মাঝে মাঝেই এরকম পেপার দেখতাম বাংলাদেশে থাকার সময়।
আজ এক্কেবারে সম্মেলন করে ঘোষণা। কারো কাছে কি বাড়তি তথ্য আছে (চট্টগ্রামের কেউ?)
আলমগীর
দৈনিক দিনকাল থেকে:
অবিশ্বাস্য হলেও সত্য। বিজ্ঞানী গিয়াসউদ্দিনের আবিষ্কার শুধু বাংলাদেশকেই আন্দোলিত করবে না। নাড়িয়ে দেবে সমগ্র বিশ্বকে। তিনি জানিয়েছেন, কোনো প্রকার জ্বালানি ছাড়াই জেনারেটরের মাধ্যমে অফুরন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। সারাদেশে জ্বালানিসহ বিদ্যুৎ সংকট যখন ক্রমশ প্রকট হয়ে উঠছে এমনি সময়ে তরুণ বিজ্ঞানী গিয়াস উদ্দিনের এই উদ্ভাবনী শক্তি সবার মাঝে অভাবিত আশার সঞ্চার করেছে। কোনো রকম তেল, গ্যাস, পানি, বায়ু ছাড়াই উদ্ভাবিত এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে শুধু ক্ষুদ্র আঙ্গিকেই নয়, বৃহৎ পরিসরেও বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব বলে দাবি করেছেন গিয়াস উদ্দিন। যন্ত্রপাতি তৈরীর ব্যয় ছাড়া আর কোনো ব্যয় হবে না উদ্ভাবিত এই নতুন পদ্ধতিতে। চট্টগ্রামে উদ্ভাবিত জ্বালানিবিহীন বিদ্যুৎ উৎপাদন যন্ত্রটি গতকাল দুপুরে চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স মিলনায়তনে সাংবাদিক, সরকারি কর্মকর্তা, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও বিদ্যুৎ প্রকৌশলীদের সামনে উপস্থাপন করলে উপস্থিত সকলে এ উদ্ভাবন আন্তর্জাতিক মহলে সমাদৃত হবে বলে উল্লেখ করে বলেন, এ প্রকল্প সত্যিকার অর্থে বাস্তবায়িত হলে এটি যুগান্তকারী ঘটনা হিসাবে সারাবিশ্বে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করবে। গতকাল চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স মিলনায়তনে গিয়াস উদ্দিন কচি তার উদ্ভাবিত নতুন এ প্রযুক্তির মাধ্যমে এক হাজার ওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে দেখান। তিনি ৮০০ ওয়াটের একটি ড্রিল মেশিন চালিয়ে এবং ৫০০ ওয়াটের কয়েকটি বাতি জ্বালিয়ে উপস্থিত সকলকে অবাক করে দেন। এ সময় কয়েকজন প্রকৌশলী ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে গিয়াস উদ্দিন কচি বলেন, আমি ইঞ্জিনিয়ার হলে এটি আবিষ্কার করতে পারতাম না। কারণ এটি প্রচলিত সূত্রের সম্পূর্ণ বিপরীত একটি কাজ। কালিগঞ্জের ছেলে গিয়াস উদ্দিনের বয়স এখন ৩৭ বছর। মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পড়ালেখার পর আর এগুইনি। পেশা হিসাবে বেছে নেন সাইন বোর্ড ও ব্যানার লিখার কাজ। কিন্তু ছোটকাল থেকে বিদ্যুতের যন্ত্রপাতি নিয়ে তার ভাবনা। গ্রামের বিয়ে বাড়িতে জেনারেটরের মাধ্যমে বিদ্যুৎ বাতি জ্বলতে দেখে তার ভাবনাকে আরো বাড়িয়ে দিতো। এরপর থেকে নানা রকম বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশ সংগ্রহ করে চেষ্টা চলতে থাকে নিজের মত একটি জেনারেটর তৈরির কাজ। বছর তিনেক আগে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থেকে জীবিকার তাগিদে চট্টগ্রাম আসেন গিয়াস উদ্দিন কচি। তখন পরিচয় হয় চট্টগ্রামের সাংবাদিক হাসান নাছিরের সঙ্গে। তখন থেকে তিনি তার সার্বিক সহযোগিতায় জ্বালানিবিহীন এই আবিষ্কারে হাত দেন। পর্যায়ক্রমে এ প্রযুক্তিটি পরীক্ষামূলক পর্যায়ে উন্নীত করতে যখন আরো টাকার প্রয়োজন তখনই তাকে আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতা করতে এগিয়ে আসেন চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সিনিয়র সহ-সভাপতি এম এ লতিফ। তার সার্বিক সহযোগিতায় মূলত গিয়াস তার প্রযুক্তি উদ্ভাবন করতে পেরেছেন বলে জানান। এদিকে গিয়াস তার অভিজ্ঞতা বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, প্রথমে যখন আমি এজন্য চট্টগ্রামের বালুছড়াস্থ বিসিএসআইআর গবেষণাগারে যাই তখন এখানকার কর্মকর্তারা আমাকে কোনো রকম উৎসাহ কিংবা সহযোগিতা না করে উল্টো আমাকে পাগল আখ্যায়িত করে বলেন, কি বানিয়েছো বোমা? যাও রাস্তায় গিয়ে ফোটাগা। অথচ গতকাল চেম্বার মিলনায়তনে যন্ত্রটি প্রদর্শনকালে সেই প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। গতকাল উপস্থিত ভারতের ওয়েস ইঞ্জিনের সার্ভিস ম্যানেজার সৌমেন চক্রবর্তী বলেছেন, চূড়ান্ত বিবেচনায় এটি সফল হলে তড়িত বিজ্ঞানের বিশ্বব্যাপী প্রচলিত সূত্রই পাল্টে দেবে গিয়াসের এই আবিষ্কার।
অফলাইন
ফোরামের মাইগ্রেশন করছি, সাথে খালি ভুল! আমারে মাফ করো সবাই
!আমি এটা প্রথম আলোতে পড়েছি। এর চেয়ে বেশি কিছু জানার সুযোগ হয়নি।
তবে যে ওয়াটের বিদ্যুতের কথা এখানে বলা হয়েছে তাতে দুই পত্রিকাতে একটু গরমিল আছে। তবে মোট উৎপাদন ১০০০ওয়াট ঠিকই আছে। প্রথম আলোতে এও বলা হয়েছে ২০০ ওয়াট বিদ্যুত লাগে ডাইনামোটা ঘুরাতে। বাকি ৮০০ ওয়াট ব্যবহার করা যাবে। তবে প্রথমে ডাইনোমে ঘুরানোর জন্য বিদ্যুত না থাকলে সেটা হাত দিয়েও ঘুরানো যাবে।
যাহোক, অভিনন্দন গিয়াসউদ্দিনকে।
এখন দরকার তার উদ্ভাবনের স্বত্ব সংরক্ষণ আর দেশে সম্ভাব্যতা যাচাই করে দ্রুত বাস্তবায়।
; যদি ব্যাংক একাউন্ট লোপাট হয়ে যায়
!অফলাইন
যুদ্ধের কী দরকার!খবরটা সকালে দেখে পত্রিকাতে
মোর চোখ গোলগোল হয়ে গেল তাতে।
পত্রিকাওয়ালাতো কত কিছুই ছাপে,
ইয়া মোটা গাছ তারা কাটে এক কোপে।
আপনাদের মতই আমি করিনি বিশ্বাস,
করুক আগে ব্যাখ্যা, জারিজুরি ফাস।
সায়েন্টিফিক জার্নালে প্রকাশিত হলে পরে
তার আগ পর্যন্ত শুধু কিন্তু কিন্তু করে।
রিভিউয়ার ব্যাটারা মহা ধড়িবাজ,
কোন কিছুই নয় তাঁদের চোখের আন্দাজ।
ওরা চেখে, চেটে পুটে স্বীকার করলে পরে,
কাঁধের পরে নিয়ে ব্যাটারে নাচবো তা ধিন তারে ...
