আমাদের কলেজে বিতর্কের সবচেয়ে বিতর্কিত টপিক ছিল এইটা। আমাদের স্যারেরাও এতে অংশ নিত। এবার আমার প্রিয় ফোরামে এই টপিকটা চালু করলাম। আসলে টপিকটার স্থান কোথায় হবে তা একটু বুঝতে কষ্ট হল। কারণ এই টপিকটি চায়ের কাপে ঝড় বিভাগেও যেতে পারত। কিন্তু এই ভালবাসার মাসে আমি আপনাদের ভ্যালেন্টাইন ডে উপলক্ষ্যে এই বিতর্কের শুরু করলাম। আর কথা না বাড়িয় টপিকটি দিই।
টপিকটি হল-
" একটি ছেলে ও একটি মেয়ে (প্রাপ্ত বয়স্ক) কি কখনও বন্ধু হতে পারে? নাকি কেউ কেউ একজন আর একজনকে ভালবেসে ফেলে?"
আমি মনে করি একজন প্রাপ্ত বয়স্ক ছেলে বা মেয়ে কখনও বন্ধু হতে পারে না। যদিও একজন বন্ধু ভাবে তো আর একজন প্রেমিক বা প্রেমিকা মনে করে। আপনাদের কি মত?
অফলাইন
ছেলে মেয়ের বন্ধু হতে পারে কিন্তু মেয়ে ছেলের বন্ধু হতে পারে না... বান্ধবী হতে পারে 
(অফটপিকঃ আপনাদের কলেজে পরাশুনার পাশাপাশি রোমান্সও শেখাতো নাকি?
অন্য কলেজগুলোতে কেন যে এই ব্যবস্থা নাই
)
অফলাইন
প্রাসঙ্গিক উত্তরঃ
ছেলে+মেয়ে বন্ধুত্ত্ব হতে পারে কিনা বলতে গেলে প্রথমেই জানতে হবে বন্ধুত্ত্বের সংজ্ঞা কি...
এ সম্পর্কে বিখ্যাত অপদার্থ বিজ্ঞানী প্রফেসর গণি মিয়া বলেছেন, "বন্ধুদের জাহাজে ওঠালেই ফ্রেন্ডশিপ(বন্ধুত্ত্ব) হয় না। জাহাজ পানিতে থাকতে হয় এবং জাহাজ চালাতে জ্বালানীর প্রয়োজন হয়। তেমনি বন্ধুত্ত্ব তৈরি করতেও উভয় পক্ষের মানসিক মিল এবং বন্ধুত্ত্বের উপযোগী সামাজিক পরিবেশ থাকতে হয়।" -দি হিস্টোরী অব অপদার্থ বিজ্ঞান by গণি মিয়া।
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন আলোকিত (০১-০২-২০০৮ ১২:১১)
অফলাইন
আলোকিত লিখেছেন:
প্রাসঙ্গিক উত্তরঃ
ছেলে+মেয়ে বন্ধুত্ত্ব হতে পারে কিনা বলতে গেলে প্রথমেই জানতে হবে বন্ধুত্ত্বের সংজ্ঞা কি...এ সম্পর্কে বিখ্যাত অপদার্থ বিজ্ঞানী প্রফেসর গণি মিয়া বলেছেন, "বন্ধুদের জাহাজে ওঠালেই ফ্রেন্ডশিপ(বন্ধুত্ত্ব) হয় না। জাহাজ পানিতে থাকতে হয় এবং জাহাজ চালাতে জ্বালানীর প্রয়োজন হয়। তেমনি বন্ধুত্ত্ব তৈরি করতেও উভয় পক্ষের মানসিক মিল এবং বন্ধুত্ত্বের উপযোগী সামাজিক পরিবেশ থাকতে হয়।" -দি হিস্টোরী অব অপদার্থ বিজ্ঞান by গণি মিয়া।



অফলাইন
ব্যাক টু দ্যা ওল্ড মিউজিক টাইমআলোকিত লিখেছেন:
অফটপিক: আপনাদের কলেজে পরাশুনার পাশাপাশি রোমান্সও শেখাতো নাকি?
