একদিন পুলিশ অফিসার শাহীন একটা বাসার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। এমন সময় তিনি শুনলেন কোন এক মহিলা বলছে," রহিম সাহেব দয়া করে আমাকে মারবেন না" অফিসার শাহীন কিছু বুঝে উঠার আগেই একটা গুলির আওয়াজ শুনতে পেলেন। তিনি তখন দৌড় দিয়ে ঘরের ভেতর চলে গেলেন। সেখানে তিনি একটি মহিলার লাশ পড়ে থাকতে দেখলেন। এরপর তিনি ঘরের মধ্যে উপস্থিত বাকি ৪ জন যাদের একজন উকিল, একজন ডাক্তার, একজন ব্যবসায়ী এবং একজন ইঞ্জিয়ারের মধ্যে থেকে ব্যবসায়ীকে ধরে নিয়ে গেলেন। তিনি কিন্তু সঠিক খুনিকেই ধরেছেন।
প্রশ্ন হলঃ তিনি কাউকে জিজ্ঞাসা না করে কেমনে বুঝলেন কে খুনি?

অফলাইন
সেভারাস লিখেছেন:
একদিন পুলিশ অফিসার শাহীন একটা বাসার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। এমন সময় তিনি শুনলেন কোন এক মহিলা বলছে," রহিম সাহেব দয়া করে আমাকে মারবেন না" অফিসার শাহীন কিছু বুঝে উঠার আগেই একটা গুলির আওয়াজ শুনতে পেলেন। তিনি তখন দৌড় দিয়ে ঘরের ভেতর চলে গেলেন। সেখানে তিনি একটি মহিলার লাশ পড়ে থাকতে দেখলেন। এরপর তিনি ঘরের মধ্যে উপস্থিত বাকি ৪ জন যাদের একজন উকিল, একজন ডাক্তার, একজন ব্যবসায়ী এবং একজন ইঞ্জিয়ারের মধ্যে থেকে ব্যবসায়ীকে ধরে নিয়ে গেলেন। তিনি কিন্তু সঠিক খুনিকেই ধরেছেন।
প্রশ্ন হলঃ তিনি কাউকে জিজ্ঞাসা না করে কেমনে বুঝলেন কে খুনি?
ধাঁধাঁর উত্তর -
উকিলের হাতে পিস্তল থাকলে মহিলাটি বলতেন, "উকিল সাহেব, দয়া করে আমাকে মারবেন না।"
ডাক্তারের হাতে পিস্তল থাকলে মহিলাটি বলতেন, "ডাক্তার সাহেব, দয়া করে আমাকে মারবেন না।"
ইঞ্জিয়ারের হাতে পিস্তল থাকলে মহিলাটি বলতেন, "ইঞ্জিয়ার সাহেব, দয়া করে আমাকে মারবেন না।"
ব্যবসায়ীকে কেউ ব্যবসায়ী সাহেব বলে ডাকে না। তাই উনি বলেছেন, "রহিম সাহেব, দয়া করে আমাকে মারবেন না।"
অফলাইন
ঈদ শেষ! 
এটা আবার ধাঁধা নাকি
? যেহেতু গুলির শব্দ হয়েছে সেহেতু পিস্তল ব্যবহৃত হয়েছে। আর ব্যবসায়ীর হাতেই পিস্তলটি ছিল।
; যদি ব্যাংক একাউন্ট লোপাট হয়ে যায়
!অফলাইন
দৈনন্দিন রসায়নসেভারাস লিখেছেন:
একদিন পুলিশ অফিসার শাহীন একটা বাসার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। এমন সময় তিনি শুনলেন কোন এক মহিলা বলছে," রহিম সাহেব দয়া করে আমাকে মারবেন না" অফিসার শাহীন কিছু বুঝে উঠার আগেই একটা গুলির আওয়াজ শুনতে পেলেন। তিনি তখন দৌড় দিয়ে ঘরের ভেতর চলে গেলেন। সেখানে তিনি একটি মহিলার লাশ পড়ে থাকতে দেখলেন। এরপর তিনি ঘরের মধ্যে উপস্থিত বাকি ৪ জন যাদের একজন উকিল, একজন ডাক্তার, একজন ব্যবসায়ী এবং একজন ইঞ্জিয়ারের মধ্যে থেকে ব্যবসায়ীকে ধরে নিয়ে গেলেন। তিনি কিন্তু সঠিক খুনিকেই ধরেছেন।
প্রশ্ন হলঃ তিনি কাউকে জিজ্ঞাসা না করে কেমনে বুঝলেন কে খুনি?
প্রশ্ন হলোঃ উনি কাউকে জিজ্ঞাসা না করে কেমনে বুঝলেন একজন উকিল, একজন ডাক্তার, একজন ব্যবসায়ী এবং একজন ইঞ্জিনিয়ার?
সম্ভবত এরকম কাঁচা পদ্ধতিতে গুলি করে মারবে ব্যবসায়ীই, কিংবা ব্যবসায়ীগণ পিস্তল রাখে এটা জানা কথা
। উকিল তো প্যাচে ফেলে মারতে পারে, ডাক্তার মারলে একটা বিষাক্ত ইঞ্জেকশনই যথেষ্ট, ইঞ্জিনিয়ার মারলেও সেরকম কিছু ব্যবহার করবেন।
সেভারাস খালি খুন খারাবি নিয়ে ধাঁধাঁ দিচ্ছে.... ঘটনা কী?
অফলাইন

