<?xml version="1.0" encoding="utf-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
	<title type="html"><![CDATA[প্রজন্ম ফোরাম - বিজ্ঞান]]></title>
	<link rel="self" href="http://forum.projanmo.com/feed-atom-forum17.xml"/>
	<updated>2010-09-08T13:52:13Z</updated>
	<generator>PunBB</generator>
	<id>http://forum.projanmo.com/</id>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[জ্বালানি ছাড়াই বিদ্যুৎ উৎপাদন]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://forum.projanmo.com/topic5005new-posts.html"/>
			<summary type="html"><![CDATA[<p>মাঝে মাঝেই এরকম পেপার দেখতাম বাংলাদেশে থাকার সময়।<br />আজ এক্কেবারে সম্মেলন করে ঘোষণা। কারো কাছে কি বাড়তি তথ্য আছে (চট্টগ্রামের কেউ?)</p><p>আলমগীর</p><p>দৈনিক দিনকাল থেকে:</p><p>অবিশ্বাস্য হলেও সত্য। বিজ্ঞানী গিয়াসউদ্দিনের আবিষ্কার শুধু বাংলাদেশকেই আন্দোলিত করবে না। নাড়িয়ে দেবে সমগ্র বিশ্বকে। তিনি জানিয়েছেন, কোনো প্রকার জ্বালানি ছাড়াই জেনারেটরের মাধ্যমে অফুরন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। সারাদেশে জ্বালানিসহ বিদ্যুৎ সংকট যখন ক্রমশ প্রকট হয়ে উঠছে এমনি সময়ে তরুণ বিজ্ঞানী গিয়াস উদ্দিনের এই উদ্ভাবনী শক্তি সবার মাঝে অভাবিত আশার সঞ্চার করেছে। কোনো রকম তেল, গ্যাস, পানি, বায়ু ছাড়াই উদ্ভাবিত এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে শুধু ক্ষুদ্র আঙ্গিকেই নয়, বৃহৎ পরিসরেও বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব বলে দাবি করেছেন গিয়াস উদ্দিন। যন্ত্রপাতি তৈরীর ব্যয় ছাড়া আর কোনো ব্যয় হবে না উদ্ভাবিত এই নতুন পদ্ধতিতে। চট্টগ্রামে উদ্ভাবিত জ্বালানিবিহীন বিদ্যুৎ উৎপাদন যন্ত্রটি গতকাল দুপুরে চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স মিলনায়তনে সাংবাদিক, সরকারি কর্মকর্তা, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও বিদ্যুৎ প্রকৌশলীদের সামনে উপস্থাপন করলে উপস্থিত সকলে এ উদ্ভাবন আন্তর্জাতিক মহলে সমাদৃত হবে বলে উল্লেখ করে বলেন, এ প্রকল্প সত্যিকার অর্থে বাস্তবায়িত হলে এটি যুগান্তকারী ঘটনা হিসাবে সারাবিশ্বে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করবে। গতকাল চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স মিলনায়তনে গিয়াস উদ্দিন কচি তার উদ্ভাবিত নতুন এ প্রযুক্তির মাধ্যমে এক হাজার ওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে দেখান। তিনি ৮০০ ওয়াটের একটি ড্রিল মেশিন চালিয়ে এবং ৫০০ ওয়াটের কয়েকটি বাতি জ্বালিয়ে উপস্থিত সকলকে অবাক করে দেন। এ সময় কয়েকজন প্রকৌশলী ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে গিয়াস উদ্দিন কচি বলেন, আমি ইঞ্জিনিয়ার হলে এটি আবিষ্কার করতে পারতাম না। কারণ এটি প্রচলিত সূত্রের সম্পূর্ণ বিপরীত একটি কাজ। কালিগঞ্জের ছেলে গিয়াস উদ্দিনের বয়স এখন ৩৭ বছর। মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পড়ালেখার পর আর এগুইনি। পেশা হিসাবে বেছে নেন সাইন বোর্ড ও ব্যানার লিখার কাজ। কিন্তু ছোটকাল থেকে বিদ্যুতের যন্ত্রপাতি নিয়ে তার ভাবনা। গ্রামের বিয়ে বাড়িতে জেনারেটরের মাধ্যমে বিদ্যুৎ বাতি জ্বলতে দেখে তার ভাবনাকে আরো বাড়িয়ে দিতো। এরপর থেকে নানা রকম বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশ সংগ্রহ করে চেষ্টা চলতে থাকে নিজের মত একটি জেনারেটর তৈরির কাজ। বছর তিনেক আগে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থেকে জীবিকার তাগিদে চট্টগ্রাম আসেন গিয়াস উদ্দিন কচি। তখন পরিচয় হয় চট্টগ্রামের সাংবাদিক