Forum, Projanmo, projonmo, Bangla Forum, Bangladeshi Forum,Bangladesh,Adda, bangla, community, bulletin board, software, hardware, information technology, mobile, politics, history, culture, friendship, tutorial,get together, university, study, higher study, computer, trouble, troubleshooting, telecome

#১ ২৬-০৮-২০০৭ ১০:১৬

সেভারাস
প্রজন্ম গুরু
Current Status...বিদায় প্রজন্ম। সবাই ভালো থেকো। ভাগ্যে থাকলে আবার দেখা হবে সূদূর ভবিষ্যতে
থেকে: এন.এস.ইউ
নিবন্ধিত হয়েছেন: ৩০-০১-২০০৭
পোস্ট: ৩৫২৮
ওয়েবসাইট

দীর্ঘস্খায়ী মন্দায় পড়তে পারে অর্থনীতি

সূত্রঃনয়া দিগন্ত
কৃতজ্ঞতাঃ এস এম মাহবুব মুর্শেদ, অরূপ কামাল
কাঙ্খিত মাত্রায় বিদেশী সাহায্য না পাওয়ার কারণে বাজেট ঘাটতি বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছে সরকার। বাজেট ঘাটতি মেটানোর জন্য সরকারকে বর্ধিতহারে ব্যাংক ব্যবস্খা থেকে ঋণ নেয়ার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিতে পারে। এর ফলে ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি আরো বেড়ে যাবে। কমে যাবে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবাহ। দেখা দেবে বেসরকারি বিনিয়োগে স্খবিরতা। ফলে হন্সাস পাবে জিডিপি’র প্রবৃদ্ধি। ইতোমধ্যে এ প্রবণতায় দৃষ্টিগোচর হচ্ছে। এ বিষয়গুলোসহ অর্থমন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ধারণা দেয়া হয়েছে, বিদ্যমান অবস্খা চলতে থাকলে সরকারের প্রধান বিনিয়োগ কর্মসূচি এডিপি’র ব্যাপক কাটছাঁটের প্রয়োজন হয়ে পড়বে। যার একটি দৃশ্যমান নেতিবাচক প্রভাব পড়বে দেশের অর্থনীতির ওপর। এদিকে আগামী সেপ্টেম্বর মাসে আরেক দফা বন্যার হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। পদ্মার পানি ইতোমধ্যে বাড়তে শুরু করেছে বলে বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে। সেপ্টেম্বর মাসে আরেক দফা বন্যা হলে তা কৃষি ওপর মারাত্মক বিরূপ প্রভাব নিয়ে আসবে। এ বন্যার কারণে পুরো আমন ফসল বিনষ্ট হয়ে পড়তে পারে। এর ফলে অর্থনীতি ধীরে ধীরে একটি দীর্ঘস্খায়ী মন্দার মুখে পড়বে বলে অর্থনীতিবিদরা সরকারকে সতর্ক করে দিয়েছেন।
জানা গেছে, ইতোমধ্যে শহরের মতো গ্রামগঞ্জেও জিনিসপত্রের দাম অত্যধিক বেড়ে গেছে। এক দিকে খাদ্যসামগ্রীর দাম বেড়ে যাওয়া, অন্য দিকে গ্রামের মানুষদের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ার কারণে পুরো গ্রামীণ অর্থনীতি এখন স্খবির হয়ে পড়ছে। একজন অর্থনীতিবিদ এ প্রসঙ্গে বলেছেন, গ্রামীণ অর্থনীতিকে সারা বছর চাঙ্গা রেখে সরকারে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় নেয়া বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প কাজের বাস্তবায়ন। কিন্তু এবার সেই উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়নের কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, ধরা যাক­ এডিপিতে একটি প্রকল্প আছে কোনো গ্রাম বা উপজেলায় রাস্তা মেরামত করার। এ কাজ শুরু