আতাউর রহমান মল্লিকবাংলাদেশের বহু শিক্ষার্থীই বর্তমানে বিশ্বের নানা দেশের নানা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছে। আমাদের দেশের শিক্ষাক্ষেত্রে নানামুখী সমস্যা এবং ভর্তি সংকটের কারণেও অনেকে বিদেশে পড়াশোনা করতে আগ্রহী হয়ে উঠছে। বহু উন্নত দেশের উচ্চমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও ভর্তি হওয়ার বিষয়টি এত কঠিন কিছু নয়। তবে এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হয় ইংরেজি কিংবা সংশ্লিষ্ট দেশের ভাষাজ্ঞান, মেধা ও আর্থিক ক্ষমতা।
উন্নত, আধুনিক ও বিশাল দেশ কানাডায় পড়াশোনার জন্যও এ দেশের শিক্ষার্থীদের রয়েছে ব্যাপক আগ্রহ। এ দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর উচ্চমানও শিক্ষার্থীদের কাছে আগ্রহের অন্যতম কারণ। বাংলাদেশ থেকে যেসব শিক্ষার্থী কানাডায় উচ্চশিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী, তাদের জন্য নিচে দেওয়া হলো প্রয়োজনীয় তথ্য−
যেসব ডিগ্রি অর্জন করা যেতে পারে
১. ব্যাচেলর ডিগি, ২. মাস্টার ডিগ্রি
৩. ডক্টরাল অথবা পিএইচডি ডিগ্রি
সেমিস্টারসমূহ
১. ফল সেমিস্টার: সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর
২. উইন্টার সেমিস্টার: জানুয়ারি থেকে এপ্রিল
৩. স্প্রিং/সামার সেশন: মে থেকে আগস্ট
ব্যাচেলরস প্রোগ্রামের জন্য যা প্রয়োজন
ক. একাডেমিক
১. কমপক্ষে ১২ বছরের শিক্ষা (এইচএসসি সমমান)
খ. ভাষাজ্ঞান/ভাষা দক্ষতা
১. অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয় এ ক্ষেত্রে আইইএলটিএসএ ব্যান্ড স্কোর চেয়ে থাকে ৬.০ থেকে ৬.৫ অথবা টোফেলে সিবিটি স্কোর ২১৩ থেকে ২৩৭ অথবা টোফেল আইবিটি ৮০ থেকে ৯৩।
গ. অন্যান্য টেস্ট
১. অন্যান্য টেস্টের বিষয়টি ইউনিভার্সিটির ওপর নির্ভরশীল। স্যাট-১ প্রায় সব ইউনিভার্সিটিই চেয়ে থাকে।
২. সামান্য কিছু ইউনিভার্সিটি স্যাট-২ চেয়ে থাকে
ঘ. কোর্সের মেয়াদ
১. ব্যাচেলর ডিগ্রি: ফুলটাইম স্ট্যাডির ক্ষেত্রে তিন থেকে চার বছর।
মাস্টার্স প্রোগ্রামের জন্য যা প্রয়োজন
ক. একাডেমিক
১. কমপক্ষে ১৬ বছরের শিক্ষা
খ. ভাষা পারদর্শিতা: অধিকাংশ ইউনিভার্সিটি আইইএলটিএস ব্যান্ড স্কোর ৬.০ থেকে ৬.৫ অথবা টোফেল সিবিটি স্কোর ২১৩ থেকে ২৩৭ অথবা টোফেল আইবিটি ৮০ থেকে ৯৩ চেয়ে থাকে।
গ. অন্যান্য টেস্ট
১. অন্যান্য টেস্টের বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল। কখনো কখনো জিআরই জেনারেল, জিআরই সাবজেক্ট টেস্টস, জিম্যাট ইত্যাদি প্রয়োজন হয়।
ঘ. কোর্সের সময়কাল:
১. একটি থিসিসসহ ফুলটাইম স্ট্যাডির ক্ষেত্রে সাধারণত এক বছর সময় প্রয়োজন হয়। ফুলটাইম ডক্টরেট অথবা পিএইচডি প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে কমপক্ষে তিন বছর সময় প্রয়োজন হয়।
ব্যাচেলরস ও মাস্টার্স প্রোগ্রামের আওতাধীন বিষয়
কম্পিউটার সায়েন্স, ফুড সায়েন্স, বায়োলজি, ফিজিকস, কেমিস্ট্রি, কনস্ট্রাকশন অ্যান্ড রিসোর্সেস, ইলেক্ট্রনিকস, মেডিক্যাল সায়েন্স অ্যান্ড সার্ভিসেস, মেরিন অ্যাফেয়ার্স, ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট, এগ্রিকালচার ইকোনমিকস, অ্যাপ্লায়েড কম্পিউটার সায়েন্স, অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং, অ্যাসট্রোনমি, অ্যাপ্লায়েড জিওগ্রাফি, আর্কিটেকচারাল সায়েন্স, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, এনভায়রনমেন্টাল হেলথ, বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, এডুকেশন, হোম ইকোনেমিকস, মিউজিক, ইকোনমিকস, হিস্ট্রি, রিলিজিয়ন, ইংলিশ, থিয়েটার, ফিলোসফি, ’ল ইত্যাদি।
