ভাইরে আজ আপনাদেরকে আমার জীবনের সবচেয়ে দুঃখের কাহিনী বলব। তাকে দেখেছিলাম তার বোনের বিয়েতে। যদিও সে আমার সম্পর্কে আত্নীয়, তারপরেও কখনো তাকে দেখি নাই। কিন্তু তাকে দেখে আমার হার্ট ফেল করার মত অবস্থা। তাকে শুধু চেয়ে চেয়ে দেখেছি। তাকে কিছুই বলতে পারি নাই। কারণ আমি যে তার উপযুক্ত নই। কিন্তু তাকে তো ভালবেসে ফেলেছি। তার ছবি সব সময় আমার কম্পিউটারে, মোবাইলে থাকে। প্রতিদিন সেই ছবি আমি দেখি। ভাগ্যিস তার বোনের বিয়েতে আমার ডিজিটাল ক্যামেরাটা নিয়ে গিয়েছিলাম।
ভাইরা আমার, আমি কি তাকে কখনো পাবো না?
অফলাইন
পুরাতন একটা জোক: এই ফোরামেই দেয়া হয়েছিল .... আপনার জন্য মনে পড়লো:
রোগী: ডাক্তার সাহেব, দীর্ঘজীবি হওয়ার কোন উপায় কি আপনার জানা আছে?
ডাক্তার: বিয়ে করে ফেলেন।
রোগী: (অবাক হয়ে) এইটা কি বললেন? তাহলে কি দীর্ঘজীবি হওয়া যাবে?
ডাক্তার: না তা যাবে না, তবে আপনার দীর্ঘজীবি হওয়ার শখ মরে যাবে।
মানুষ আরেকজনের সাথে দিনে ২/৪ ঘন্টা চমৎকার হয়ে কাটাতে পারে। কিন্তু দিনে ২৪ ঘন্টা, এমন করে দিনের পর দিন একসাথে থাকলে পারে না। যেমন: আমার বউ কি প্রেম করার সময় জানতো যে আমি ঘুমের সময় নাক ডাকি? (আমিও কি আর জানতাম!)। এমন ছোটখাটো অনেক অপছন্দের ব্যাপার চোখে পড়ে, যেটা স্বল্প পরিচয়ে কখনোই চোখে পড়ে না। কাজেই আপনার উচিৎ উনার সাথে পরিচিত হওয়া এবং বেশী বেশী সময় কাটানোর চেষ্টা করা। হয়তো কিছুদিন পরে নিজে থেকেই মোহ কেটে যাবে। আর যদি না কাটে, তাহলে তো সেটাও ভালো। বেশী বেশী সময় কাটানোর পরেও যদি ভালো লাগে, তাহলে পারফেক্ট ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনাই বেশী।
আমার এক ছোটভাই (আত্মীয়) বলেছিলো যে কোন মেয়েকে তাঁর খুব ভালো লাগলে, মন থেকে তাড়ানোর জন্য মেয়েটার সবচেয়ে বিশ্রী রূপটাকে কল্পনা করে (টয়লেটে)
। বলাই বাহুল্য.... ওর জটিল প্রেম দেখে বাবা-মা ধরে সেই মেয়ের সাথে বিয়ে দিয়ে দিয়েছে .... বাচ্চা কাচ্চা নিয়ে ভালোই আছে।
কিছু মনে করেননি আশা করি। করলে জানাবেন। পোস্ট মুছে ফেলবো।
অফলাইন
শামীম লিখেছেন:
পুরাতন একটা জোক: এই ফোরামেই দেয়া হয়েছিল .... আপনার জন্য মনে পড়লো:
রোগী: ডাক্তার সাহেব, দীর্ঘজীবি হওয়ার কোন উপায় কি আপনার জানা আছে?
ডাক্তার: বিয়ে করে ফেলেন।
রোগী: (অবাক হয়ে) এইটা কি বললেন? তাহলে কি দীর্ঘজীবি হওয়া যাবে?