অন্য কলেজগুলোতে কেন যে এই ব্যবস্থা নাই
সিটি কলেজে পড়ার সময় এই আফসোসটা আমারও ছিল। সামি ভাইদের তো তাও একসাথে ক্লাস হতো, আমাদের যে মর্নিং-ডে ছিল। অবশ্য "মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে..." এই বিদ্যাটা আমাদেরও জানা ছিল। আমার ক্লাসমেটরা সবাই এক ঘন্টা আগে কলেজে যেত। বাবা মায়েরা ভাবত, আহা, কত ভাল ছেলে, আগে আগে কলেজে যায়। লাইব্রেরিতে একটু পড়তে হবে, প্র্যাক্টিক্যাল স্যারের সাথে কথা বলতে হবে, ফ্রেন্ডের কাছ থেকে হোমওয়ার্কটা নিয়ে করতে হবে - ইত্যাদি অনেক বায়না রেডি থাকত। এই সব বাঘা বাঘা অজুহাতের কারণে বাবা মায়েদেরও মাথায় আসতো না যে, সে সময় মর্নিং শিফট শেষ হয়। আমি যথারীতি খাপছাড়াই ছিলাম। কলেজে যেতাম পাঁচ মিনিট আগে, বেশির ভাগ সময় পাঁচ থেকে পনের মিনিট পরে। ঐ সময় পৌঁছে প্রথমেই যে বিপরীত লিঙ্গের সাথে দেখা হত তিনি হতেন আমাদের রাফিয়া ম্যাডাম (ক্লাস টিচার)। তার কাছে ঝাড়ি খেয়েই কলেজে আমার প্রতিটা দিন শুরু হত। সে কারণে এখনও সেভাবে বুঝে উঠা হয়নি ছেলেমেয়েদের বন্ধুত্ব কি রকম হয়।
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মুশাফ (১৮-০৪-২০০৮ ০৩:৫২)
অফলাইন
মুশাফ লিখেছেন:
সিটি কলেজে পড়ার সময় এই আফসোসটা আমারও ছিল। সামি ভাইদের তো তাও একসাথে ক্লাস হতো, আমাদের যে মর্নিং-ডে ছিল।
অবশ্য "মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে..." এই বিদ্যাটা আমাদেরও জানা ছিল।
আমার ক্লাসমেটরা সবাই এক ঘন্টা আগে কলেজে যেত। বাবা মায়েরা ভাবত, আহা! কত ভাল ছেলে, আগে আগে কলেজে যায়। লাইব্রেরিতে একটু পড়তে হবে, প্র্যাক্টিক্যাল স্যারের সাথে কথা বলতে হবে, ফ্রেন্ডের কাছ থেকে হোমওয়ার্কটা নিয়ে করতে হবে - ইত্যাদি কত রকমের যে বায়না রেডি থাকত বলে শেষ করা যাবে না। এই সব বাঘা বাঘা অজুহাতের কারণে বাবা মায়েদেরও মাথায় আসতো না যে, সে সময় মর্নিং শিফট শেষ হয়।
আমি অবশ্য খাপছাড়াই ছিলাম। কলেজে যেতাম পাঁচ মিনিট আগে, বেশির ভাগ সময় পাঁচ থেকে পনের মিনিট পরে। ঐ সময় পৌঁছে প্রথমেই যে বিপরীত লিঙ্গের সাথে দেখা হত তিনি হতেন আমাদের রাফিয়া ম্যাডাম (ক্লাস টিচার)। তার কাছে ঝাড়ি খেয়েই কলেজে আমার প্রতিটা দিন শুরু হত। সে কারণে এখনও সেভাবে বুঝে উঠা হয়নি ছেলেমেয়েদের বন্ধুত্ব কি রকম হয়।
আপনার সহপাঠিরা বন্ধুত্বের উদ্দেশ্যে ১ ঘন্টা আগে আসতেন না... অন্য উদ্দেশ্যে আসতেন 
তাই একে বন্ধুত্ব বলা যাবে না।
অফলাইন
হেহেহে...আর তাকাবি???দেখ...ক্যামনে ভেঙ্গাই ...হেহেহেআমি নতুন সদস্য।কি করবো কিছু বুঝতে পারছি না ।

কে আমাকে সাহায্য করবে? কে দেবে আশা,কে দিবে ভরসা?
