আজকে সাইন্সল্যাব মোরে দেখলাম একটা সাইনবোর্ড তাতে লেখা "ভিসা মুক্ত বিশ্ব আন্দোলন"।
এটা দেখে আমার মনে হল যদি এই বিশ্ব সত্যিই ভিসা মুক্ত হত তাহলে বেশ ভালই হত। তাহলে বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য বা কর্মসংস্থান এর জন্যযেতে এত ভোগান্তি পোহাতে হত না। আসলে এই ভিসা প্রথায় আমরা যারা তৃতীয় বিশ্বে বাস করি তাদেরই যত সংকট আমরা ইচ্ছা করলেই যে কোন দেশে যেতে পারিনা। কিন্তু যারা আমাদেরে থেকে উন্নত দেশে বাস করে তারা আমাদের দেশে আসতে চাইলে কোন ভোগান্তি পোহাতে হয় না। এমন কি আমাদের পাশের দেশ ভারতে যেতে হলেও ইদানিং আমাদের যে পরিমান ভোগান্তি পোহাতে হয় তা কিন্তু একজন ইন্ডিয়ানে পোহাতে হয় না যখন যে আমাদের দেশে আসতে চায়। এমন কি ভিসা মুক্ত সার্ক এটাও আজ পর্যন্ত বাস্তবায়ন হল না।
যেমন একজন বাংলাদেশী যদি আমেরিকাতে যায় তাহলে আমেরিকার কি সমস্যা তা আমি বুঝি না। আমরা কী তাদের দেশে গিয়ে তাদের সব সম্পত্তি নিয়ে আসব?
আর যখন ভিসা প্রথা আছে তখন যদি একজন লোকের সব ধরনের বৈধ কাগজ পত্র থাকে তবে ভিসা দিতে সমস্যা কী?
যদিও তারা বলে থাকে যে কাগজ পত্র ঠিক থাকলে অবশ্যই ভিসা দেওয়া হবে কিন্তু বাস্তবে কি তা হয়?
তাছাড়া কাজের জন্য উন্নত দেশে ভিসা সুবিধা খুব কম। আমাদের মত ৩য় বিশ্বের দেশে উচ্চ শিক্ষিত যোগ্য লোকের অভাব থাকবে এটাই স্বাভাবিক। তাই বলে কী আমরা কাজের জন্য সুধু সৌদি আরব আর মালয়েশিয়া বা আমিরাতেই যেতে পারব কেন আমেরিকা বা কানাডায় যেতে পারব না?
এটা কী প্রহশন? না সঠিক?
অফলাইন
যুদ্ধের কী দরকার!লেখাটি আমিও দেখেছিলাম।
একমত নই। আমরা যত কম ভোগান্তিতে অন্য দেশের ভিসা পাই, অন্য দেশ থেকে আমাদের দেশের ভিসা পেতে ভোগান্তি তার চেয়ে বেশি হয়। কারণ ..... .....
১. উন্নত দেশের ভিসা দেয় ওখানকার লোকজন... ওরা অনেক বেশি এফিশিয়েন্টলি কাজ করে - কারণ ওদের অনেক সুবিধাজনক যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং যন্ত্রপাতির সাপোর্টও ভালো।
অপরদিকে, আমাদের ভুরিওয়ালা কর্মকর্তাদের সেই সুযোগ সুবিধা কোথায়।
২. ভারত থেকে বাংলাদেশে আসতে হয়, দিল্লী বা কলকাতা এম্বেসী থেকে ভিসা নিতে হয় ... .. এবং অবধারিত ভাবে ঘুষ দিতে হয় (আমার নানাবাড়ী ভারতে ... ওরা এবং অন্যরা সবাই এক অভিযোগ করেছে)। সেই তুলনায়, ঢাকাতে কম ঝামেলাতে ভারতের ভিসা পাওয়া যায়।
৩. আর ভিসামুক্ত বিশ্ব হলে সব ভজঘট পাকায় যাবে। প্রতিটি দেশই চাইবে তাদের দেশে অন্যের প্রবেশাধিকার তাদের নিয়ন্ত্রনে রাখতে। না হলে আর স্বাধীন দেশের অর্থ কী? তাছাড়া নিজ দেশের জনগণের অধিকার নিশ্চিত করতেও প্রবেশ নিয়ন্ত্রন করা জরুরী।
-- আপনি নিশ্চয়ই আপনার বাড়ীতে সবার অবাধ যাতায়ত দেখতে চান না ....
