[img]http://forum.projanmo.com/uploads/thumbs/331_HD 209458.jpg[/img]
পৃথিবীর বাইরে প্রাণের অস্তিত্ব সন্ধান করে গলদঘ্র্ম বিজ্ঞানীরা। প্রাণের অস্তিত্বের জন্য অন্যতম উপাদান পানি। আর এই পানি আবিস্কার করতে বিজ্ঞানীদের সাধ্য সাধনার শেষ নাই। দূর গ্রহ মঙ্গলে খুঁজে পাওয়া গেছে জমাট বরফের স্তুপ। আর এই প্রথমবার, পৃথিবীর বাইরে, এমন কী সৌরজগতের বাইরে, দূরে বহু দূর, পানির অস্তিত্ব মিলেছে। গ্রহের নাম এইচডি ২০৯৪৫৮ বি।
পৃথিবী থেকে প্রায় দেড়শ’ আলোকবর্ষ দূরে ঘুর্ণায়মান এইআ গ্রহটি দেখতে অনেকটা বৃহস্পতির মতো। গ্যাসীয় ওই গ্রহটিতে, বিজ্ঞানীদের বহু কাংক্ষিত পানির সন্ধান পেয়েছেন অ্যারিজোনার জ্যোতির্বিজ্ঞানী ট্র্যাভিস বারমেন। তিনি ‘লোয়েল অবজারভেটরি’ নামের এক ব্যক্তি মালিকানাধীন গবেষণা কেন্দ্রে কাজ করেন। ওইখান থেকে পিলে চমকানো এ খবরটি দেন। তিনি জানান, জলীয় বাষ্পের দেখা মিলেছে। দূর গ্রহে। সৌর মুল্লুকের বাইরে। -উৎসঃ রায়টার্স।
আমার মাঝে মধ্যে কোন যুক্তি ছাড়াই যেন মনে হয়- মহাবিশ্বে প্রাণের অস্তিত্ব থাকাটা খুবই স্বাভাবিক। বরং না থাকাটাই অস্বাভাবিক। মহাবিশ্বে লক্ষ-কোটি নক্ষত্র এবং তার গনানাতিত গ্রহ রয়েছে। এদের মধ্যে অতি ছোট ও সামান্য আমাদের এই পৃথিবী। এই লক্ষ-কোটি নক্ষত্র আর তার গ্রহে কি জীবণের জন্য পৃথিবীর চাইতে ভালো পরিবেশ নেই! অবশ্যই থাকার কথা।
এসব বিষয় নিয়ে অবশ্য আমি বশীদূর চিন্তা করিনা। ওতো জ্ঞান ও পড়াশোনা আমার নেই। কিন্তু আমার অনেক আগ্রহ জানার। কারো কাছে যদি ভালো ভালো তথ্য থাকে এখানে জানালে বড়ই ভালো হয়।
-আফরিন।
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন লুবনা_আফরিন_লতা (১২-০৪-২০০৭ ১৩:২১)
অফলাইন
লুবনা_আফরিন_লতা লিখেছেন:
http://forum.projanmo.com/uploads/thumb … 209458.jpg
পৃথিবীর বাইরে প্রাণের অস্তিত্ব সন্ধান করে গলদঘ্র্ম বিজ্ঞানীরা। প্রাণের অস্তিত্বের জন্য অন্যতম উপাদান পানি। আর এই পানি আবিস্কার করতে বিজ্ঞানীদের সাধ্য সাধনার শেষ নাই। দূর গ্রহ মঙ্গলে খুঁজে পাওয়া গেছে জমাট বরফের স্তুপ। আর এই প্রথমবার, পৃথিবীর বাইরে, এমন কী সৌরজগতের বাইরে, দূরে বহু দূর, পানির অস্তিত্ব মিলেছে। গ্রহের নাম এইচডি ২০৯৪৫৮ বি।