অফলাইন
রূপসী-রাক্ষসী লিখেছেন:
আমি নতুন সদস্য।কি করবো কিছু বুঝতে পারছি না ।
![]()
কে আমাকে সাহায্য করবে? কে দেবে আশা,কে দিবে ভরসা?
স্বাগতম রাক্ষুসী 
অভ্যর্থনা কক্ষে আপনার পরিচয় দিন, এরপর পোস্ট করা শুরু করুন।
আশা ভরসা কিছুই দরকার নাই 
অফলাইন
@ মুশাফ ভাই,
আমাদের ক্লাশে বিতর্ক মানে রুম বিতর্ক হত। এবং যখন কোন ক্লাশ থাকত না তখন আমাদের গাইড টিচার (যে তরুণ এবং সুদর্শন এবং প্রেমিক মণা) সেই স্যারই এর সূত্রপাত ঘটান। আপনারা আমাদের চেয়েও ভাগ্যবান। কারণ আপনারা ক্লাশ শুরুর আগে বিপরীত লিঙ্গের দেখা পেতেন। কিন্তু আমরা কপাল ফাটা। কারণ আপনি নিশ্চয়ই কোডা সম্বন্ধে জানেন। আমরা ক্লাশ করতাম ধানমন্ডি ২৭ নাম্বার এর রাপা প্লাজার উল্টোদিকে। আর মেয়েদের ইউনিট ছিল ধানমন্ডি ২৫ নম্বর এ বাংলাদেশ মেডিকেল এর উল্টোদিকে ও ধানমন্ডি ৮ নম্বর এ। সুতরাং আমাদের দেখার সৌভাগ্য কখনো হয়নি। ধানমন্ডি ২৫ নম্বর আবার আমাদের কলেজের অফিস ছিল। তাই স্যারেরা সব সময় থাকতেন তাই কেউ মানে কোন ছাত্র ধারে কাছে আসতেন না। আমাদের কলেজের ছাত্রীরা কেমন তা আমি নিজেই জানি না। কারণ কলেজ জীবনে কখনো তাদের সাথে দেখা হয়নি। তবে আজ আপনাদের আমার জীবনের আর এক দুঃখের ইতিহাস বলছি। তবে এটি অফটপিক।
স্যারেরা যতই মেয়েদের আড়াল করে রাখুন আমাদের থেকে মূল পরীক্ষা মানে এইচ.এস.সি. পরীক্ষার সময় আমাদের সীট পরে ঢাকা কলেজে এবং মেয়েদেরও ঐ একই কলেজে। তো আমার রোল নম্বর ছিল শেষের দিকে। এদিকে সীট এমন ভাবে ফালানো হয়েছে যে ছেলেদের শেষ তখন মেয়েদের শুরু। তাই একই রুমে ছেলে এবং মেয়েরা পরীক্ষা দিলাম। তবে সব পরীক্ষায় তারা আমাদের থেকে মোটামুটি দূরেই ছিল। আমার চতুর্থ বিষয় ছিল কম্পিউটার। কম্পিউটার পরীক্ষার দিন নতুন করে সীট প্ল্যান হল। ঢাকা কলেজের গ্যালারীতে সীট ফালানো হল। আর আমিই হলাম সর্বশেষ ছেল যার কম্পিউটার বিষয়টি রয়েছে। আমার ডান পাশে আমার এক খীস্ট্রান বন্ধু আর বা পাশে আমাদের কাঙ্খিত ললনা এবং আমার বেঞ্চের সামনে এক ঝাক ললনা। আমার সীট ২য় লাইনের বেঞ্চে আর ললনারা ১ম লাইনের বেঞ্চে আর আমার পাশে একজন। তো আমি কম্পিউটারে মোটামুটি ভালই পাড়ি। এটা সবাই জানে। আমি এ+ পাব সবাই কনফার্ম এবং আমিও। যথারীতি ১ম পত্র পরীক্ষা দিলাম কোন ঝামেলা ছাড়াই। এবং পরীক্ষার মাঝে আমার পাশের গাধা মেয়েটিকে দেখিয়ে পাশ মার্ক উঠিয়ে দিলাম। আমার বাম পাশের বন্ধুকেও দেখালাম না হলে ও আবার মাইন্ড করবে। যাই হোক আমার সামনে যার সীট তাকে আমার মোটামুটি এক দেখাতেই পছন্দ হয়ে গেল। সুযোগ খুঁজছিলাম যে সে আমার থেকে হেল্প চায় কিনা। কিন্তু ঐ দিন চাইল না এবং আমি