হলে গ্রামের গরিব মানুষ দিনমজুর হিসেবে কাজ করে নিত্যদিনের আয়ের সংস্খান করতে পারেন। কিন্তু অর্থবছরের শুরু থেকে এডিপি বাস্তবায়নে অত্যন্ত ধীর গতি লক্ষ করা যাচ্ছে। অবস্খা এমন দাঁড়িয়েছে এলজিইডি’র অধীনে কিছু কিছু উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য ঠিকাদারদের কাছ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। অনেক স্খানে রাস্তাঘাট মেরামত কাজে টেন্ডার আহ্বান করা হলেও কেউ টেন্ডার দাখিল করেনি। ঠিকাদাররা হয়রানি হওয়ার ভয়ে কাজে উৎসাহ দেখাচ্ছেন না। এ অবস্খা চলতে থাকলে গ্রামীণ মানুষের করে খাওয়ার মতো আর কোনো কাজ থাকবে না বলে তিনি জানান।
এদিকে কৃষিঋণ বিতরণের পরিমাণও কমে গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গত অর্থবছরের জুলাই-মে মাসে কৃষিঋণ বিতরণের পরিমাণ হন্সাস পেয়েছে পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৯ দশমিক ৩১ শতাংশ। এর আগের বছরের একই সময়ে কৃষিঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল ১৬ দশমিক ২০ শতাংশ। বন্যার পরপরই কৃষিঋণের ব্যাপক ছাড়ের ওপরই আগামীর কৃষি ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে বলে সূত্র জানিয়েছে।
অর্থনীতির এই নেতিবাচক দিকে সাথে যোগ হয়েছে রাজস্ব আদায়ে ব্যর্থতা। সদ্য সমাপ্ত ২০০৬-০৭ অর্থবছরের রাজস্ব আদায়ের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রাও অর্জন করতে পারেনি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এনবিআর খাতে রাজস্ব আদায়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৮ দশমিক ৯২ শতাংশ। বিগত কয়েক বছরের মধ্যে এনবিআর খাতে এবারই সবচেয়ে কম প্রবৃদ্ধি হয়েছে। গত বছরের তিন মাসের রাজনৈতিক অস্খিরতার কারণে রাজস্ব আদায়ে এ হতাশাজনক পরিস্খিতি বলে জানা গেছে। আগামীতে আয়কর খাত ছাড়া অন্য কোনো খাতে রাজস্ব বাড়ার তেমন কোনো সম্ভাবনা নেই। ফলে বাজেট ঘাটতি মেটাতে গিয়ে সরকারকে বেশি করে ব্যাংক ব্যবস্খার ওপর নির্ভর করতে হবে। সরকার ব্যাংক থেকে বেশি ঋণ নিলে দেশের বেসরকারি খাতে হবে ঋণ বঞ্চিত। ফলে ব্যাহত দেশে শিল্পায়ন ও উৎপাদন। অর্থমন্ত্রণালয় থেকে ইতোমধ্যে উন্নয়ন সহযোগীদের সাথে এক বৈঠকে এ ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে।
কয়েক বছর ধরে দেশের রফতানি খাতে ভালো প্রবৃদ্ধি হলে এখন এ খাতে প্রবৃদ্ধি কমতে শুরু করেছে। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী ২০০৬-০৭ অর্থবছরে জুলাই-মে মাসে রফতানি খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৬ দশমিক ৪৫ শতাংশ। এর আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ২১ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের বাজেটে মূলধনি যন্ত্রপাতি ও শিল্প কাঁচামালের ওপর শুল্কারোপের কারণে দেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা হারিয়ে ফেলতে পারে। যার একটি প্রভাব গিয়ে পড়বে রফতানি খাতের ওপর। কমে যেতে পারে দেশের রফতানি আয়। শুধু তা-ই নয়, রফতানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাকের রফতানি গত কয়েক মাসে কমে গেছে বলে বিজিএমইএ সূত্রে জানা গেছে।