ইউনিভার্সিটিতে ভর্তির আবেদন প্রস্তুতিতে যা করতে হবে
১. ভর্তির বছরখানেক আগে থেকেই ভর্তি সম্পর্কিত তথ্যাদি অনুসন্ধান করা উচিত। ফলে প্রয়োজনীয় সব তথ্য বিস্তারিতভাবে জানা সহজ হবে।
২. সংশ্লিষ্ট বিষয়ের বিভাগীয় অফিসে অনুসন্ধান করে ভর্তির আবেদনের ক্লোজিং তারিখ সম্পর্কে জানতে হবে।
৩. ভর্তির আবেদনের বিস্তারিত তথ্য জানতে চেয়ে সরাসরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভর্তি অফিসে চিঠি লিখতে হবে।
৪. বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকেও ভর্তির আবেদন ফরম ডাউনলোড করে নেওয়া যাবে। এ ছাড়া কোনো কোনো ইউনিভার্সিটিতে অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন করার সুবিধাও রয়েছে।
৫. ভর্তি অফিস প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টেশন, ট্রানসলেশন এবং ভিসা সম্পর্কিত তথ্য জানাবে।
৬. ভর্তির আবেদনের নির্ধারিত ডেডলাইনের অন্তত ছয় থেকে আট মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সিদ্ধান্ত ঘোষণা করবে।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসমূহ
১. সঠিকভাবে পূরণকৃত আবেদন ফরম
২. মনিঅর্ডার/অ্যাপ্লিকেশন ফি ডকুমেন্টসমূহ
৩. শিক্ষাগত যোগ্যতার সব সনদপত্র এবং মার্কশিটের অফিস কর্তৃক প্রদত্ত ইংরেজি ভার্সন।
৪. স্কুল বা কলেজ ত্যাগের সার্টিফিকেট।
৫. টোফেল, আইইএলটিএসসহ অন্যান্য টেস্ট রেজাল্ট।
৬. SAT, GRE, GMAT (প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন অনুযায়ী) এর স্কোর রিপোর্ট।
৭. স্পনসরের কাছ থেকে আর্থিক দায়-দায়িত্বের চিঠি।
৮. পাসপোর্টের ফটোকপি।
ক্রেডিট ট্রান্সফার
১. কানাডায় আন্ডারগ্র্যাজুয়েট অথবা পোস্ট গ্র্যাজুয়েট পর্যায়ে শিক্ষার্থীরা ক্রেডিট ট্রান্সফারের আবেদন করতে পারবে।
২. সাধারণত কোর্সের ৫০ শতাংশের বেশি ক্রেডিট ট্রান্সফার অনুমোদন করা হয় না।
৩. অধিকাংশ কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি কমপক্ষে ‘বি গ্রেড’ গ্রহণ করে থাকে।
৪. সংশ্লিষ্ট ইউনিভার্সিটিতে যেসব কাগজপত্র জমা দিতে হবে তা হচ্ছে−
# আন্ডার গ্র্যাজুয়েট অথবা পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কোর্সওয়ার্ক প্রোগ্রামের জন্য আবেদন ফরম।
# একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্টের অফিশিয়াল কপিসমূহ।
# সর্বশেষ সমাপ্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান/বিভাগীয় প্রধানের কাছ থেকে একটি অফিশিয়াল চিঠি।
# পড়াশোনার একাডেমিক লেবেল (যেমন: প্রথম বর্ষ, দ্বিতীয় বর্ষ ইত্যাদি)।
# কত ক্রেডিট সমাপ্ত করা হয়েছে তার বিবরণ।
# বিগত পড়াশোনার গ্রেডিং সিস্টেমের ব্যাখ্যা।
# ডিগ্রি সমাপ্ত করতে কত ক্রেডিট প্রয়োজন, তার তথ্য।
কাজের সুযোগ
১. কানাডায় ক্লাস চলাকালীন সপ্তাহে ২০ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করার অনুমোদন রয়েছে। ছুটির সময় ফুলটাইম কাজ করা যাবে।
২. স্ট্যাডি পারমিটের মেয়াদকাল পর্যন্ত কাজ করার অনুমোদন রয়েছে।
