<?xml version="1.0" encoding="utf-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
	<title type="html"><![CDATA[প্রজন্ম ফোরাম - বাংলাদেশের সময় এখন থেকে নাকি স্থায়ীভাবে সাত ঘণ্টা এগিয়ে থাকবে !]]></title>
	<link rel="self" href="http://forum.projanmo.com/feed-atom-topic13556.xml"/>
	<updated>2009-11-10T10:25:05Z</updated>
	<generator>PunBB</generator>
	<id>http://forum.projanmo.com/topic13556.html</id>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[Re: বাংলাদেশের সময় এখন থেকে নাকি স্থায়ীভাবে সাত ঘণ্টা এগিয়ে থাকবে !]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://forum.projanmo.com/post142679.html#p142679"/>
			<content type="html"><![CDATA[<p>এই প্রসঙ্গে আজকে প্রথম আলোতে আনিসুল হকের লেখা:<br /><a href="http://www.prothom-alo.com/detail/date/2009-11-10/news/18344">http://www.prothom-alo.com/detail/date/ &#133; news/18344</a> </p><p>আর গতকাল মুহম্মদ জাফর ইকবাল স্যারের লেখা:<br /><a href="http://www.prothom-alo.com/detail/date/2009-11-09/news/18141">http://www.prothom-alo.com/detail/date/ &#133; news/18141</a></p>]]></content>
			<author>
				<name><![CDATA[শামীম]]></name>
				<uri>http://forum.projanmo.com/user45.html</uri>
			</author>
			<updated>2009-11-10T10:25:05Z</updated>
			<id>http://forum.projanmo.com/post142679.html#p142679</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[Re: বাংলাদেশের সময় এখন থেকে নাকি স্থায়ীভাবে সাত ঘণ্টা এগিয়ে থাকবে !]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://forum.projanmo.com/post142667.html#p142667"/>
			<content type="html"><![CDATA[<p>ভাল!আর কয়দিন পর বিদ্যুৎ বাচাতে ১২ ঘন্টায় একদিন হিসাব করব।তখন ১ মাসে হবে ৬০ অথবা ৬২ দিনে।চমৎকার ব্যাপার হবে।হাতে তখন অফুরন্ত সময়।সরকারে সময় কাল হবে আরো ৮ বছর।</p>]]></content>
			<author>
				<name><![CDATA[বর্ষণ]]></name>
				<uri>http://forum.projanmo.com/user2195.html</uri>
			</author>
			<updated>2009-11-10T08:34:19Z</updated>
			<id>http://forum.projanmo.com/post142667.html#p142667</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[Re: বাংলাদেশের সময় এখন থেকে নাকি স্থায়ীভাবে সাত ঘণ্টা এগিয়ে থাকবে !]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://forum.projanmo.com/post142640.html#p142640"/>
			<content type="html"><![CDATA[<p>এসব ডিজিটাল ফ্যাজলামীর জন্য সরকারকে অনেক মূল্য দিতে হতে পারে। <img src="http://forum.projanmo.com/extensions/pun_bbcode_ext/smilies/angry.gif" alt="angry" title="angry" /><br />জ্বালানী উপদেষ্টার মতো ফাউল লোকজন দেশ চালানোর মত গুরুদ্বায়িত্ব পায় কি করে <img src="http://forum.projanmo.com/extensions/pun_bbcode_ext/smilies/angry.gif" alt="angry" title="angry" /></p>]]></content>
			<author>
				<name><![CDATA[টাট্টুহর্স]]></name>
				<uri>http://forum.projanmo.com/user1172.html</uri>
			</author>
			<updated>2009-11-09T19:29:24Z</updated>
			<id>http://forum.projanmo.com/post142640.html#p142640</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[Re: বাংলাদেশের সময় এখন থেকে নাকি স্থায়ীভাবে সাত ঘণ্টা এগিয়ে থাকবে !]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://forum.projanmo.com/post142575.html#p142575"/>
			<content type="html"><![CDATA[<p>ভাই আমরা যতই চিৎকার চেচামেচি করিনা কেন সরকারের ভিতর কতগুলো কুম্ভকর্ণ বসে আছে যা তাদের কর্ণকুহরে পৌছায় না</p>]]></content>
			<author>
				<name><![CDATA[ইলিয়াস]]></name>
				<uri>http://forum.projanmo.com/user3743.html</uri>
			</author>
			<updated>2009-11-09T10:09:28Z</updated>
			<id>http://forum.projanmo.com/post142575.html#p142575</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[Re: বাংলাদেশের সময় এখন থেকে নাকি স্থায়ীভাবে সাত ঘণ্টা এগিয়ে থাকবে !]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://forum.projanmo.com/post142569.html#p142569"/>
			<content type="html"><![CDATA[<p>মনে অনেক কিছু আসতেছে কিন্তু ফোরাম তো তাই বলতে পারছি না।</p>]]></content>
			<author>
				<name><![CDATA[সাদাত হাসান]]></name>
				<uri>http://forum.projanmo.com/user2190.html</uri>