পৃথিবী থেকে প্রায় দেড়শ’ আলোকবর্ষ দূরে ঘুর্ণায়মান এইআ গ্রহটি দেখতে অনেকটা বৃহস্পতির মতো। গ্যাসীয় ওই গ্রহটিতে, বিজ্ঞানীদের বহু কাংক্ষিত পানির সন্ধান পেয়েছেন অ্যারিজোনার জ্যোতির্বিজ্ঞানী ট্র্যাভিস বারমেন। তিনি ‘লোয়েল অবজারভেটরি’ নামের এক ব্যক্তি মালিকানাধীন গবেষণা কেন্দ্রে কাজ করেন। ওইখান থেকে পিলে চমকানো এ খবরটি দেন। তিনি জানান, জলীয় বাষ্পের দেখা মিলেছে। দূর গ্রহে। সৌর মুল্লুকের বাইরে। -উৎসঃ রায়টার্স।
আমার মাঝে মধ্যে কোন যুক্তি ছাড়াই যেন মনে হয়- মহাবিশ্বে প্রাণের অস্তিত্ব থাকাটা খুবই স্বাভাবিক। বরং না থাকাটাই অস্বাভাবিক। মহাবিশ্বে লক্ষ-কোটি নক্ষত্র এবং তার গনানাতিত গ্রহ রয়েছে। এদের মধ্যে অতি ছোট ও সামান্য আমাদের এই পৃথিবী। এই লক্ষ-কোটি নক্ষত্র আর তার গ্রহে কি জীবণের জন্য পৃথিবীর চাইতে ভালো পরিবেশ নেই! অবশ্যই থাকার কথা।
এসব বিষয় নিয়ে অবশ্য আমি বশীদূর চিন্তা করিনা। ওতো জ্ঞান ও পড়াশোনা আমার নেই। কিন্তু আমার অনেক আগ্রহ জানার। কারো কাছে যদি ভালো ভালো তথ্য থাকে এখানে জানালে বড়ই ভালো হয়।
-আফরিন।
যাক অবশেষে .......................
অফলাইন
এক পৃথিবীতেই কত হাঙ্গামা এত প্রাণ থাকতে না জানি নতুন প্রাণেরা কি করবে সেখানে যদি তারা বাঙালী হয়

অফলাইন
আমি এই বাংলার সোনা ঝরা পথে হেঁটেছি কতটা কাল।
অফলাইন
অফলাইন
প্রানী না অন্য কোন কিছু থাকতে পারে.. যেমন রোবট. 
অফলাইন
রোবট আসবে কোথ্থেকে
!?? রোবটের কি প্রজনন ক্ষমতা আছে?
অফলাইন
আমাদের আজ পর্যন্ত অর্জিত যে নলেজ, তার ভিত্তিতে আমরা বলছি যে, প্রাণ বিকাশের জন্য পানি অপরিহার্য, কিন্তু অন্য যেকোন গ্রহে অন্যভাবে প্রাণের বিকাশ হতে পারে যার জন্য পানি অপরিহার্য নাও হতে পারে। কাজেই পৃথিবীর বাইরে যে প্রাণ নাই এটা সিওর ভাবে বলা যায় না। বহুদিন আগে সেবা প্রকাশণীর একটা বই- যতদুর মনে পরে রকিব হাসানের লেখা-UFO এই নামে পড়েছিলাম। একবার পারলে সবাই পড়ে নিবেন।
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন তপু (১৮-০৫-২০০৭ ০৮:৩০)
অফলাইন
কিছুদিন আগে একটি বই পড়েছিলাম। এ্যন্টনী গের'র "দি লাস্ট ম্যাসেজ"। এখানে সত্য ঘটনা উল্লেখ করে বলা হয়েছে- এক ব্যাক্তি ভিন্ন গ্রহের অতি উন্নত প্রাণীর সাক্ষাৎ পেয়েছে। এ্যালোহীম ভিন্ন গ্রহের অতি উন্নত প্রাণী যারা পৃথিবীতে মান সৃষ্টির বহুকাল পূর্বে ডিএনএ আবিস্কার করে প্রাণী সৃষ্টি করতে পারতেন। কিন্তু তাদের গ্রহের প্রধান