হাসান নাছিরের সঙ্গে। তখন থেকে তিনি তার সার্বিক সহযোগিতায় জ্বালানিবিহীন এই আবিষ্কারে হাত দেন। পর্যায়ক্রমে এ প্রযুক্তিটি পরীক্ষামূলক পর্যায়ে উন্নীত করতে যখন আরো টাকার প্রয়োজন তখনই তাকে আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতা করতে এগিয়ে আসেন চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সিনিয়র সহ-সভাপতি এম এ লতিফ। তার সার্বিক সহযোগিতায় মূলত গিয়াস তার প্রযুক্তি উদ্ভাবন করতে পেরেছেন বলে জানান। এদিকে গিয়াস তার অভিজ্ঞতা বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, প্রথমে যখন আমি এজন্য চট্টগ্রামের বালুছড়াস্থ বিসিএসআইআর গবেষণাগারে যাই তখন এখানকার কর্মকর্তারা আমাকে কোনো রকম উৎসাহ কিংবা সহযোগিতা না করে উল্টো আমাকে পাগল আখ্যায়িত করে বলেন, কি বানিয়েছো বোমা? যাও রাস্তায় গিয়ে ফোটাগা। অথচ গতকাল চেম্বার মিলনায়তনে যন্ত্রটি প্রদর্শনকালে সেই প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। গতকাল উপস্থিত ভারতের ওয়েস ইঞ্জিনের সার্ভিস ম্যানেজার সৌমেন চক্রবর্তী বলেছেন, চূড়ান্ত বিবেচনায় এটি সফল হলে তড়িত বিজ্ঞানের বিশ্বব্যাপী প্রচলিত সূত্রই পাল্টে দেবে গিয়াসের এই আবিষ্কার।</p>]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[শাহাদাত ০০৮]]></name>
				<uri>http://forum.projanmo.com/user836.html</uri>
			</author>
			<updated>2010-09-08T13:52:13Z</updated>
			<id>http://forum.projanmo.com/topic5005new-posts.html</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[সায়েন্স ফিকশান ও মুঃ জাফর ইকবাল]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://forum.projanmo.com/topic212new-posts.html"/>
			<summary type="html"><![CDATA[<p>একবার ভারতীয় রাইটার এর লেখা একটা সায়েন্স ফিকশান সমগ্র পড়েছিলাম, পড়ে যা বুঝলাম তা হল..... আমাদের মুহম্মদ জাফর ইকবাল অনেক উচু দর এর লেখক।<br />মু: জাফর ইকবাল এর সবগুলো সায়েন্স ফিকশান বই আমি পড়েছি, প্রত্যেকটাই অসাধারণ ।<br />তারমধ্যেও সবচাইতে বেশীজোস যেইটা লেগেছে তা হল...<br />&quot;টাইট্রন একটি গ্রহের নাম&quot;</p><p>মতামত এর অপেক্ষায় ........</p>]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[রণ_এথিক্যাল হ্যাকার]]></name>
				<uri>http://forum.projanmo.com/user226.html</uri>
			</author>
			<updated>2010-08-27T09:11:22Z</updated>
			<id>http://forum.projanmo.com/topic212new-posts.html</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[চমকপ্রদ আবিস্কার - অদৃশ্য মাউস]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://forum.projanmo.com/topic17946new-posts.html"/>
			<summary type="html"><![CDATA[<div class="quotebox"><blockquote><p>সম্প্রতি এমআইটির গবেষকরা এমনই একটি পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন যাতে মাউসের সব কাজই করা যাবে, কেবল মাউসটিই থেকে যাবে দৃষ্টির আড়ালে। জানা গেছে, অদৃশ্য এ কম্পিউটার মাউস ব্যবহারে কাজ করার সময় টেবিলের নির্দিষ্ট ফাঁকা স্থানটিতে কেবল মাউস ব্যবহারের মতো হাত নাড়ালেই কম্পিউটারে কাজ হবে। খবর উইয়ার্ড অনলাইনের।</p><p><span class="postimg"><img src="http://img293.imageshack.us/img293/9541/mouse.jpg" alt="http://img293.imageshack.us/img293/9541/mouse.jpg" /></span></p><p>সংবাদমাধ্যমটির বরাতে জানা গেছে, অদৃশ্য মাউসের এই প্রকল্পটির নাম ‘মাউসলেস’ আর এর উদ্ভাবক এমআইটি-এর মিডিয়া ল্যাবের গবেষক প্রণব মিস্ত্রি।