অফলাইন
আমরা যত কম ভোগান্তিতে অন্য দেশের ভিসা পাই, অন্য দেশ থেকে আমাদের দেশের ভিসা পেতে ভোগান্তি তার চেয়ে বেশি হয়।
মোটেও একমত নই।একজন আমেরিকান যদি বাংলাদেশের ভিসা নিতে দাড়ায় আর তাকে যদি এভাবে ভোগানো হয় তাহলে তার ফল কি হবে তা বাংলাদেশ এম্বাসী ভালই জানে।
আপনি কোন আমেরিকানের যে কিনা একাধিক বার বাংলাদেশে এসেছে তার পাসপোর্ট দেখলে দেখবেন সেখানে একটা কালি দিয়ে সিল মারা নো ভিসা রিকোয়্যারড টু ট্রাভেল ইন বাংলাদেশ।
উন্নত দেশের ভিসা দেয় ওখানকার লোকজন... ওরা অনেক বেশি এফিশিয়েন্টলি কাজ করে - কারণ ওদের অনেক সুবিধাজনক যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং যন্ত্রপাতির সাপোর্টও ভালো।
অপরদিকে, আমাদের ভুরিওয়ালা কর্মকর্তাদের সেই সুযোগ সুবিধা কোথায়
হাস্যকর মনে হচ্ছে।এমন নজির বোধহয় নেই যে কোন উন্নত বিশ্বের লোক বাংলাদেশের ভিসা নিতে এসে রিফিউজ হয়েছেন। আমাদের ভুরিওয়ালা কর্মকর্তাদের কোন যন্ত্রপাতি লাগেনা তাদের দুটি চোঁখই যথেষ্ঠ। কারন তারা ভিসা দেয় পাসপোর্টের রঙ দেখে।
ঢাকাতে কম ঝামেলাতে ভারতের ভিসা পাওয়া যায়।
এটা ভিত্তিহীন আমি নিজে ভারতে ভিসা আনতে গিয়েছি সেখানের লোকজন এমনকি আমাদের দেশের যারা গার্ড(গ্রুপ ফোর এস)তাদের যে ব্যাবহার তাতে আমার ভারতের ভিসা আনার শখ মিটে গেছে আমি মনে মনে প্রার্থনা করি আমার যাতে আর ভারতে ভিসা আনতে যেতে না হয়।
ভারতের ভিসা আনতে গেলে হাজারো প্রশ্নের উত্তর দিতে হয় যা অনেক সময় মানুষকে বির্বতকর অবস্থায় ফেলে দেয়। ভারতের ভিসা অফিসের সামনে গিয়ে এমন কাউকে পাওয়া যাবে না যে এখান থেকে হাসি মুখে বের হয়েছে।
তবে আমার নিজের ভিসা আনার জন্য যাওয়ার আগে আমি আমার খালাতো ভাইয়ের সাথে ওখানে গিয়েছিলাম সে আমেরিকান পাসপোর্টধারী সে যখন ভিসা ওফিসের সামনে গেল তখন তার জন্য ওখানকার বড় আকারের গেটটা খুলে দেওয়া হল যাতে তাকে পকেট গেট দিয়ে মাথা নিচু করে ঢুকতে না হয়।সে আজমীর শরীফে যাওয়ার জন্য ১মাসের ভিসার আবেদন করেছিল কিন্তু যখন তার ভিসা দেখলাম সেখানে লেখা ৬ মাসের ভিসা সাথে মাল্টিপল এন্ট্রিতো আছেই।
আর ভিসামুক্ত বিশ্ব হলে সব ভজঘট পাকায় যাবে। প্রতিটি দেশই চাইবে তাদের দেশে অন্যের প্রবেশাধিকার তাদের নিয়ন্ত্রনে রাখতে। না হলে আর স্বাধীন দেশের অর্থ কী? তাছাড়া নিজ দেশের জনগণের অধিকার নিশ্চিত করতেও প্রবেশ নিয়ন্ত্রন করা জরুরী।
-- আপনি নিশ্চয়ই আপনার বাড়ীতে সবার অবাধ যাতায়ত দেখতে চান না ....
