হারিয়ে গিয়েছি এই তো জরুরী খবর...আজ একটা লিঙ্ক পেলাম যেটা শেয়ার না করে পারছিনা http://1971.co.nr/
। এখানে রাজাকারদের তালিকা দেয়া আছে।
অফলাইন
এখানে আরও বিস্তারিত।
অফলাইন
প্রকৃত শিল্পীকে জয়ী করুনদারুণ কালেকশন তো। এসব যদি কোনভাবে সরকারকে দেয়া যেত, তাহলে দেখতাম ব্যবস্থা নেয় কিনা এবার?
অফলাইন
দত্ত লিখেছেন:
দারুণ কালেকশন তো। এসব যদি কোনভাবে সরকারকে দেয়া যেত, তাহলে দেখতাম ব্যবস্থা নেয় কিনা এবার?
সরকার ব্যবস্থা নিবে কিভাবে? সরকার নিজেই তো রাজাকারদের পক্ষে 
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন আলোকিত (১৩-০২-২০০৮ ০১:১৪)
অফলাইন
আলোকিত লিখেছেন:
দত্ত লিখেছেন:
দারুণ কালেকশন তো। এসব যদি কোনভাবে সরকারকে দেয়া যেত, তাহলে দেখতাম ব্যবস্থা নেয় কিনা এবার?
সরকার ব্যবস্থা নিবে কিভাবে? সরকার নিজেই তো রাজাকারদের পক্ষে
একেবারে সত্য কথা, খুবই মনে ধরছে.![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
ভালবাসা দিবস উপলক্ষে আপনাদের জন্য শুভকামনা রইলো. all the best my all friend, who are in love!!! have a nice day.অফলাইন
প্রকৃত শিল্পীকে জয়ী করুনআলোকিত লিখেছেন:
দত্ত লিখেছেন:
দারুণ কালেকশন তো। এসব যদি কোনভাবে সরকারকে দেয়া যেত, তাহলে দেখতাম ব্যবস্থা নেয় কিনা এবার?
সরকার ব্যবস্থা নিবে কিভাবে? সরকার নিজেই তো রাজাকারদের পক্ষে
এটাই তো। এবার যদি আমরা এই লিষ্ট সরকারের কাছে দেই তাহলে এবার প্রমাণ করতে পারব বিশ্ববাসীর কাছে যে এই নির্দলীয় সরকার আসলে একটি বিশেষ পক্ষকে সমর্থন করছে। এর মাধ্যমে এই সরকারের আসল রূপ সকলের সামনে প্রকাশিত হবে।
অফলাইন
দত্ত লিখেছেন:
এটাই তো। এবার যদি আমরা এই লিষ্ট সরকারের কাছে দেই তাহলে এবার প্রমাণ করতে পারব বিশ্ববাসীর কাছে যে এই নির্দলীয় সরকার আসলে একটি বিশেষ পক্ষকে সমর্থন করছে। এর মাধ্যমে এই সরকারের আসল রূপ সকলের সামনে প্রকাশিত হবে।
কোন লাভ নাই।
এই সরকার গেলে পরের যে সরকার আসবে তারা সৎ কিনা সে নিশ্চয়তা কে দেবে?
অফলাইন
প্রকৃত শিল্পীকে জয়ী করুনআলোকিত লিখেছেন:
কোন লাভ নাই।
এই সরকার গেলে পরের যে সরকার আসবে তারা সৎ কিনা সে নিশ্চয়তা কে দেবে?
এই কথাটা এক্কেবারে খাঁটি বলেছেন।
অফলাইন
TEST FINISHEDযে কাজটা করেছে তাকে অনেক অনেক অনেক ধন্যবাদ 

অফলাইন
TEST FINISHEDশিপলু লিখেছেন:
এই তথ্য যে দিবে সে এক নম্বর আল-বদর।
তাকে সরকার আগে নিধন করবে।
কারণ??
অফলাইন
ভাই লিঙ্ক সহ জাতীয় দৈনিক গুলোতে কি আবার নতুন করে দেওয়ার চেষ্টা করা যায় ?