</p><p>গবেষকরা জানিয়েছেন, অদৃশ্য এ মাউস ব্যবহারকারী হাত নাড়লেই মাউস ব্যবহারের ফল পাওয়া যাবে। জানা গেছে, ব্যবহারকারী যখন হাত নাড়বেন তখন সেটা অনুসরণ করবে লেজার রশ্মি এবং ইনফ্রারেড ক্যামেরা। লেজার রশ্মি এমনভাবে হাতকে অনুসরণ করবে যেন হাতে মাউস ধরা আছে।</p><p>সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, এ উদ্ভাবনের ফলে প্রচলিত মাউসের ব্যবহারে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে। আর এটি সস্তা হবার ফলে খরচও কমবে।</p><p>এদিকে ইনটেলের সিটিও জাস্টিন র‌্যাটনার জানিয়েছেন, ইনটেলও নতুন টাচস্ক্রিন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে। ফলে মাউস এবং কিবোর্ড দুটি ডিভাইস ব্যবহারেই এবারে পরিবর্তন আসন্ন বলেই মন্তব্য করেছে সংবাদমাধ্যমটি।</p><p>সূত্র : <a href="http://tech.bdnews24.com/details.php?shownewsid=1037">http://tech.bdnews24.com/details.php?shownewsid=1037</a></p></blockquote></div><p>এখন অপেক্ষায় আছি, কবে এই অদৃশ্য মাউস ব্যবহার করতে পারবো। খুব বেশী দিন মনে হয় অপেক্ষা করতে হবে না। আপনারা কি বলেন?</p>]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[cslraju]]></name>
				<uri>http://forum.projanmo.com/user5099.html</uri>
			</author>
			<updated>2010-08-24T02:55:42Z</updated>
			<id>http://forum.projanmo.com/topic17946new-posts.html</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[পৃথিবীর সবচেয়ে বিপজ্জনক ১০টি প্রানী]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://forum.projanmo.com/topic18388new-posts.html"/>
			<summary type="html"><![CDATA[<p>এই পৃথিবীতে সকল প্রানীরই কোন না কোন অবদান রয়েছে। এর মধ্যে কিছু ভালো আর কিছু খারাপ। মহান আল্লাহ এর সৃষ্টি এই সকল প্রানীর মধ্যে বিপজ্জনক প্রানীর সংখ্যাও কম নয়। পৃথিবীর সবচেয়ে বিপজ্জনক দশটি প্রানির মধ্যে সবার আগে আসা উচিত মানুষের নাম। কারন এর চেয়ে বিপজ্জনক আর কিছু পৃথিবীতে নেই। তবুও মানুষকে এই লিস্টে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি <img src="http://forum.projanmo.com/extensions/pun_bbcode_ext/smilies/smile.gif" alt="smile" title="smile" />&nbsp; এখানে প্রানীগুলোকে ক্রমানুসারে ভাগ করা হয়েছে কতটি দূর্ঘটনা বা মৃত্যু এর দ্বারা ঘটে থাকে তার উপর নির্ভর করে। তাই কিছু বিপজ্জনক প্রানী অন্য কম বিপজ্জনক প্রানী থেকে পিছিয়ে রয়েছে কারন এর দ্বারা ঘটা দূর্ঘটনার পরিমান কম। এবার দেখা যাক আলোচিত এই দশ জনের মধ্যে কারা আছে … </p><p><strong>১০। ভালুক</strong></p><p>ভালুক অনেক ক্ষেত্রে মানুষের বন্ধু হতে পারে। কিন্তু বন্য ভালুকগুলো? এগুলো&nbsp; এতটাই বিপজ্জনক যে এই লিস্টের ১০ম স্থান অধিকার করে নিয়েছে। </p><p><span class="postimg"><img src="http://farm5.static.flickr.com/4101/4852658969_038918a782_b.jpg" alt="http://farm5.static.flickr.com/4101/4852658969_038918a782_b.jpg" /></span></p><p>ভালুক দ্বারা বছরে যে পরিমান দূর্ঘটনা ঘটেঃ প্রায় ৫-১০টি </p><p><strong>৯। হাঙ্গর</strong></p><p>ছোট-বড় সবাই হাঙ্গর এর নাম শুনলে ভয় পায়। বিপজ্জনক কয়েকটি হাঙ্গর নিয়ে এর আগে একটি পোস্ট দিয়েছিলাম। চলচিত্রে হাঙ্গরকে যতটা ভয়ংকর ভাবে দেখানো হয় বাস্তবে ততটা না হলেও নিঃসন্দেহে এটি একটি নোংরা খুনী। </p><p><span class="postimg"><img src="http://farm5.static.flickr.com/4116/4852658967_5ec58271fc.jpg" alt="http://farm5.static.flickr.com/4116/4852658967_5ec58271fc.jpg" /></span></p><p>হাঙ্গর দ্বারা বছরে যে পরিমান দুর্ঘটনা ঘটেঃ প্রায় ১০০টি</p><p><strong>৮। জেলীফিস</strong></p><p>জেলীফিস দেখতে বেশ মজার হলেও কিছু কিছু জেলীফিস ভয়ংকর বিষাক্ত। এমন কিছু জেলীফিস রয়েছে যার সংস্পর্শে এলে একজন মানুষের মৃত্যু হতে ১০ সেকেন্ড এর বেশি লাগবে না।