<?xml version="1.0" encoding="utf-8"?>
<rss version="2.0">
	<channel>
		<title><![CDATA[প্রজন্ম ফোরাম - বিজ্ঞান]]></title>
		<link>http://forum.projanmo.com/</link>
		<description><![CDATA[প্রজন্ম ফোরাম এ সর্বশেষ টপিক]]></description>
		<lastBuildDate>Mon, 15 Mar 2010 03:55:10 +0000</lastBuildDate>
		<generator>PunBB</generator>
		<item>
			<title><![CDATA[সুস্থ থাকার ২০ সূত্র]]></title>
			<link>http://forum.projanmo.com/topic15224new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<div class="quotebox"><blockquote><p>একেবারে ফিট থাকতে গেলে কিছু নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হবে। সুস্থ শরীর তার সঙ্গে শান্তিময় জীবন লাভ করতে কে না চায়। কিন্তু বিশৃঙ্খলার আড়ালে জীবনটাই এলোমেলো হয়ে যায়। থাকে না শান্তি, থাকে না স্ব্বস্তি। সুস্থ থাকার কিছু সূত্র আছে। সেগুলো কী তা জেনে নিই।</p><p>—প্রতিদিন খুব সকালে ঘুম থেকে ওঠে দুই অথবা তিন কি.মি.<br />হাঁটুন। এরপর গোসল করে প্রার্থনা করুন। এতে মন এবং প্রাণ সতেজ থাকবে।<br />—সব সময় সোজা হয়ে বসুন।<br />—যখনই খাবার খাবেন তখন ভালো করে চিবিয়ে খাবার গ্রহণ করুন। এতে পাচন ক্রিয়া ঠিক থাকবে।<br />—মোটা হওয়ার প্রধান কারণ হলো তৈলাক্ত এবং মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়া। তাই এ ধরনের খাবার খুব কম খান।<br />—সম্ভব হলে সপ্তাহে একদিন উপোস করে শরীরে খাবারের সমতা বজায় রাখুন।<br />—গাড়ি থাকলেও খুব বেশি গাড়ি চালাবেন না। বেশিরভাগ সময় হেঁটেই কাজ সারুন। এতে পায়ের মাংসপেশীর ব্যায়াম হবে। আপনি দীর্ঘদিন সুস্থ থাকতে পারবেন।<br />—বেশি পরিমাণে সবুজ শাক-সবজি আর ফলমূল খান।<br />—ঘরের সব কাজ নিজে করারই চেষ্টা করুন।<br />—ব্যস্ত থাকাটা শরীর ও মন—দুয়ের পক্ষে ভালো। তাই কাজে যতটা সম্ভব ব্যস্ত থাকুন।<br />—আপনার রুচি ও ব্যক্তিত্ব অনুয়ায়ী পোশাক পরিধান করুন।<br />—শরীরের নিয়মিত যত্ন নিন। শরীরের সৌন্দর্য বজায় রাখুন।<br />—গরমের দিন রাতে শোয়ার আগে গোসল করুন, এতে ঘুম ভালো হবে।<br />—রাতে শোয়ার আগে ঢিলেঢালা পোশাক পরুন। শরীরের প্রত্যেকটা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ রোম ছিদ্রের মধ্য দিয়ে শ্বসন প্রক্রিয়া চালায়। সে কারণে শোয়ার আগে ঢিলেঢালা পোশাক পরে ঘুমানো উচিত।<br />—চুলের প্রতি বিশেষ খেয়াল রাখুন। কারণ চুল হলো সৌন্দর্যের অঙ্গ। সম্ভব হলে সপ্তাহে একদিন হার্বাল শ্যাম্প দিয়ে মাথা ধৌত করুন।<br />—প্রতিদিন অন্তত ১০ মিনিট ধ্যান করুন। এতে মানসিক শান্তি পাবেন। তার ওপর মনের জোরও বাড়বে।<br />—ক্রোধ থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে চলুন।<br />—কথার উপরে সংযম রাখুন। আপনার কথায় কেউ যেন মানসিক দুঃখ না পায়। সেটা মাথায় রেখে কথা বলুন।<br />—রাতে শোয়ার সময় মনে কোনো চিন্তা রাখবেন না। সুস্ব্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য গভীর ঘুম অত্যন্ত জরুরি।<br />—পেশাগত কোনো সমস্যা থাকলে সে সমস্যাকে না জিইয়ে রেখে তা মেটানোর চেষ্টা করুন।</p></blockquote></div><br /><p><strong>আতাউর রহমান কাবুল<br />দৈনিক আমার দেশ, ৫ ডিসেম্বর ২০১০। </strong></p>]]></description>
			<author><![CDATA[dummy@example.com (rdx)]]></author>
			<pubDate>Mon, 15 Mar 2010 03:55:10 +0000</pubDate>
			<guid>http://forum.projanmo.com/topic15224new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[ফোনে চালু হয় অগভীর নলকূপ]]></title>
			<link>http://forum.projanmo.com/topic15408new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p><span class="bbu"><strong>ফোনে চলে অগভীর নলকূপ</strong></span><br /><em><strong>আজাদ রহমান, ঝিনাইদহ</strong></em></p><p><span class="postimg"><img src="http://www.prothom-alo.com/resize/maxDim/460x1000/img/uploads/media/2010-03-04-17-48-24-082587700-nolkup.jpg" alt="http://www.prothom-alo.com/resize/maxDim/460x1000/img/uploads/media/2010-03-04-17-48-24-082587700-nolkup.jpg" /></span><br /></p><div class="quotebox"><blockquote><p><strong>সাত দিন গবেষণা করে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিদ্যুত্চালিত অগভীর নলকূপ চালু ও বন্ধ করার পদ্ধতি তৈরি করেছেন ঝিনাইদহের এমদাদুল হক। নিজেদের একটি অগভীর নলকূপে তিনি এ গবেষণা চালান। বিদ্যুত্ সরবরাহ থাকুক বা না থাকুক তাঁর পরিবারের কাউকে আর পানি তোলার যন্ত্রের ঘরে যেতে হচ্ছে না।