উক্ত বিজ্ঞানী দলকে প্রাণী সৃষ্টির বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করায় তারা উপযুক্ত গ্রহ হিসাবে পৃথীবীকে নির্বাচন করেন। তারা সমস্ত পৃথিবীতে বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে প্রথমে পানি, বৃক্ষ, অন্যান্য প্রানী তৈরী করে মানব বাসের উপযুক্ত করে গড়ে তুলেন এবং মানব সৃষ্টি করেন।
তারপর হতে তারা পৃথিবীর উপর কড়া নজর রাখছেন। বহুকাল পড়ে যখন মানুষ তাদের নিজস্ব্য জ্ঞান বৃদ্ধিকরে প্রায় এ্যলোহীনের কাছা কাছি চলে আসছে ধীরে ধীরে তখন তারা পৃথিবীর উপর হতে তাদের কর্তৃত্ব হারাতে বসেছেন বা হারাতে যাচ্ছেন। এখন তারা পৃথিবীর প্রাণীদের কাছে আত্বপ্রকাশ করবেন।
প্রায় ৬০০ পৃষ্ঠার বইতে বাইবেল এর উক্তি ব্যাখ্যা করে তুলনা করেছেন সত্যতা স্থায়ী করার জন্য।
অফলাইন
আজব কাহিনী!!
আমরা সবসময় কাল্পনিক ভীনগ্রহের প্রাণীকে উন্নত প্রজাতির ভাবি কেন?
অফলাইন
এই মহাবিশ্বে পৃথিবী একটি ধুলিকণার সমান। নয়কি? লক্ষ-কোটি নক্ষত্র এবং তার গণনাতিক গ্রহের মধ্যে ছোট একটি পৃথিবীতে যদি প্রাণী থাকতে পারে তবে অন্য কোন গ্রহে প্রাণী থাকাটা কি স্বাভাবিক নয়?
অফলাইন
লুবনা_আফরিন_লতা লিখেছেন:
এই মহাবিশ্বে পৃথিবী একটি ধুলিকণার সমান। নয়কি? লক্ষ-কোটি নক্ষত্র এবং তার গণনাতিক গ্রহের মধ্যে ছোট একটি পৃথিবীতে যদি প্রাণী থাকতে পারে তবে অন্য কোন গ্রহে প্রাণী থাকাটা কি স্বাভাবিক নয়?
খুবই স্বাভাবিক। কে বলল অন্য গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ত্ব নেই? হয়ত সেসব গ্রহের প্রাণের লক্ষণ ভিন্নরকম। আর পৃথিবী গ্রহের বাসিন্দা হিসেবে আমরা কেন ধরে নেব যে অন্যান্য স্থানের প্রাণীও আমাদের মতোই হবে? হয়ত দেখা যাবে অন্যান্য গ্রহের প্রাণীরাও আমাদের মতো পৃথিবীতে প্রাণীর সন্ধান করে ব্যর্থ হচ্ছে।
এই মহাবৈশ্বিক চিন্তা-ভাবনার সূচনা করার জন্য অনেক ধন্যবাদ!
অফলাইন
সুহৃদ লিখেছেন:
হয়ত সেসব গ্রহের প্রাণের লক্ষণ ভিন্নরকম। আর পৃথিবী গ্রহের বাসিন্দা হিসেবে আমরা কেন ধরে নেব যে অন্যান্য স্থানের প্রাণীও আমাদের মতোই হবে? হয়ত দেখা যাবে অন্যান্য গ্রহের প্রাণীরাও আমাদের মতো পৃথিবীতে প্রাণীর সন্ধান করে ব্যর্থ হচ্ছে।
বড়ই চিন্তার বিষয় হইলো! 
অফলাইন
সুমন ভাই লিখেছেন:
আমরা সবসময় কাল্পনিক ভীনগ্রহের প্রাণীকে উন্নত প্রজাতির ভাবি কেন?