দেখলাম সে মোটামুটি ভাল ছাত্রী সেও এ+ পাবে। সে তার অন্য বান্ধবীদের সাহায্য করছে। এবার ২য় পত্রে পরীক্ষার দিন। এদিন আবার কম্পিউটারে অংক আছে। আর কম্পিউটারের অংক মানে আমার কাছে পানি ভাত। আমার বন্ধুমহলে এটা সবাই জানে। কিন্তু সমস্যা হল ঐদিন কড়া গার্ড। তার পর পরীক্ষার মাঝে আমার সামনের বেঞ্চের ললনা আমাকে বলছে প্রশ্ন পাল্টাপাল্টি করতে। মানে সে তার প্রশ্ন দিবে এবং আমার প্রশ্ন নিবে। ঘটনা কি আমি তো যারপর নাই আনন্দিত যে সে কিছু মনে হয় লিখছে। কিন্তু প্রশ্ন পাল্টানোর পর দেখলাম একি
সেখানে লেখা অমুক নম্বরের অমুক অংকটা প্রশ্নে করে দাও। আমি যথারীতি করে দিলাম। এরকম করে বেশ কয়েকবার প্রশ্ন পাল্টিয়ে তাকে অংক করে দিলাম। সবশেষে পরীক্ষার ৩০ মিনিট আগে আমার পরীক্ষা শেষ হল এবং আমার প্রশ্নটা তখন ওর কাছে রয়ে গেছে। আমি প্রশ্ন চাইলাম, তখন দেখলাম ও জ্যামিতি ব্ক্স থেকে গোলাপী কালারের গ্লীটার পেন বের করে প্রশ্নে কি যেন লিখল। আমি তো মহা খুশী মনে হয় মোবাইল নম্বর পেয়েছি। খুশি মনে যেই প্রশ্নটা চেঞ্জ করতে যাব অমনি স্যারের হাতে ধরা পড়লাম এবং স্যার আমার প্রশ্নটা দেখতে পায়নি দেখতে পেলেন ওর প্রশ্ন। মানে আমি প্রশ্ন ওকে একটু পড়ে দিয়েছি সেটা স্যারের চোখে পড়তেই স্যার আমার খাতা রেখে আমাকে বের করে দিলেন। তার পর আমি খুশী মনে রুম থেকে বের হয়ে প্রশ্নের দিকে তাকালাম। কিন্তু একি 

"অংকের জন্য ধন্যবাদ"



মাত্র একথাটি লেখা। হায় হায় করা ছাড়া আর কিই বা করা আছে। তারপরে অপেক্ষা করলাম ওর পরীক্ষা শেষ হবার জন্য। কিন্তু শেষ দৃশ্য বড়ই মর্মান্তক। আমাকে পাশ কাটিয়ে পরীক্ষা শেষে ওর বয়ফ্রেন্ড (সেও কোডার ছাত্র) এর হাত ধরে হাসতে হাসতে চলে গেল।



পরিশেষ আমি কম্পিউটারে এ+ পাই এবং ইন্টারনেট থেকে দেখলাম সেও কম্পিউটারে এ+ পেয়েছে।
অনেক লিখে ফেললাম আজকে। এতবড় কোন পোস্ট মনে হয় আমি এর আগে আর দিই নি। আপনাদের মূল্যবান সময় নষ্ট করার জন্য আমি ক্ষমা প্রার্থী। মূল টপিক নিয় অন্য পোস্টে আবার আলোচনা করব।
অফলাইন
সামিউল লিখেছেন:
আমাদের কলেজে বিতর্কের সবচেয়ে বিতর্কিত টপিক ছিল এইটা। আমাদের স্যারেরাও এতে অংশ নিত। এবার আমার প্রিয় ফোরামে এই টপিকটা চালু করলাম। আসলে টপিকটার স্থান কোথায় হবে তা একটু বুঝতে কষ্ট হল। কারণ এই টপিকটি চায়ের কাপে ঝড় বিভাগেও যেতে পারত। কিন্তু এই ভালবাসার মাসে আমি আপনাদের ভ্যালেন্টাইন ডে উপলক্ষ্যে এই বিতর্কের শুরু করলাম। আর কথা না বাড়িয় টপিকটি দিই।
টপিকটি হল-
" একটি ছেলে ও একটি মেয়ে (প্রাপ্ত বয়স্ক) কি কখনও বন্ধু হতে পারে? নাকি কেউ কেউ একজন আর একজনকে ভালবেসে ফেলে?"