অফলাইন
অলস সময়ের পাড়েজটিল সংবাদ। এইটা যদি প্রকৃতপক্ষেই প্রাতিষ্ঠানিক ভাবেবাস্তবায়িত করা যায় তাহলে বিদ্যুত সমস্যা চিরতরে লাঘব হবে।

অফলাইন
কোডার, ধ্রুব
কোন কিছু ছাড়া যদি কিছু বানানো যেত তাহলে পৃথিবী মিথ্যা হয়ে যাবে।
এ ধরনের 'আবিষ্কারের' কথা প্রতি বছর বের হয়। আমি দেশে থাকার সময় দুতিনবার বিশাল চিঠিও পড়েছি (জাফর স্যারের কাছে লেখা, স্যারের আজাইরা সময় নাই সেসব পড়ার, আমি পড়ে আহ উহ করে উত্তর লিখে দিতাম)।
আলমগীর
অফলাইন
অলস সময়ের পাড়েএইটাও ঠিক যে শক্তি কখন সৃষ্টি বা ধ্বংস হয় না। তাই এই খবরের সত্যতা নিয়ে হয়ত একটু সন্দিহান আমি। তবুও, "যাহা রটে তাহার কিছু হলেও বটে" এই হিসেবেই বলা যে ব্যাপার গুলোকে যাচাই করে উৎসাহিত করা উচিত।

অফলাইন
মুঠোফোনে সুডোকু খেলছিশক্তির নিত্যতা সূত্রানুসারে এটি অসম্ভব।কারন শক্তির সৃষ্টি বা বিনাশ নেই।১০০০ ওয়াট শক্তি উৎপন্ন করতে এই সূত্রানুসারে অবশ্যই ১০০০ ওয়াট এর চেয়ে বেশি শক্তি লাগবে কারন শক্তি উৎপন্নকালে বেশ কিছু শক্তি তাপশক্তি,শব্দশক্তি ও অন্যন্য শক্তি আকারে নষ্ট হবে।
তবে এটি সত্য হলে আবিষ্কারকের নোবেল পাওয়া উচিৎ কারন তাহলে শক্তির রূপান্তর সম্পর্কে বিজ্ঞানের চিরায়ত ধারনা পাল্টে যাবে।
অফলাইন
বুঝতে পারছিনা খবরটার ভিত্তি কতখানি??? 
কেউকি ব্যাখ্যা করবেন এরকম আবিস্কার আসলেই সম্ভব?? তাহলে ভালোই হবে ![]()
সব পত্রিকায় তো একসাথে একটি বাজে কথা ছাপবেনা 
নোবেল পুরুস্কার না পাইলে সমস্যা নাই কেবল বাস্তবায়ন হলেই হলো। দেশের বিদ্যুৎ ঘাটতি কমে যাবে।
অফলাইন
আমার মানি ব্যাগ হারানো গেছে। 


হায় হায় এই রকম একটা বিষয় সত্যি হলে আমার আর তেলের দেশ কাতারে কাজ করার দরকার নাই, এটা সত্য হলে তেলের আর তেমন চাহিদা থাকবে না, রিয়াল এর দাম পড়ে যাবে। 
অফলাইন
ফোরামের মাইগ্রেশন করছি, সাথে খালি ভুল! আমারে মাফ করো সবাই
!আলমগীর লিখেছেন:
কোডার, ধ্রুব
কোন কিছু ছাড়া যদি কিছু বানানো যেত তাহলে পৃথিবী মিথ্যা হয়ে যাবে।
এ ধরনের 'আবিষ্কারের' কথা প্রতি বছর বের হয়। আমি দেশে থাকার সময় দুতিনবার বিশাল চিঠিও পড়েছি (জাফর স্যারের কাছে লেখা, স্যারের আজাইরা সময় নাই সেসব পড়ার, আমি পড়ে আহ উহ করে উত্তর লিখে দিতাম)।
আলমগীর
আমি আপনাদের মত বিজ্ঞানের ছাত্র নই। এসব বুঝিও না। কিন্তু আপনার যেটা মিস করেছেন সেটা হল সে তো কোথাও বলেনি কিছু ছাড়াই বিদ্যুত তৈরি হবে। গাড়ির ইঞ্জিনের ব্যাটারি যেভাবে কাজ করে বিষয়টা সেরকমই।
প্রথমবার কাজ শুরু করার জন্য তার বিদ্যুতের দরকার হয়। কিন্তু একবার চালু হওয়ার পর থেকেই উৎপাদিত বিদ্যুতের একটা অংশ সে আবার তার জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করে। তাহলে এখানে কিছুনা টা কোথায় পেলেন?