<br />এমদাদুল হক এর আগেও নানা কিছু নিয়ে কাজ করেছেন।নিজেদের রেডিও-টেলিভিশন, ভিসিডি প্লেয়ার নষ্ট হলে নিজেই মেরামত করেন। অগভীর নলকূপ, পাওয়ারটিলার মেরামতের কাজও তিনি করেন।<br />ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার জোকা গ্রামের আবদুল মান্নানের ছেলে এমদাদুল হক। ১৯৮২ সালে তাঁর জন্ম। বর্তমানে তিনি যশোর এমএম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে ইসলামের ইতিহাসে স্নাতকোত্তর শ্রেণীতে পড়ছেন। এমদাদুল হক জানান, বারবার বিদ্যুত্ আসা-যাওয়া করায় অগভীর নলকূপের কাছে একজনকে বসে থাকতে হয়। এ থেকে বাঁচতে তিনি ভাবতে থাকেন কীভাবে দূর থেকে যন্ত্রটি চালু-বন্ধ করা যায়। ভাবতে ভাবতে বের করেন মোবাইল ফোনের মাধ্যমে এটা করা সম্ভব। ২ ফেব্রুয়ারি তিনি বাড়িতে বসে এ নিয়ে কাজ করা শুরু করেন, ৭ ফেব্রুয়ারি তিনি সফল হন। এখন মোবাইল ফোন থেকে কল করলেই তার অগভীর নলকূপ চলে। আবার কল করলে সেটা বন্ধ হয়ে যায়।<br />এ কাজে দুটি মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে হচ্ছে এমদাদুল হককে। একটি ফোন তার অগভীর নলকূপের ঘরে রাখা আছে, আরেকটি ফোন বাড়িতে থাকছে। তিনি জানান, নলকূপের কাছে একটি কাঠের বাক্স রাখা হয়েছে। বাক্সের মধ্যে আছে ছয় ভোল্টের দুটি মোটর, তিনটি সুইচসহ কিছু বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশ। বাক্সের ওপর রাখা হয়েছে একটি মোবাইল ফোন। যে মোবাইল থেকে সংযোগ নিয়েছেন তার ওই বাক্সে। পুরো এ ব্যবস্থা তৈরিতে খরচ হয়েছে তিন হাজার টাকা। </strong></p></blockquote></div><p><a href="http://www.prothom-alo.com/detail/date/2010-03-05/news/46434">উৎস: প্রথম আলো</a></p>]]></description>
			<author><![CDATA[dummy@example.com (dhoom_khan)]]></author>
			<pubDate>Fri, 12 Mar 2010 10:46:24 +0000</pubDate>
			<guid>http://forum.projanmo.com/topic15408new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[বিটি বেগুন নিয়ে লেখা]]></title>
			<link>http://forum.projanmo.com/topic15339new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p>সতর্কতাঃ ইহা একটি বিশাল লেখা।<br />গত ২৭-০২-২০১০ তারিখে দৈনিক প্রথম আলোতে নিচের লেখাটি প্রকাশ পায়।<br />লেখাটির বিষয়বস্তু আমার প্রিয় বিষয়। এ সম্পর্কে আমার মতামত পরে দিব।<br />আপনাদের মন্তব্য কী?<br /></p><div class="quotebox"><blockquote><p>জিএম খাদ্য<br />আমাদের অতি প্রিয় বেগুনকে দূষিত করবেন না<br />ফরিদা আখতার </p><p>সবজির মধ্যে বেগুন পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুব কমই আছে। যাঁরা রান্না করেন তাঁদের কাছেও বেগুন খুবই প্রিয়। এটা রান্না করতে সহজ, সময় কম লাগে, আবার খেতেও মজা। ইলিশ মাছ দিয়ে রান্না, শুঁটকি কিংবা শুধু আলু দিয়ে ভাজি করা যায়। খিচুড়ি করলে আর কিছু না থাক, চাকা করে কেটে সরিষার তেলে ভেজে বেগুন অত্যন্ত মজা করে খাওয়া যায়। তাছাড়া বিশেষ রকম বেগুন রান্নার জন্য রান্নার বইগুলোতেও অনেক প্রণালী পাওয়া যায়। তার মানে যত সহজই হোক, বেগুনের রকমারি রান্নার নিয়ম রয়েছে। আরও মজার কথা হচ্ছে, চৈত্র মাসে তিতা গিমাশাক একটু বেগুনসহ রান্না করলে খেতে ভালো লাগে। তিতা শাক বাচ্চাদের খাওয়াতে অসুবিধা হলে এভাবে খাওয়ানো দারুণ দাওয়াই। চৈত্র মাসে তিতা খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য জরুরি। বেগুন ছাড়া অনেকেরই তখন চলে না। গিমা বাংলার প্রাচীন খাদ্যব্যবস্থার মধ্যে শীর্ষে। আর বেগুন মাত্রই বাংলার এমন সবজি, যাকে ছাড়া বাঙালির খাদ্যব্যবস্থার কথা ভাবাই যায় না। কিছু অসুখের জন্য খেতে নিষেধ করা হয়। সেটাও আমাদের খাদ্যব্যবস্থার অংশ। খাদ্য এবং পথ্যের ভেদজ্ঞান নিয়েই আমাদের খাদ্য, পুষ্টি ও আয়ুরক্ষা।