অফলাইন
অফিসেসাধু সাবধান!!! রাজাকারেরা আবার মাথা তুলছে। এই ওয়েবসাইটটি সম্প্রতি আমার নজরে এসেছে। http://www.firozmahboobkamal.com
একাত্তরের আত্মঘাতের ইতিহাস নামক প্রবন্ধটির কিছু বিতর্কিত অংশ তুলে ধরছি,
বাংলাদেশে একাত্তরের ঘটনাবলি নিয়ে প্রচুর মিথ্যাচার হয়েছে। বিকৃত হয়েছে ইতিহাসের পাঠ্যপুস-ক। লেখা হয়েছে অসত্যে ভরপুর অসংখ্য গ্রন', গল্প, উপন্যাস ও নাটক। নির্মিত হয়েছে বহু ছায়াছবি। এখনও সে বিকৃত ইতিহাস রচনার কাজ চলছে জোরেসোরে। এ পরিকল্পিত মিথ্যাচারের লক্ষ্য একটিই। আর তাহলো, দেশ-বিদেশের মানুষ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম থেকে সত্যকে আড়াল করা। এবং যারা একাত্তরের লড়াইয়ে বিজয়ী হয়েছে তাদের কৃত অপরাধগুলো লুকিয়ে ফেরেশতাতুল্য রূপে জাহির করা। সে সাথে বিরোধী পক্ষকে দানব রূপে চিত্রিত করা। যারা দেশকে আন-র্জাতিক অঙ্গনে ভিক্ষার ঝুলিতে পরিণত করলো, গণতন্ত্রকে পাঠালো নির্বাসনে এবং মানুষকে পাঠালো ডাষ্টবিনের পাশে কুকুরের সাথে উচ্ছিষ্ঠ খোঁজের লড়াইয়ে তাদেরকে আজ হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী বলা হচ্ছে বস'ত সে পরিকল্পনারই অংশ রূপে। এ মিথ্যাচারের আরেক বড় লক্ষ্য, একাত্তরে বাংলার মুসলামানদের মধ্যে যে রক্তক্ষয়ী বিভক্তি সৃষ্টি হল, সেটিকে স'ায়ী রূপ দেয়া। এমন ইতিহাস রচনার লক্ষ্য তাই দেশের কল্যাণ নয়, সত্যকে তুলে ধরাও নয় বরং এখানে প্রাধান্য পেয়েছে ব্যক্তি ও দলের ইমেজকে বড় করে দেখানো।
নানা প্রেক্ষাপটে প্রতিদেশেই বিভক্তি দেখা দেয়। সে বিভক্তি নিয়ে প্রকান্ড রক্তপাতও হয়। নবীজীর (সাঃ) আমলে আরবের মানুষ বিভক্ত হয়েছিল মুসলমান ও কাফের এদুুটি শিবিরে। কিন' সে বিভক্তি বেশি দিন টেকেনি। সে বিভক্তি বিলুপ্ত না হলে মুসলমানগণ কি বিশ্বশক্তি রূপে আত্মপ্রকাশ করতে পারতো? জার্মানরা বিভক্ত হয়েছিল নাজি ও নাজিবিরোধী এ দুই দলে। সে বিভক্তিও বেশীদিন টেকেনি। তা বিলুপ্ত না হলে জার্মানরা আজ ইঊরোপের প্রধানতম রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক শক্তি হতে পারতো? বিভক্তি দেখা দিয়েছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও। সে বিভক্তি এতটাই প্রবল ছিল যে আব্রাহাম লিংকনের আমলে উত্তর ও দক্ষিণের রাষ্ট্রগুলোর মাঝে প্রকান্ড গৃহযুদ্ধ হয়েছিল। হাজার হাজার মানুষ তাতে নিহতও হয়েছিল। কিন' সে বিভক্তি বেশী দিন টেকেনি। সেটি বিলুপ্ত না হলে দক্ষিণ আমেরিকার মত উত্তর আমেরিকাতেও উরুগুয়ে, প্যারাগুয়ে, বলিভিয়ার মত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বহু রাষ্ট্রের জন্ম হত। ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আজ যেভাবে এক নাম্বার বিশ্বশক্তিরূপে আত্মপ্রকাশ করছে তা কি তখন সম্ভব হত? পারতো কি পৃথিবী জুড়ে প্রভাব সৃষ্টি করতে? আত্মপ্রতিষ্ঠা, আত্মসম্মান ও সভ্যতার নির্মাণ ঘটে তো একতার পথ ধরেই। বিভক্তির মধ্য দিয়ে আসে আত্মহনন, আত্মগ্লানি ও চরম অপমান। বাংলাদেশ আজ সে বিভক্তির পথ ধরেই অগ্রসর হচ্ছে। একটি দেশের জন্য এর চেয়ে বড় আত্মঘাত আর কি হতে পারে? একতার গুরুত্ব শুধু বিবেকবান মানুষই নয়, পশুপাখিও বোঝে। তাই তারাও দল বেঁধে চলে। একতা গড়া ইসলামে ফরয এবং বিভক্তি গড়ার প্রতিটি প্রচেষ্টাই হল হারাম। বিষয়টি এতই গুরুত্বপূর্ণ যে একতার পথে চলা ও না-চলার বিষয়টি ব্যক্তির খেয়াল খুশির উপর ছেড়ে দেওয়া হয়নি। অলংঘনীয় নির্দেশ এসেছে মহান আল্লাহতায়ালার পক্ষ থেকে। পবিত্র কোরআনে তিনি সুস্পষ্ট ভাবে বলেছেন,