সম্ভাব্য কাজের তালিকা
লাইব্রেরি অ্যাসিসট্যান্ট, সার্ভিস ম্যানেজার-মার্কেটিং সাপোর্ট, বিচ লাইফ গার্ড, ডে ক্যাম্প কাউন্সেলর রিক্রিয়েশন, ক্যানভাসার-রিটেইল, টেনিস কোর্ট ম্যানেজার, হাউজকিপিং অ্যাটেনডেন্ট, মেইনটেন্যান্স ওয়ার্কার, হাউস পেইন্টার, হেয়ারড্রেসার, সিকিউরিটি গার্ড, ট্যুরিস্ট ইফরমেশন ক্লার্ক, ইন্টার প্রেটার, ক্লিনার, হাউসকিপার, ক্যাম্প কুক, টেলিমার্কেটার সুপারভাইজার, থিয়েটার টেকনিশিয়ান, হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস, অ্যাকাউন্টিং, ইঞ্জিনিয়ারিং জবস, হেলথ অ্যান্ড মেডিক্যাল কম্পিউটিং, ਰুট পিকিং, আর্কিটেকচার, হসপিটালিটি অ্যান্ড ফুড সার্ভিসেস জব ইত্যাদি।
সম্ভাব্য উপার্জন
শিক্ষার্থীরা প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ৭ থেকে ২০ কানাডিয়ান ডলার উপার্জন করতে পারবে।
জীবনযাত্রার ব্যয়
একজন শিক্ষার্থীর খাদ্য, পোশাক, যাতায়াত, ভ্রমণ, টেলিফোন ইত্যাদি মিলিয়ে বছরে ১০ হাজার কানাডিয়ান ডলার ব্যয় হতে পারে।
প্রয়োজনীয় ওয়েব সাইটসমূহ
নিচে উল্লেখিত ওয়েবসাইটগুলো থেকে কানাডায় উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় তথ্যাদি সংগ্রহ করতে পারবে।
www.aucc.ca
এটি এ্যাসোসিয়েশন অব ইউনিভারসিটিস অ্যান্ড কলেজেস ইন কানাডার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
www.bccie.bc.ca
এটি ব্রিটিশ কলাম্বিয়া সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন এর ওয়েবসাইট। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া যাবে।
www.studyin canada.com
কানাডার ভিসাপ্রাপ্তির তথ্য, কানাডার কলেজসমূহ ও ইউনিভারসিটি তথ্যাদি অনলাইন লার্নিং সম্পর্কে জানা যাবে।
www.education canada.cmec.ca
বিদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য তথ্য এবং অনলাইন শিক্ষা সম্পর্কে জানা যাবে।
www.schoolfinder.com
এটি কানাডায় পড়তে আগ্রহীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি ওয়েবসাইট। পায় ৭০০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভর্তি তথ্য, ব্যয়ভার, প্রোগ্রাম ও যোগাযোগ সম্পর্কে জানা যাবে।
www.schoolsin canada.com
কানাডার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে আন্ডারগ্রাজুয়েট ডিগ্রি এবং ডিপ্লোমাসহ বিদেশী ছাত্রছাত্রীদের জন্য ইঞ্জিনিয়ারিং, ফাইন আটর্স, সায়েন্সে পড়াশোনায় তথ্যাদি জানা যাবে।
সূত্রঃ প্রথম আলো ০৭/০৯/২০০৭ পড়াশোনা
কৃতজ্ঞতাঃমুর্শেদের ইউন … ০০৭)

অফলাইন
এই খবরের সবচেয়ে আকর্শনীয় অংশের ব্যাপারে আমি কিছু বলতে চাই।
১. কানাডায় ক্লাস চলাকালীন সপ্তাহে ২০ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করার অনুমোদন রয়েছে। ছুটির সময় ফুলটাইম কাজ করা যাবে।
কথাটা সত্যি, তবে অনেক কিন্ত আছে। পুরাটা দেখার জন্য এই সাইটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এটি সরকারি ওয়েবসাইটের লিংক। এখানে
অফলাইন
আমাদের দেশের তরুণদের বাইরে যাওয়ার এত তাড়া কেন বুঝতে পারি না।
একটা ব্যাপার লক্ষ্য করেছি মোটামুটি ধনী পরিবারের ছেলেরা সামান্যতম কারণেই বাইরে যেতে চায়।
আপনারা কি মনে করছেন নিজ দেশের শিক্ষা গ্রহণ করে জীবনধারনের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ আয় করতে পারবেন না?
