ছোট গ্রহগুলোর তুলনায়ঃ
বড় গ্রহের তুলনায়ঃ
সূর্যের তুলনায়ঃ
সংগৃহীত
পুনশ্চঃ ধন্যবাদ শামীম ভাইকে গ্রহগুলোর বাংলা নাম বলে দেয়ার জন্য
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন সেভারাস (০৫-০৩-২০০৮ ১৮:৫১)

অফলাইন
আমার মানি ব্যাগ হারানো গেছে। 


পৃথিবীরে তো ঠিকমতো দেখাই যায় না। 
অফলাইন
১ম ছবিটা বোদহয় ঠিক হয়নি।
বাকি দেখলে আসলেই একটা ধারণা পাওয়া যায়।
আমি ভাবছি, বৃহস্পতিকে যদি আবাসনের উপযোগী করা যায়, তবে আর কখনও জমি জমা নিয়ে ঝগড়া/ফ্যাসাদ হবে না।
কি বলেন?
অনলাইন
প্লুটোকে তো গ্রহ হিসেবে বতমানে বিবেচনা করা হয়না।
অফলাইন



দারুন একখান পোস্ট......![]()
অফলাইন
যুদ্ধের কী দরকার!প্রথম ছবিটার ওটা বৃহস্পতি নয়... শুক্র গ্রহ।
মূল ইংরেজি (নাকি চাইনিজ/জাপানি) ছবিটা দেখুন এখানে।
আচ্ছা ....
বাংলা উইকিপিডিয়ার এই প্রবন্ধটাকে আরেকটু সমৃদ্ধ করা যায় না? ইংরেজি উইকির প্রবন্ধটা কিন্তু জোসস..
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন শামীম (০৫-০৩-২০০৮ ১৬:৫৫)
অফলাইন
আসলে বাংলা করতে গিয়ে তালগোল মিলিয়ে গেছে। যতজনকে অনলাইনে জিজ্ঞাসা করেছি কেউ বলতে পারেনি।

অফলাইন
আশাবাদী লিখেছেন:
দারুন একখান পোস্ট......
![]()
ধন্যবাদ সেভারাস।
অফলাইন
জট্টিল তো...........


অফলাইন



সেভারেস ভাই ,আরো পোস্ট করেন। যেমনঃ গতিবেগ গুলোর তুলনা (চিতা, মানুষ, গন্ডার, উটপাখী ইত্যাদি),সংখ্যাগত তুলনা।
অফলাইন
ভয় পাইছি !!
অফলাইন
আমি ভাবছি, বৃহস্পতিকে যদি আবাসনের উপযোগী করা যায়, তবে আর কখনও জমি জমা নিয়ে ঝগড়া/ফ্যাসাদ হবে না।
কি বলেন?
মনে হয়না কারন মানুষ আসতে চাইলে বসতে চায় এটাই স্বাভাবিক।
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন সুমন (০৬-০৩-২০০৮ ০২:৪৯)
অফলাইন
!!! ইন্ট্রাপিড আইবেক্স !!! এইরকম পোস্টই তো চাই !
অফলাইন
যুদ্ধের কী দরকার!MAHBUB লিখেছেন:
কোড:
আমি ভাবছি, বৃহস্পতিকে যদি আবাসনের উপযোগী করা যায়, তবে আর কখনও জমি জমা নিয়ে ঝগড়া/ফ্যাসাদ হবে না। কি বলেন?মনে হয়না কারন মানুষ আসতে চাইলে বসতে চায় এটাই স্বাভাবিক।
আসেন বুশ কাকুকে বলি যে বৃহস্পতি গ্রহকে একটা লম্বা শিকল দিয়ে বেঁধে শিকলের অপর প্রান্ত পৃথিবীতে আনার ব্যবস্থা করতে। তারপর সকলে মিলে টেনে টেনে বৃহস্পতিকে সূর্যের আরো কাছে নিয়ে আসি (উল্টা পৃথিবী না ঐদিকে সরে যায়
)। এখন যত দুরে আছে... তাতে ওখানে মারাত্নক ঠান্ডা।
আর সূর্যের কাছে আসলে ওখানে আবহাওয়ামন্ডল তৈরী করা কোন ব্যাপার না।
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন শামীম (০৬-০৩-২০০৮ ০২:৪৯)
অফলাইন
শামীম ভাই, এর সাথে আর একটা কাজ করতে হবে। শূণ্যে কীভাবে বাস করা যায়, সেটাও শিখতে হবে। বৃহস্পতিতে গ্যাস ছাড়া কিছু নাই।
অফলাইন
লিনাক্স, পাইরেসী, উন্মত্ততা এবং কিছু কথাবার্তাশামীম লিখেছেন:
MAHBUB লিখেছেন:
কোড:
আমি ভাবছি, বৃহস্পতিকে যদি আবাসনের উপযোগী করা যায়, তবে আর কখনও জমি জমা নিয়ে ঝগড়া/ফ্যাসাদ হবে না। কি বলেন?মনে হয়না কারন মানুষ আসতে চাইলে বসতে চায় এটাই স্বাভাবিক।
আসেন বুশ কাকুকে বলি যে বৃহস্পতি গ্রহকে একটা লম্বা শিকল দিয়ে বেঁধে শিকলের অপর প্রান্ত পৃথিবীতে আনার ব্যবস্থা করতে। তারপর সকলে মিলে টেনে টেনে বৃহস্পতিকে সূর্যের আরো কাছে নিয়ে আসি (উল্টা পৃথিবী না ঐদিকে সরে যায়
)। এখন যত দুরে আছে... তাতে ওখানে মারাত্নক ঠান্ডা।
আর সূর্যের কাছে আসলে ওখানে আবহাওয়ামন্ডল তৈরী করা কোন ব্যাপার না।
হেঃ হেঃ হেঃ ভালো বুদ্ধি।
অফলাইন


