সবার জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি ইসি নতুন একটি ওয়েবসাইট তৈরি করেছে, যাতে আপনারা পিন নাম্বার দিয়ে লগ-ইন করে আপনার ভোটার হবার নানা তথ্যাদি পাবেন, অবশ্য সেটা আপনার ছবি তোলার পর সম্ভবত।
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন দত্ত (১৯-০১-২০০৮ ০৩:১০)
অফলাইন
দত্ত লিখেছেন:
সবার জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি ইসি নতুন একটি ওয়েবসাইট তৈরি করেছে, যাতে আপনারা পিন নাম্বার দিয়ে লগ-ইন করে আপনার ভোটার হবার নানা তথ্যাদি পাবেন, অবশ্য সেটা আপনার ছবি তোলার পর সম্ভবত।
শুধু ছবি তোলার পর নয়। ছবি তোলার ১৫ দিন পর ওয়েব সাইট থেকে দেখতে পারবেন।
অফলাইন
সামিউল লিখেছেন:
দত্ত লিখেছেন:
সবার জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি ইসি নতুন একটি ওয়েবসাইট তৈরি করেছে, যাতে আপনারা পিন নাম্বার দিয়ে লগ-ইন করে আপনার ভোটার হবার নানা তথ্যাদি পাবেন, অবশ্য সেটা আপনার ছবি তোলার পর সম্ভবত।
শুধু ছবি তোলার পর নয়। ছবি তোলার ১৫ দিন পর ওয়েব সাইট থেকে দেখতে পারবেন।
ভুলটা ঠিক করার জন্য ধন্যবাদ।
অফলাইন
অবশেষে আমি নাগরিক পরিচয় পত্র পেয়েছি !
অফলাইন
আউল লিখেছেন:
প্রতিবার প্রতিটি স্থানীয় কিংবা সংসদ নির্বাচনে প্রায়ই শুনি ভোটার তালিকা ঠিক নেই - কেউ বলে বাদ পড়েছে, আর কেউ বলে অতিরিক্ত হয়েছে, আর স্থানীয় প্রসাশন নির্বাচনে শুনি অন্য এলাকার বা বাহিরের লোট এনে ভোট দিছে ইত্যাদি। এতে করে নষ্ট হয় অনেক মূল্যবান সময় এবং পরাজিত প্রার্থীদের শুরু হয় আন্দোলনের ও অবরোধের ডাক।
তাই আমার মতে আগামী নির্বাচন গুলোকে স্বচ্ছ করতে জেলা গুলোতে কোন খ্যাতনামা ইন্টারনেট বা ওয়েপ পেজ প্রসেসিং সংস্থার দায়িত্বে দিয়ে, দেশের সকল নাগরিকের ডাটা বেজ তৈরী করা যেতে পারে।
এ ডাটা বেজে দেশের সকল নাগরিকের নাম, পিতা/মাতার নাম, ছবি, বয়স ও ঠিকানা লিপিভূক্ত থাকবে। এবং প্রতি বৎসর তা আপডেটেড করবে। যা আদম শুমারীর প্রয়োজনে উক্ত ডাটা বেজ থেকেই দেশের জনসংখ্যা জানা যাবে এবং ডাটা বেজ কে রি-সর্টিং করে যাদের বয়স ১৮ বৎসর হয়েছে তাদের তালিকা বের করা সহজ হবে- যা ভৈাটার তালিকা হিসাবে ব্যবহার করা যাবে। এতে করে নিভুল ভোটার তালিকা যেমন তৈরী হবে তেমনি দেশের জনসংখ্যাও জানা যাবে। এই প্রক্রিয়ায় প্রতিটি খ্যাতনামা ইন্টারনেট বা ওয়েপ পেজ প্রসেসিং সংস্থা তাদের নিদির্ষ্ট জেলায় প্রতিটি নাগরিকের নাম, ছবি, বয়স ও ঠিকানা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সংগ্রহ করবে। কারো ছবি না থাকলে তারা সে ছবি তোলার ব্যবস্থা করবে। তারপর সকল ডাটা গুলো এনে ডাটা বেজে সংরক্ষন করবেন। এভাবে ৬৪ টি জেলার ডাটা সংগ্রহ করে তা কেন্দ্রিয় ভাবে একত্রিকরন করবে, তার পর সম্পাদনা করবে। নাগরিকের নাম, পিতা/মাতার নাম, ছবি, বয়স রি-সর্টিং করে - দেখে নিবে একই ব্যাক্তির নাম দু’বা ততোধিক স্থানে বা জেলায় লিপিভূক্ত হয়েছে কিনা। সম্পূর্ণ নিশ্চিত হয়ে তা নির্ভুল তালিকা করবে। এতে করে দ্বৈত ভোটার কিংবা ভোটার বাদ পড়ার সম্ভবনা থাকবেনা । বিষয়টি যে কেহ বা সংস্থা স্ব-প্রনোদিত হয়ে করতে পারে।
এত বৎসর আগে এই আইডিয়া আপনার মাথায় এল কিভাবে?
অফলাইন