</p><p><span class="postimg"><img src="http://farm5.static.flickr.com/4097/4852658963_54843d9d95_b.jpg" alt="http://farm5.static.flickr.com/4097/4852658963_54843d9d95_b.jpg" /></span></p><p>জেলীফিস দ্বারা বছরে যে পরিমান দুর্ঘটনা ঘটেঃ প্রায় ১০০টি</p><p><strong>৭। জলহস্তী</strong></p><p>জলহস্তী সাধারনত আফ্রিকাতে বেশি দেখা যায়। নির্মম এই প্রানীটি জলে এবং স্থলে দুই জায়গাতেই বাস করে। এটির চোয়াল ৪ ফুট পর্যন্ত খুলতে পারে। এই চোয়ালের জোর এতো বেশি যে অনেক শক্ত বস্তুকে স্লেজহ্যামার এর মত গুড়িয়ে দিতে পারে। এগুলোর ওজন হয়ে থাকে প্রায় ১ থেকে ৩ টন।</p><p><span class="postimg"><img src="http://farm5.static.flickr.com/4142/4852658959_7a0f34e6f0.jpg" alt="http://farm5.static.flickr.com/4142/4852658959_7a0f34e6f0.jpg" /></span></p><p>জলহস্তী দ্বারা বছরে যে পরিমান দুর্ঘটনা ঘটেঃ প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ টি।</p><p><strong>৬। হাতি</strong></p><p>পোষা হাতিগুলোর বন্ধুসুলভ আচরন দেখে এমনটি ভাবার কারন নেই যে এরা তেমন ভংকর নয়। অনেক সময় পোষা হাতি এর পালককে মেরে ফেলে। বন্য হাতি সম্পর্কেতো আর বলার অপেক্ষা রাখে না। কোন রকম জানান দেয়া ছাড়াই আক্রমন করে বসতে পারে এটি। আর এর আকৃতিও এর স্বভাবের সাথে মানানসই।</p><p><span class="postimg"><img src="http://farm5.static.flickr.com/4079/4853274732_8577614ddd.jpg" alt="http://farm5.static.flickr.com/4079/4853274732_8577614ddd.jpg" /></span></p><p>হাতি দ্বারা বছরে যে পরিমান দুর্ঘটনা ঘটেঃ প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ টি।</p><p><strong>৫। কুমির</strong></p><p>আফ্রিকা এবং অস্ট্রেলিয়াতে বেশি দেখা যায় কুমির। এটি একটি যথেস্ট বিপজ্জনক প্রানী। দ্রুতগতি সম্পন্ন এই প্রানীটির রয়েছে হাড় গুঁড়িয়ে দেয়ার মত খুবই শক্তিশালী চোয়াল।</p><p><span class="postimg"><img src="http://farm5.static.flickr.com/4102/4853274740_6d7154993c.jpg" alt="http://farm5.static.flickr.com/4102/4853274740_6d7154993c.jpg" /></span></p><p>কুমির দ্বারা বছরে যে পরিমান দুর্ঘটনা ঘটেঃ প্রায় ৭০০ থেকে ৮০০ টি</p><p><strong>৪। বড় বিড়াল</strong></p><p>বড় বিড়াল বলতে বাঘ, সিংহ, জাগুয়ার এগুলোকে বোঝায়। এগুলো সম্পর্কে আপনারা প্রায় সবাই কম-বেশি জানেন। অত্যন্ত দ্রুতগতি সম্পন্ন এই প্রানীগুলোর সাথে দৌড়ানোর ঝুঁকি নেয়া নিশ্চয় কারো উচিত হবে না। যদি কখনো এমন অবস্থায় পড়েন, তাহলে ভুলেও দৌড় দেয়ার কথা চিন্তা করবেন না বরং উল্টো এর চোখের দিকে তাকিয়ে থাকুন আর ভাব দেখান এটিকে আপনি পরোয়াই করেন না (তবে আমি নিশ্চিত এরকম পরিস্থিতিতে পড়লে আমি নিজেও ঝেড়ে দৌড় মারবো <img src="http://forum.projanmo.com/extensions/pun_bbcode_ext/smilies/smile.gif" alt="smile" title="smile" /> )</p><p><span class="postimg"><img src="http://farm5.static.flickr.com/4093/4853274742_56b8b0b65a_b.jpg" alt="http://farm5.static.flickr.com/4093/4853274742_56b8b0b65a_b.jpg" /></span></p><p>বড় বিড়াল দ্বারা বছরে যে পরিমান দুর্ঘটনা ঘটেঃ প্রায় ৮০০ এর বেশি</p><p><strong>৩। কাঁকড়া বিছা</strong></p><p>আকৃতিতে ছোট হলেও বিছা খুবই বিষাক্ত। এটি মোটামুটি আক্রমনাত্নক এবং কোন কারন ছাড়াই আক্রমন করতে পারে। এর দ্বারা ঘটা দূর্ঘটানার পরিমান কম রেকর্ড হয়। কারন এই দূর্ঘটনাগুলো সাধারনত ঘটে থাকে একটু দুর্গম অঞ্চলে।