			</author>
			<updated>2009-11-09T09:20:20Z</updated>
			<id>http://forum.projanmo.com/post142569.html#p142569</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[Re: বাংলাদেশের সময় এখন থেকে নাকি স্থায়ীভাবে সাত ঘণ্টা এগিয়ে থাকবে !]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://forum.projanmo.com/post142568.html#p142568"/>
			<content type="html"><![CDATA[<p>জাফর ইকবাল অসাধারণ লিখেছেন।আমি বিষয়টা নিয়ে সত্যি এভাবে ভাবিনি ।</p>]]></content>
			<author>
				<name><![CDATA[স্বপ্নীল]]></name>
				<uri>http://forum.projanmo.com/user2977.html</uri>
			</author>
			<updated>2009-11-09T09:16:01Z</updated>
			<id>http://forum.projanmo.com/post142568.html#p142568</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[Re: বাংলাদেশের সময় এখন থেকে নাকি স্থায়ীভাবে সাত ঘণ্টা এগিয়ে থাকবে !]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://forum.projanmo.com/post142564.html#p142564"/>
			<content type="html"><![CDATA[<p>এটা জ্বালানি উপদেষ্টার একটা কারসাজি । শুনেছি এই লোকটাই নাকি এইসব গোলমালের আসল নায়ক। নিজেতো একটা ছাগল , মনে করে দেশের সব মানুষ উনার মতই ছাগল । রাগের চোটে এমন গালি আসতেছে মুখ দিয়ে .... <img src="http://forum.projanmo.com/extensions/pun_bbcode_ext/smilies/angry.gif" alt="angry" title="angry" /> <img src="http://forum.projanmo.com/extensions/pun_bbcode_ext/smilies/angry.gif" alt="angry" title="angry" /> <img src="http://forum.projanmo.com/extensions/pun_bbcode_ext/smilies/angry.gif" alt="angry" title="angry" /></p>]]></content>
			<author>
				<name><![CDATA[Rabbi]]></name>
				<uri>http://forum.projanmo.com/user2588.html</uri>
			</author>
			<updated>2009-11-09T08:52:47Z</updated>
			<id>http://forum.projanmo.com/post142564.html#p142564</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[Re: বাংলাদেশের সময় এখন থেকে নাকি স্থায়ীভাবে সাত ঘণ্টা এগিয়ে থাকবে !]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://forum.projanmo.com/post142561.html#p142561"/>
			<content type="html"><![CDATA[<p>মাননীয় জ্বালানি উপদেষ্টা বলেছেন যে সময় ১ ঘন্টা এগিয়ে এনে আমরা অনেক সুফল পেয়েছি.........তা সুফল গুলি কোথায়.....জ্বালানি উপদেষ্টার পকেটে নাকি.......আমরা তো সেই আগের মতই লোড-সেডিং পাচ্ছি......</p>]]></content>
			<author>
				<name><![CDATA[তিতাস পাড়ের বাসিন্দা]]></name>
				<uri>http://forum.projanmo.com/user4012.html</uri>
			</author>
			<updated>2009-11-09T08:38:19Z</updated>
			<id>http://forum.projanmo.com/post142561.html#p142561</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[Re: বাংলাদেশের সময় এখন থেকে নাকি স্থায়ীভাবে সাত ঘণ্টা এগিয়ে থাকবে !]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://forum.projanmo.com/post142559.html#p142559"/>
			<content type="html"><![CDATA[<div class="quotebox"><cite>সাইফ দি বস ৭ লিখেছেন:</cite><blockquote><p>স্যারকে অন্তরের অন্তস্থল থেকে এরকম একটা বাস্তবসম্মত লেখা দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ!</p></blockquote></div><p>উনার লেখা সবসময়ই জোশ হয়। জটিল লিখছেন এখানে।&nbsp; <img src="http://forum.projanmo.com/extensions/pun_bbcode_ext/smilies/thumbs_up.gif" alt="thumbs_up" title="thumbs_up" /></p>]]></content>
			<author>
				<name><![CDATA[মেহেদী৮৩]]></name>
				<uri>http://forum.projanmo.com/user2831.html</uri>
			</author>
			<updated>2009-11-09T08:14:26Z</updated>
			<id>http://forum.projanmo.com/post142559.html#p142559</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[Re: বাংলাদেশের সময় এখন থেকে নাকি স্থায়ীভাবে সাত ঘণ্টা এগিয়ে থাকবে !]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://forum.projanmo.com/post142557.html#p142557"/>
			<content type="html"><![CDATA[<p>স্যারকে অন্তরের অন্তস্থল থেকে এরকম একটা বাস্তবসম্মত লেখা দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ!</p>]]></content>
			<author>
				<name><![CDATA[সাইফ দি বস ৭]]></name>
				<uri>http://forum.projanmo.com/user3065.html</uri>
			</author>