ডাক্তার: না তা যাবে না, তবে আপনার দীর্ঘজীবি হওয়ার শখ মরে যাবে।
মানুষ আরেকজনের সাথে দিনে ২/৪ ঘন্টা চমৎকার হয়ে কাটাতে পারে। কিন্তু দিনে ২৪ ঘন্টা, এমন করে দিনের পর দিন একসাথে থাকলে পারে না। যেমন: আমার বউ কি প্রেম করার সময় জানতো যে আমি ঘুমের সময় নাক ডাকি? (আমিও কি আর জানতাম!)। এমন ছোটখাটো অনেক অপছন্দের ব্যাপার চোখে পড়ে, যেটা স্বল্প পরিচয়ে কখনোই চোখে পড়ে না। কাজেই আপনার উচিৎ উনার সাথে পরিচিত হওয়া এবং বেশী বেশী সময় কাটানোর চেষ্টা করা। হয়তো কিছুদিন পরে নিজে থেকেই মোহ কেটে যাবে। আর যদি না কাটে, তাহলে তো সেটাও ভালো। বেশী বেশী সময় কাটানোর পরেও যদি ভালো লাগে, তাহলে পারফেক্ট ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনাই বেশী।
আমার এক ছোটভাই (আত্মীয়) বলেছিলো যে কোন মেয়েকে তাঁর খুব ভালো লাগলে, মন থেকে তাড়ানোর জন্য মেয়েটার সবচেয়ে বিশ্রী রূপটাকে কল্পনা করে (টয়লেটে)। বলাই বাহুল্য.... ওর জটিল প্রেম দেখে বাবা-মা ধরে সেই মেয়ের সাথে বিয়ে দিয়ে দিয়েছে .... বাচ্চা কাচ্চা নিয়ে ভালোই আছে।
![]()
কিছু মনে করেননি আশা করি। করলে জানাবেন। পোস্ট মুছে ফেলবো।
নারে ভাই কিছু মনে করি নাই। আর আমি তো তাকে একবার মাত্র একবার দেখেছিলাম। তবে তার সব গুণাগুন আমার আম্মার পছেন্দের। সে খুব ভদ্র টাইপ মেয়ে। আমি যে রকম মেয়ে পছন্দ করি (মনে মনে) সে তার সাথে প্রায় ১০০% মিলে গেছে। তাই ভয় হয় আমি তাকে পাব না। তবে আমার মনে হয় আমার পরিবার এই মেয়েটিকে পছন্দ করে এবং বাড়ীর ছোট বউ হিসেবে চায়। কিন্তু আমার যে এখনো বয়স হয় নাই

অফলাইন
samiul লিখেছেন:
নারে ভাই কিছু মনে করি নাই। আর আমি তো তাকে একবার মাত্র একবার দেখেছিলাম। তবে তার সব গুণাগুন আমার আম্মার পছেন্দের। সে খুব ভদ্র টাইপ মেয়ে। আমি যে রকম মেয়ে পছন্দ করি (মনে মনে) সে তার সাথে প্রায় ১০০% মিলে গেছে। তাই ভয় হয় আমি তাকে পাব না। তবে আমার মনে হয় আমার পরিবার এই মেয়েটিকে পছন্দ করে এবং বাড়ীর ছোট বউ হিসেবে চায়। কিন্তু আমার যে এখনো বয়স হয় নাই
মানে ঐ মেয়ের সাথে আপনার পরিবারের পরিচয় হইসে?

অফলাইন
সেভারাস লিখেছেন:
samiul লিখেছেন:
নারে ভাই কিছু মনে করি নাই। আর আমি তো তাকে একবার মাত্র একবার দেখেছিলাম। তবে তার সব গুণাগুন আমার আম্মার পছেন্দের। সে খুব ভদ্র টাইপ মেয়ে। আমি যে রকম মেয়ে পছন্দ করি (মনে মনে) সে তার সাথে প্রায় ১০০% মিলে গেছে। তাই ভয় হয় আমি তাকে পাব না। তবে আমার মনে হয় আমার পরিবার এই মেয়েটিকে পছন্দ করে এবং বাড়ীর ছোট বউ হিসেবে চায়। কিন্তু আমার যে এখনো বয়স হয় নাই
মানে ঐ মেয়ের সাথে আপনার পরিবারের পরিচয় হইসে?