কারোটাই হয়নাই
কি মজা
নীল ভাই আসে না কেন?
আর কারো হাতেই কোনো বন্ধুক ছিল না
এবং পুলিশ আগে থেকে কাউকেই চিনতো না
@শামীমঃ কারন বাইর করেন। ঐটা আপনার জন্য ধাঁধা

অফলাইন
উকিল, ডাক্তার ও ইঞ্জিনিয়ার তিনজনই সম্ভবত মেয়ে ছিলেন।
অফলাইন
দৈনন্দিন রসায়নসুমনেরটা ঠিক উত্তর। কারণটা আমার আর বের করতে হবে না - সামহোয়্যারে আগেই পড়েছি।
তবে আমার প্রশ্নের উত্তর কিন্তু পাইনি

অফলাইন
সেভারাস লিখেছেন:
একদিন পুলিশ অফিসার শাহীন একটা বাসার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। এমন সময় তিনি শুনলেন কোন এক মহিলা বলছে," রহিম সাহেব দয়া করে আমাকে মারবেন না" অফিসার শাহীন কিছু বুঝে উঠার আগেই একটা গুলির আওয়াজ শুনতে পেলেন। তিনি তখন দৌড় দিয়ে ঘরের ভেতর চলে গেলেন। সেখানে তিনি একটি মহিলার লাশ পড়ে থাকতে দেখলেন। এরপর তিনি ঘরের মধ্যে উপস্থিত বাকি ৪ জন যাদের একজন উকিল, একজন ডাক্তার, একজন ব্যবসায়ী এবং একজন ইঞ্জিয়ারের মধ্যে থেকে ব্যবসায়ীকে ধরে নিয়ে গেলেন। তিনি কিন্তু সঠিক খুনিকেই ধরেছেন।
প্রশ্ন হলঃ তিনি কাউকে জিজ্ঞাসা না করে কেমনে বুঝলেন কে খুনি?
একদিন পুলিশ অফিসার শাহীন ডিউটিতে ফাঁকি দিয়ে একটি বাসার পাশ দিয়ে একাই যাচ্ছিলেন, ঐ রাস্তায় তিনি ছাড়া আর একজন মানুষও ছিলো না। বাসার ভেতরের কোন শব্দ না শুনতে পারায় তিনি বাসার দরজায় 'নক' করলে বাসার কাজের ছেলে দরজা খুলে দিলো। পুলিশ অফিসার শাহীন বললেন, "বাসার কেউ কি কোন কথা বলছে না? বাইরে থেকে তো কারো কোন কথা শোনা যাচ্ছে না।" বাসার লোকেরা বললেন, "আমরা সবাই একসাথে চুপ করে আছি। সেজন্য বাইরে থেকে আমাদের কোন কথা শোনা যাচ্ছে না।" এরপর ঐ বাসা থেকে বের হয়ে সামনের বাসার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময়েও কোন কথা শুনতে পারায় তিনি বাসার দরজায় 'নক' করলে বাসার একজন বড় মানুষ দরজা খুলে দিলেন। পুলিশ অফিসার শাহীন বললেন, "বাসার কেউ কি কোন কথা বলছে না? বাইরে থেকে তো কারো কোন কথা শোনা যাচ্ছে না।" বড় মানুষটি বললেন, "আমরা সবাইতো ফিসফিস করে কথা বলছি, এই জন্য বাসার