			<updated>2009-11-09T08:11:11Z</updated>
			<id>http://forum.projanmo.com/post142557.html#p142557</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[Re: বাংলাদেশের সময় এখন থেকে নাকি স্থায়ীভাবে সাত ঘণ্টা এগিয়ে থাকবে !]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://forum.projanmo.com/post142551.html#p142551"/>
			<content type="html"><![CDATA[<p>মুহম্মদ জাফর ইকবলের আজকের এই লেখাটা দারুন । এখন সরকারের মাথায় ঢুকলেই হয় । আমরা আসল টাইমে ফিরে যেতে চাই ,&nbsp; ডিজিটাল টাইম আর নয় । <br />------------------------</p><p><strong>‘ডিজিটাল টাইম’ এবং ঘোড়ার মৃতদেহ</strong></p><p><strong>মুহম্মদ জাফর ইকবাল</strong> | তারিখ: <strong>০৯-১১-২০০৯</strong></p><p>এই বছর জুন মাসের ১৯ তারিখ বাংলাদেশে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা এগিয়ে নেওয়া হয়েছিল। এ ধরনের একটা কাজ করা হবে এ রকম কানাঘুষা হচ্ছিল, আমার ধারণা ছিল এত বড় একটা ব্যাপার—সেটা নিয়ে আলাপ-আলোচনা হবে, দেশের জ্ঞানী-গুণী মানুষেরা বলবেন, এটা নেহায়েত এক ধরনের খামখেয়ালিপনা—সোজা কথায় পাগলামো। তখন আর এই সিদ্ধান্তটা নেওয়া হবে না। দেশ যখন রাজা-বাদশাহরা শাসন করতেন তখন তাঁরা এ রকম খামখেয়ালিপনা করতেন—কথা নেই বার্তা নেই তাঁরা পুরো রাজধানী এক শহর থেকে অন্য শহরে নিয়ে যেতেন। রাজা-বাদশাহদের সেই খামখেয়ালি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কেউ টুঁ শব্দটি করত না, কার ঘাড়ে দুটি মাথা আছে যে, এর প্রতিবাদ করে নিজের গর্দানটি হারাবে? আমি ভেবেছিলাম, এখন তো রাজা-বাদশাহদের আমল নয়—এখন গণতান্ত্রিক সরকার, এ রকম একটা সিদ্ধান্ত নিশ্চয়ই কিছু খামখেয়ালি মানুষ নিয়ে ফেলবে না।<br />কিন্তু অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি, আমি অবাক হয়ে দেখলাম, দেশের ইলেকট্রিসিটি বাঁচানোর কথা বলে হুট করে একদিন ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা এগিয়ে দেওয়া হলো! আমি দুর্বলভাবে পত্রিকায় একটা লেখা লিখেছিলাম—কিন্তু কার সময় আছে আমাদের মতো মানুষের লেখা পড়ার কিংবা সেই লেখা বিবেচনা করার? আজকে আবার লিখতে বসেছি, আগের বার যখন লিখেছিলাম তখন নিজের ভেতর যে অনুভূতিটা ছিল সেটা ছিল খানিকটা হতাশার। এখন যখন লিখছি তখন আমার ভেতরকার অনুভূতিটা রীতিমতো ক্রোধের অনুভূতি। আস্ত একটা দেশের মানুষকে প্রতারণা করা হলে যেটুকু ক্রোধান্বিত হওয়ার কথা আমি এই মুহূর্তে ঠিক সে রকম ক্রোধান্বিত। ‘ডে লাইট সেভিং’ এর কথা বলে ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে নেওয়া হয়েছিল। এখন বলা হচ্ছে, এটা বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সময় নির্ধারণের পদ্ধতির বাইরে ঠেলে দিয়ে পাকাপাকিভাবে এক ঘণ্টা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। এর চেয়ে বড় প্রতারণা আর কী হতে পারে?<br />যে সব দেশে ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে নেওয়া হয় এবং পিছিয়ে নেওয়া হয় আমি সে রকম একটি দেশে প্রায় ১৮ বছর ছিলাম। কাজেই এই ব্যাপারটি কী আমি সেটা খুব ভালো করে জানি। আমার ধারণা, কেন এই ধরনের বিচিত্র একটা কাজ করা হয় সে ব্যাপারে এ দেশের বেশির ভাগ মানুষের ধারণা ছিল না। কাজেই হুট করে যখন এটা করা হলো, তখন সবাই নিশ্চয়ই আকাশ থেকে পড়েছে। ইলেকট্রিসিটি বাঁচানোর একটা খোঁড়া যুক্তি দিয়ে ঘটনাটা ঘটানো হয়েছিল, তাই অনেক পত্র-পত্রিকাও এর পক্ষে সম্পাদকীয় লিখে ফেলেছিল, আমি আবিষ্কার করেছিলাম এর বিরুদ্ধে কথা বলার মানুষ বলতে গেলে কেউ ছিল না।<br />আমার ধারণা ছিল, ব্যাপারটা ঘটার পর দেশে এমন একটা গোলমাল লেগে যাবে যে, সরকার সঙ্গে সঙ্গে টের পাবে কাজটা খুব বড় ধরনের বোকামি হয়েছে। (আমার মাঝে মাঝে জানার ইচ্ছা করে, সরকারটা কে বা কী! এটা কী একটা বিমূর্ত ব্যাপার, যারা অদৃশ্য থেকে দেশের বড় বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে, কিন্তু কে ঘটনাটা ঘটিয়েছে সেটা কী কেউ জানতে পারবে না?) যাই হোক, আমি সবিস্ময়ে লক্ষ করলাম, দেশে কোনো বড় ধরনের গোলমাল হলো না, সবাই ব্যাপারটা বেশ সহজেই মেনে নিল। বলতে দ্বিধা নেই, আমি বেশ অবাক হয়েছিলাম।<br />দেশে কেন বড় ধরনের কোনো প্রতিক্রিয়া হলো না, সেটা বুঝেছি অনেক পরে। আমার পরিচিত একজন হঠাত্ খুব বড় ধরনের ঝামেলায় পড়েছে, রীতিমতো পুলিশের হস্তক্ষেপ করিয়ে তাকে ঝামেলামুক্ত করা হয়েছে। মানুষটি সবিস্তারে যখন আমার কাছে ঘটনাটি বর্ণনা করছে, তখন তাকে আমি মাঝপথে থামিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, ‘রাত তখন কয়টা?’