তাদের আমি পিট্টি দিবArtifitial sweetener বা কৃত্রিম মিষ্টি কি নিরাপদ? আমরা সকলেই চিনির ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে শংকিত থাকি। দাঁত ক্ষয়ে যাওয়া, মোটা হয়ে যাওয়া এবং সর্বপরি diabetic এ আক্রান্ত হওয়ার ভয়ে অনেকেই ত্রিশোর্ধ বয়সে চিনির পরিবর্তে artifitial sweetener ব্যবহার করা শুরু করে। কিন্ত্ত এসমস্ত কৃত্রিম চিনি/মিষ্টি কি নিরাপদ? ল্যাবরেটরীতে অন্যান্য প্রাণীর উপর বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখা গেছে যে কোন artifitial sweetener এরই মারাত্নক ক্ষতিকর প্রভাব আছে। চলুন দেখে নেওয়া যাক এগুলো কি কি saccharin: saccharin আবিস্কৃত হয় ১৮৭৯ সালে। acid saccharin, sodium saccharin ও calcium saccharin
এটি নামেও পরিচিত। পরবর্তীতে ১৯৭৭ সালে আবিস্কৃত হয় saccharin থেকে ক্যান্সার হতে পারে । শুধু তাই নয়, এ থেকে এ্যালার্জি, শ্বাসকষ্ট, মাথা ব্যথা, ডাইরিয়া ইত্যাদিও হতে পারে। এই বিশাল সময় ধরে এটি এতই বহুল ব্যবহৃত ও জনপ্রিয় ছিল যে কেউ কেউ এটার কোন পার্শ প্রতিক্রিয়া থাকতে পারে তা পর্যন্ত মানতে চাইত না! cyclamate এটি sodium cyclamate ও calcium cyclamate নামেও পরিচিত যা ১৯৫০ সালে বাজারে আসে। চিনির চেয়ে ৫০ গুন বেশি মিষ্টি বলে এর কদরও বেশি । অথচ এই artifitial sweetener থেকে cancer , DNA damage ইত্যাদি জটিল জটিল রোগ হতে পারে।
aspartame এটি আরেকটি artifitial sweetener যা মানুষের মস্তিস্কে ও শরীরে মারাত্নক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে - যেমন দৃষ্টিহীনতা, বাকহীনতা, মাথা ব্যথা, উচ্চ রক্তচাপ, মাংসপেশীতে ব্যথা, বিষন্নতা এমনকি স্মৃতিশক্তিলোপ পর্যন্ত হতে পারে। এমনকি aspartame ব্যবহারকারীর ত্রুটিপূর্ণ বা প্রতিবন্ধী সন্তানও জন্ব নিতে পারে। aspartame এর একটি উপাদান diketopiperazine বা carcinogen থেকে brain tumor ও হতে পারে! অথচ অধিকাংশ ডায়েট সফট ড্রিংকে এই উপাদানটি ব্যবহার করা হয়। acesulfame potassium বা acesulfame – k
এটি থেকেও cancer হতে পারে। এর উপাদান aceptoacetamide thyroid gland ও kidney cancer
এর জন্যও দায়ী। মজার ব্যাপার হলো চিনির মতো aspartame ও acesulfame শরীরে insulin release হওয়ার পরিমানও কমিয়ে দেয়। chlorinated sucrose – sucralose পরবর্তীতে জনসন এন্ড জনসন কোম্পানী (johnson & johnson company ) chlorinated sucrose বা sucralose তৈরি করে যা lymphatic cell mutations, liver and kidney enlargement, structural irregularities of the colon, thymus gland disease, genetic damage, birth defect, রক্তের লাল কণিকা হ্রাস ইত্যাদি অসংখ্য রোগের জন্য দায়ী। যদি একান্তই চিনির বিকল্প খেতে হয়, তবে প্রাকৃতিক বিভিন্ন ফলের ও শস্যের রসই শ্রেয়, এগুলো যেমন চিনির মতো ক্ষতিকর নয়, তেমনি ভিটামিন ও খনিজ সমৃদ্ধ উপকারী খাদ্য। এরপরেও কি আমরা কৃত্রিম মিষ্টি তথা artifitial sweetener ব্যবহার করব? সেক্ষেত্রে বলতেই - যার টাকা সে খরচ করবে এবং তা যেভাবে খুশি।
সূত্র: http://commonground.ca/iss/0506167/cg16 … tame.shtml
বিশেষ দ্রষ্টব্য: কৃত্রিম মিস্টিগুলোর নাম ইংরেজিতেই লিখেছিলাম কারন সহজে বোঝা যাবে। কোন খাবারে কোন কৃত্রিম মিস্টি ব্যবহার হলে তা তো ইংরেজীতেই লেখা থাকে সাধারনত। আর নয়ত ইংবা লিখতে হতো। অনেক সুন্দর সুন্দর পোস্ট বাংলায় অনুবাদ করে লিখতে ইচ্ছে করে - কিন্তু অলস তো
এটা অনেক আগে অনুবাদ করা।


অনলাইন
হেহেহে...আর তাকাবি???দেখ...ক্যামনে ভেঙ্গাই ...হেহেহেআজকাল তো প্রাকৃতিক মিষ্টি ই নিরাপদ না! থাক তো দূরে কৃত্তিম মিষ্টি এর কথা!!
যাই হোক।।আপনার লেখাটি পড়ে কিছু জানতে পারলাম।ধন্যবাদ!
অফলাইন
!!! ইন্ট্রাপিড আইবেক্স !!! আপু অনুবাদ করা থামালেন কেন জোস হইতেছিলো তো

অফলাইন
মুন লিখেছেন:
আমরা সকলেই চিনির ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে শংকিত থাকি। দাঁত ক্ষয়ে যাওয়া, মোটা হয়ে যাওয়া এবং সর্বপরি diabetic এ আক্রান্ত হওয়ার ভয়ে অনেকেই ত্রিশোর্ধ বয়সে চিনির পরিবর্তে artifitial sweetener ব্যবহার করা শুরু করে।
একটা ভুল ধারণা। হয়তো ভুল ধারণাটা মুনের না। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষই এই ধারণা পোষন করে।
মিষ্টি খেলে ডায়াবেটিস হয় না।
কিন্তু,
ডায়াবেটিস হলে মিষ্টি খেতে মানা।
অনেকটা এমন।
শরীরের উপর লবন দিলে ঘা হয় না।
কিন্তু,
কিন্তু শরীরে ঘা হলে লবন দেয়া মানা।
অনলাইন
শিপলু লিখেছেন:
মুন লিখেছেন:
সর্বপরি diabetic এ আক্রান্ত হওয়ার ভয়ে অনেকেই ত্রিশোর্ধ বয়সে চিনির পরিবর্তে artifitial sweetener ব্যবহার করা শুরু করে।
মিষ্টি খেলে ডায়াবেটিস হয় না।কিন্তু,ডায়াবেটিস হলে মিষ্টি খেতে মানা।
![]()
শরীরে ইনসুলিনের ভারসাম্যের ব্যাঘাত ঘটলেই কেবল মানুষ ডায়াবেটিক্স দ্বারা আক্রান্ত হয়। খাবারের পরে রক্তে চিনি/কার্বোহাইড্রেড জাতীয়পদার্থ বেড়ে যায়। তখন অগ্ন্যাশয় ইনসুলিন তৈরী করে ভারসাম্য তৈরীর জন্যে।
ফোরামে অবশ্য ডাক্তার আছে। শুভ্রদা। বেশী না বলাই ভালো।
অফলাইন