অফলাইন
ভাই ইংল্যান্ডে পড়াশুনার ব্যাপারে কিছু জানাতে পারেন?
অফলাইন
ভাস্কর১৬০ লিখেছেন:
আমাদের দেশের তরুণদের বাইরে যাওয়ার এত তাড়া কেন বুঝতে পারি না।
একটা ব্যাপার লক্ষ্য করেছি মোটামুটি ধনী পরিবারের ছেলেরা সামান্যতম কারণেই বাইরে যেতে চায়।
আপনারা কি মনে করছেন নিজ দেশের শিক্ষা গ্রহণ করে জীবনধারনের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ আয় করতে পারবেন না?
ব্যাপারটা তা না। এদেশে শিক্ষা গ্রহন করতেই অনেক বেশি সময় লাগবে। এরপর আমার যে বয়স হবে তাতে আমি যে পরিমান অর্থ দরকার তা কখনই পাব না।
এছাড়া আমি হয়তো চাকরীও পাবনা। কারণ আমার মধ্যে সে যোগ্যতা নেই। আমি শিক্ষা জীবনে কিছু প্রশ্নোত্তর মুখস্ত করে পরীক্ষায় ভাল ফলাফল পেয়েছি।
ফলাফল দাঁড়াচ্ছে এই, আমার 19 বছরের শিক্ষাজীবন পুরটাই বৃথা।
এটা বৃথা করতে না চাইলে ফার্স্ট ওয়ার্ল্ডেই পড়াশুনা করা উচিৎ।
আমার টাকা থাকলে আমিও যেতাম। 
অফলাইন
তবে দুঃখজনক কথা হলো, এদের বেশিরভাগেরই পড়াশোনা করার কোন ইচ্ছে থাকে না। আমার পরিচিত বন্ধু, আত্মীয়স্বজন প্রায় সবাই বাইরে এসেছে টাকা কামানোর জন্য। বিশেষ করে ইংল্যান্ডে যারা আসে, তাদের শতকরা ৯০ ভাগ রেস্তোরাঁতেই জীবন সাজিয়ে নেয়। এটা খুবই খারাপ লাগে আমার কাছে। শুধু তাই নয়, অন্যদেরও একই কাজ করার পরামর্শ দেয়। এমনকি কেউ যদি সিরিয়াসলি পড়বার চেষ্টা করে তাকে নিয়ে হাসাহাসিও করে। অদ্ভুত মানসিকতা!
অফলাইন
স্বপ্নচারী লিখেছেন:
তবে দুঃখজনক কথা হলো, এদের বেশিরভাগেরই পড়াশোনা করার কোন ইচ্ছে থাকে না। আমার পরিচিত বন্ধু, আত্মীয়স্বজন প্রায় সবাই বাইরে এসেছে টাকা কামানোর জন্য। বিশেষ করে ইংল্যান্ডে যারা আসে, তাদের শতকরা ৯০ ভাগ রেস্তোরাঁতেই জীবন সাজিয়ে নেয়। এটা খুবই খারাপ লাগে আমার কাছে। শুধু তাই নয়, অন্যদেরও একই কাজ করার পরামর্শ দেয়। এমনকি কেউ যদি সিরিয়াসলি পড়বার চেষ্টা করে তাকে নিয়ে হাসাহাসিও করে। অদ্ভুত মানসিকতা!
সত্যিই অদ্ভুদ মানসিকতা। ধিক তাদেরকে যারা এই কাজ করে। তবে পড়ার কোন বিকল্প নেই। এ কথাটা মনে হয় তারা জানে না।
অফলাইন
ভাই এটা আমার প্রথম post. Marketing এর suject a MBA করার কাত খানি সুজগ আছে বললে উপরার হয় ।:







অফলাইন