আমি মনে করি একজন প্রাপ্ত বয়স্ক ছেলে বা মেয়ে কখনও বন্ধু হতে পারে না। যদিও একজন বন্ধু ভাবে তো আর একজন প্রেমিক বা প্রেমিকা মনে করে। আপনাদের কি মত?
পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন টপিক। ভাগ্য ভাল প্রজন্মে কোন মেয়ে নেই। থাকলে এই টপিক যুগ যুগ ধরে চলবে।
অফলাইন
যুদ্ধের কী দরকার!সামিউল ... এই ধরণের ঘটনা হরহামেশাই ঘটছে।
প্রসঙ্গটা একটা আপেক্ষিক ব্যাপার। কাজেই পরম উত্তর আশা করা বৃথা।
আমার উত্তর: হ্যাঁ, পারে। (সম্ভবত: ২০ বছর আগে এই উত্তরটা <পারে না> ছিল)
অনলাইন
@ সামিউল ভাই's এক্সাম স্টোরি
এমন মানসিকতা থাকলে মেয়েদের সাথে বন্ধুত্ব সম্ভব না। বন্ধুত্ব করতে চাইলে বাজে চিন্তা থেকে মস্তিষ্ককে সংযত রাখতে হবে। 
(আপনি আবার মাইন্ড কইরেন না, সবার মস্তিষ্কেই বাজে চিন্তা হয়
)
অফলাইন
শামীম লিখেছেন:
সামিউল ... এই ধরণের ঘটনা হরহামেশাই ঘটছে।
প্রসঙ্গটা একটা আপেক্ষিক ব্যাপার। কাজেই পরম উত্তর আশা করা বৃথা।
আমার উত্তর: হ্যাঁ, পারে। (সম্ভবত: ২০ বছর আগে এই উত্তরটা <পারে না> ছিল)
![]()
![]()
![]()
অফলাইন
আহাঃ রে, এই ধরনের বিতর্ক করার বয়স যদি থাকত! কলেজ পাস করছি ৯২ সালে, আজ থেকে ১৬ বচ্ছর!
কলেজে আজও এই ধরনের বিতর্ক হয়, ভাবতেই ভালো লাগে। এসব বিতার্কিকরা মনে হয় বাংলাদেশের বাইরে আর কিছু ভাবেন না। সম্ভব না বলে তারা যে যুক্তি দেন, সেটা শক্ত না।
আলমগীর
অফলাইন
আলমগীর লিখেছেন:
আহাঃ রে, এই ধরনের বিতর্ক করার বয়স যদি থাকত! কলেজ পাস করছি ৯২ সালে, আজ থেকে ১৬ বচ্ছর!