</p><p><span class="postimg"><img src="http://farm5.static.flickr.com/4101/4853274744_7b5b0748d2.jpg" alt="http://farm5.static.flickr.com/4101/4853274744_7b5b0748d2.jpg" /></span></p><p>কাকড়া বিছা দ্বারা বছরে যে পরিমান দুর্ঘটনা ঘটেঃ প্রায় ৮০০ থেকে ২,০০০</p><p><strong>২। বিষাক্ত সাপ</strong></p><p>৪৫০ এর বেশি প্রজাতির সাপ বিষ বহন করে এবং এর মধ্যে ২৫০ প্রজাতির সাপের কামড়ে মানুষের মৃত্যু হতে পারে। সাপের বিষ মানুষের জন্য খুবই বিপজ্জনক কারন রক্ত প্রবাহের মাধ্যমে এটি সারা দেহে ছড়িয়ে যায়। সাপ দ্বারা সংঘটিত বেশির ভাগ দূর্ঘটনা ঘটে থাকে এশিয়া, আফ্রিকা এবং দক্ষিন আমেরিকায়।</p><p><span class="postimg"><img src="http://farm5.static.flickr.com/4081/4853274746_a66bd45eb4.jpg" alt="http://farm5.static.flickr.com/4081/4853274746_a66bd45eb4.jpg" /></span></p><p>বিষাক্ত সাপ দ্বারা বছরে যে পরিমান দুর্ঘটনা ঘটেঃ প্রায় ১০০ থেকে ১,২০,০০০</p><p>এবং ….. যার জন্য সবাই এতক্ষন অপেক্ষা করছেন। মানুষের পরেই পৃথিবীর ১ নাম্বার খুনি …</p><p><strong>১। মশা</strong></p><p>আশা করি মশা প্রথম স্থান অধিকার করায় আমার সাথে আপনারা কেউ দ্বিমত করবেন না। মহামারী আকারে রোগ ছড়িয়ে দিয়ে মানুষের মৃত্যু ঘটাতে এর জুড়ি মেলা ভার। আগের তুলনায় কম হলেও এখনো পুরো বিশ্ব জুড়ে ভয়ানক কিছু রোগ ছড়ানো এবং মানুষের মৃত্যুর জন্য দ্বায়ী মশা।</p><p><span class="postimg"><img src="http://farm5.static.flickr.com/4140/4853274748_512ab2b758_b.jpg" alt="http://farm5.static.flickr.com/4140/4853274748_512ab2b758_b.jpg" /></span></p><p>মশা দ্বারা বছরে যে পরিমান মানুষের মৃত্যু ঘটেঃ প্রায় ২০ থেকে ৩০ লাখ!! </p><p>পূর্ব প্রকাশিতঃ <a href="http://www.BigganProjukti.com">www.BigganProjukti.com</a> বিজ্ঞান প্রযুক্তি ডট কম</p>]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[Ripon Majumder]]></name>
				<uri>http://forum.projanmo.com/user5885.html</uri>
			</author>
			<updated>2010-08-20T15:49:34Z</updated>
			<id>http://forum.projanmo.com/topic18388new-posts.html</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[মহাকাশে বিশাল নক্ষত্রের সন্ধান, যেটি সূর্যের চেয়ে কোটি গুন উজ্জ্বল]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://forum.projanmo.com/topic18386new-posts.html"/>
			<summary type="html"><![CDATA[<p><strong>সম্প্রতি জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা মহাকাশে এক বিশাল নক্ষত্রের সন্ধান পেয়েছেন, যেটি সূর্যের চেয়ে এক কোটি গুণ উজ্জ্বল, ভরও ২৬৫ গুণ বেশি৷</strong><br /><span class="postimg"><img src="http://a.imageshack.us/img689/7143/05825684100.jpg" alt="http://a.imageshack.us/img689/7143/05825684100.jpg" /></span></p><br /><div class="quotebox"><blockquote><p>ব্রিটেনের শেফিল্ড ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক পল ক্রাউথারের নেতৃত্বে ইউরোপীয়ান সাদার্ন অবজারভেটরি সংস্থার একদল বিজ্ঞানী সন্ধান পান এই অতিকায় নক্ষত্রের৷ এর আগেও চিলির আটাকামা মরুভূমিতে স্থাপিত অতি বিশাল টেলিস্কোপ দিয়ে মহাকাশের বেশ কিছু অচেনা বস্তুর সন্ধান পেয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা৷ এবারের অতিকায় নক্ষত্রের অস্তিত্ব সম্পর্কেও জানতে পারলেন তাঁরা এই মহাকাশ অনুসন্ধান কেন্দ্রটি থেকে৷ অধ্যাপক পল ক্রাউথার-এর দেয়া তথ্য অনুযায়ী সূর্যের চেয়ে এই নক্ষত্র ৭ গুণ গরম, এর আলোকরশ্মি