<br />অনেকের আবার এলার্জি থাকে। তবে কীটনাশক বা সার ব্যবহারের কারণেই এ এলার্জির আধিক্য অধিক। বেগুন কখনোই বিষাক্ত নয়। উচ্চ ফলনশীল বা ইরি বেগুন এবং বর্তমানে হাইব্রিড বেগুনেই কেবল কীটনাশক ব্যবহার করা হয়। কোনো দেশীয় জাতের বেগুনে কীটনাশক দিতে হয় না। পোকা লাগলে ছাইয়ের ব্যবহারই যথেষ্ট। বাণিজ্যিক চাষের জন্য উচ্চ ফলনশীল বেগুনে বিষ বা কীটনাশক দিতে হয়। এক বীজ বিক্রেতার কাছে তথ্য নিয়ে জানা গেছে—সুপার সোমনাথ, ড্রাগ স্টোন, চমক ইত্যাদি নামের হাইব্রিড বেগুন বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। এরই সঙ্গে বিক্রি হচ্ছে নানা ধরনের কীটনাশক। এই বেগুন বাজারে আসার আগ পর্যন্ত বিষ দেওয়া হয়।<br />বাংলাদেশে বেগুনের অনেক স্থানীয় জাত রয়েছে। বলা হয়, বাংলাদেশ বেগুনের অন্যতম প্রধান উত্সস্থল। এলাকাবিশেষে বেগুনের নানা ধরনও পাওয়া যায়। যেমন—পার্বত্য চট্টগ্রামের ফুতা বেগুন, গফরগাঁওয়ের তবলা বা তাল বেগুনসহ অনেক জাতের বেগুন এখনো কৃষকদের হাতে আছে। নয়া কৃষির কৃষকদের সংগ্রহ করা কয়েকটি বেগুনের জাতের নাম উল্লেখ করলেই বোঝা যাবে এসব বেগুন এখনো কৃষকেরা চাষ করছেন। যেমন—লেইট্যা, গোল, আউশা, কাটা, লম্বা, আমনে, পাহাড়ি, ক্ষুদে, তিতা, ঢোপা, বারমাসে, ডিম, বতুলা, বেগুনি, লানি, কালো, বুটকা, কামরাঙ্গা, তাল বা তবলা, সাদা, সংলা, টুপরি, ভোলানাথ, কালগোলা, ঘিকাঞ্চন, কলা, শ্যামলা, হিংলা সইলা, সাদা বীন, সবুজ লম্বা, সবুজ মোটা বেগুন ইত্যাদি। সব বেগুন দিয়ে ভর্তা হয় না, যেমন—কাটা, লম্বা, চিকন, ক্ষুদে, ঝুমকা বেগুন দিয়ে ভর্তা করে লাভ নেই। ভর্তা হয় এমন বেগুন হচ্ছে—গোল, আইসা, আমনে, ঢোপা, তবলা ইত্যাদি। ইলিশ মাছ দিয়ে রান্না করা যায় কাটা, লম্বা ও চিকন বেগুন। ঝুমকা আর ক্ষুদে বেগুনের টক রান্না ভালো হয়। ভাজির জন্য ভালো হচ্ছে গোল বেগুন, সাদা বেগুন, ভোলানাথ (দেখতে খুব সরল বলে)। শুঁটকি মাছ দিয়ে রান্নার জন্য লম্বা বেগুন ভালো। গিমাশাক দিয়ে রান্না করা যায় ঢোপা, গোল আর আউশা বেগুন। তবে একই ধরনের বেগুন বিভিন্ন এলাকায় ভিন্ন নামেও পাওয়া যেতে পারে। কারণ, কৃষক বেগুনের আকার বা রং বা মৌসুম হিসেবে নামকরণ করে, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নামে পেটেন্ট করে না। তারা একই বেগুনের ভিন্ন নাম শুনে হাসি-তামাসা করে, কিন্তু মামলা করে না বা রয়্যালটি দাবি করে না। হাজার বছর ধরে কৃষক এসব বেগুন রক্ষা করে আসছে।<br />বেগুনের মতো এত সহজ-সরল একটি সবজি নিয়ে লেখার প্রয়োজন হয়ে পড়েছে বেগুন নিয়ে কোনো গবেষণার ফলাফল জানানোর জন্য নয়। আমাদের দেশে এত জাতের বেগুন থাকতে ইরি এবং হাইব্রিড বেগুন এসে আমাদের অনেক ক্ষতি করেছে। বেগুনের বাণিজ্যিক চাষ করে বিষাক্ত করে ফেলেছে। কিন্তু সেই পর্ব শেষ না হতেই এখন জিএম বেগুন প্রবর্তন-প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ইরি এবং হাইব্রিড বেগুন বাজারে আসার আগে অনেকেই জানতেও পারেনি। বাণিজ্যিক চাষের মাধ্যমে সোজা বাজারে চলে এসেছে। তারই সঙ্গে এসেছে বিষ। ঢাকার বাজারে বাণিজ্যিক চাষ করা যেসব বেগুন আসে সেগুলো বিষে ভরা। স্বাস্থ্যের জন্য এসব বেগুন নিরাপদ নয়। বেগুনের সহজ ভাবটা এর মধ্যে আর থাকে না। অর্থাত্ সহজে সিদ্ধ হয় না, খেতেও মজা লাগে না। অবশ্য বাজারে এখনো সাধারণ কৃষকের উত্পাদন করা দেশীয় জাতের বেগুনগুলোও পাওয়া যায়। বিষের বেগুনে পোকা নেই, কিন্তু বিষ আছে। দেশীয় বেগুনে দু’একটা পোকা থাকলেও ভালো, কারণ এতে বিষ নেই। বুদ্ধিমান ক্রেতারা ঠিকই দেশি জাতের বেগুন কেনেন।<br />কিন্তু এখন বলা হচ্ছে, বেগুনকে বিষমুক্ত করার জন্য জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং করে বিটি-ব্রিনজাল বা বিটি-বেগুন প্রবর্তন করা হবে। ভারতের মহারাষ্ট্র হাইব্রিড সিড কোম্পানি (মাহাইকো) বহুজাতিক কোম্পানি মনসান্তোর কাছ থেকে কীট ব্যবস্থাপনার বিশেষ প্রযুক্তি Bt cry1Ac gene technology-এর লাইসেন্স পেয়ে ভারতে বিটি বেগুনের গবেষণা করেছে। মাহাইকো ভারতের দুটি সরকারি প্রতিষ্ঠানসহ ফিলিপাইন বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কেন্দ্র (বারি) এবং এটি বেসরকারি বীজ কোম্পানি ইস্ট-ওয়েস্ট সিড বাংলাদেশের মাধ্যমে প্রবর্তন করার জন্য গবেষণা করছে। অর্থাত্ মনসান্তো-মাহাইকো বিটি বেগুনের প্রবর্তন শুধু ভারতের বাজারকে নিয়ে পরিকল্পনা করেনি, দক্ষিণ এশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় এর বাজারজাত করার চিন্তাভাবনা নিয়েই এগোচ্ছে। এই প্রযুক্তি প্রবর্তনের জন্য অর্থনৈতিক সহযোগিতা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের সাহায্য সংস্থা ইউএসএআইডি, Agricultural Biotechnology Support Project II, (ABSPII) প্রকল্পের মাধ্যমে। ফলে বাংলাদেশের