ধন্যবাদ।
আশাবাদী লিখেছেন:
বুঝতে পারছিনা খবরটার ভিত্তি কতখানি???
কেউকি ব্যাখ্যা করবেন এরকম আবিস্কার আসলেই সম্ভব?? তাহলে ভালোই হবে
সব পত্রিকায় তো একসাথে একটি বাজে কথা ছাপবেনা
নোবেল পুরুস্কার না পাইলে সমস্যা নাই কেবল বাস্তবায়ন হলেই হলো। দেশের বিদ্যুৎ ঘাটতি কমে যাবে।
আজকের প্রথম আলোর ৩ নং পৃষ্ঠার ১,২ ও ৩ কলাম দ্রষ্টব্য। আলমগীর ভাইতো দিনকালের সংবাদ দিয়েছেন ই।
প্রথম আলোতে দেয়া ইঞ্জিনিয়ারদের বক্তব্য:
প্রকৌশলী আবুল কাশেম লিখেছেন:
এই প্রকল্প দেখে মনে হচ্ছে বিদ্যুতের তত্ত্ব (ইলেকট্রিক্যাল থিওরি) বদলে যাচ্ছে। সফল হলে এটি হবে অবশ্যই যুগান্তকারী ঘটনা।
জিইসি'র প্রকৌশলী এ বি এম এ বাসেত লিখেছেন:
প্রকৌশলী হিসেবে আমি বলব, এটা অসম্ভব। কিন্তু চোখের সামনে দেখছি তা আসলে বিস্ময়কর।উদ্ধাবককে তাঁর কৌশল গোপন রাখা উচিত।
; যদি ব্যাংক একাউন্ট লোপাট হয়ে যায়
!অফলাইন
হাঙ্গরিকোডার লিখেছেন:
আমি আপনাদের মত বিজ্ঞানের ছাত্র নই। এসব বুঝিও না। কিন্তু আপনার যেটা মিস করেছেন সেটা হল সে তো কোথাও বলেনি কিছু ছাড়াই বিদ্যুত তৈরি হবে। গাড়ির ইঞ্জিনের ব্যাটারি যেভাবে কাজ করে বিষয়টা সেরকমই।
প্রথমবার কাজ শুরু করার জন্য তার বিদ্যুতের দরকার হয়। কিন্তু একবার চালু হওয়ার পর থেকেই উৎপাদিত বিদ্যুতের একটা অংশ সে আবার তার জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করে। তাহলে এখানে কিছুনা টা কোথায় পেলেন?
শক্তির নিত্যতা বলে একটা কথা আছে। এটা পৃথিবী ও মহাবিশ্বের মূলমন্ত্রগুলোর একটি।
গাড়ির ব্যাটারি চার্জ হয় গাড়ির ইঞ্জিনে লাগানো ছোট্ট জেনারেটর দিয়ে। আর ইঞ্জিন চলে পেট্রল বা ডিজেলে।
উৎপাদিত বিদ্যুতের একটা অংশকে ব্যবহার করা সম্ভব না। পুরোটা করলেও সম্ভব না।
প্রথম আলোতে দেয়া ইঞ্জিনিয়ারদের বক্তব্য নিয়ে আর কী বলব। জাতি হিসেবে আমরা একেবারে মুর্খ।
অফলাইন
মুঠোফোনে সুডোকু খেলছিআমি আপনাদের মত বিজ্ঞানের ছাত্র নই। এসব বুঝিও না। কিন্তু আপনার যেটা মিস করেছেন সেটা হল সে তো কোথাও বলেনি কিছু ছাড়াই বিদ্যুত তৈরি হবে। গাড়ির ইঞ্জিনের ব্যাটারি যেভাবে কাজ করে বিষয়টা সেরকমই।
প্রথমবার কাজ শুরু করার জন্য তার বিদ্যুতের দরকার হয়। কিন্তু একবার চালু হওয়ার পর থেকেই উৎপাদিত বিদ্যুতের একটা অংশ সে আবার তার জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করে। তাহলে এখানে কিছুনা টা কোথায় পেলেন?