আমারও একি মত। হয়তবা আমাদের মত তারা বুদ্ধিমান না। আমরা যেমন রকেট বানিয়েছি তারা হয়ত তাও বানাতে পারেনি।
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মনি (১৭-০৫-২০০৭ ২০:২৭)
অফলাইন
সুহৃদ লিখেছেন:
খুবই স্বাভাবিক। কে বলল অন্য গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ত্ব নেই? হয়ত সেসব গ্রহের প্রাণের লক্ষণ ভিন্নরকম। আর পৃথিবী গ্রহের বাসিন্দা হিসেবে আমরা কেন ধরে নেব যে অন্যান্য স্থানের প্রাণীও আমাদের মতোই হবে? হয়ত দেখা যাবে অন্যান্য গ্রহের প্রাণীরাও আমাদের মতো পৃথিবীতে প্রাণীর সন্ধান করে ব্যর্থ হচ্ছে।
এই মহাবৈশ্বিক চিন্তা-ভাবনার সূচনা করার জন্য অনেক ধন্যবাদ!
হয়তো বা তারা আমাদের সাথেই থাকেন। তাদের উপস্থিতি আমাদের ভেতরেই। তারা ইচ্ছা করলেই নিজ গ্রহ থেকে আমাদের এখানে আসতে পারেন। হয়তো তারা আমাদের প্রজন্ম ফোরামেরও সদস্য। কে জানে?

অফলাইন
আমাদের প্রজন্মের কেউ হলে, সেটা আর কেউ না, সেভারেস।







অফলাইন
হুমম ভালো একটা জিনিস শিখলাম .. সবাই শুনে রাখুন ..
এমন কারো সাথে মজা করা উচিৎ না, যে মজাই বুঝে না ।
অফলাইন
এই টপিকের আর কোন উত্তর দিতে চাইনা।
অফলাইন

লুবনা_আফরিন_লতা লিখেছেন:
কিছুদিন আগে একটি বই পড়েছিলাম। এ্যন্টনী গের'র "দি লাস্ট ম্যাসেজ"। এখানে সত্য ঘটনা উল্লেখ করে বলা হয়েছে- এক ব্যাক্তি ভিন্ন গ্রহের অতি উন্নত প্রাণীর সাক্ষাৎ পেয়েছে। এ্যালোহীম ভিন্ন গ্রহের অতি উন্নত প্রাণী যারা পৃথিবীতে মান সৃষ্টির বহুকাল পূর্বে ডিএনএ আবিস্কার করে প্রাণী সৃষ্টি করতে পারতেন। কিন্তু তাদের গ্রহের প্রধান উক্ত বিজ্ঞানী দলকে প্রাণী সৃষ্টির বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করায় তারা উপযুক্ত গ্রহ হিসাবে পৃথীবীকে নির্বাচন করেন। তারা সমস্ত পৃথিবীতে বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে প্রথমে পানি, বৃক্ষ, অন্যান্য প্রানী তৈরী করে মানব বাসের উপযুক্ত করে গড়ে তুলেন এবং মানব সৃষ্টি করেন।
তারপর হতে তারা পৃথিবীর উপর কড়া নজর রাখছেন। বহুকাল পড়ে যখন মানুষ তাদের নিজস্ব্য জ্ঞান বৃদ্ধিকরে প্রায় এ্যলোহীনের কাছা কাছি চলে আসছে ধীরে ধীরে তখন তারা পৃথিবীর উপর হতে তাদের কর্তৃত্ব হারাতে বসেছেন বা হারাতে যাচ্ছেন। এখন তারা পৃথিবীর প্রাণীদের কাছে আত্বপ্রকাশ করবেন।
প্রায় ৬০০ পৃষ্ঠার বইতে বাইবেল এর উক্তি ব্যাখ্যা করে তুলনা করেছেন সত্যতা স্থায়ী করার জন্য।
অফলাইন