সরকারি প্রতিষ্ঠান বিদেশি সাহায্য পেয়েই এই প্রকল্পের কাজ করছে। জানা গেছে, প্রায় চার বছর ধরে কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারি-তে বায়োটেকনোলজি বিভাগের বিজ্ঞানীরা এই বিটি বেগুনের গবেষণা করছেন। এই বেগুন কৃষকপর্যায়ে ছাড়ার আগে আন্তর্জাতিক নিয়মানুসারে বায়োসেফটি আইন পাস হতে হবে। বাংলাদেশে বর্তমানে বায়োসেফটি গাইডলাইন রয়েছে। পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অধীন এই বায়োসেফটি গাইডলাইন অনুসারে দেশে কোনো জিএম শস্য প্রবর্তন করতে হলে দেখতে হবে, এর ফলে স্থানীয় জাত ও প্রাণবৈচিত্র্যের ওপর কোনো বিরূপ প্রভাব পড়বে কি না। আমাদের আশঙ্কা হচ্ছে, বিটি বেগুনের গবেষণাকে আগেভাগেই যেভাবে বিজ্ঞানের অগ্রগতি হিসেবে আখ্যায়িত করা হচ্ছে, তাতে বায়োসেফটি গাইডলাইন অনুসারে বিবেচনা করার জন্য যথেষ্ট মনোযোগ দেওয়া হবে কি না।<br />আন্তর্জাতিক পরিবেশ সংগঠন গ্রিন পিস এ বিষয়ে বলেছে, মলিকুলার বায়োলজিতে বৈজ্ঞানিক অগ্রগতির ফলে চিকিত্সা-বিজ্ঞানে কিছু অবদান দেখে আমরা বাণিজ্যিক স্বার্থে পুরো প্রাকৃতিক পরিবেশকে তাদের গবেষণাগার বানিয়ে ফেলতে পারি না। প্রাণবৈচিত্র্য রক্ষা এবং পরিবেশের সুরক্ষা খাদ্যের জোগানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কাজেই এর ওপর কোনো প্রকার হুমকি পুরো মানব জাতিকে বিপদের মুখে ফেলবে।<br />বিটি বেগুনের বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া হচ্ছে, ব্যাকটেরিয়া থেকে বিষাক্ত প্রোটিন উদ্ভাবনের জিন ব্যাকটেরিয়া থেকে আলাদা করে জেনেটিক প্রক্রিয়ায় বেগুনের জিনোমের মধ্যে প্রবেশ করিয়ে বেগুনের মধ্যেই একই ধরনের বিষাক্ত প্রোটিন উত্পাদিত হয়। ফলে বেগুনের মধ্যে সাধারণভাবে আমরা যে পোকা সব সময় দেখি, সেই ব্রিঞ্জাল ফ্রুট অ্যান্ড শুটবরার বা লেদাপোকা বেগুনের গায়ে আক্রমণ করলে বা বেগুনের কোনো অংশ খেলে এগুলোর পুষ্টিনালি ছিদ্র হয়ে মারা যায়। অর্থাত্ বেগুনগাছ নিজেই তখন বিষ হিসেবে কাজ করে। কাজেই এই বেগুন উত্পাদনের সময় বাইরের কোনো বিষ ব্যবহার করতে হয় না। ইরি এবং হাইব্রিডের বিষাক্ত বেগুন চাষ দেখে যাঁরা বিরক্ত এবং আতঙ্কিত তাঁরা নিশ্চয়ই বিটি বেগুনের দিকে ঝুঁকতে পারেন। কিন্তু বিটি বেগুন এতই বিষাক্ত যে পোকা খাওয়ারও উপযোগী নয়, সেই বেগুন কী করে মানুষের খাওয়ার উপযুক্ত হতে পারে, সে প্রশ্ন কি তোলা উচিত নয়? বেগুন ছাড়াও তুলা এবং ভুট্টার ক্ষেত্রে বিটি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে এবং কোনো ক্ষেত্রেই সফল হতে পারেনি। বরং বিটি তুলা চাষ করে লাখ লাখ কৃষকের সর্বস্বান্ত হয়ে আত্মহত্যার ঘটনা ভারতে তুমুল বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। বিটি প্রযুক্তির মাধ্যমে বিষ ব্যবহার না করার কথা বলা মিথ্যা এবং প্রতারণা। আসলে বিষ ব্যবহার বন্ধ নয়, বরং বিষাক্ত বীজ ব্যবহার করা হচ্ছে, যা কোম্পানি বা উদ্ভাবক নিজেই কৃষককে করে দিচ্ছে। খাদ্যশস্য উত্পাদনে বিষ ব্যবহার বন্ধের একটাই উপায় আছে সেটা হচ্ছে, যে বীজ স্থান ও পরিবেশের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ এবং সেই পরিবেশে গড়ে ওঠা স্থানীয় বীজের ব্যবহার, মাটির উর্বরতা রক্ষা করা এবং বৈচিত্র্যপূর্ণ ফসলের উত্পাদন করা। কোনো প্রযুক্তি ব্যবহার করে বীজকে বিকৃত করলেই শস্য নিরাপদ হয়ে যায় না।<br />ভারতে এই বিটি বেগুনের প্রবর্তনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের ফলে সরকার এই বেগুনের ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১০। ভারতের পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের পক্ষে মন্ত্রী জয়রাম রামেশ এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। যদিও মন্ত্রণালয়ে প্রতিষ্ঠিত জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যাপ্রোভালস কমিটি (জিইএসি) বিটি বেগুনে ছাড়পত্র প্রায় দিয়ে ফেলেছিল, কিন্তু মন্ত্রী দেখেছেন, ভারতের বিজ্ঞানীদের মধ্যেও এই বিটি বেগুনের নিরাপত্তার প্রশ্নে মতৈক্য নেই এবং কৃষক ও পরিবেশবাদী সংগঠনের পক্ষ থেকে যেসব নেতিবাচক প্রভাবের কথা বলা হয়েছে উদ্ভাবকেরা তার সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি। কৃষক এবং পরিবেশবাদীদের প্রতিবাদের মুখে মন্ত্রী দেশের বিভিন্ন স্থানে মতবিনিময় করতে বাধ্য হন এবং শেষ পর্যন্ত তিনি বুঝেছেন, এই বেগুন সম্পর্কে