এই মাত্র পরিবারের সাথে পরিচয় হয়েছে- তার সঙ্গে নয় - এমতাবস্থায় তাকে আজো বলার সময় হয়নি কতখানি ভালবাসেন? ধীরে........।
অফলাইন
শামীম লিখেছেন:
মানুষ আরেকজনের সাথে দিনে ২/৪ ঘন্টা চমৎকার হয়ে কাটাতে পারে। কিন্তু দিনে ২৪ ঘন্টা, এমন করে দিনের পর দিন একসাথে থাকলে পারে না। যেমন: আমার বউ কি প্রেম করার সময় জানতো যে আমি ঘুমের সময় নাক ডাকি? (আমিও কি আর জানতাম!)। এমন ছোটখাটো অনেক অপছন্দের ব্যাপার চোখে পড়ে, যেটা স্বল্প পরিচয়ে কখনোই চোখে পড়ে না। কাজেই আপনার উচিৎ উনার সাথে পরিচিত হওয়া এবং বেশী বেশী সময় কাটানোর চেষ্টা করা। হয়তো কিছুদিন পরে নিজে থেকেই মোহ কেটে যাবে। আর যদি না কাটে, তাহলে তো সেটাও ভালো। বেশী বেশী সময় কাটানোর পরেও যদি ভালো লাগে, তাহলে পারফেক্ট ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনাই বেশী।
শামীম ভাই,
আমি আপনার সাথে একমত
। তবে সমস্যা কি জানেন বেশি সময় কাটালেও মানুষ কিন্তু প্রেমের সময় তার বেষ্টটুকুই দেখাতে চায় তার প্রেমিক/প্রেমিকা-কে । আর এছাড়াও বেশি সময় কাটালে নাক ডাকার মতো ব্যাপারগুলোতে ক্লিয়ার হওয়া যায় না...
samiul লিখেছেন:
আমার মনে হয় আমার পরিবার এই মেয়েটিকে পছন্দ করে এবং বাড়ীর ছোট বউ হিসেবে চায়। কিন্তু আমার যে এখনো বয়স হয় নাই
এই বয়সে এতো প্রেম???বয়স হইলে যে কি হবে...
অফলাইন
এখনো যদি না বলেন তাহলে ভূল করবেন । নিজেকে যোগ্য মনে না করে তাকে যদি না বলেন সে তো কখনো জানবেই না আপনি বিনা কারনে সারাজীবন মোবাইলে আর কম্পিউটারে তার নির্জীব ছবি দেখতে থাকবেন।( যদি আসলেই তাকে ভালোবেসে থাকেন) তাহলে কোনকিছূ চিন্তা না করে বলে ফেলুন। ভাগ্যবান হলে তাকে পেয়েও যেতে পারেন নাহলে এটুকু সান্তনা থাকবে যে সে জানে যে আপনি তাকে ভালোবাসেন। এই ভূল আমিও করেছিলাম এখন আফসোস করছি। তাই আপনা পোষ্টটা দেখে উপদেশ দিলাম। আসলে যোগ্য-টোগ্য কিছুনা বলে ফেলুন নাহলে আমার মত এরকম কবিতা লিখতে হবে 
প্রকৃতি স্তব্ধ আজ
আজ নেই সদ্য ফুটে ওঠা ফূল
নেই গাছে গাছে শালিকের ডাক
প্রকৃতি স্তব্ধ আজ অদৃশ্য নীল বেদনায়
শুধু দূরে রাখালীয়া বাঁশী বেজে যায়
এই জগতে আজ শূধু আমিই একা ।।
-ইশতিয়াক আহমেদ (ফয়সাল)
সো নো লেট বলে ফেলূন
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন ডার্কলর্ড (২৯-০৭-২০০৭ ২১:২৭)

অফলাইন