এখানে সমস্যা হচ্ছে শক্তির রূপান্তর সূত্র।গাড়ির ব্যাটারিতে ব্যাটারি চার্জ করার জন্য যে পরিমান শক্তি প্রয়োজন হয় চার্জিত ব্যাটারি থেকে তার চেয়ে অনেক কম শক্তি পাওয়া যায়।কারন এক্ষেত্রে কিছু শক্তি তাপশক্তি হিসেবে নষ্ট হয়।শক্তির নিত্যতা সূত্র নিম্নরূপে ব্যাখ্যা করা যায়ঃ
ধরুন একটি ইঞ্জিনে জ্বালানি পুড়িয়ে X পরিমান শক্তি উৎপন্ন হয়।সেই শক্তি দিয়ে একটি মোটর দিয়ে পানি তোলা হয়।এক্ষেত্রে মোটরে X1 পরিমান শক্তি শব্দ শক্তিতে , X2 পরিমান শক্তি তাপ শক্তিতে এবং X3 পরিমান শক্তি পানি তোলার কাজে ব্যায় হচ্ছে।তাহলে X =X1+X2+X3 হবে।অর্থ্যাৎ উৎপন্ন শক্তি ও ব্যায়িত শক্তি সর্বদা সমান হবে।
আলোচ্য যন্ত্রে ২০০ ওয়াট শক্তি ব্যায় করে ১০০০ ওয়াট শক্তি উৎপন্ন করা হচ্ছে অর্থ্যাৎ ৮০০ ওয়াট শক্তি অতিরিক্ত উৎপন্ন হচ্ছে যা পদার্থবিজ্ঞানের প্রচলিত তত্ত্ব অনুসারে সম্ভব নয়।
অফলাইন
নামাজ পড়তে মাত্র কয়েক মিনিট সময় লাগে। আপনি আজকের নামাজ পড়েছেন কি???শামীম লিখেছেন:
আপনাদের মতই আমি করিনি বিশ্বাস,
করুক আগে ব্যাখ্যা, জারিজুরি ফাস।
সায়েন্টিফিক জার্নালে প্রকাশিত হলে পরে
তার আগ পর্যন্ত শুধু কিন্তু কিন্তু করে।
আসলে অফুরুন্ত চলা সম্ভব নয়। এর আগে এধরনের চেষ্টা বিফলে গেছে। এখন দেখার বিষয় উনার ক্ষেত্রে সফলতা কতটুক আসে। যাই হোক সফলতার প্রতিক্ষায় রইলাম।
অনলাইন
মাথা ধরে যাচ্ছে। এতো চাপ নিয়ে মানুষ বাঁচতে পারে না। (সুতরাং প্রমাণিত হচ্ছে আমি আসলে মানুষ না
)প্রথমত, খবরটাকে একটা আনুষ্ঠানিক গুজব হিসাবে ধরে নিচ্ছি।
দ্বিতীয়ত,
আলমগীর লিখেছেন:
প্রথম আলোতে দেয়া ইঞ্জিনিয়ারদের বক্তব্য নিয়ে আর কী বলব। জাতি হিসেবে আমরা একেবারে মুর্খ।
দু'একজন মানুষের বক্তব্য দিয়ে কী পুরো একটা জাতিকে মূল্যায়ন না করলেই নয়?