বিটি বেগুনের ছাড়পত্র দিয়ে পৃথিবীর মধ্যে প্রথম দেশ হওয়ার গৌরব অর্জনের জন্য তাড়াহুড়োর দরকার নেই। কিন্তু ভারতে বন্ধ হলেও বিটি বেগুনের গবেষণার কাজ যেহেতু একই কোম্পানির উদ্যোগে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে শুরু হয়েছে, বাংলাদেশে এই বেগুনের ছাড়পত্র দেওয়ার ক্ষেত্রে কী হবে তা নিয়ে প্রশ্ন আছে। এরই মধ্যে ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১০ তারিখে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি বিল ২০১০ উত্থাপিত হয়েছে। যদিও বলা হয়েছে, টেকসই ও পরিবেশবান্ধব কৃষি-প্রযুক্তির প্রবর্তনের ক্ষেত্রে এই প্রতিষ্ঠান কাজ করবে, তথাপি জিএম শস্যের ছাড়পত্র দেওয়ার জন্যও এই প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বিলটিতে বিস্তারিত কী আছে তা আমরা জানি না। এ ধরনের জনগুরুত্বপূর্ণ বিল নিয়ে জনগণের মধ্যে আলোচনা হওয়া দরকার। কারণ, এর সঙ্গে জড়িত রয়েছে আমাদের দেশের কোটি কোটি কৃষকের ভাগ্য, পরিবেশ এবং জনস্বাস্থ্যের প্রশ্ন।<br />শুরু করেছিলাম বেগুনের নানা জাতের কথা বলে। বাংলাদেশে বিটি বেগুন আসার অর্থ হচ্ছে, স্থানীয় জাতের বেগুন বিলুপ্ত হওয়ার পথ তৈরি করা। শুধু তাই নয়, মানুষের স্বাস্থ্য ও পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাবের কথা আর অস্বীকার করার উপায় নেই। তাহলে আমাদের এই বিতর্কিত এবং পরিবেশ ও মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর জিএম বেগুন আনতে হবে কেন? বিদেশি কোম্পানির লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বাংলাদেশে প্রাইভেট কোম্পানির ব্যবসায়িক স্বার্থ দেশের সাধারণ কৃষকের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ হবে না—এইটুকু অবশ্যই বোঝা যায়।<br />ফরিদা আখতার: নারী আন্দোলনের নেত্রী।</p></blockquote></div>]]></description>
			<author><![CDATA[dummy@example.com (পৃথি)]]></author>
			<pubDate>Sun, 07 Mar 2010 16:18:16 +0000</pubDate>
			<guid>http://forum.projanmo.com/topic15339new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[ওষুধের কাঁচামাল: শিল্পপার্ক স্থাপন এপ্রিলে শুরু]]></title>
			<link>http://forum.projanmo.com/topic15319new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<div class="quotebox"><blockquote><p>ওষুধশিল্পের কাঁচামাল প্রস্তুতে মুন্সীগঞ্জের বাউসিয়ায় প্রস্তাবিত এপিআই শিল্পপার্ক স্থাপনের কাজ এপ্রিলে শুরু হবে বলে জানিয়েছেন সরকারি কর্মকর্তারা।</p><p>শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এবিএম খোরশেদ আলম শুক্রবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, &quot;আশা করছি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই প্রকল্প উদ্বোধন করবেন।&quot;</p><p>পার্ক স্থাপনে জমি অধিগ্রহণে প্রয়োজনীয় অর্থ আগামী সপ্তাহে ছাড় করা হবে বলেও জানান তিনি।</p><p>মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৃহস্পতিবার এক বৈঠকে প্রকল্পের কাজ দ্রুত শুরু করার সিদ্ধান্ত নেন।</p><p>বাংলাদেশের ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ৯০ ভাগই আমদানি করে থাকে। এ পার্ক স্থাপন হলে প্রতিষ্ঠানগুলো দেশেই কাঁচামাল উৎপাদন করতে পারবে।</p><p>২০০ একর জমিতে প্রস্তাবিত এই প্রকল্পে মোট খরচ ধরা হয়েছে ২৩৫ কোটি টাকা, শুরুতে যা ছিল ২১৩ কোটি।</p><p>জমির দাম বেড়ে যাওয়ায় প্রকল্প ব্যয় বেড়েছে বলে জানান প্রকল্প পরিচালক এবিএম মুশফিকুর রহমান।</p><p>প্রকল্প সম্পন্ন করার সময় ধরা হয়েছে ২০১১ সালের ডিসেম্বর। প্রস্তাবনা অনুযায়ী এ সময় ছিল ২০১০ সালের ডিসেম্বর।</p><p>সময়মতো জমি অধিগ্রহণ করতে না পারায় সময় বাড়ানো হয়েছে বলে জানান মুশফিকুর।</p><p>প্রকল্প এলাকায় ৪২টি প্ল্যান্ট স্থাপন করা যাবে।</p><p>প্লট বন্দোবস্তের সময় মালিকরা ৬০ ভাগ অর্থ পরিশোধ করতে হবে। তবে প্লটের মূল্য এখনো নির্ধারিত হয়নি বলে জানিয়েছেন মুশফিকুর।</p><p>প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় ১৯২ দশমিক ৫৫ একর জমি এখনই অধিগ্রহণের উপযোগী বলে গত ১৮ ফেব্র&quot;য়ারি এক চিঠিতে শিল্প মন্ত্রণালয়কে জানান মুন্সিগঞ্জের জেলা প্রশাসক।</p><p>বাকি জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলায় কিছুদিন সময় লাগবে বলে জানান মুশফিক।