একমাত্র রেমিট্যান্স খাত ছাড়া আর কোনো খাত থেকে আগামীতে কোনো ভালো সংবাদ পাওয়ার আশা দেখা যাচ্ছে না। তাই অর্থনীতিবিদরা আশঙ্কা ব্যক্ত করেছে­ দেশের অর্থনীতি ধীরে ধীরে স্খবিরতার দিকে এগিয়ে চলেছে।
কাáিক্ষত মাত্রায় বিদেশী সাহায্য না পাওয়ার কারণে বাজেট ঘাটতি বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছে সরকার। বাজেট ঘাটতি মেটানোর জন্য সরকারকে বর্ধিতহারে ব্যাংক ব্যবস্খা থেকে ঋণ নেয়ার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিতে পারে। এর ফলে ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি আরো বেড়ে যাবে। কমে যাবে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবাহ। দেখা দেবে বেসরকারি বিনিয়োগে স্খবিরতা। ফলে হন্সাস পাবে জিডিপি’র প্রবৃদ্ধি। ইতোমধ্যে এ প্রবণতায় দৃষ্টিগোচর হচ্ছে। এ বিষয়গুলোসহ অর্থমন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ধারণা দেয়া হয়েছে, বিদ্যমান অবস্খা চলতে থাকলে সরকারের প্রধান বিনিয়োগ কর্মসূচি এডিপি’র ব্যাপক কাটছাঁটের প্রয়োজন হয়ে পড়বে। যার একটি দৃশ্যমান নেতিবাচক প্রভাব পড়বে দেশের অর্থনীতির ওপর। এদিকে আগামী সেপ্টেম্বর মাসে আরেক দফা বন্যার হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। পদ্মার পানি ইতোমধ্যে বাড়তে শুরু করেছে বলে বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে। সেপ্টেম্বর মাসে আরেক দফা বন্যা হলে তা কৃষি ওপর মারাত্মক বিরূপ প্রভাব নিয়ে আসবে। এ বন্যার কারণে পুরো আমন ফসল বিনষ্ট হয়ে পড়তে পারে। এর ফলে অর্থনীতি ধীরে ধীরে একটি দীর্ঘস্খায়ী মন্দার মুখে পড়বে বলে অর্থনীতিবিদরা সরকারকে সতর্ক করে দিয়েছেন।
জানা গেছে, ইতোমধ্যে শহরের মতো গ্রামগঞ্জেও জিনিসপত্রের দাম অত্যধিক বেড়ে গেছে। এক দিকে খাদ্যসামগ্রীর দাম বেড়ে যাওয়া, অন্য দিকে গ্রামের মানুষদের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ার কারণে পুরো গ্রামীণ অর্থনীতি এখন স্খবির হয়ে পড়ছে। একজন অর্থনীতিবিদ এ প্রসঙ্গে বলেছেন, গ্রামীণ অর্থনীতিকে সারা বছর চাঙ্গা রেখে সরকারে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় নেয়া বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প কাজের বাস্তবায়ন। কিন্তু এবার সেই উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়নের কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, ধরা যাক­ এডিপিতে একটি প্রকল্প আছে কোনো গ্রাম বা উপজেলায় রাস্তা মেরামত করার। এ কাজ শুরু হলে গ্রামের গরিব মানুষ দিনমজুর হিসেবে কাজ করে নিত্যদিনের আয়ের সংস্খান করতে পারেন। কিন্তু অর্থবছরের শুরু থেকে এডিপি বাস্তবায়নে অত্যন্ত ধীর গতি লক্ষ করা যাচ্ছে। অবস্খা এমন দাঁড়িয়েছে এলজিইডি’র অধীনে কিছু কিছু উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য ঠিকাদারদের কাছ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। অনেক স্খানে রাস্তাঘাট মেরামত কাজে টেন্ডার আহ্বান করা হলেও কেউ টেন্ডার দাখিল করেনি। ঠিকাদাররা হয়রানি হওয়ার ভয়ে কাজে উৎসাহ দেখাচ্ছেন না। এ অবস্খা চলতে থাকলে গ্রামীণ মানুষের করে খাওয়ার মতো আর কোনো কাজ থাকবে না বলে তিনি জানান।