মানুষের কি কল্পনা শক্তি!!!
অফলাইন
ব্যাক টু দ্যা ওল্ড মিউজিক টাইমপোষ্টটা আগে চোখে পড়েনি। সেভেরাসকে ধন্যবাদ ছবিগুলোর জন্য।
প্রথম ছবি দেখে আর শামীম ভাইয়ের মন্তব্য পড়ে একটা প্রশ্ন মাথায় আসল। শুক্র আর মঙ্গল দুটাই পৃথিবীর নিকটস্থ গ্রহ এবং সূর্যেরও নিকটে পড়ে। অথচ পৃথিবীর রং অনেকখানি নীল এবং স্থলভাগটা সবুজ। কিন্তু মঙ্গল ও শুক্র দু'টোই কেমন যেন লালচে বা কমলা রঙের। বায়ুমন্ডলের ঘনত্বের তারতম্যের কারণে গ্রহের রঙের কি একটা তারতম্য ঘটে বলে পড়েছিলাম (আমি নিশ্চিত নই যদিও)। কিন্তু আমার জানা মতে মঙ্গল গ্রহের মৃত্তিকার রঙও লালচে। বায়ুমন্ডলের ঘনত্বের তারতম্য নিশ্চয়ই একটা পুরো গ্রহের ভূ-ত্বকের উপর প্রভাব ফেলতে পারে না (নাকি পারে?), কেননা মঙ্গল গ্রহ আগা-গোড়াই লালচে দেখতে। মঙ্গল গ্রহের মাটি লালচে হওয়ার বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণটা কি কারও জানা আছে? চাঁদের মাটি যেমন সাদাটে। এটা সহজেই বুঝা যায়। চাঁদ অনেকটা আয়নার মত কাজ করে। সূর্য থেকে যে আলো আসে তার প্রায় পুরোটাই চন্দ্রপৃষ্ঠে প্রতিফলিত হয় ছড়িয়ে পড়ে। যে কারণে চাঁদের মৃত্তিকার রঙ সাদাটে এবং চাঁদকে আমরা আলোকিত দেখি। কিন্তু মঙ্গলের ব্যাপারটা কি? এটা এরকম লাল গ্রহ হয়ে উঠল কি করে?
প্রথম ছবিতে প্লুটোর চেহারা দেখে আমার একটা কথাই মনে পড়ল - অনেক দিন ক্রিকেট খেলা হয় না। 
দ্বিতীয় ছবিতে বৃহস্পতির পাশে পৃথিবীর অবস্থা দেখে দুঃখই লাগছিল নিজের গ্রহের সাইজ এত ছোট বলে। কিন্তু তৃতীয় ছবিতে সূর্যের পাশে বৃহস্পতিকে দেখে এখন খুশি লাগছে। আবারো বোধোদয় হল "বাবারও পিতা থাকে. তাহার নাম দাদা"!
বরাবরের মতই নেপচুনকে দেখে ভাল লাগল। এর নামটা যেমন দারুণ (পাতালের দেবতা) তেমনি রঙটাও সুন্দর।
অনলাইন