</p><p>প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প কর্পোরেশন (বিসিক)।</p><p>বিসিক ইতোমধ্যে প্রকল্প এলাকায় ভূমি জরিপে, ফিল্ডবুক তৈরির কাজ সম্পন্ন এবং পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সাথে যৌথভাবে এই প্রকল্পের পরিবেশগত দিকগুলো নিয়ে আলোচনা করছে।</p><p>বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার অনুমোদন সাপেক্ষে বাংলাদেশ ২০১৫ সাল পর্যন্ত স্বত্ত্ব (পেটেন্ট) সুবিধা পাবে। ফলে এ শিল্পে উন্নয়নে বাংলাদেশের বিরাট সম্ভাবনা আছে।</p></blockquote></div><p>লিংক: <a href="http://www.bdnews24.com/bangla/details.php?cid=4&amp;id=121892&amp;hb=top">বিডিনিউজ২৪</a></p><p><span style="color: red"> আশা করা যায়, এই পদক্ষেপের ফলে বাংলাদেশে ঔষধ তৈরীতে নতুন মাত্রা শুরু হবে। এর ফলে <br />১) ঔষধ আমদানী করতে হবে না, সুতরাং আমদানীতে অর্থ বাঁচবে<br />২) ঔষধের দাম কমবে, ফলে গরীবের কাছে ঔষধ সহজলভ্য হবে<br />৩) আশা করা যায়, ভবিষ্যতে ঔষধ রফতানী করা যাবে অর্থাৎ অর্থ উপার্জন বাড়বে</span></p><p><span style="color: red">এখন দেখতে হবে সবকিছু ঠিকঠাক মত হয় নাকি অন্য সব কিছুর মত হারিয়ে যাবে!!!</span></p>]]></description>
			<author><![CDATA[dummy@example.com (সেভারাস)]]></author>
			<pubDate>Fri, 05 Mar 2010 18:43:59 +0000</pubDate>
			<guid>http://forum.projanmo.com/topic15319new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[কসমিক ক্যালেন্ডার]]></title>
			<link>http://forum.projanmo.com/topic10716new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p>এটাকে আদৌ ক্যালেন্ডার বলা উচিত কিনা জানিনা তবে যার কাছ থেকে আমি এটা পেয়েছি, সেই কার্ল সেগান এটাকে এইরুপ নামকরনই করেছেন। পুলিতজার পুরষ্কারপ্রাপ্ত লেখক এবং নাসার তুখোড় এস্ট্রোনমার তার বিখ্যাত বই &quot;ড্রাগন্‌স্‌ অফ ইডেন&quot;এ এই কসমিক ক্যালেণ্ডারের কথা বলেছেন যা ইতিহাসের সংক্ষিপ্ত সাক্ষ্যীও বলা যেতে পারে। ১৫বিলিয়ন (১৫,০০০,০০০,০০০)বছর বয়ষ্ক এই মহাবিশ্বকে তিনি আনুপাতিকভাবে ১ বছরের (১লা জানুয়ারী থেকে ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত) ভাগ করে নিয়েছেন। </p><p>বিগ ব্যাং - ১লা জানুয়ারী<br />মিল্কি ওয়ের জন্ম - ১লা মে<br />সৌরজগতের জন্ম - ৯ই সেপ্টেম্বর<br />পৃথিবীর সৃষ্টি - ১৪ই সেপ্টেম্বর<br />প্রাণের সৃষ্টি - ২৫শে সেপ্টেম্বর<br />প্রাচীনতম পাথরের জন্ম - ২রা অক্টোবর<br />ব্যাক্টেরিয়া, শৈবালের জন্ম - ৯ই অক্টোবর<br />মাইক্রো-অরগানিজমের মধ্যে সেক্সভিত্তিক বংশবিস্তার - ১লা নভেম্বর<br />ফটোসিন্‌থেটিক উদ্ভিদের জন্ম - ১২ই নভেম্বর<br />প্রথম পূর্নাঙ্গ কোষ (নিউক্লিয়াস সহ) - ১৫ই নভেম্বর</p><p>----- ৩১শে ডিসেম্বর -----<br />প্রোকনসাল এবং রেমাপিথিকাসের জন্ম (মানুষ এবং এপ্‌সের পূর্বপুরুষ) - দুপুর দেড় টায়<br />প্রথম মানুষ (আদম এবং হাওয়ার আবির্ভাব) - রাত সাড়ে ১০টায়<br />প্রস্তর যুগ - রাত ১১টা<br />আগুন আবিষ্কার - রাত ১১টা ৪৬ মিনিট<br />বরফ যুগ - রাত ১১টা ৫৬ মিনিট<br />গুহা অংকন - রাত ১১টা ৫৯ মিনিট<br />চাষ-বাস-কৃষির শুরু - রাত ১১-৫৯-২০সেকেন্ড<br />মিশরীয় সভ্যতা - ১১-৫৯-৫০<br />অক্ষরের সৃষ্টি - ১১-৫৯-৫১<br />ব্যবিলনিয়ান সভ্যতা - ১১-৫৯-৫২<br />ব্রোঞ্জ যুগ, ট্রোজান যুদ্ধ, কম্পাসের আবিষ্কার - ১১-৫৯-৫৩<br />লৌহ যুগ -১১-৫৯-৫৪<br />আশোকার ভারত, বুদ্ধদেবের জন্ম - ১১-৫৯-৫৫<br />ইউক্লিডিয়ান জ্যামিতি, আর্কেমেডিসের পদার্থবিদ্যা, টলেমীর মহাকাশবিদ্যা, যীশুর জন্ম, রোম সম্রাজ্যের বিস্তার - ১১-৫৯-৫৬<br />রোম পুড়ছে, মহানবীর জন্ম, মুসলমানদের ইউরোপ অভিযান - ১১-৫৯-৫৭<br />মায়া সভ্যতা, ধর্মযুদ্ধ(ক্রুসেড) - ১১-৫৯-৫৮<br />ইউরোপে রেঁনেসা, কলম্বাসের আমেরিকা আবিষ্কার - ১১-৫৯-৫৯<br />হিটলারের বিশ্বযুদ্ধ, মানুষের চন্দ্র-অভিযান, গ্লোবাল ওয়ার্মিং - ১২-০০-০০ (শুভ নববর্ষ)</p><p>“<strong>Big Bang </strong>may be the <strong>beginning</strong> of the <strong>present Universe </strong>or it may be the <strong>destroye</strong>r of the history of <strong>earlier Universe</strong>.” – Carl Sagan</p>]]></description>
			<author><![CDATA[dummy@example.com (dhoom_khan)]]></author>