<br />মানুষটি বলল, ‘আসল টাইম ১০টা। ডিজিটাল টাইম ১১টা।’<br />আমি তখন সবিস্ময়ে আবিষ্কার করলাম, এ দেশের অনেক মানুষ ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে নেওয়ার বিষয়টা গ্রহণ করেনি। তারা এখনো সেটাকে সরকারের এক ধরনের খামখেয়ালি কাণ্ড হিসেবে ধরে নিয়ে ‘আসল টাইমে’ তাদের জীবন চালিয়ে যাচ্ছে! শুধু তাই নয়, তারা সরকারের হুট করে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা এগিয়ে দেওয়ার ফলে তৈরি হওয়া এই নতুন সময়টার নাম দিয়েছে ‘ডিজিটাল টাইম’—যদিও ডিজিটাল প্রযুক্তি বলতে যা বোঝায় তার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।<br />এই সরকার নির্বাচনে জিতে দেশ চালানোর দায়িত্ব পেয়েছে দেশের কমবয়সী ভোটারদের ভোটে, তারা মেনিফেস্টোর দুটি বিষয়কে খুব আগ্রহের সঙ্গে গ্রহণ করেছিল, একটা হচ্ছে যুদ্ধাপরাধীর বিচার, দ্বিতীয়টি হচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশের অঙ্গীকার। ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ কথাটা খুব সুন্দর দুই শব্দে বুঝিয়ে দেওয়া যায় যে, আমরা আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর একটা দেশ গড়তে চাইছি। শব্দটি অত্যন্ত ইতিবাচক, শব্দটির মাঝে একটা স্বপ্ন লুকিয়ে আছে।<br />‘ডিজিটাল টাইম’ শব্দটিতে কোনো স্বপ্ন লুকিয়ে নেই, এটা একটা টিটকারি! এটা একটা রসিকতা। সরকারের চমত্কার একটা স্বপ্নকে টিটকারিতে পরিণত করার সুযোগ যাঁরা করে দিয়েছেন তাদের কী জিজ্ঞেস করা যায়, তাঁরা কার বুদ্ধিতে এটা করেছেন?</p><p>২.<br />সরকার যখন প্রথম ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল তখন আমরা সতর্ক করে দেওয়ার জন্য বলেছিলাম কাজটি বুদ্ধিমানের মতো হয়নি। কারণ যদি কখনো গ্রীষ্মকালে এক ঘণ্টা সময় এগিয়ে নেওয়া হয় তাহলে শীতকালে এটা আবার এক ঘণ্টা পিছিয়ে নিতে হয়। মার্কিন যুক্তিরাষ্ট্র বা ইউরোপের মতো দেশ সেটা করতে পারে, আমাদের মতো দেশের জন্য সেটা এত সহজ নয়, বছরে দুবার করে এই হাঙ্গামা করার মতো ক্ষমতা আমাদের দেশের নেই। কাজেই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ হবে এ রকম ঝামেলার মাঝে না যাওয়া। সরকার তার পরেও এই ঝামেলাটা নিজের ঘাড়ে তুলে নিল, আমরা এটা সহ্য করেছি এবং এতদিন নিঃশ্বাস বন্ধ করে সহ্য করে আছি যে, শীতকালে ঘড়ির কাঁটা আবার এক ঘণ্টা পিছিয়ে নেওয়ার সময় সরকার বুঝতে পারবে কাজটা বুদ্ধিমানের মতো হয়নি। তারপর ভবিষ্যতে আর এ ঝামেলায় পড়তে চাইবে না।<br />ঠিক যখন ঘড়ির কাঁটা আবার পিছিয়ে নেওয়ার সময় হলো, তখন হঠাত্ করে একদিন রাতের বেলা আমার টেলিফোন বাজতে থাকে, ফোন ধরতেই শুনতে পেলাম, বিবিসি থেকে একজন আমাকে জিজ্ঞেস করছেন, ‘আপনি কী জানেন সরকার ঠিক করেছে তারা ঘড়ির কাঁটা পিছিয়ে নেবে না?’ আমি আকাশ থেকে পড়লাম, নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারলাম না! ঘড়ির কাঁটা নাড়াচাড়া করার পেছনে তবু এক ধরনের যুক্তি আছে, কিন্তু ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা এগিয়ে নিয়ে আর কোনোদিন সেটা পিছিয়ে না আনাটা স্রেফ এক ধরনের পাগলামি, তুঘলক খান বা কালিগুলারা এগুলো করত—তাই বলে একটা গণতান্ত্রিক সরকার? তারা কী জানে যে, এ ব্যাপারটা হঠাত্ করে ঘোষণা করাতে এই শুক্রবারটিকে শনিবার বলে বিবেচনা করার মতো? কিংবা ২০০৯ সালের পর ২০১০ সাল না এসে ২০১১ সাল আসবে—এ রকম একটা ঘোষণা দেওয়ার মতো? বিবিসির প্রতিবেদক আমাকে বললেন, ‘আপনি কী জ্বালানি উপদেষ্টার বক্তব্যটা শুনতে চান?’<br />আমি শুনতে চাইলাম, তখন তাঁরা আমাকে সেটা শোনালেন। আমাদের জ্বালানি উপদেষ্টা বললেন, ঘড়ির কাঁটা পিছিয়ে না আনার কারণে যে সব সমস্যা হবে, সেই সমস্যার সমাধান করা হবে অফিস-আদালত বা স্কুলের সময়সূচি এক ঘণ্টা পিছিয়ে দিয়ে! রসিকতাটা কী কেউ ধরতে পেরেছেন? ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা এগিয়ে নেয়া হলো, সেই সমস্যাটা মেটানোর জন্য অফিস-আদালত, স্কুল-কলেজের সময়সূচিও এক ঘণ্টা পরিবর্তন করা হলো! যদি সময়সূচি পরিবর্তন করেই সমস্যায় সমাধান করতে হবে তাহলে সেই গ্রীষ্মকালে অফিস-আদালত, স্কুল-কলেজের সময়সূচি পরিবর্তন করে দেওয়া হলো না কেন? তাহলে তো ঘড়ির কাঁটা পরিবর্তন করতে হতো না। এটা হুবহু হবুচন্দ্র রাজার গল্পের মতো—পা দুটো ঢেকে ফেললেই পায়ে ধুলো-মাটি লাগে না! পাকে ধুলো-বালি থেকে রক্ষা করার জন্য সারা পৃথিবীকে চামড়া দিয়ে ঢাকতে হয় না। ঠিক সে রকম অফিস-আদালত, স্কুল-কলেজের সময়সূচিকে পরিবর্তন করলেই ইলেকট্রিসিটির খরচ কমানো যায়—সে জন্য সারা দেশের সব ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা এগিয়ে দিতে হয় না।