সূর্যরশ্মির চেয়ে ১ কোটি গুণ উজ্জ্বল এবং ওজনও সূর্যের চেয়ে ২৬৫ গুণ বেশি৷</p><p>সূর্য ও নক্ষত্র সম্পর্কে বিজ্ঞানীদের এতদিনকার ধারণা এখন প্রশ্নের সম্মুখীন করে তুলেছে সদ্য আবিষ্কৃত নক্ষত্রটি, আপাতত যার নাম রাখা হয়েছে R136a1৷ মহাকাশ বিজ্ঞানীরা আগে হিসাব নিকাশ করে দেখেছিলেন, একটি নক্ষত্রের ভর সূর্যের চেয়ে খুব বেশি হলে ১৫০ গুণ হতে পারে৷ নক্ষত্রের ভর এর চেয়ে বেশি হলে তা সুপার নোভায় পরিণত হয়৷ সুপার নোভা অবস্থায় নক্ষত্ররা তীব্র আলো বিকিরণ করতে করতে এক সময় ক্ষয়ে যায়৷ অবশেষে পরিণত হয় ব্ল্যাক হোলে৷ অনুসন্ধানে অংশ নেয়া শেফিল্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক জ্যোতির্বিজ্ঞানী রিচার্ড পার্কার এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘‘এতদিন পর্যন্ত আমাদের বিশ্বাস ছিল, নক্ষত্রের ওজন খুব বেশি হলে সূর্যের ওজনের চেয়ে ১৫০ গুণ হতে পারে এবং সূর্যকে অবশ্যই খুব ছোট নক্ষত্র বলা যায় না৷ আমাদের আবিষ্কারের মাধ্যমে এই সংখ্যাটা এখন দ্বিগুণ হল, যার ফলে বহু নতুন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে৷&#039;&#039;</p><p>নতুন নক্ষত্র নিয়ে মহাকাশ বিজ্ঞানী মহলে জল্পনা কল্পনার সৃষ্টি হয়েছে এখন৷ অনেকে মনে করছেন, হয়তো পাশাপাশি অবস্থানরত দুই নক্ষত্রকে এত দূর থেকে একটি বলে ধারণা করা হয়েছে৷</p><p>সৌভাগ্যবশত দানব নক্ষত্রটি আমাদের প্রতিবেশী গ্যালাক্সিতে অবস্থিত এবং পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব প্রায় ১ লাখ ৬৫ হাজার আলোকবর্ষ৷ মহাবিশ্বের অনেক নক্ষত্রের সঙ্গে তুলনা করলে আমাদের সূর্যকে মনে হবে নিতান্তই মধ্যম আকারের এক নক্ষত্র৷ বিজ্ঞানী পল বলেন, এই অতিদানব নক্ষত্রকে যদি আমাদের সৌরজগতে রাখা হয়, তাহলে তার ঔজ্জ্বল্যের কাছে সূর্যকে চাঁদের মতই নিস্তেজ মনে হবে৷</p><p>অধ্যাপক পল ও তাঁর সহকর্মীরা খুঁটিনাটি পর্যবেক্ষণ করে জানান যে, এই নক্ষত্রের ভেতরে এক ধরনের ঝোড়ো অবস্থা চলছে৷ যার ফলে এটিকে সূর্যের মত গোলাকার দেখায় না৷ এই বিজ্ঞানীর মতে, এই নক্ষত্রের কক্ষপথে কোনো গ্রহের অস্তিত্ব থাকার সম্ভাবনা খুব কম৷ কেননা এই ধরনের বিশাল নক্ষত্র অন্য বড় নক্ষত্রের খুব কাছাকাছি অবস্থান করে, ফলে এর কক্ষ পথে কোনো গ্রহ থাকলেও সেখানে অন্য নক্ষত্রের আলোর কারণে রাত হতে পারত না৷</p><p>R 136a1 ছাড়াও আরো কয়েকটি বিশাল নক্ষত্র পর্যবেক্ষণ করেছেন জ্যেতির্বিজ্ঞানীরা, যেগুলির ভরও সূর্যের চেয়ে ১৫০ গুণ বেশি৷ বিশেষজ্ঞদের ধারণা, সৃষ্টির সময় অতিকায় নক্ষত্রগুলি আরো বড় ছিল৷ ক্রমাগত তেজরশ্মি বিকিরণ করতে করতে অনেকটাই ওজন হারিয়েছে তারা৷ বিজ্ঞানী ক্রাউথার ঠাট্টাচ্ছলে বলেন, মানুষের সঙ্গে তুলনা করলে বলা যায় এই ধরনের নক্ষত্র স্থূলাকার নিয়েই জন্ম গ্রহণ করে৷ বড় হওয়ার চেয়ে তারা ছোট হতে থাকে৷ R136a1 নক্ষত্রটি এক মিলিয়ন বছরে ভর হারিয়েছে প্রায় ৫০৷ ধারণা করা হয় জন্মের সময় এর ওজন ছিল ৩২০-এর মত৷</p><p>জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা মনে করেন, অতিকায় নক্ষত্রগুলি ৩০ লক্ষ বছর বেঁচে থাকতে পারে৷ অন্যদিকে সূর্যের মত ছোট নক্ষত্রগুলি আরো দীর্ঘদিন টিকে থাকে৷ বিশাল নক্ষত্রের তুলনায় ১০০০ গুণের বেশি আয়ু তাদের৷ আমাদের সূর্য ৪,৫ বিলিয়ন বছর ধরে আলো বিকিরণ করে যাচ্ছে৷ জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের ধারণা, আরো ৫ বিলিয়ন বছর টিকে থাকবে এই নক্ষত্র৷ পরে অন্যান্য ছোট নক্ষত্রের মতই ফুলে ফেঁপে উঠে বিস্ফোরিত হবে৷ ধ্বংস হবে সৌরজগতের সব গ্রহ উপগ্রহ৷ অবশিষ্ট থাকবে ক্ষুদ্র এক নক্ষত্র, যাকে ‘হোয়াইট ডোয়ার্ফ&#039; বা শ্বেত বামন বলা হয়৷</p><p>সূত্র : <a href="http://www.dw-world.de/dw/article/0,,5857395,00.html?maca=ben-rss-ben-all-3197-rdf">http://www.dw-world.de/dw/article/0,,58 &#133; l-3197-rdf</a></p></blockquote></div><p>সূর্যের চেয়ে ভারী ও কোটি গুন বেশী উজ্জ্বলতা সম্পন্ন নক্ষত্র আবিস্কার চমকপ্রদই বটে। আপনারা কি বলেন?</p>]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[অনামিকা আক্তার]]></name>