			<pubDate>Sat, 27 Feb 2010 09:28:38 +0000</pubDate>
			<guid>http://forum.projanmo.com/topic10716new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[টেসট টিউব বেবি নিয়ে কিছু জানতে চাই?]]></title>
			<link>http://forum.projanmo.com/topic15103new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p>সকল বিগ ভাইদের আমার সালাম রইল। আমি টেসট টিউব বেবি নিয়ে কিছু জানতে চাই । একটু দয়া করে জানাবেন আমার সকল বিগ ভাইরা। যদি ভুল হয়ে থাকে তাহলে মাপ চাই।</p>]]></description>
			<author><![CDATA[dummy@example.com (শিপলু)]]></author>
			<pubDate>Fri, 26 Feb 2010 20:50:42 +0000</pubDate>
			<guid>http://forum.projanmo.com/topic15103new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[থ্রীডি এ্যানিমেশন]]></title>
			<link>http://forum.projanmo.com/topic4603new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p>মাত্র ৬৪ কেবির ফাইলে কত জঠিল থ্রীডি এ্যানিমেশন এর কাজ করে রেখেছে তা&nbsp; না দেখার আগে মন্তব্য করবেন না । <br /></p><div class="codebox"><pre><code>ftp://ftp.scene.org/pub/demos/groups/farb-rausch/fr08_final.zip</code></pre></div>]]></description>
			<author><![CDATA[dummy@example.com (dhoom_khan)]]></author>
			<pubDate>Fri, 26 Feb 2010 18:35:46 +0000</pubDate>
			<guid>http://forum.projanmo.com/topic4603new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[হেয়ার transplat কি?]]></title>
			<link>http://forum.projanmo.com/topic15143new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p>আমার সকল বিগ ভাইদের কাছে জানতে চাই হেয়ার transplat কি? একটু জানাবেন কি?</p>]]></description>
			<author><![CDATA[dummy@example.com (dhoom_khan)]]></author>
			<pubDate>Mon, 22 Feb 2010 18:51:23 +0000</pubDate>
			<guid>http://forum.projanmo.com/topic15143new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[কত অজানারে খুঁজি...]]></title>
			<link>http://forum.projanmo.com/topic15102new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p>সত্যি বলছি আমার একটি থ্রিডি চশমার প্রয়োজন...কারো কাছে কি এর কোন সমাধান বা উত্তর আমি আশা করতে পারি...?? বা এমন কোন পদ্ধতি যাতে তা আমি নিজেই তৈরি করে নিতে পারি। ধন্যবাদ জানাতে ইচ্ছুক, আশা করি তা নিতে আগ্রহী হবেন।</p>]]></description>
			<author><![CDATA[dummy@example.com (suvro)]]></author>
			<pubDate>Mon, 22 Feb 2010 18:50:04 +0000</pubDate>
			<guid>http://forum.projanmo.com/topic15102new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[সায়েন্স ফিকশান ও মুঃ জাফর ইকবাল]]></title>
			<link>http://forum.projanmo.com/topic212new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p>একবার ভারতীয় রাইটার এর লেখা একটা সায়েন্স ফিকশান সমগ্র পড়েছিলাম, পড়ে যা বুঝলাম তা হল..... আমাদের মুহম্মদ জাফর ইকবাল অনেক উচু দর এর লেখক।<br />মু: জাফর ইকবাল এর সবগুলো সায়েন্স ফিকশান বই আমি পড়েছি, প্রত্যেকটাই অসাধারণ ।<br />তারমধ্যেও সবচাইতে বেশীজোস যেইটা লেগেছে তা হল...<br />&quot;টাইট্রন একটি গ্রহের নাম&quot;</p><p>মতামত এর অপেক্ষায় ........</p>]]></description>
			<author><![CDATA[dummy@example.com (al)]]></author>
			<pubDate>Sat, 20 Feb 2010 15:23:57 +0000</pubDate>
			<guid>http://forum.projanmo.com/topic212new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[তরল সিগারেট।]]></title>
			<link>http://forum.projanmo.com/topic8493new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p>ধুমপান ছাড়তে বাজারে এসেছে তরল সিগারেট! তামাক নেই, পরিবর্তে রয়েছে কয়েকটি ভেষজ রস। খেলেই চনমনে। কোনও ক্ষতিকারক প্রভাব নেই বলে দাবি করেছেন নির্মাতা একটি ডাচ সংস্থা। নোরল্যান্ডে নাকি প্রায় বছর খানেক হলো অনেকের নিকোটিনের নেশা ছাড়িয়েছে ওই তরল সিগারেট। ডিসেম্বরে পাওয়া যাবে ব্রিটেনে। গোটা দুনিয়ায় ছড়িয়ে দিতে চান নির্মাতার। বলছে ব্রিটেনের দ্যা টেলিগ্রাফ। সূত্র :আমাদের সময়।</p>]]></description>
			<author><![CDATA[dummy@example.com (suvro)]]></author>