এদিকে কৃষিঋণ বিতরণের পরিমাণও কমে গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গত অর্থবছরের জুলাই-মে মাসে কৃষিঋণ বিতরণের পরিমাণ হন্সাস পেয়েছে পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৯ দশমিক ৩১ শতাংশ। এর আগের বছরের একই সময়ে কৃষিঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল ১৬ দশমিক ২০ শতাংশ। বন্যার পরপরই কৃষিঋণের ব্যাপক ছাড়ের ওপরই আগামীর কৃষি ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে বলে সূত্র জানিয়েছে।
অর্থনীতির এই নেতিবাচক দিকে সাথে যোগ হয়েছে রাজস্ব আদায়ে ব্যর্থতা। সদ্য সমাপ্ত ২০০৬-০৭ অর্থবছরের রাজস্ব আদায়ের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রাও অর্জন করতে পারেনি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এনবিআর খাতে রাজস্ব আদায়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৮ দশমিক ৯২ শতাংশ। বিগত কয়েক বছরের মধ্যে এনবিআর খাতে এবারই সবচেয়ে কম প্রবৃদ্ধি হয়েছে। গত বছরের তিন মাসের রাজনৈতিক অস্খিরতার কারণে রাজস্ব আদায়ে এ হতাশাজনক পরিস্খিতি বলে জানা গেছে। আগামীতে আয়কর খাত ছাড়া অন্য কোনো খাতে রাজস্ব বাড়ার তেমন কোনো সম্ভাবনা নেই। ফলে বাজেট ঘাটতি মেটাতে গিয়ে সরকারকে বেশি করে ব্যাংক ব্যবস্খার ওপর নির্ভর করতে হবে। সরকার ব্যাংক থেকে বেশি ঋণ নিলে দেশের বেসরকারি খাতে হবে ঋণ বঞ্চিত। ফলে ব্যাহত দেশে শিল্পায়ন ও উৎপাদন। অর্থমন্ত্রণালয় থেকে ইতোমধ্যে উন্নয়ন সহযোগীদের সাথে এক বৈঠকে এ ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে।
কয়েক বছর ধরে দেশের রফতানি খাতে ভালো প্রবৃদ্ধি হলে এখন এ খাতে প্রবৃদ্ধি কমতে শুরু করেছে। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী ২০০৬-০৭ অর্থবছরে জুলাই-মে মাসে রফতানি খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৬ দশমিক ৪৫ শতাংশ। এর আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ২১ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের বাজেটে মূলধনি যন্ত্রপাতি ও শিল্প কাঁচামালের ওপর শুল্কারোপের কারণে দেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা হারিয়ে ফেলতে পারে। যার একটি প্রভাব গিয়ে পড়বে রফতানি খাতের ওপর। কমে যেতে পারে দেশের রফতানি আয়। শুধু তা-ই নয়, রফতানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাকের রফতানি গত কয়েক মাসে কমে গেছে বলে বিজিএমইএ সূত্রে জানা গেছে।
একমাত্র রেমিট্যান্স খাত ছাড়া আর কোনো খাত থেকে আগামীতে কোনো ভালো সংবাদ পাওয়ার আশা দেখা যাচ্ছে না। তাই অর্থনীতিবিদরা আশঙ্কা ব্যক্ত করেছে­ দেশের অর্থনীতি ধীরে ধীরে স্খবিরতার দিকে এগিয়ে চলেছে।