আমারও তাই মনে হয় সব ভজগট পাকায়ে যাবে।
কিন্তু আমরা চাইলে কি আমাদের দেশে অন্য উন্নত দেশের লোকের প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রন করতে পারব? আজ যদি আমেরিকা আমাদের দেশে সামরিক ঘাটি স্থাপন করতে চায় তাইলে আজ দুপুরের মধ্যেই সব ব্যবস্থা হয়ে যাবে যদি বিপরীত ভাবে চিন্তা করা হয় তাইলে.........
আমার লেখা শামীম ভাইয়ের লেখার বিরোধিতা করা না, আমিও জানি ভিসামুক্ত বিশ্ব এই দাবিটা হাস্যকর ।তবে নিজেদের অবস্থা চিন্তা করলে খারাপ লাগে।
অফলাইন
যুদ্ধের কী দরকার!বাবু লিখেছেন:
ঢাকাতে কম ঝামেলাতে ভারতের ভিসা পাওয়া যায়।
এটা ভিত্তিহীন আমি নিজে ভারতে ভিসা আনতে গিয়েছি সেখানের লোকজন এমনকি আমাদের দেশের যারা গার্ড(গ্রুপ ফোর এস)তাদের যে ব্যাবহার তাতে আমার ভারতের ভিসা আনার শখ মিটে গেছে আমি মনে মনে প্রার্থনা করি আমার যাতে আর ভারতে ভিসা আনতে যেতে না হয়।
ভারতের ভিসা আনতে গেলে হাজারো প্রশ্নের উত্তর দিতে হয় যা অনেক সময় মানুষকে বির্বতকর অবস্থায় ফেলে দেয়। ভারতের ভিসা অফিসের সামনে গিয়ে এমন কাউকে পাওয়া যাবে না যে এখান থেকে হাসি মুখে বের হয়েছে।
তবে আমার নিজের ভিসা আনার জন্য যাওয়ার আগে আমি আমার খালাতো ভাইয়ের সাথে ওখানে গিয়েছিলাম সে আমেরিকান পাসপোর্টধারী সে যখন ভিসা ওফিসের সামনে গেল তখন তার জন্য ওখানকার বড় আকারের গেটটা খুলে দেওয়া হল যাতে তাকে পকেট গেট দিয়ে মাথা নিচু করে ঢুকতে না হয়।সে আজমীর শরীফে যাওয়ার জন্য ১মাসের ভিসার আবেদন করেছিল কিন্তু যখন তার ভিসা দেখলাম সেখানে লেখা ৬ মাসের ভিসা সাথে মাল্টিপল এন্ট্রিতো আছেই।
বক্তব্যটা তুলনীয় ছিল। খেয়াল করুন কোন পরিপ্রক্ষিতে বলেছিলাম
২. ভারত থেকে বাংলাদেশে আসতে হয়, দিল্লী বা কলকাতা এম্বেসী থেকে ভিসা নিতে হয় ... .. এবং অবধারিত ভাবে ঘুষ দিতে হয় (আমার নানাবাড়ী ভারতে ... ওরা এবং অন্যরা সবাই এক অভিযোগ করেছে)। সেই তুলনায়, ঢাকাতে কম ঝামেলাতে ভারতের ভিসা পাওয়া যায়।
হাস্যকর মনে হচ্ছে।এমন নজির বোধহয় নেই যে কোন উন্নত বিশ্বের লোক বাংলাদেশের ভিসা নিতে এসে রিফিউজ হয়েছেন। আমাদের ভুরিওয়ালা কর্মকর্তাদের কোন যন্ত্রপাতি লাগেনা তাদের দুটি চোঁখই যথেষ্ঠ। কারন তারা ভিসা দেয় পাসপোর্টের রঙ দেখে।
আমি ব্যক্তিগতভাবে অন্তত দুইজন জাপানীকে চিনি যারা রিফিউজড হয়েছেন কিংবা প্রচন্ড ভোগান্তির সম্মুখিন হয়েছেন। জাপান উন্নত দেশ।
পাসপোর্ট দেখে ভিসা দেয়ার কারণ হল রেপুটেশন। একজন আমেরিকান/জাপানির তথ্য যেভাবে সংরক্ষিত আছে বা ক্রস ভেরিফিকেশন করা যায়, সেই তুলনায় একজন বাঙালী বা ৩য় বিশ্বের দেশের নাগরিকের তথ্যের সত্যতা যাচাই করা প্রায় অসম্ভব। আমি কখনোই ভিসাতে ঝামেলাতে ভুগি নাই ... (সুইজারল্যান্ড, জাপান, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, ভিয়েতনাম, ভারত, নেপাল)। এর মধ্যে সুইজারল্যান্ড ও জাপান বাদে বাকিগুলো জাপান থেকে নেয়া। .. পরে হবে......