				<uri>http://forum.projanmo.com/user5099.html</uri>
			</author>
			<updated>2010-08-20T11:15:05Z</updated>
			<id>http://forum.projanmo.com/topic18386new-posts.html</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[চীন বানাচ্ছে দানব আকৃতির বাস!]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://forum.projanmo.com/topic18482new-posts.html"/>
			<summary type="html"><![CDATA[<div class="quotebox"><blockquote><p><strong>চীন সম্প্রতি দানবাকৃতির এক বাস তৈরির পরিকল্পনা করেছে। জানা গেছে, এই বাসের তলা দিয়ে নাকি গাড়িও চলাচল করতে পারবে। ‘থ্রিডি এক্সপ্রেস কোচ’ নামের এই বাস তৈরি ফলে কার্বন নিঃসরণ কমবে এবং জ্যাম কমাতে রাস্তা বড় করার ঝামেলাটিও পোহাতে হবে না বলেই জানা গেছে।</strong> খবর ইয়াহু অনলাইনের।</p><p><span class="postimg"><img src="http://a.imageshack.us/img41/1216/chinabus0508a.jpg" alt="http://a.imageshack.us/img41/1216/chinabus0508a.jpg" /></span></p><p><span class="postimg"><img src="http://a.imageshack.us/img837/5071/chinabus0508b.jpg" alt="http://a.imageshack.us/img837/5071/chinabus0508b.jpg" /></span></p><p>সংবাদমাধ্যমটির বরাতে জানা গেছে, ‘থ্রিডি এক্সপ্রেস কোচ’ নামের এই বাস ‘থ্রি-ডাইমেনশনাল ফাস্ট বাস’ নামেও পরিচিত।</p><p>জানা গেছে, ২ মিটারের কম উচ্চতার যে কোনো গাড়িই এই বাসের তলা দিয়ে অতিক্রম করতে পারবে।</p><p><strong>৬ মিটার প্রশস্ত&nbsp; ‘থ্রিডি এক্সপ্রেস কোচ’ বিদ্যুৎ ও সৌরশক্তির সমন্বয়ে চলতে সক্ষম। এই বাসের গতি ঘন্টা প্রতি ৬০ কিলোমিটার বলেই জানা গেছে।</strong></p><p>সংবাদমাধ্যমটির বরাতে জানা গেছে, <strong>বাসে একসঙ্গে ১২০০ থেকে ১৪০০ যাত্রী যাতায়াত করতে পারবে।</strong> অবশ্য, <strong>এই বাস চলার জন্য আলাদা ট্র্যাক বসাতে হবে। আর তাই চীন ট্র্যাক বসানোর কাজও শুরু করেছে বলে জানা গেছে। প্রথমে চীনের মন্তুগু জেলায় ১১৫ মাইল ট্র্যাক বসানো কাজ চলছে।</strong></p><p>দানবাকৃতির এই বাস তৈরি করছে সেনজেন হুয়াশি ফিউচার পাকিং ইকুপমেন্ট কোম্পানি।</p><p>সংবাদমাধ্যমটি আরো জানিয়েছে, নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান দাবি করেছেন যে, কেবল ১ বছর সময় আর ৫০ কোটি ইউয়ান খরচেই চীনের ভবিষ্যত যোগাযোগ ব্যবস্থাটি তৈরি হয়ে যাবে।</p><p>সূত্র : <a href="http://tech.bdnews24.com/details.php?shownewsid=1142">http://tech.bdnews24.com/details.php?shownewsid=1142</a></p></blockquote></div><p>দানব আকৃতির এই বাসের খবর শুনেই আমার মাথা কেন জানি চক্কর দিচ্ছে। একই সাথে ভবিষ্যতে দেখার কৌতুহল বোধ করছি। গ্রাফিক্স/ছবি দেখেই আন্দাজ করতে পারছি এই বাস কতোটা চমকপ্রদ হবে। চীনের এই দানব আকৃতির বাস যোগাযোগ ব্যাবস্হায় নি:সন্দেহে বিশেষ অবদান রাখবে আশাকরি। আপনারা কি বলেন?</p>]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[মহিউদ্দিন]]></name>
				<uri>http://forum.projanmo.com/user5099.html</uri>
			</author>
			<updated>2010-08-20T09:13:20Z</updated>
			<id>http://forum.projanmo.com/topic18482new-posts.html</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[মহাবিশ্বের মাহাদানব ব্ল্যাকহোল]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://forum.projanmo.com/topic18661new-posts.html"/>