কোন শব্দ বাইরে শোনা যাচ্ছে না।" এরপর ঐ বাসা থেকে বের হয়ে সামনের বাসার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময়েও কোন কথা শুনতে পারায় তিনি বাসার দরজায় 'নক' করলে বাসার এক ছেলে দরজা খুলে দিলেন। পুলিশ অফিসার শাহীন বললেন, "বাসার কেউ কি কোন কথা বলছে না? বাইরে থেকে তো কারো কোন কথা শোনা যাচ্ছে না।" ছেলেটি বিরক্ত হয়ে বললো, "আপনি কি এতক্ষণ দরজায় আড়ি পেতে ছিলেন? বাসার সবাই তো স্বাভাবিক গলায় কথা বলছে। রাস্তার মানুষদের শোনানোর জন্য কি কেউ চেঁচিয়ে চেঁচিয়ে কথা বলবে নাকি?" এই কথা বলে ছেলেটি দড়াম করে দরজা বন্ধ করে দিলো। এরপর তিনি ঐ বাসা থেকে বের হয়ে সামনের বাসার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় শুনলেন কোন এক মহিলা গলা ফাটিয়ে চিত্কার করে বলছে, "রহিম সাহেব, দয়া করে আমাকে মারবেন না।" অফিসার শাহীন কিছু বুঝে উঠার আগেই একটা গুলির আওয়াজ শুনতে পেলেন। তিনি তখন ঐ বাসার দরজা ভেংগে দৌড় দিয়ে ঘরের ভেতর চলে গেলেন। সেখানে তিনি একটি মহিলার লাশ পড়ে থাকতে দেখলেন। এরপর তিনি ঘরের মধ্যে উপস্থিত বাকি ৪ জন যাদের একজন উকিল, একজন ডাক্তার, একজন ব্যবসায়ী এবং একজন ইঞ্জিনিয়ারের মধ্যে থেকে ব্যবসায়ীকে ধরে নিয়ে গেলেন। তিনি কিন্তু সঠিক খুনিকেই ধরেছেন।
প্রশ্ন হলঃ তিনি কাউকে জিজ্ঞাসা না করে কেমনে বুঝলেন কে খুনি?
ধাঁধাঁর উত্তর -ঘরের মধ্যে তিনি ব্যবসায়ী ছাড়াও তিনটা বিড়াল দেখতে পেয়েছিলেন যাদের নাম ছিলো উকিল, ডাক্তার ও ইঞ্জিনিয়ার।
অফলাইন
দৈনন্দিন রসায়নসেভারাস লিখেছেন:
শামীম ভাই বললাম না ঐটা আপনার জন্য ধাঁধা।
কিন্তু আপনি কই পড়লেন?
সামহোয়্যার ইন এ কেউ একজন আপনার ধাঁধাঁর সঠিক উত্তর দিয়েছে। সেখানেই পড়লাম।
আমার প্রশ্নের উত্তর চাই? কোন কথা জিজ্ঞেস না করে শাহীন মিয়া কিভাবে সবার পেশা বুঝলো??????
ধাঁধাঁ বানিয়েছো, ধাঁধাঁর গোজামিল দেখোনি (ঘুঘু দেখেছো ফাঁদ দেখোনি) 
অফলাইন
শাহীন মিয়া তো সবার পেশা কি জানতোই না। ওটা তো পাঠকদের জন্য বলা হয়েছে
উনিতো খালি লাশ দেখেই খুনি ধরে চলে গেছেন

অফলাইন