<br />বিবিসির প্রতিবেদক এ ব্যাপারে আমার মন্তব্য জানতে চেয়েছিলেন, আমার যতদূর মনে পড়ে আমি অত্যন্ত ক্রুদ্ধ গলায় কিছু কথা বলেছিলাম, একাধিকবার ‘উন্মাদ’ শব্দটি ব্যবহার করেছিলাম। ধারণা করছি, বিবিসির মতো সম্ভ্রান্ত প্রতিষ্ঠান আমার ক্রুদ্ধ চিত্কারকে কাটছাঁট করে সেটাকে ভদ্র একটা রূপ দিয়ে প্রচার করেছিল।</p><p>৩.<br /><strong>এতক্ষণ ছিল ভূমিকা, এবার আসল কথায় আসি! পৃথিবীর বড় বড় মনীষী মিলে সারা পৃথিবীর মাঝে একটা সমন্বয় করেছেন, সেটাকে নানাভাবে ভাগ করেছেন। একটা ভাগের নাম দ্রাঘিমাংশ। পৃথিবীটা গোলাকার, গোলাকার বৃত্তের কেন্দ্রে মোট কোণের পরিমাণ ৩৬০ ডিগ্রি। ৩৬০ ডিগ্রি হচ্ছে চারটি সমকোণ, প্রত্যেকটি সমকোণ হচ্ছে ৯০ ডিগ্রি, কাজেই পৃথিবীর ওপর চারটি সমকোণের ওপর দিয়ে চারটি দ্রাঘিমারেখা চলে গেছে। ০ ডিগ্রির দ্রাঘিমারেখাটা গেছে গ্রিনিচের ওপর দিয়ে, (সে জন্য আমরা কথায় কথায় বলি গ্রিনিচের সময়!) এর পরের সমকোণটি হচ্ছে ৯০ ডিগ্রি, আমাদের দেশের অনেকেই হয়তো জানেন না, এই ৯০ ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখাটি ঠিক বাংলাদেশের ওপর দিয়ে চলে গেছে। (আমার একটা জিপিএস আছে আমি সেটা দিয়ে এই ৯০ ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখা খুঁজে বের করেছি—যতবার আমি সেটা অতিক্রম করি, আমি আনন্দের একটা শব্দ করি। মানিকগঞ্জের চৌরাস্তার মোড় থেকে উত্তর-দক্ষিণে যে রাস্তাটা গেছে সেটা প্রায় ৯০ ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখা দিয়ে গেছে!)<br />৯০ ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখার একটা খুব বড় গুরুত্ব আছে—সেটা হচ্ছে গ্রিনিচের সময় থেকে এর পার্থক্য হচ্ছে কাঁটায় কাঁটায় ছয় ঘণ্টা। ভারত, পাকিস্তান বা মিয়ানামার তাদের ঘড়ি একটু এদিক-সেদিক করতে পারে, তাতে পৃথিবীর সৌন্দর্যের কোনো ক্ষতিবৃদ্ধি হবে না। কিন্তু যে দেশের ওপর দিয়ে ৯০ ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখাটি গেছে সেই দেশ যদি তাদের সময়টি গ্রিনিচের সময় থেকে ঠিক ছয় ঘণ্টা পরে নির্ধারণ না করে তাহলে তারা যে কাজটি করবে সেটা আমার চোখে একটা অনেক বড় অপরাধ। পৃথিবীর বড় বড় মনীষী মিলে সারা পৃথিবীকে একটা নিয়মনীতির মাঝে এনেছেন, কয়েকজন খামখেয়ালি মানুষ মিলে আমাদের দেশকে সারা পৃথিবীর নিয়মনীতি থেকে সরিয়ে উদ্ভট একটা জায়গায় নিয়ে যাবেন, সেটা কোনোমতে মেনে নেয়া যায় না।<br />যাঁরা এ সিদ্ধান্তগুলো নেন, তাদের কাছে আমি হাত জোড় করে অনুরোধ করি, এ দেশের বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল বিভাগের বড় বড় প্রফেসরকে ডেকে একটিবার তাদের সঙ্গে কথা বলে নিন। তাদের জিজ্ঞেস করে দেখুন ৯০ ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখা যে দেশের ওপর দিয়ে গেছে গ্রিনিচ সময় থেকে সাত ঘণ্টা পরে সময় নির্ধারণ করার কোনো নৈতিক অধিকার সেই দেশের আছে কি না। আমরা স্কুলের বাচ্চাদের শেখাই ২৪ ঘণ্টা সময়টি কেমন করে সারা পৃথিবীতে ভাগ করে দেয়া হয়েছে, খুব জোর গলায় বলি, প্রতি ৯০ ডিগ্রি হচ্ছে ছয় ঘণ্টা সময়। আমাদের কিছু খামখেয়ালি মানুষের কারণে আমরা আমাদের স্কুলের বাচ্চাদের এই বিষয়টি আর বলতে পারছি না!</strong></p><p><strong>৪.</strong><br />আমি যে প্রফেসরের সঙ্গে পিএইচডি করেছি তিনি আমাকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ জিনিস শিখিয়েছিলেন। তার একটি হচ্ছে, ‘যদি কোনো কিছু কাজ করে তাহলে সেটা ঠিক করার চেষ্টা করো না!’ অনেকেই হয়তো জেনে থাকবেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়াটি এবার আমরা মোবাইল টেলিফোনের এসএমএস দিয়ে করে ফেলেছি। এটা করার জন্য যে ডেটাবেস তৈরি করা হয়েছিল, সেটা আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে যখন দেখতে পেলাম ঠিক ঠিক কাজ করছে তারপর আমরা একবারও সেটাতে হাত দিইনি! কেউ কেউ সেটাকে আরেকটু সংস্কার করার প্রস্তাব দিচ্ছিলেন, আমি সেটা করতে দিইনি—আমি আমার প্রফেসরের আপ্তবাক্য স্মরণ রেখেছি যেটা কাজ করছে সেটাকে ঠিক করার চেষ্টা করতে হয় না। আমার ধারণা, সে কারণে আমরা একটিবারও কোনো সমস্যায় পড়িনি।<br />আমার প্রফেসর আমাকে আরেকটা জিনিস শিখিয়েছিলেন, বলেছিলেন, ‘তুমি তোমার ঘোড়াকে নিয়ে কেরদানি করতে চাও কর—আমার কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু সেই কেরদানি করতে গিয়ে যদি তোমার ঘোড়া মারা যায় তাহলে খবরদার ঘোড়ার মৃতদেহ নিয়ে টানাহেঁচড়া করবে না—দ্রুত সেটাকে মাটিতে পুঁতে ফেলবে।’<br />ঘড়ির কাঁটা নিয়ে যারা কেরদানি করেছেন তাদের জানতে হবে ঘড়ির কাঁটা নামক এ ঘোড়াটা মারা গেছে। এর মৃতদেহটি নিয়ে টানাহেঁচড়া করে কোনো লাভ নেই—এখন এটাকে মাটিতে পুঁতে ফেলার সময় হয়েছে।<br />যদি সেটা না করা হয়, তাহলে সেটা পচে-গলে সেখান থেকে দুর্গন্ধ ছড়াবে, আর কোনো লাভ হবে না।<br /><em>মুহম্মদ জাফর ইকবাল: লেখক। অধ্যাপক শাহাজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।</em></p><p><a href="http://www.prothom-alo.com/detail/date/2009-11-09/news/18141">http://www.prothom-alo.com/detail/date/ &#133; news/18141</a></p>]]></content>