এতটা রিস্ক নেয়া কি ঠিক হবে? হুট করে বলে ফেললে বরং হিতে বিপরীত হতে পারে। তার থেকে তার সাথে প্রথমে পরিচিত হওয়াটাই জরুরী। পরিচিত হয়ে কথা বলুন। নিজেকে প্রকাশ করুন তার কাছে। তাকেও বুঝুন। নিজেদের মধ্যে ভাল একটি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলুন। এটা আপনার জন্য বলছি একারণে যে সে আপনার আত্বীয়। সুতরাং এটা আপনার জন্য কঠিন কিছু নয়। এরপর সময় বুঝে আপনার মনের কথা বলে ফেলুন। সে আপনাকে প্রত্যাখ্যান করলেও অন্তত ভাল করে কয়েকবার ভেবে দেখবে।
ধাপে ধাপে এগিয়ে যান সাফল্য নিশ্চিত।![]()
অফলাইন
সুমন লিখেছেন:
এতটা রিস্ক নেয়া কি ঠিক হবে? হুট করে বলে ফেললে বরং হিতে বিপরীত হতে পারে। তার থেকে তার সাথে প্রথমে পরিচিত হওয়াটাই জরুরী। পরিচিত হয়ে কথা বলুন। নিজেকে প্রকাশ করুন তার কাছে। তাকেও বুঝুন। নিজেদের মধ্যে ভাল একটি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলুন। এটা আপনার জন্য বলছি একারণে যে সে আপনার আত্বীয়। সুতরাং এটা আপনার জন্য কঠিন কিছু নয়। এরপর সময় বুঝে আপনার মনের কথা বলে ফেলুন। সে আপনাকে প্রত্যাখ্যান করলেও অন্তত ভাল করে কয়েকবার ভেবে দেখবে।
ধাপে ধাপে এগিয়ে যান সাফল্য নিশ্চিত।
সুমন ভাই ঠিক বলেছেন। আমি তো বলেছি সে আমার আত্নীয়।
অফলাইন
সুমন লিখেছেন:
এতটা রিস্ক নেয়া কি ঠিক হবে? হুট করে বলে ফেললে বরং হিতে বিপরীত হতে পারে। তার থেকে তার সাথে প্রথমে পরিচিত হওয়াটাই জরুরী। পরিচিত হয়ে কথা বলুন। নিজেকে প্রকাশ করুন তার কাছে। তাকেও বুঝুন। নিজেদের মধ্যে ভাল একটি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলুন। এটা আপনার জন্য বলছি একারণে যে সে আপনার আত্বীয়। সুতরাং এটা আপনার জন্য কঠিন কিছু নয়। এরপর সময় বুঝে আপনার মনের কথা বলে ফেলুন। সে আপনাকে প্রত্যাখ্যান করলেও অন্তত ভাল করে কয়েকবার ভেবে দেখবে।
ধাপে ধাপে এগিয়ে যান সাফল্য নিশ্চিত।
সহমত...![]()
সুমন ভাই, বোঝা যাচ্ছে এসব ব্যাপারে আপনার অভিজ্ঞতা বেশি ...
অফলাইন
বিপ্রতীপ লিখেছেন:
সুমন ভাই, বোঝা যাচ্ছে এসব ব্যাপারে আপনার অভিজ্ঞতা বেশি ...
সুমন ভাই দেখি বিশেষজ্ঞ হয়ে গেছেন

অফলাইন
বিপ্রতীপ লিখেছেন:
সুমন লিখেছেন:
এতটা রিস্ক নেয়া কি ঠিক হবে? হুট করে বলে ফেললে বরং হিতে বিপরীত হতে পারে। তার থেকে তার সাথে প্রথমে পরিচিত হওয়াটাই জরুরী। পরিচিত হয়ে কথা বলুন। নিজেকে প্রকাশ করুন তার কাছে। তাকেও বুঝুন। নিজেদের মধ্যে ভাল একটি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলুন। এটা আপনার জন্য বলছি একারণে যে সে আপনার আত্বীয়। সুতরাং এটা আপনার জন্য কঠিন কিছু নয়। এরপর সময় বুঝে আপনার মনের কথা বলে ফেলুন। সে আপনাকে প্রত্যাখ্যান করলেও অন্তত ভাল করে কয়েকবার ভেবে দেখবে।
ধাপে ধাপে এগিয়ে যান সাফল্য নিশ্চিত।সহমত...
সুমন ভাই, বোঝা যাচ্ছে এসব ব্যাপারে আপনার অভিজ্ঞতা বেশি ...