			<pubDate>Fri, 19 Feb 2010 19:07:12 +0000</pubDate>
			<guid>http://forum.projanmo.com/topic8493new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[চাদে অভিযান কি সত্য ??]]></title>
			<link>http://forum.projanmo.com/topic12356new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p>আমি অনেকেই দেখলাম যারা চাদে অভিযান বিশ্বাস করে না<br />বায়ুশূন্য চাদে পতাকা উড়ানো...ভিডিও গুলো দেখুন<br /><a href="http://www.youtube.com/watch?v=n1UEv2PI">http://www.youtube.com/watch?v=n1UEv2PI</a> … re=related<br /><a href="http://www.youtube.com/watch?v=wdMvQTNL">http://www.youtube.com/watch?v=wdMvQTNL</a> … re=related<br />বলেন দেখি কী ধরনের কথা</p>]]></description>
			<author><![CDATA[dummy@example.com (কিংকর্তব্যবিমূঢ়)]]></author>
			<pubDate>Tue, 02 Feb 2010 05:50:49 +0000</pubDate>
			<guid>http://forum.projanmo.com/topic12356new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[একজন অচল বিজ্ঞানী]]></title>
			<link>http://forum.projanmo.com/topic11013new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p>তিনি বিজ্ঞানী । কথা বলতে পারেন না, হাটতে পারেন না, হাটাহাটি করতে পারেন না। তবুও তিনি বিজ্ঞানী । একজন বিখ্যাত নাম করা বিজ্ঞানী। বর্তমার যুগের সর্ব শ্রেষ্ট বিজ্ঞানী। আইনষ্টাইনের পর ওনাকে শ্রেষ্ট বিজ্ঞানী বলে মনে করা হয়। নাম স্টিফেন উইলিয়াম হকিং । তিনি একজন তাত্ত্বিক পদার্থবিদ।জানুয়ারি ৮, ১৯৪২সালে জন্ম গ্রহন করেন। বর্তমানে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। শারীরিকভাবে ভীষণরকম অচল ।<br /><a href="http://prothom-aloblog.com/users/base/muktadirrohman/16">http://prothom-aloblog.com/users/base/muktadirrohman/16</a><br /> ছিবিটি দেখে নিন। একটি বিশেষ কম্পিউটার প্রক্রিয়ায় উনি যা ভাবে তা দেখা যায়। তিনি একটি বিখ্যাত গ্রন্থ রচনা করেছেন যা বর্তমান বিজ্ঞানের শ্রেষ্ট দান।</p><p>[বিঃদ্রঃ প্রজন্মর থিউরিকেল ম্যাড ভাই কিছু তত্ত্ব্ব দিয়েন। ]</p>]]></description>
			<author><![CDATA[dummy@example.com (কিংকর্তব্যবিমূঢ়)]]></author>
			<pubDate>Tue, 02 Feb 2010 05:44:15 +0000</pubDate>
			<guid>http://forum.projanmo.com/topic11013new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[চোখের ভাষা]]></title>
			<link>http://forum.projanmo.com/topic13337new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p>চোখের ভাষা:- কোন সাহায্য ছাড়া স্বাভাবিক আলোতে দুটি চোখ এক কোটি ভিন্ন ভিন্ন রঙ্গের তল আলাদা করে সনাক্ত করতে পারে। যেখানে ফটো ইলেকট্রিক স্পেকট্রোফটোমিটার এ ক্ষমতা চোখের দক্ষতার শতকরা প্রায় ৪০ ভাগ । চোখের রেটিনায় রয়েছে ১০ টি লেয়ার, চোখের photoreceptor c...ell এর সংখ্যা প্রায় ১২৭ঢ১০৬ প্রত্যেক চোখে। এতে দুই ধরনের cell থাকে যা অল্প ও অধিক আলোয় দেখতে সাহায্য করে ।</p>]]></description>
			<author><![CDATA[dummy@example.com (কিংকর্তব্যবিমূঢ়)]]></author>
			<pubDate>Tue, 02 Feb 2010 05:39:45 +0000</pubDate>
			<guid>http://forum.projanmo.com/topic13337new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[থামিয়ে দিন কোনো সফ্টওয়ারের Trial Period!!]]></title>
			<link>http://forum.projanmo.com/topic11353new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p>গতকাল Rapidshare এ সফ্টওয়ার search করতে করতে পেয়ে গেলাম মজার একটা সফ্টওয়ার, নাম &quot;Portable time stopper 1.2&quot;| এখন তাই দরকারি কেনো সফ্টওয়ারের Trial Period ধুপধাপ দেয়া যাবে থামিয়ে| </p><p><a href="http://www.postimage.org/image.php?v=Pqa7kEJ"><span class="postimg"><img src="http://www.postimage.org/Pqa7kEJ.jpg" alt="http://www.postimage.org/Pqa7kEJ.jpg" /></span></a><br />এই টাইপের সফ্টওয়ার বানানোর idea মানুষের মাথায় আসে কেমনে?</p>]]></description>
			<author><![CDATA[dummy@example.com (কিংকর্তব্যবিমূঢ়)]]></author>
			<pubDate>Tue, 02 Feb 2010 05:36:24 +0000</pubDate>
			<guid>http://forum.projanmo.com/topic11353new-posts.html</guid>
		</item>
	</channel>
</rss>