			<author>
				<name><![CDATA[Rabbi]]></name>
				<uri>http://forum.projanmo.com/user2588.html</uri>
			</author>
			<updated>2009-11-09T07:52:58Z</updated>
			<id>http://forum.projanmo.com/post142551.html#p142551</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[Re: বাংলাদেশের সময় এখন থেকে নাকি স্থায়ীভাবে সাত ঘণ্টা এগিয়ে থাকবে !]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://forum.projanmo.com/post140814.html#p140814"/>
			<content type="html"><![CDATA[<p><a href="http://www.prothom-alo.com/detail/date/2009-10-28/news/15511">http://www.prothom-alo.com/detail/date/ &#133; news/15511</a></p><p><strong>এখনও দিনের আলো সঞ্চয় !</strong><br />| তারিখ: ২৮-১০-২০০৯</p><p>শৈশবে প্রগতি প্রকাশনীর অনুবাদে রুশ রূপকথায় চাঁদের মেয়ে নিকেতিয়ার গল্প পড়ে খুব দুঃখ হয়েছিল। চাঁদের ধনী প্রতিবেশী সূর্য তার ছেলের বিয়ে দিতে চায় চাঁদের মেয়ের সঙ্গে। চাঁদ বলে, তার মেয়ে এত কোমল যে সূর্যের ছেলের তাপে সে পুড়েই যাবে। চাঁদ তার মেয়েকে পাঠিয়ে দেয় দূর মেরুদেশের এক দ্বীপে, যেখানে মেরুজ্যোতি নাইনাসের সঙ্গে নিকেতিয়ার বিয়ে হয়। স্বামীকে ঘরে আটকাতে নিকেতিয়া রাতের আকাশের মতো তারাখচিত এক বিশাল কাঁথা বুনে ঘরের জানালায় টাঙিয়ে দেয়, যেন সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গে নাইনাস ও তার সাত ভাই বাড়ি ছেড়ে বের না হয়। যে রাতে অমন কাঁথা বুনে টাঙিয়ে দিল নিকেতিয়া, সেদিন সকালে নাইনাসের ঘুম আর ভাঙে না। যখন ভাঙল তখন দুপুর। ব্যস, প্রাচীন অভিশাপ অনুযায়ী অমনি নাইনাস আর নিকেতিয়ার বিচ্ছেদ হলো। কারণ নাইনাসের জীবনের শর্তই হলো তাকে সকালে সূর্য ওঠার আগেই কাজে বের হতে হবে।<br />পাঠক ভাবতেই পারেন এই দীর্ঘ রূপকথা উদ্ধৃত করার কী এমন প্রয়োজন। প্রয়োজনটা বলি। সকাল সাতটায় ঘুম থেকে উঠে দেখি বাইরে ধু ধু কুয়াশা। আকাশটা যেন এখনো নিকেতিয়ার চাদরে ঢাকা। কাজেই, জ্বালতে হলো বৈদ্যুতিক আলো। মনে হচ্ছিল, সকাল ছয়টাও বাজেনি। গত কয়েক দিন ধরে প্রথম আলোর পাতাতেই অনেক লেখালেখি হয়েছে এ বিষয়ে। কিন্তু সরকার কান দিচ্ছেন না। কেন? এ দেশের মানুষ অনেক ত্যাগী। সদ্য পার হওয়া গ্রীষ্মে সরকার যখন ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা এগিয়ে দিল, মানুষ মেনে নিল সহজেই। কিন্তু সারা গ্রীষ্মকালে সরকার যতটুকু বিদ্যুত্ সঞ্চয় করেছে, এখন ঘড়ির কাঁটা পিছিয়ে না দিয়ে সেটুকু সঞ্চয় সবটাই অপচয়িত হবে না কি? আমি এ দেশের এক অলস ভোটার, যে গত দু-দুটো নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে যায়নি। কিন্তু <strong>আমারই যে বড় বোন, এবার ভোটকেন্দ্রে গিয়ে এ সরকারের পক্ষে ভোট দিয়েছে এবং সারাটা দিন আমাকে অনুনয় করেছে যে আমি যেন ভোটকেন্দ্রে যাই। তার মুখে দেখলাম সরকারের প্রতি কঠিন অভিমান ও বিরক্তি জমা হয়েছে। এই সাতসকালে উঠে পুরো পরিবারের জন্য রান্না করে তাকে অফিসে দৌড়াতে হবে। কুয়াশায় ঢাকার রাজপথে দীর্ঘ যানজট ও সড়ক দুর্ঘটনার সম্ভাব্যতাও অমূলক নয়। </strong><br />মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ, সচিববর্গ, আপনাদের সবাইকে দয়া করে শীতকালে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে দেওয়ার বিষয়টি একটু ভাবতে বলি।<br />............................................<br />অদিতি ফাল্গুনী, কথাসাহিত্যিক, ঢাকা।</p>]]></content>
			<author>
				<name><![CDATA[Rabbi]]></name>
				<uri>http://forum.projanmo.com/user2588.html</uri>
			</author>
			<updated>2009-10-28T03:25:40Z</updated>
			<id>http://forum.projanmo.com/post140814.html#p140814</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[Re: বাংলাদেশের সময় এখন থেকে নাকি স্থায়ীভাবে সাত ঘণ্টা এগিয়ে থাকবে !]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://forum.projanmo.com/post140811.html#p140811"/>