কলেজে আজও এই ধরনের বিতর্ক হয়, ভাবতেই ভালো লাগে। এসব বিতার্কিকরা মনে হয় বাংলাদেশের বাইরে আর কিছু ভাবেন না। সম্ভব না বলে তারা যে যুক্তি দেন, সেটা শক্ত না।
আলমগীর
![]()
বাংলাদেশ আর আগের মত নেই। এখানেও এখন বিপরীত লিঙ্গের সাথে বন্ধুত্ব সম্ভব।
এক্ষেত্রে মানসিকতাটাই হচ্ছে বড় ব্যাপার। সবকিছুই মস্তিষ্কের নিয়ন্ত্রণে
কাজেই মস্তিষ্ককে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলতে না দিয়ে মস্তিষ্কের উপর নিয়ন্ত্রণ আনতে হবে।
অফলাইন
আমিও মনে করি বন্ধুত্ব হতে পারে।
আমাদের স্কুলে কো-এডুকেশন ছিল। কিন্তু, ক্লাসরূম আলাদা হতো। ৩-৪ জন মেয়ের সাথে বন্ধুত্ব হয়েছিল। এবং, তাদের সাথে এখনও বন্ধুত্বের সম্পর্ক অটুট আছে। এরকমও হয় তাদের মধ্যে যারা বিয়ে করে ফেলেছে, তাদের হাসবেন্ডসহ আড্ডা দিয়েছি। আবার, ইউনিভার্সিটিতে যখন পড়েছি, তখন বয়সের দিক থেকে সবাই আরেকটু পরিপক্ক। স্কুলে পড়াকালীন সময় থেকে আচরণ-অনুভূতিতেও পরিণত।
ছোট্ট একটি ব্যাপার হলঃ একজন ছেলে & একজন মেয়ের যখন বন্ধুত্ব হয়, তখন সেখানে আকর্ষন কাজ করাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু, এই অনুভূতি চেপে রেখে স্বাভাবিকভাবে বন্ধুতার সম্পর্কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়। এতে অভ্যস্ত হয়ে গেলে আকর্ষন জাতীয় বোধগুলো চাপা পড়ে যায়। তখন যা থাকে তা হল স্বাভাবিক সুসম্পর্ক।
অফলাইন
আলোকিত লিখেছেন:
@ সামিউল ভাই's এক্সাম স্টোরি
এমন মানসিকতা থাকলে মেয়েদের সাথে বন্ধুত্ব সম্ভব না। বন্ধুত্ব করতে চাইলে বাজে চিন্তা থেকে মস্তিষ্ককে সংযত রাখতে হবে।
(আপনি আবার মাইন্ড কইরেন না, সবার মস্তিষ্কেই বাজে চিন্তা হয়)
বাজে চিন্তা বলে যেটাকে ভাবছেন সেটা আছে (কিছু ইংরেজী শব্দ, যেগুলোর প্রতি বাঙালি মেয়েরা খুবই স্পর্শকাতর)।
কিন্তু সেটার চাইতে আরো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে যেটার কারণে বন্দ্ধুত্ব হয় না ভেঙে যায়।
ছেলে মেয়ের বন্ধুত্বর ক্ষেত্রে একটি বিষয় মনে রাখতে হবে। তা হল, ছেলে বা মেয়ের অন্য কারো সাথে প্রেম আছে কিনা। এর উপর ভিত্তি করে চারটার সেনারিও হয়।
১) ছেলে ও মেয়ে কাররই কোন প্রেম নেই: বন্ধুত্ব প্রেমে রুপ নেবার সম্ভাবনা ৯৯%। কেউ না কেউ প্রেমে পড়বেই। অবশ্য প্রেম এভাবেই হয়। নয়তো প্রেম কখনই হবে না।
২) ছেলের আছে কিন্তু মেয়ের নেই: ঐ সফল ছেলের দ্বিগিজয়ী কথা বার্তা শুনে মেয়ে প্রেমে পড়ে যেতে পারে। না পড়লেও তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব খুবই নিবিড় হবে। কারণ বুঝতেই পারছেন ছেলেটির বন্ধুত্ব ছাড়া আর কোন উদ্দেশ্য নেই। এটাকে আমি বলি, বন্ধুত্বের বেশি ভালবাসার কম। 