হুমমম....................রতনে রতন চেনে
@বিপ্র
অফলাইন
সুমন লিখেছেন:
এতটা রিস্ক নেয়া কি ঠিক হবে? হুট করে বলে ফেললে বরং হিতে বিপরীত হতে পারে। তার থেকে তার সাথে প্রথমে পরিচিত হওয়াটাই জরুরী। পরিচিত হয়ে কথা বলুন। নিজেকে প্রকাশ করুন তার কাছে। তাকেও বুঝুন। নিজেদের মধ্যে ভাল একটি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলুন। এটা আপনার জন্য বলছি একারণে যে সে আপনার আত্বীয়। সুতরাং এটা আপনার জন্য কঠিন কিছু নয়। এরপর সময় বুঝে আপনার মনের কথা বলে ফেলুন। সে আপনাকে প্রত্যাখ্যান করলেও অন্তত ভাল করে কয়েকবার ভেবে দেখবে।
এতটুকু পর্যন্ত নিঃসন্দেহে অতি উত্তম পরামর্শ।
সুমন লিখেছেন:
ধাপে ধাপে এগিয়ে যান সাফল্য নিশ্চিত।
তবে এই কথাটি অবশ্যম্ভাবী ভেবে আগানোটা বোধ হয় যু্ক্তিযুক্ত হবে না।
অফলাইন
ডার্কলর্ড লিখেছেন:
এখনো যদি না বলেন তাহলে ভূল করবেন । নিজেকে যোগ্য মনে না করে তাকে যদি না বলেন সে তো কখনো জানবেই না আপনি বিনা কারনে সারাজীবন মোবাইলে আর কম্পিউটারে তার নির্জীব ছবি দেখতে থাকবেন।( যদি আসলেই তাকে ভালোবেসে থাকেন) তাহলে কোনকিছূ চিন্তা না করে বলে ফেলুন। ভাগ্যবান হলে তাকে পেয়েও যেতে পারেন নাহলে এটুকু সান্তনা থাকবে যে সে জানে যে আপনি তাকে ভালোবাসেন। এই ভূল আমিও করেছিলাম এখন আফসোস করছি। তাই আপনা পোষ্টটা দেখে উপদেশ দিলাম। আসলে যোগ্য-টোগ্য কিছুনা বলে ফেলুন নাহলে আমার মত এরকম কবিতা লিখতে হবে
প্রকৃতি স্তব্ধ আজ
আজ নেই সদ্য ফুটে ওঠা ফূল
নেই গাছে গাছে শালিকের ডাক
প্রকৃতি স্তব্ধ আজ অদৃশ্য নীল বেদনায়
শুধু দূরে রাখালীয়া বাঁশী বেজে যায়
এই জগতে আজ শূধু আমিই একা ।।
-ইশতিয়াক আহমেদ (ফয়সাল)
সো নো লেট বলে ফেলূন
সমবেদনা থাকলো। আশা করি আপনি অতিদ্রুত একজনকে খুঁজে পান।
অফলাইন
বিপ্রতীপ লিখেছেন:
শামীম লিখেছেন:
মানুষ আরেকজনের সাথে দিনে ২/৪ ঘন্টা চমৎকার হয়ে কাটাতে পারে। কিন্তু দিনে ২৪ ঘন্টা, এমন করে দিনের পর দিন একসাথে থাকলে পারে না। যেমন: আমার বউ কি প্রেম করার সময় জানতো যে আমি ঘুমের সময় নাক ডাকি? (আমিও কি আর জানতাম!)। এমন ছোটখাটো অনেক অপছন্দের ব্যাপার চোখে পড়ে, যেটা স্বল্প পরিচয়ে কখনোই চোখে পড়ে না। কাজেই আপনার উচিৎ উনার সাথে পরিচিত হওয়া এবং বেশী বেশী সময় কাটানোর চেষ্টা করা। হয়তো কিছুদিন পরে নিজে থেকেই মোহ কেটে যাবে। আর যদি না কাটে, তাহলে তো সেটাও ভালো। বেশী বেশী সময় কাটানোর পরেও যদি ভালো লাগে, তাহলে পারফেক্ট ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনাই বেশী।
শামীম ভাই,
আমি আপনার সাথে একমত। তবে সমস্যা কি জানেন বেশি সময় কাটালেও মানুষ কিন্তু প্রেমের সময় তার বেষ্টটুকুই দেখাতে চায় তার প্রেমিক/প্রেমিকা-কে । আর এছাড়াও বেশি সময় কাটালে নাক ডাকার মতো ব্যাপারগুলোতে ক্লিয়ার হওয়া যায় না...