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মুশাফ (২০-০৪-২০০৮ ২৩:১৮)
অফলাইন
মুশাফ লিখেছেন:
প্রথমত, খবরটাকে একটা আনুষ্ঠানিক গুজব হিসাবে ধরে নিচ্ছি।
দ্বিতীয়ত,আলমগীর লিখেছেন:
প্রথম আলোতে দেয়া ইঞ্জিনিয়ারদের বক্তব্য নিয়ে আর কী বলব। জাতি হিসেবে আমরা একেবারে মুর্খ।
দু'একজন মানুষের বক্তব্য দিয়ে কী পুরো একটা জাতিকে মূল্যায়ন না করলেই নয়?
আমি একটু নাক গলাই। জাতির ব্যাপারটা হলো কথার কথা। দুই একজন দিয়ে তো জাতিকে মূল্যায়ন করা যায়না, সেটা ঠিকই। কিন্তু যারা ওই পর্যায়ে যায় তারা জাতির প্রতিনিধিত্ব করে সেটা মনে হয় বলা যেতে পারে। যাইহোক টপিকটা আবার অফটপিকে না পরিণত হয়।
অফলাইন
আমার বাবাও একজন ইঞ্জিনিয়ার। উনার ইলেক্ট্রনিক্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং পদে কাজ করার অভিজ্ঞতা ৪০+ বছরের
উনি বলছেন এটা অবশ্যই সম্ভব কিন্তু এর বাস্তব প্রয়োগ বেশ ব্যায়বহুল বলে কেউ ব্যবহার করে না। 
তাহলে আপনারা কেনো বলছেন সম্ভব নয়??
আমি বাবাকে স্পাইডার ভাইয়ের লেখা পড়ে শুনালাম। উনি বলছেন ওনার ব্যাখ্যায় ভুল আছে। কিন্তু কি ভুল আছে তা উনি বলেননি। আমার সাহস হয়নি বিস্তারিত জিজ্ঞাসা করার আমি ভুই পাই.. 
ভাই আমি ইঞ্জিনিয়ার নই তাই আমাকে সাদা ভাষায় বুঝান সম্ভব কি সম্ভব না....
সম্ভব না হলে কেনো না, আপনারা কেউ আপনাদের শিক্ষকদের জিজ্ঞাসা করে জানাবেন কি??
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন আশাবাদী (২১-০৪-২০০৮ ০০:২৭)
অফলাইন
জিনিসটার বিস্তারিত বর্ণনা না দিলে আমি কিছুতেই বিশ্বাস করব না। গিয়াসউদ্দিন আলাদীনের চেরাগ দিয়ে ১০০০ ওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে ফেলেছেন এটা মোটেও বিশ্বাসযোগ্য না।
কাজটা যদি এতই সহজ হত তাহলে নিউটন-আইনস্টাইনের মত বিজ্ঞানীরা এত কষ্ট করে দিনরাত পরিশ্রম করে পদার্থবিজ্ঞানের সূত্র আবিষ্কার করতেন না।
আশাবাদী লিখেছেন:
ভাই আমি ইঞ্জিনিয়ার নই তাই আমাকে সাদা ভাষায় বুঝান সম্ভব কি সম্ভব না....
সম্ভব না হলে কেনো না, আপনারা কেউ আপনাদের শিক্ষকদের জিজ্ঞাসা করে জানাবেন কি??
এটা বুঝতে ইঞ্জিনিয়ার হওয়া লাগে না, ঘটে বুদ্ধি থাকলেই বুঝা যায় 
আমি যদি বলি কালকে সব মানুষের একটা করে ল্যাজ গজাবে বিশেষ ধরণের ভাইরাসের আক্রমণের কারণে... সেটা কি আপনি বিশ্বাস করবেন? 
পত্রিকাঅলাদের কিছু টাকা ধরিয়ে দিলে খুব সহজেই এ খবর প্রচার করা সম্ভব। বিশ্বাস না হলে আমাকে টাকা দেন... কালকে না হলেও পরশুদিন প্রথম পাতার হেডলাইনে খবরটা এসে যাবে! 