‘‘ওয়া তাছিমু বিহাবলিল্লাহে জামিয়াঁও ওলাতাফারত্মাকু ..।’’
অর্থ ঃ ‘‘এবং তোমরা আল্লাহর রশি (আল্লাহর দ্বীন তথা পবিত্র কোরআন বা ইসলামকে) আঁকড়ে ধর এবং পরস্পরে বিভক্ত হয়োনা..।’’
আলোচ্য আয়াতে আল্লাহতায়ালা শুধু যে একতাবদ্ধ হতে বলেছেন তা নয়, কিসের ভিত্তিতে একতা গড়তে হবে সেটিও বলে দিয়েছেন। সে একতা ভাষা, ভূগোল ও বর্ণভিত্তিক হবে না, হবে আল্লাহর রশি তথা ইসলাম বা কোরআন ভিত্তিক। মুসলমানদেরকে বলা হয়েছে কোরআনকে বা ইসলামকে আঁকড়ে ধরতে, ভাষা, বর্ণ ও ভুগোলকে নয়। আল্লাহতায়ালা যেমন একতাবদ্ধ হতে বলেছেন তেমনি পরস্পরে বিভক্ত না হওয়ার বিরুদ্ধেও সতর্ক করে দিয়েছেন। আল্লাহর প্রতিটি হুকুমই তো অলঙ্ঘনীয়। ফলে একতা প্রতিষ্ঠার প্রতিটি প্রয়াস যেমন আল্লাহর আনুগত্য তথা ইবাদত, তেমনি বিভক্তি ও বিচ্ছিন্নতার প্রতিটি প্রয়াসই হলো বিদ্রোহ। দেশের রাজা বা বিচারকের বিরুদ্ধে যে কোন বিদ্রোহ শাসি- অনিবার্য করে তোলে। মহান আল্লাহর এ হুকুমের অবাধ্যতা কি রহমত বয়ে আনে? এটি তো গুরুতর বিদ্রোহ। এমন বিদ্রোহ যে আযাব ডেকে আনে তা নিয়ে কি সন্দেহ আছে? বাংলাদেশে সে অবাধ্যতা চলছে নানা ভাবে। আল্লাহর অবাধ্যতা শুধু এ নয় যে জনগণের অর্থে ও সমর্থণে দেশে সূদী ব্যাংক প্রতিষ্ঠা পেয়েছে বা রাষ্ট্রীয় অর্থে বেশ্যাবৃত্তি বা জ্বিনা পাহারাদারি পাচ্ছে বা আইন-আদালত থেকে আল্লাহতায়ালার আইনকে সরিয়ে ব্রিটিশ প্যেনাল কোড প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। বরং আল্লাহর বিরদ্ধে বড় বিদ্রোহ ঘটেছে ভাষা, বর্ণ ও পৃথক ভূগোলের নামে মুসলিম উম্মাহর বিভক্তি গড়ার মধ্য দিয়ে। ১৯৪৭ সালে দক্ষিণ এশিয়ার মুসলমানেরা ভাষা ও বর্ণকে নয়, ইসলামকে আঁকড়ে ধরেছিল। বাঙ্গালী, বিহারী, পাঞ্জাবী, পাঠান, সিন্ধি, গুজরাটি এরূপ নানা ভাষার মুসলমানগণ ভাষার পরিচয় নিয়ে নয়, ঈমানী পরিচয় নিয়ে একাতাবদ্ধ হয়েছিল। তারা সেদিন ভুলে গিয়েছিল তাদের ধর্মীয় ফেরকা ও মাজহাবী বিরোধ। উপমহাদেশের মুসলিম ইতিহাসে এটি অনন্য। পবিত্র কোরআনে মুসলমানদের বলা হযেছে হিজবুল্লাহ বা আল্লাহর দল। এটি কি ভাবা যায়, আল্লাহতায়ালা তাঁর নিজের বাহিনীতে অনৈক্য চাইবেন? এবং সেটি ভাষা, বর্ণ বা ভৌগলিক স্বার্থের নামে? মুসলিম উম্মাহর একতা ও বিজয়ের চেয়ে এগুলি কি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে? আল্লাহতায়ালা তাঁর বাহিনীতে একতার যে কোন উদ্যোগে যে খুশি হবেন সেটিই তো স্বাভাবিক। উমহাদেশের মুসলমানদের সে একতা আল্লাহতায়ালাকে এতই খুশি করেছিল যে তাদের প্রতি তাঁর বিশাল রহমত জুটেছিল। ফলে বিজয়ও এসেছিল। এ রহমতের কারণেই বিশ্বের সর্ববৃহৎ মুসলিম রাষ্ট্র পাকিস-ানের প্রতিষ্ঠা করতে কোন যুদ্ধ লড়তে হয়নি। অস্ত্র না ধরেই বিশাল শত্রুপক্ষকে সেদিন তারা পরাজিত করতে পেরেছিল।
অফলাইন
আমরা কি এড়াতে পারব চায়ের কাপে! ক্লাসের ফাকে আর অফিসের টেবিলে! তবু যদি এক হই তবে আমরা পারবই। ওদের জন্য ঘৃণা ওদের সঙ্গ ত্যাগের আপ্রাণ ইচ্ছা তবু ওরা আমাদের রাজা হতে চায়।থু থু দিলাম পাচাটাদের, থু থু দিলাম বাংলার শত্রুদের।
অফলাইন