নাক ডাকার মত ঘটনাটা শুধু একটা এক্সট্রিম উদাহরণ। বাস্তব উদাহরণ হলো, মানসিক চাপের/স্ট্রেসের সময়ে কিভাবে আরেকজন রিয়্যাক্ট করে - সে কি খ্যাক করে উঠে নাকি ঠান্ডা মাথায় ব্যাপারটা সামলায়। এছাড়া নাকের পশম টেনে ছেড়ে নাকি নাক খোটে; কোন মূদ্রাদোষ আছে কি না; ওয়াক থু করে থু ফেলে নাকি পিচিক করে ফেলে নাকি নিঃশব্দে ফেলে; গালাগালির শব্দচয়ন কিরকম; পরিচ্ছন্নতা কী রকম; বিভিন্ন বিষয়ে মতাদর্শিক অবস্থান কী রকম ইত্যাদি।
যতই দেখাতে চাউক, বেশিসময়ব্যাপী এরকম কৃত্রিম ভদ্রতা দেখানো খুব কঠিন ব্যাপার। আর যদি বেশি সময়ে কেউ সেটা দেখাতে পারে, তবে বাস্তব জীবনেও জীবনসঙ্গী/জীবনসঙ্গীনির সাথে সেটা বজায় রাখতে পারবে - সমস্যা নাই।
মূলতঃ প্রেম করে বিয়ে করলে যে বিবাহপরবর্তী সংঘাতের ঘটনা শোনা যায় সেটার মূলে এটাই কারণ। ক্ষুদ্র সময়ের দেখা সাক্ষাতে যে ইমেজটা তৈরী হয়, দীর্ঘসময়ের বসবাসে সেটার অসাঢ়ত্ব ধরা পরে --- চাওয়া-পাওয়ার মধ্যে পার্থক্যটাই মানসিক অশান্তির কারণ হয়। অপরদিকে অ্যারেঞ্জড বিবাহতে পরষ্পরের সম্পর্কে কোন ইমেজ থাকে না মনে সাধারণত, তাই যা পায় সেটা দীর্ঘসময়ের বসবাসের সরাসরি অভিজ্ঞতা ... সেটাই যেভাবে আছে সেভাবেই গ্রহণ করার সময় কোন চাওয়া-পাওয়ার বিরোধ দেখা দেয় না। অবশ্য, কিছু ক্ষেত্রে যখন কারো মনে অদেখা সঙ্গী/সঙ্গীনির সম্পর্কে একটা প্রচন্ড কল্পনা থাকে (কোন নায়ক/নায়িকার মত ব্যক্তিত্ব হবে ইত্যাদি) তখন সেই চাওয়া-পাওয়ার দ্বন্দ্বে অশান্তি সৃষ্টি হয়।
তাই ছবি দেখে প্রেমে পড়লে, ভবিষ্যতে যদি কল্পনার সাথে বাস্তবতার মিল না পায় কেউ -- আর সেটা মেনে নিতে না পারে... অশান্তি আবশ্যম্ভাবী।
অফলাইন
ভালবাসা, প্রেম, বিয়ে নিয়ে মন্তব্য করব কিনা বা কিছু লিখব কিনা ভাবতেছিলাম।তারপরও চলমান আলোচনার প্রেক্ষিতে নিজের অভিজ্ঞতা ও চিন্তাচেতনার আলোকে কিছু লিখলাম।
সামিউল ভাই, নিজের কোন পরিচিতিমূলক পোস্ট দেননি (অন্তত আমার চোখে পড়েনি)। তাই তার সর্ম্পকে কিছু জানিনা। তার বয়স, কি করে ইত্যাদি। একথা এজন্য বলছি যে, ভালবাসা সবাই চায়। এটার প্রতি আর্কষণ সবার এবং এটা চিরন্তন। তবে আমি স্কুল বা কলেজে পর্যন্ত এই ব্যাপারটা আমলে না দেয়ার পক্ষপাতী। অন্তত আমি দেইনি। কেননা আমার বিশ্বাস ভালবাসা ও প্রেম মানুষকে শুধু যে সুখ অনুভূতি দিবে বা হৃদয়ে ভাললাগার ছোয়াঁ দিবে সেটুকুই শুধু যথেস্ট নয়। বরং ভালবাসা/প্রেম মানুষকে করে দ্বায়িত্বশীল ও বিশ্বাসী। এই দুটো না থাকলে আমার মতে ভালবাসা/প্রেমকে টিকিয়ে রাখা কস্টকর। তাই বিশ্ববিদ্যালয় লাইফে যখন একজন নিজেকে নিজে বুঝতে পারে, নিজের দ্বায়িত্বের সাথে সাথে আর একজনের দ্বায়িত্বও শেয়ার করার মত যোগ্যতা হয়েছে বলে মনে করা হয়, তখনি কেবল হৃদয়ের বাধঁনে জড়ানো উচিত। এই কথাগুলো এই জন্যই বলা যে, ভালবাসা/প্রেমও এক প্রকার অর্জন। তাই তাকে পাওয়ার সাথে সাথে একে স্থায়ী রুপ দেয়ার চেস্টাও জরুরী।
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন তপু (৩০-০৭-২০০৭ ১১:১১)
অফলাইন
সোহরাওয়ার্দী হল দখলড! আবার দেখি শিবির-ছাত্রলীগ কোলাকুলিও করে!