৩) দুজনেরই প্রেম আছে: সবচেয়ে ভাল বন্ধুত্ব হবে। ৯৯% নিশ্চয়তা। বন্ধুত্ব আরও নিবিড় হবে যখন তারা চারজনই বন্ধু।
৪) ছেলের নেই কিন্তু মেয়ের আছে: এটা বাংলাদেশে একটা কমন কেস (কমন কেসের ব্যাখ্যা করব পরের কোন পোস্টে)। মেয়েতো প্রেমে পড়বেই না। ছেলে পড়তে পারে। ছেলে যদি প্যারিসমনা (হিন্ট: হেলেন অব ট্রয়) হয় তাহলে খবর আছে। এক্ষেত্রে বন্ধুত্ব বেশ ভাল হবে।এটাকেও আমি বলি, বন্ধুত্বের বেশি ভালবাসার কম। 
আমাদের দেশে প্রেম হয়ে যায়। এর একটা কারণ আমি বলি।
একই লিঙ্গের বন্ধুত্বর দৌড় বন্ধুত্ব পর্জন্তই।
বিপরীত লিঙ্গের বন্ধু্ত্বর দুটি পথ। প্রেম বা বন্ধুত্ব। যেকোন একটি।
বিপরীত লিঙ্গের দুজনের মধ্যে যখন পরিচয় হয় তখনই ছেলে বা মেয়েটি মনে মনে ঠিক করে ফেলে রিলেশন কোন পর্জন্ত নিবে। মানে তারা মনে মনে একটি পথ বেছে নেয়। যেহেতু প্রেমের গুরুত্ব বন্ধুত্বর চেয়ে বেশি। মানে, আপনি নিশ্চই ফরজটা আগে করবেন। তাই প্রেমের পথটা বেছে নেন। এটা ছেলেদের ক্ষেত্রে হয়। মেয়েরা কেমন করে জানিনা। কোন মেয়েই ভাল বলতে পারবে। ব্যাস্ । হয়ে গেল বন্ধুত্বের সমাধি।
অফলাইন
আমি আর কি বলবো, আমি যা বলতাম তা আমার আগের পোস্টে অনেকে বলে গেছেন আর যা বলবো তা হয়তো আমার পরের পোস্টে অনেকে বলবেন।
আমি এখানে এতটুকুই বলবো- আমার একজন নয়, কয়েকজন মেয়ে বন্ধু আছে। এবং তাদের সবার সাথেই ছাত্রজীবনের কোন না কোন সময় একসঙ্গে কাটিয়েছি। আমার এই মেয়ে বন্ধুদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সঙ্গ আমার খুব ভাল লাগে। এছাড়া অন্য কোন চাহিদা বা আকর্ষন কখনো কাজ করে না।
শিপলু ভাইয়ের সাথে আমি একমত। তবে এটা শুধু যারা একসঙ্গে লেখাপড়া করেছে তাদের ক্ষেত্রে। অন্য কোন ভাবে পরিচিত বা যে কেউই হোক না কেন কখনোই একজন ছেলে বা মেয়ে বন্ধু হতে পারে না। বন্ধুত্ব গড়ে তুলতে অনেকটা সময়ের প্রয়োজন। কিন্তু একই লিঙ্গের ছেলে বা মেয়ের পক্ষে কম সময়েই হয়তো সম্ভব।
অফলাইন
ছেলে ও মেয়ে কি বন্ধু হতে পারে? আমআর কাছে এটি দুনিয়ার সহজ প্রশ্নগুলোর একটি। আপনার আমাকে Backdated বললেও বলতে পারেন, সংকীর্ণ চিত্ত মনেরও বলেতে পারেন, হৃদয়বিহীন, ভালোবাসা বুঝতে অক্ষম ধরণের লোক হিসেবে মনে করতে পারেন। কিন্তু ছেলে মেয়ের মধ্যে বন্ধুত্বে আমি বিশ্বাস করি না। কারণ আল্লাহ এবং তার সম্মানিত রাসূল আমাদের এ ব্যাপারে নিষেধ করেছেন। এতটুকুই আমি মনে করি মুসলমানদের জন্য যথেষ্ঠ হওয়া উচিত।
অফলাইন