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন আলোকিত (২১-০৪-২০০৮ ০০:৩৪)
অফলাইন
মুঠোফোনে সুডোকু খেলছিআশাবাদী লিখেছেন:
আমার বাবাও একজন ইঞ্জিনিয়ার। উনার ইলেক্ট্রনিক্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং পদে কাজ করার অভিজ্ঞতা ৪০+ বছরের
উনি বলছেন এটা অবশ্যই সম্ভব কিন্তু এর বাস্তব প্রয়োগ বেশ ব্যায়বহুল বলে কেউ ব্যবহার করে না।
তাহলে আপনারা কেনো বলছেন সম্ভব নয়??
আমি বাবাকে স্পাইডার ভাইয়ের লেখা পড়ে শুনালাম। উনি বলছেন ওনার ব্যাখ্যায় ভুল আছে। কিন্তু কি ভুল আছে তা উনি বলেননি। আমার সাহস হয়নি বিস্তারিত জিজ্ঞাসা করার আমি ভুই পাই..
ভাই আমি ইঞ্জিনিয়ার নই তাই আমাকে সাদা ভাষায় বুঝান সম্ভব কি সম্ভব না....
সম্ভব না হলে কেনো না, আপনারা কেউ আপনাদের শিক্ষকদের জিজ্ঞাসা করে জানাবেন কি??
আমার ব্যাখ্যা খুব জটিল কিছু নয় কিন্তু সারা পৃথিবীর বাঘা বাঘা বিজ্ঞানীর দ্বারা স্বীকৃত।তাই আপনার বাবার ব্যাখ্যা না পেয়ে আমি উনার কথা বিশ্বাস করতে পারলাম না।প্লিজ আপনার বাবার ব্যাখ্যা পোস্ট করুন।আমার ভুল হলে তা সংশোধন হেক।
আর ব্যাপারটি কেন সম্ভব নয় তা আমার পোস্টে ব্যাখ্যা আছে।
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন স্পাইডারম্যান (২১-০৪-২০০৮ ০১:৫৩)
অফলাইন
সম্ভব কি সম্ভব না তা বদলে এই বলি:
গিয়াসুদ্দিনের কথা/যন্ত্র সত্য হলে, তিনি পৃথিবীর তাবত নোবেল একাই পাওয়ার যোগ্য।
@আশাবাদী
আপনার বাবাকে একটু জিজ্ঞেস করুন তো কিসের খরচ? যন্ত্র বানাতে যদি বিলিয়ন ডলারও লাগে সেটা কোন খরচ না, কারন কোন বাড়তি জ্বালানি খরচা ছাড়াই অফুরন্ত বিদ্যুত পাব।
আলমগীর
অফলাইন
তাদের আমি পিট্টি দিব
আগে হাইসা নেই!!
সরি। আমার সেই মোবাইল হোক্স এর কথা মনে পড়ে গেল। বাংলাদেশের অনেক শিক্ষিত মানুষ সত্যি বিশ্বাস করেছিল মোবাইলে অদ্ভুত নাম্বার থেকে কল আসার কারনে মানুষ মারা যাচ্ছে!!!!

সে যে কি বিশাল কারবার!!
পরে মোবাইল কোম্পানীগুলো মেসেজ দিয়ে জানালো, না ভাই এমন কোন কাহিনী নেই!! আহারে কি একটা দিন ছিল... বহুত মজা করছি!! এখনও মনে পড়লে হাসতে হাসতে পেটে খিল লেগে যায়। 
আলমগীর ভাই, স্পাইডারম্যানকে ধন্যবাদ। বিষয়টা তুলে আনার জন্য এবং ব্যাখা করার জন্য। উনাদের সাথে একমত। আর আশা করি কেউ মাইন্ড করবেন না! হোক্সের উদাহরনটা দিলাম আমাদের প্রকৃত অবস্থা ব্যাখা করার জন্য। কাউকে খাট করি নাই।


অফলাইন