অপ আছে যেখানে একটা সেমিস্টারে কাজ পাওয়ার সুযোগ আছে। তবে সেটাও বেশ কম্পিটিটিভ।
অফলাইন
বাবু লিখেছেন:
পার্টটাইম চাকুরি করে কানাডা বা আমেরিকার পড়ার খরচ মিটানো প্রায় অসম্ভব তাই নিজের সীমাবদ্দতার কথা মাথায় রেখে আগানো উচিত।
আমেরিকার কথা জানিনা। তবে কানাডায় "প্রায় অসম্ভব" না; আমি বলব অসম্ভব।
অফলাইন
হায় হায় রে কি করবো সময় নাই !প্রকৃতিপ্রেমিক লিখেছেন:
বাবু লিখেছেন:
পার্টটাইম চাকুরি করে কানাডা বা আমেরিকার পড়ার খরচ মিটানো প্রায় অসম্ভব তাই নিজের সীমাবদ্দতার কথা মাথায় রেখে আগানো উচিত।
আমেরিকার কথা জানিনা। তবে কানাডায় "প্রায় অসম্ভব" না; আমি বলব অসম্ভব।
তাহলে পুলাপান কানাডা যেয়ে থাকে কেমনে অনেকেই তো স্টুডেন্ট ভিসায় কানাডা যাচ্ছে এবং কানাডার ভিসা প্রসেসিং আমেরিকার থেকে তুলনামূলক সহজ... তাহলে সেখানে এইরকম সমস্যা থাকলে মানুষ যাবে কেন?? আর ফ্রি পড়াশোনা কানাডাতে করা যায় না এইটার সাথে একমত হতে পারলাম না... আমার এক ভাইয়া কেমিস্ট্রি নিয়ে পড়াশোনা করছেন কানাডাতে সেখানে তার সমস্ত খরচ ভার্সিটি বহন করে এবং মাসে মাসে টাকাও পায় আলাদা... সেইটা কিভাবে সম্ভব হল?? অবশ্য আমি মন্ট্রিলের কথা বলছি
অফলাইন
আহমাদ মুজতবা লিখেছেন:
তাহলে পুলাপান কানাডা যেয়ে থাকে কেমনে অনেকেই তো স্টুডেন্ট ভিসায় কানাডা যাচ্ছে এবং কানাডার ভিসা প্রসেসিং আমেরিকার থেকে তুলনামূলক সহজ... তাহলে সেখানে এইরকম সমস্যা থাকলে মানুষ যাবে কেন?? আর ফ্রি পড়াশোনা কানাডাতে করা যায় না এইটার সাথে একমত হতে পারলাম না... আমার এক ভাইয়া কেমিস্ট্রি নিয়ে পড়াশোনা করছেন কানাডাতে সেখানে তার সমস্ত খরচ ভার্সিটি বহন করে এবং মাসে মাসে টাকাও পায় আলাদা... সেইটা কিভাবে সম্ভব হল?? অবশ্য আমি মন্ট্রিলের কথা বলছি
আপনি একটা ব্যাপার বুঝতে ভুল করছেন। গ্রাজুয়েট লেভেলে পড়াশুনা আর আন্ডাগ্যাডে পড়াশুনার মধ্যে বেশ ফারাক আছে। আন্ডাগ্র্যাড মানে হলো বাংলাদেশের ১ম বর্ষ থেকে ৪র্থ বর্ষ (অনার্স লেভেল)। দেশের মাস্টার্সকে এরা বলে গ্র্যাড লেভেল। মন্ট্রিয়ল পড়েছে কুইবেকের মধ্যে। ওদের নিয়ম বেশ আলাদা। তার সাথে পুরা কানাডার তুলনা করাটা বোধহয় ঠিক হবেনা। আপনার ভাইয়া মাসে মাসে যে টাকা পায় সেটা আন্ডারগ্র্যাডে ৪র্থ বর্ষের আগে কখনোই সম্ভব না। আমার ধারনা উনি মাস্টার্স/পিএইচডি লেভেলে পড়েন।