-----------------------
রক্তের গ্রুপঃ b+ 
http://forum.projanmo.com/uploads/2008/03/134_severus_snape.jpg

অফলাইন

 

#২ ২৬-০৮-২০০৭ ১০:২১

প্রকৃতিপ্রেমিক
প্রজন্মাসক্ত
থেকে: কানাডা
নিবন্ধিত হয়েছেন: ০৬-০২-২০০৭
পোস্ট: ৮৪৫

Re: দীর্ঘস্খায়ী মন্দায় পড়তে পারে অর্থনীতি

সেভারাস, আমার মনে হয় কি, আপনি এসব নিউজ সরাসরি তুলে না দিয়ে এক-দুই লাইনের একটা সারাংশ বা আপনার মন্তব্য দিয়ে দিলে ভাল হয়। মিছেমিছি কোডার ভাইয়ের ড্যাটাবেজের জায়গা নেয়ার কী দরকার, তাইনা? আর আপনি তো নিশ্চই এই নিউজটা পড়েছেন, ফলে আপনার দুই লাইনেই আমরা পুরা ব্যাপারটার একটা আঁচ পেতে পারি। আর যার ইচ্ছে হল সে লিঙ্ক ফলো করে গিয়ে পড়ে নিল smile


-----------------------
http://www.nishorga.com/templates/ja_teline/images/logo.png

অফলাইন

 

#৩ ২৬-০৮-২০০৭ ১০:২৬

সেভারাস
প্রজন্ম গুরু
Current Status...বিদায় প্রজন্ম। সবাই ভালো থেকো। ভাগ্যে থাকলে আবার দেখা হবে সূদূর ভবিষ্যতে
থেকে: এন.এস.ইউ
নিবন্ধিত হয়েছেন: ৩০-০১-২০০৭
পোস্ট: ৩৫২৮
ওয়েবসাইট

Re: দীর্ঘস্খায়ী মন্দায় পড়তে পারে অর্থনীতি

এখানে দেয়ার কারণ আছে। আমি পড়তে পেরেছি, কিন্তু অনেকেই লিঙ্ক এ গিয়ে দেখতে পারে ফন্ট নাই। আবার লিঙ্ক এ যেতেও সমস্যা হতে পারে। কারণ বাংলাদেশ এ অনেক জায়গায় নেট স্পিড খুবই কম। ফলে তাদের ইচ্ছা থাকলেও দেখা যায় পড়তে পারছে না।


-----------------------
রক্তের গ্রুপঃ b+ 
http://forum.projanmo.com/uploads/2008/03/134_severus_snape.jpg

অফলাইন

 

#৪ ২৬-০৮-২০০৭ ১০:৩৪

প্রকৃতিপ্রেমিক
প্রজন্মাসক্ত
থেকে: কানাডা
নিবন্ধিত হয়েছেন: ০৬-০২-২০০৭
পোস্ট: ৮৪৫

Re: দীর্ঘস্খায়ী মন্দায় পড়তে পারে অর্থনীতি

ও তাইতো। তাহলে ঠিক আছে।


-----------------------
http://www.nishorga.com/templates/ja_teline/images/logo.png

অফলাইন

 

#৫ ২৬-০৮-২০০৭ ১০:৩৯

সেভারাস
প্রজন্ম গুরু
Current Status...বিদায় প্রজন্ম। সবাই ভালো থেকো। ভাগ্যে থাকলে আবার দেখা হবে সূদূর ভবিষ্যতে
থেকে: এন.এস.ইউ
নিবন্ধিত হয়েছেন: ৩০-০১-২০০৭
পোস্ট: ৩৫২৮
ওয়েবসাইট

Re: দীর্ঘস্খায়ী মন্দায় পড়তে পারে অর্থনীতি

প্রকৃতিপ্রেমিক লিখেছেন:

ও তাইতো। তাহলে ঠিক আছে।

বুঝতে পারায় ধন্যবাদ


-----------------------
রক্তের গ্রুপঃ b+ 
http://forum.projanmo.com/uploads/2008/03/134_severus_snape.jpg

অফলাইন

 

#৬ ২৬-০৮-২০০৭ ১১:৪৫

আউল
প্রজন্ম গুরু
থেকে: Chittagong
নিবন্ধিত হয়েছেন: ৩১-০১-২০০৭
পোস্ট: ২৭৬৭

Re: দীর্ঘস্খায়ী মন্দায় পড়তে পারে অর্থনীতি

কাঙ্খিত মাত্রায় বিদেশী সাহায্য না পাওয়ার কারণে বাজেট ঘাটতি বেড়ে যাওয়া ও তার উপর বন্যা ও প্রাকৃতিক দূর্যোগ এবং সামপ্রতিক আন্দোলন বিক্ষোভ - সামনে আসছে রমজান- তার পর নুতন নির্বাচন- সব মিলিয়ে দীর্ঘস্খায়ী মন্দায় পড়তে পারে অর্থনীতি


-----------------------
Ahsan Ullah tutuL, Pahartolli, Chittagong, Bangladesh
Blood (A+)

অফলাইন

 

Board footer

এটি তৈরি করা হয়েছে পানবিবি ইঞ্জিনের উপর
অনুবাদ ও পরিচালনা: দ্যা হাঙ্গরিকোডার
পানবিবি'র স্বত্ব:  পানবিবি
তথ্য বিনিময় (সিন্ডিকেশন)

[ Generated in 0.063 seconds, 11 queries executed ]