			<content type="html"><![CDATA[<p><a href="http://www.prothom-alo.com/detail/date/2009-10-28/news/15334">http://www.prothom-alo.com/detail/date/ &#133; news/15334</a></p><p><strong>ঘড়ির কাঁটায় অতিষ্ঠ মানুষ</strong><br />অরুণ কর্মকার | তারিখ: ২৮-১০-২০০৯</p><p>পুরান ঢাকার লক্ষ্মীবাজারের রাবিয়া আখতারের দুই সন্তান পড়ে ধানমন্ডির একটি ইংরেজি-মাধ্যম স্কুলে। স্কুলে পৌঁছানোর সময় সকাল আটটা। ‘আটটা মানে ডিজিটাল আটটা। সারা জীবন আমরা যে সময়ে অভ্যস্ত, সেই সময় অনুযায়ী সাতটা’, বললেন তিনি।<br />রাবিয়া ক্ষোভের সঙ্গে প্রথম আলোকে বলেন, ‘এখন প্রতিদিন ভোরের আলো না ফুটতেই ডিজিটাল ছয়টায় ঘুম থেকে উঠে নাশতা বানানো, স্কুলের টিফিন তৈরি, বাচ্চাদের তৈরি করা, তারপর নিজে তৈরি হয়ে সোয়া সাতটা নাগাদ বের হই। নভেম্বর-ডিসেম্বর বা জানুয়ারি মাসেও এই সময় অনুসরণ করতে হলে তো পুরো শীতকালটা আমাদের সেহির করতে হবে।’<br />ওই স্কুল প্রাঙ্গণে উপস্থিত অন্য মায়েরা একযোগে বললেন, ‘এখন যে সময়ে বের হই, শীতকালে তো সেই সময়ে সূর্যই ওঠে না। তারপর আবার বেলা তিনটা নাগাদ বাসায় ফেরার সময় যানজট খেয়ে ফেলে প্রায় এক ঘণ্টা। বর্তমান ডিজিটাল সময় যদি পরিবর্তন করা না হয়, তাহলে তো শীতের দিনে বাসায় ফিরতে ফিরতেই সন্ধ্যা হবে। এটা কী করে সম্ভব!’<br />অভিভাবক আয়শা রহমান বলেন, <strong><span style="color: red">‘সে ক্ষেত্রে আসুন আমরা প্রার্থনা করি, যেন সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের জন্য শীতের সূর্য সকাল সাতটার পরিবর্তে আটটায় ওঠে। আর বিকেল পাঁচটার পরিবর্তে অস্ত যায় সাতটায়।’</span></strong><br />সরকার আগামী ১ নভেম্বর থেকে স্কুলের যে সময়সূচি ইতিমধ্যে ঘোষণা করেছে, তাতে সকাল সাড়ে সাতটা থেকে সাড়ে আটটার মধ্যে স্কুল শুরু করতে হবে। কিন্তু শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাকদের কেউ-ই মনে করেন না যে শীতকালে নতুন সময়ে সকাল সাড়ে সাতটায় স্কুল শুরু করা সম্ভব। সাড়ে আটায়ও শুরু করা কঠিন। কারণ, এখনকার সাড়ে আটটা মানে প্রকৃত সময় সাড়ে সাতটা। শীতকালে এই সময়ে কেবল ভোর হবে। সে ক্ষেত্রে রাতের শেষ অর্ধেক স্কুলের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে।<br />ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাদিয়া শারমিনের মা একটি আধা সরকারি সংস্থায় চাকরি করেন। তাঁর অফিস সময় সকাল নয়টা। শারমিনের মা বলেন, ‘নতুন সময় নির্ধারণের পর আমার মতো চাকরিজীবী মায়েদের খুব সমস্যা হইতেছে। সাতটায় ঘুম থেকে উঠতেই হয়। তারপর ঘরের কাজকর্ম গুছিয়ে সোয়া আটটায় বের হই। ফিরতে সন্ধ্যা গড়িয়ে যায়।’<br />শারমিন বলেন, ‘শীতকালে সূর্য উঠবে মা অফিসে রওনা দেওয়ার সময়। আবার বাসায় ফিরতে সন্ধ্যা গড়িয়ে যাবে। মায়ের খুব কষ্ট হবে।’<br />সরকার মূলত বিদ্যুত্ সরবরাহে কিছুটা সুবিধা পাওয়ার জন্য গত ১৯ জুন থেকে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা এগিয়ে এনে সর্বোচ্চ চাহিদার সময়টা পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। প্রথমে বলা হয়েছিল, এতে প্রায় ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ সাশ্রয় হবে। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। কতটা সাশ্রয় হয়েছে, আদৌ হয়েছে কি না, তারও কোনো সুনির্দিষ্ট হিসাব নেই।<br />বিদ্যুত্ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি), ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি) এবং ঢাকা বিদ্যুত্ বিতরণ কোম্পানির (ডেসকো) কাছ থেকে যে মৌখিক হিসাব পাওয়া যায়, তাতে গভীর রাত ১২টা বা তারও কিছুটা পরে ১০০ মেগাওয়াটের মতো বাড়তি বিদ্যুত্ তারা বিতরণব্যবস্থায় দিতে পারে।<br />বিদ্যুত্ খাতের ওই প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা প্রথম আলোকে বলেন, এর ফলে নিশ্চয়ই কিছুটা সুবিধা পাওয়া গেছে। কিন্তু শীতকালেও এই ব্যবস্থা বহাল রেখে কতটা সুবিধা পাওয়া যাবে তা নিশ্চিত করে বলা যায় না। কারণ তখন বিদ্যুত্ চাহিদার ধরন বদলে যায়। সর্বোপরি এই সময়সূচি শীতকালে মানুষের যে পরিমাণ বিরক্তির উদ্রেক বা অসুবিধার সৃষ্টি করবে, সে তুলনায় এই সাশ্রয়ের মূল্য কতটুকু তা ভেবে দেখার অবকাশ আছে।<br /><strong>ঘড়ির কাঁটা আগানো-পেছানো নিয়ে সমাজের সব স্তরের মানুষের মধ্যে রয়েছে বিরক্তি। সচিবালয়ে কর্মরত কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, সরকারের আস্থাভাজন কিছু ব্যক্তি যাঁরা এটা বলবত্ রাখতে চান, তাঁদের তো নির্ধারিত সময়ে অফিসে আসতে হয় না। তা ছাড়া তাঁদের জন্য গাড়িসহ সব ব্যবস্থাই থাকে। তাই সাধারণের অসুবিধাটা তাঁরা বোঝেন না।