সুমন লিখেছেন:
এতটা রিস্ক নেয়া কি ঠিক হবে? হুট করে বলে ফেললে বরং হিতে বিপরীত হতে পারে। তার থেকে তার সাথে প্রথমে পরিচিত হওয়াটাই জরুরী। পরিচিত হয়ে কথা বলুন। নিজেকে প্রকাশ করুন তার কাছে। তাকেও বুঝুন। নিজেদের মধ্যে ভাল একটি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলুন। এটা আপনার জন্য বলছি একারণে যে সে আপনার আত্বীয়। সুতরাং এটা আপনার জন্য কঠিন কিছু নয়। এরপর সময় বুঝে আপনার মনের কথা বলে ফেলুন। সে আপনাকে প্রত্যাখ্যান করলেও অন্তত ভাল করে কয়েকবার ভেবে দেখবে।
ধাপে ধাপে এগিয়ে যান সাফল্য নিশ্চিত।
গুরুজনের উপদেশ বলে কথা!
। অভিজ্ঞতা একটি বিরাট সম্পদ। তাইনা শামীম ভাই?
; যদি ব্যাংক একাউন্ট লোপাট হয়ে যায়
!অফলাইন
সবাই তো..খুব বললেন.. খুব ভালো লাগল..আমি শুনলাম.. কিছু বললাম না.. আমার আবার অভিজ্ঞতা নাই...
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মনি (৩০-০৭-২০০৭ ১৫:২১)
অফলাইন
শামীম ভাইয়ের সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত। ৬ বছর প্রেম করার পর মন্দ জিনিষ লুকিয়ে রাখাটা সম্ভব ছিলো না আমার পক্ষে। আমার ভালো-মন্দ মোটামুটি জানে আমার বউ, আমিও জানি। এখন পর্যন্ত ২৪ ঘন্টা একসাথে থাকার সুযোগ হয়নি। তবে বেশি বিরক্ত হবো বলে মনে হয় না।
তপু ভাইয়ের সাথেও একমত। প্রেম-ভালোবাসা বিশাল দায়িত্ব নিয়েই আসে। যে কারণে একে সর্বদা এড়িয়ে চলতাম। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শেষ বর্ষে এসে আর সামলাতে পারিনি নিজেকে। হঠাৎ করেই প্রেম আমার উপরে পড়েছিলো।
অনলাইন
স্বপ্নচারী লিখেছেন:
তপু ভাইয়ের সাথেও একমত। প্রেম-ভালোবাসা বিশাল দায়িত্ব নিয়েই আসে। যে কারণে একে সর্বদা এড়িয়ে চলতাম। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শেষ বর্ষে এসে আর সামলাতে পারিনি নিজেকে। হঠাৎ করেই প্রেম আমার উপরে পড়েছিলো।
কন কি? আপনারও বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শেষ বর্ষে!!!!!!!




আমারওতো একই ঘটনা। তবে আমার ক্ষেত্রে প্রেম শুধু আমার একার উপরই পড়েনি, একই সাথে দুজনের উপর পড়েছিল। এমনভাবেই পড়েছিল যে মার্স্টাসের ১ম সেমিস্টারেই বাপ-মা কাজি ডেকে..............................








অফলাইন