অফলাইন
যুদ্ধের কী দরকার!আগের বক্তব্য হতে চলমান .....
কেন ঝামেলা হয়নি তার কারণ যতটুকু বুঝি বলি:
১. আমি ইন্টারন্যাশনাল পাসপোর্ট ব্যবহার করে প্রথমে গিয়েছিলাম সুইজারল্যান্ডে। ওখান থেকেই আমাকে আমন্ত্রন জানানো হয়েছিল এবং টিকেট পাঠিয়ে দেয়া হয়েছিল। কাজেই, ভিসা কর্তৃপক্ষের মনে প্রার্থীর জেনুইনিটি সম্পর্কে যথেষ্ট কনফিডেন্স চলে এসেছিল। একই কাজ যদি আমার দিক থেকে শুরু করা হত, তখন হাজারটা প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হত স্বাভাবিকভাবেই।
২. এরপরে আসলাম জাপানে। এটাতো ভি.আই.পি. ভিসা বলা যায়। কারণ মনবুশো স্কলারশীপ যারা পায় তাদের ভিসা দেয় একদিনে, যেখানে অন্য যে কোন ভিসার জন্য অন্তত ৭ দিন লাগে। এখানেও কারণটা নির্ভরযোগ্যতা সম্পর্কে অনিশ্চয়তা কম .... .... আসল ব্যাপার হল, মনবুশো কর্তৃপক্ষ তো ইতিমধ্যেই যাচাই করেছে অনেক কাগজপত্র... কাজেই ভিসা কর্তৃপক্ষের জন্য কাজ অনেক কমে গেল।
৩. থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, সিঙ্গাপুর .... প্রতিটিই সেমিনারে আমন্ত্রনের পরিপ্রেক্ষিতে। সুতরাং বুঝতেই পারছেন।
৪. ভারতে যাওয়ার জন্য স্পেসিফিক কাজ ছিল ... জাপানে অবস্থিত ভারতের এম্বেসীকে সেটা বিশ্বাস করাতে কষ্ট হয়নি... মাল্টিপল এন্ট্রিভিসা দিয়ে দিল ... আর নেপালে তো অন এরাইভাল ভিসা।
ভিসা পাওয়ার জন্য যত ডকুমেন্টস চায় ওগুলো ছাড়াও অনেক সময় ভিসা নেয়া যায় ... মূল ব্যাপার হল কর্তৃপক্ষকে কনভিন্স করা। এ নিয়ে অন্য কোন সময়ে বিস্তারিত পোস্ট দেব হয়ত।
অফলাইন
শামীম ভাই আপনার লেখা পড়ে অনেক কিছু জানতে পারলাম যা আগে জানতাম না কিংবা ভুল ধারনা ছিল।
তবে হতাশ হলাম এই ফোরামে অনেকেই দেশের বাইরে আছেন তারা এখানে কিছুই লেখলেন না। তারা যদি লিখত তাহলে আমরা আরো অনেক কিছু জানতে পারতাম হয়ত ভুল ধারনাগুলোও পাল্টে যেত।
ধন্যবাদ শামীম ভাই![]()
অফলাইন
ভাই বাবু
আপনার টপিকটা বাংলাদেশীদের অবশ্যই প্রার্থিত কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। আপনি আপনার যোগ্যতাবলে বিদেশে আসতে চাইলে কিন্তু ভিসা পেতে কোনই সমস্যা নাই। একটা ঘটনা আমার এখনো মনে পড়ে যখন কানাডার ভিসা নেয়ার জন্য আবেদন করি। ভিসা অফিসার (সম্ভবত কানাডিয়ান) আমাকে বলেই ফেলল "আই ওয়ান্ট টু সেন্ড পিপল লাইক ইউ" । কি জন্য বলেছিল জানিনা, সম্ভবত আমার সত্যবাদিতার জন্য। (সেখানে কিছু ব্যাপার ঘটেছিল যা একান্তই ব্যক্তিগত।) সেদিনই বুঝেছি Honesty is the best policy.