<br />বিদ্যুত্ সাশ্রয় ছাড়া সরকার শীতকালেও বর্তমান সময় বহাল রাখতে চায় যানজট নিরসনে গৃহীত কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য। কিন্তু গত কয়েক দিনে যানজট পরিস্থিতির ইতিবাচক কোনো পরিবর্তন হয়নি। তা ছাড়া, সরকার সময় নির্ধারণ করলেই যে সবাই শত অসুবিধা সত্ত্বেও তা অনুসরণ করবে বা করছে—এমন ভাবারও কোনো কারণ নেই।</strong><br />ঢাকার কয়েকজন সিএনজি অটোরিকশা ও রিকশাচালকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সরকার ‘ডিজিটাল সময়’ চালু করার পর থেকে তাঁরা আগের মতো সকাল সাতটায় রাস্তায় বের হন না। বের হন সাড়ে সাতটা থেকে আটটায়। এ কারণে সকালে স্কুলগামী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের যানবাহন পেতে ভোগান্তির একশেষ হচ্ছে।<br />একটি বাস কোম্পানির ব্যবস্থাপক বলেন, ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে আনার পর থেকে সকাল সাতটায় আর তাঁরা দূরপাল্লার কোনো বাস ছাড়েন না। তিনি বলেন, ‘কারণ যাত্রী পাওয়া যায় না। তাই সাতটার সময় আটটা করা হয়েছে। এখন হয়তো এই সময় আরও পিছিয়ে দিতে হবে। এ ছাড়া কোনো উপায় নেই।’<br />যেসব ট্রেন ছাড়ার সময় সকাল ছয়টা, শীতকালে সেসব ট্রেনে মানুষ ভ্রমণ করবে কী করে? যদিও ট্রেন চলাচলের জন্য শীতকালীন সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু তা তো করা হয় আগে অনুসৃত সময় অনুযায়ী। রেল বিভাগের একজন কর্মচারী বলেন, ‘সময় নিয়ে এভাবে খেলা করলে প্রতিদিন অনেক যাত্রী ছিনতাই-রাহাজানির কবলে পড়বে।’</p>]]></content>
			<author>
				<name><![CDATA[Rabbi]]></name>
				<uri>http://forum.projanmo.com/user2588.html</uri>
			</author>
			<updated>2009-10-28T03:12:38Z</updated>
			<id>http://forum.projanmo.com/post140811.html#p140811</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[Re: বাংলাদেশের সময় এখন থেকে নাকি স্থায়ীভাবে সাত ঘণ্টা এগিয়ে থাকবে !]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://forum.projanmo.com/post140758.html#p140758"/>
			<content type="html"><![CDATA[<p>সরকার দরকারি কাজ পেলে সময় নিয়া বেশি বাড়াবারি করছে বলে মনে হয়.....। ভালো বাংলা এখোনো লিখতে পারছিনা আশা করি পারব....।দোয়া করিয়েন...।</p>]]></content>
			<author>
				<name><![CDATA[israfilazad]]></name>
				<uri>http://forum.projanmo.com/user3919.html</uri>
			</author>
			<updated>2009-10-27T17:27:10Z</updated>
			<id>http://forum.projanmo.com/post140758.html#p140758</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[Re: বাংলাদেশের সময় এখন থেকে নাকি স্থায়ীভাবে সাত ঘণ্টা এগিয়ে থাকবে !]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://forum.projanmo.com/post140684.html#p140684"/>
			<content type="html"><![CDATA[<div class="quotebox"><cite>পূরব লিখেছেন:</cite><blockquote><div class="quotebox"><cite>ভোরের পাখি লিখেছেন:</cite><blockquote><p>আমার মনে হয় ডিজিটাল বাংলাদেশ করতে সরকারের ঘুড়ির কাটা একেবারেই বন্ধ রাখা উচিৎ.....</p><p>যার যখন যে সময় প্রয়োজন হবে, তখন সে সেই সময় ব্যবহার করবে।</p></blockquote></div><p> <img src="http://forum.projanmo.com/extensions/pun_bbcode_ext/smilies/surprised.gif" alt="surprised" title="surprised" />&nbsp; <img src="http://forum.projanmo.com/extensions/pun_bbcode_ext/smilies/surprised.gif" alt="surprised" title="surprised" /> কন কি ভাই! ঘড়ির কাটা বন্ধ!&nbsp; <img src="http://forum.projanmo.com/extensions/pun_bbcode_ext/smilies/thinking.gif" alt="thinking" title="thinking" /></p></blockquote></div><p> <img src="http://forum.projanmo.com/extensions/pun_bbcode_ext/smilies/thinking.gif" alt="thinking" title="thinking" /> আসলেই তো! ডিজিটাল সরকারের আমলে যদি ঘড়ি কাঁটাই আগানো-পিছানো লাগে তাহলে তো ডিজিটাল সরকারের বেইজ্জতি। তখন সবাই কইব &quot;নামে তো সরকার ডিজিটাল কিন্তু কামে তো দেখি এনালগ&quot;।&nbsp; <img src="http://forum.projanmo.com/extensions/pun_bbcode_ext/smilies/tongue_smile.gif" alt="tongue_smile" title="tongue_smile" /></p>]]></content>
			<author>
				<name><![CDATA[সৈকত০০৭]]></name>
				<uri>http://forum.projanmo.com/user2776.html</uri>
			</author>
			<updated>2009-10-27T12:26:17Z</updated>
			<id>http://forum.projanmo.com/post140684.html#p140684</id>
		</entry>
</feed>