http://biggani.com/content/view/290/108/ লেখাটা পড়ে দেখতে পারেন।
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন প্রকৃতিপ্রেমিক (২০-০৪-২০০৮ ১১:২৬)
অফলাইন
বায়বীয় পোস্টআহমাদ মুজতবা লিখেছেন:
তাহলে পুলাপান কানাডা যেয়ে থাকে কেমনে অনেকেই তো স্টুডেন্ট ভিসায় কানাডা যাচ্ছে এবং কানাডার ভিসা প্রসেসিং আমেরিকার থেকে তুলনামূলক সহজ... তাহলে সেখানে এইরকম সমস্যা থাকলে মানুষ যাবে কেন?? আর ফ্রি পড়াশোনা কানাডাতে করা যায় না এইটার সাথে একমত হতে পারলাম না... আমার এক ভাইয়া কেমিস্ট্রি নিয়ে পড়াশোনা করছেন কানাডাতে সেখানে তার সমস্ত খরচ ভার্সিটি বহন করে এবং মাসে মাসে টাকাও পায় আলাদা... সেইটা কিভাবে সম্ভব হল?? অবশ্য আমি মন্ট্রিলের কথা বলছি
আমার ৩জন কলিগ কানাডার কয়েকটা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্সের জন্য বিভিন্ন অফার পেয়েছে। ইউনি. টরন্টো থেকে একজন পেয়েছে রিসার্চ এসিস্টেন্টশীপের বাৎসরিক ১৬হাজার ডলারের অফার + এর সাথে আরও ৩২০০ ডলার যেটা দিয়ে বিদেশীদের জন্য অতিরিক্ত টিউশন ফী মেটাতে হবে। টিউশন ফী মোটামুটি ৪ হাজার ডলার। ডর্মিটরিতে থাকা খাওয়া মিলিয়ে বছরে লাগবে ১১ হাজার ডলার। এর পাশাপাশি টি.এ.শীপের জন্যও আবেদন করতে বলেছে। সুতরাং বছরে হাতখরচ (১৬০০০+৩২০০ - ৪০০০ - ৩২০০ - ১১০০০ =) ১০০০ ডলার।
অফলাইন
ভাই আমি হলাম অ-ধনী মানুষের সন্তান। তাই অধিকাংশ ছাত্র/ছাত্রীদেরই সেরকমই মনে করি। যাদের হিসাবহীন টাকা আছে তাদের ছেলেমেয়েরাই কেবল বিদেশে এসে নিজের টাকা দিয়ে পড়তে পারে। এখানে এসে পার্টটাইম চাকুরি করে পড়াশুনা? 
চার বছরে নিজে তো কম দেখলামনা। http://www.sachalayatan.com/propremik/12826 এখানে একটা ঘটনার বর্ণনা আছে। গল্প না, সত্যি। সময় হলে পড়ে দেখতে পারেন। লেখাটার নিচে আরো অনেকের মন্তব্য পড়লেও একটা ধারনা পাওয়া যেতে পারে।
অফলাইন
হায় হায় রে কি করবো সময় নাই !হু ম ম ভাইয়া উনি পি,এইচ,ডী করতেছেন
@ প্রকৃতিপ্রেমিক
তাহলে কানাডায় পড়াশোনার জন্য যাবার চিন্তা কি বাদ দিতে হবে?
অফলাইন
আহমাদ মুজতবা লিখেছেন:
হু ম ম ভাইয়া উনি পি,এইচ,ডী করতেছেন
@ প্রকৃতিপ্রেমিক
তাহলে কানাডায় পড়াশোনার জন্য যাবার চিন্তা কি বাদ দিতে হবে?
বাদ দিবেন কেন? সম্ভব হলে আসবেন। তবে সবকিছু চিন্তাভাবনা করে আসবেন। যদি ভেবে থাকেন কাজ করে খরচ যোগাবেন, তাহলে বলব আরেকবার চিন্তা করে দেখেন।
অফলাইন