যাই হোক, শামীম ভাই তার উত্তরে অনেকটাই বলেছেন। যার মূল ব্যাপারটাই হল তথ্যের নির্ভরতা। আপনি নিজেই হয়তো জানেন আপনার অনেক বন্ধুই একাধিকবার পাসপোর্ট তৈরী করেছে। এটা বাংলাদেশে মামুলি হলেও সাংঘাতিক একটা ব্যাপার এই পশ্চিমে।
আমি জানি ভিসা পলিসির জন্য অনেক সময় জেনুইন কিছু মানুষ যারা খুবই যোগ্য অথচ ভিসা পায়না। আমার মনে হয় জেনুইন মানুষের সাধারণত ভিসা পাওয়া কোন সমস্যা নয়।
অফলাইন
সবাইকে শুভেচছা,
শামীম ,বাবু,প্রকৃতিপ্রেমিক ভাই,আপনাদের লেখা পড়ে খুব ভাল লাগল।
"ভিসা মুক্ত বিশ্ব আন্দোলন"।
এই কথাটি আমার মনে হয় আমাদের বাংলাদেশের রাস্তায়সাইনবোর্ড 【চিকা মারা】শুধু দেখা যায়।
আমার মনে হয় আমাদের মত তৃতীয় বিশ্বে বাস্তবে এটা আজও সম্ভব নয়। পৃথীবর কোনদেশ এ বিষয় এক মত হবেনা। তবে【 EU】ভুক্তদেশগুলি একুটু ভিন্ন।
কারন অনেক ,
জাতিগত, ধর্মগত রেপুটেশন কিছু কারন আছে। এর পর প্রতুওরে শামীম ভাই কিছুটা লিখেছেন।
ভিসা কেউ একবারে পায়,আবার বারবার চেষ্টা করেও পায় না।
যাক,বাবুভাইকে "সাধনা করেযান ফল【ভিসা】একদিন মিলবেই"
শুভকামনা রইল।
আজ অনেক দিন পর বাংলা লিখলাম,সময় পেলে আবার লিখব।
প্রজন্ম ফোরাম কে ধ্যনবাদ।
অফলাইন
বাবু লিখেছেন:
আজকে সাইন্সল্যাব মোরে দেখলাম একটা সাইনবোর্ড......... আমাদের মত ৩য় বিশ্বের দেশে উচ্চ শিক্ষিত যোগ্য লোকের অভাব থাকবে এটাই স্বাভাবিক। তাই বলে কী আমরা কাজের জন্য সুধু সৌদি আরব আর মালয়েশিয়া বা আমিরাতেই যেতে পারব কেন আমেরিকা বা কানাডায় যেতে পারব না?
এটা কী প্রহশন? না সঠিক?
এই কথাটা ১০০% ভুল।
অফলাইন
হারিয়ে গিয়েছি এই তো জরুরী খবর...হিমু লিখেছেন:
...........,সময় পেলে আবার লিখব। .............
অফটপিকঃ
এর পর যদি সময় হয় তবে আপনার পরিচিতি মূলক পোষ্ট টা আগে দিবেন, প্লিজ !!!
অফলাইন
অফলাইন