			<summary type="html"><![CDATA[<p>ব্ল্যাকহোল, মহাকাশে আমার সবচেয়ে আকর্শনীয় বিষয় গুলোর একটি। সেদিন নেটে পেয়েগেলাম মহাবিশ্বের সবচাইতে বড় ব্ল্যাকহোল সম্পর্কে সুন্দর একটি ভিডিও যেটা আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম। ১৮ মিনিটের ভিডিওটি মন দিয়ে দেখলে মজার মজার সব বিষয় জানতে পরবেন।<br />দেখতে এখানে দেখুন: <a href="http://www.skytouch2u.com/index.php?option=com_hwdvideoshare&amp;task=viewvideo&amp;Itemid=83&amp;video_id=22">http://www.skytouch2u.com/index.php?opt &#133; ideo_id=22</a></p>]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[টেট্রাহোস্ট]]></name>
				<uri>http://forum.projanmo.com/user2102.html</uri>
			</author>
			<updated>2010-08-20T08:52:53Z</updated>
			<id>http://forum.projanmo.com/topic18661new-posts.html</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[পৃথিবী না ছাড়লে মানবজাতি বিলুপ্ত হয়ে যাবে: হকিং।]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://forum.projanmo.com/topic18585new-posts.html"/>
			<summary type="html"><![CDATA[<div class="quotebox"><blockquote><p>ব্রিটিশ পদার্থবিদ স্টিফেন হকিং সতর্ক করে বলেছেন, মানুষ পৃথিবীর সম্পদ শেষ করে ফেলছে। তাই দীর্ঘ মেয়াদে মানবজাতির অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে হলে মহাকাশের বিভিন্ন স্থানে উপনিবেশ স্থাপন করতে হবে। স্টিফেন হকিং গত সোমবার বিগ থিংক নামের একটি ওয়েবসাইট ফোরামে এ কথা বলেছেন। বিভিন্ন বিষয়ে বিজ্ঞানীদের ধারণা ও মতামত প্রচার করে এই ওয়েবসাইট।<br />হকিং বলেন, ‘একটি ঝুড়িতে বা গ্রহে নিজেদের সব ডিম জমা রাখা উচিত নয়। মানবজাতির অস্তিত্ব দীর্ঘ মেয়াদে টিকিয়ে রাখতে আমাদের একমাত্র সুযোগ হচ্ছে, শুধু পৃথিবীর ওপর নির্ভরশীল না থেকে মহাকাশে উপনিবেশ গড়ে তোলা।’<br />বিশ্বের অন্যতম প্রতিভাবান এই বিজ্ঞানী সতর্ক করেন, মানবজাতি ভবিষ্যতে এমন সব হুমকির মোকাবিলা করবে যা তার অস্তিত্বকে বিপন্ন করে তুলবে। যেমনটি ঘটেছিল ১৯৬২ সালে ‘কিউবা ক্ষেপণাস্ত্র সংকটের’ সময়। ওই সময় তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন কিউবায় ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা স্থাপন করায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরমাণু যুদ্ধ বেঁধে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। এতে পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাওয়ারও শঙ্কা সৃষ্টি হয়েছিল অনেকের মনে।<br />স্টিফেন হকিং আরও বলেন, ‘আমরা ক্রমান্বয়ে ইতিহাসের আরও বিপৎসংকুল সময়ে প্রবেশ করছি। আমাদের জনসংখ্যার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে পৃথিবীর সীমিত সম্পদের ব্যবহার। পাশাপাশি পরিবেশ পরির্বতন মোকাবিলায় আমাদের প্রযুক্তিগত সামর্থ্যও ভালো ও মন্দের বিবেচনায় একইভাবে বেড়ে চলেছে। তাই আগামী শতাব্দীর পরও আমাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে হলে ঠিকানা বানাতে হবে মহাকাশে। এ কারণেই মনুষ্যবাহী মহাকাশ অভিযান পরিচালনার পক্ষে আমার অবস্থান।’</p></blockquote></div><p>সুত্র:-<a href="http://www.prothom-alo.com/detail/date/2010-08-11/news/85532"><span style="color: red">প্রথম আলো</span></a><br />কি মজা কি মজা,আমি চাঁদে বাড়ি বানামু।&nbsp; <img src="http://forum.projanmo.com/extensions/pun_bbcode_ext/smilies/big_smile.gif" alt="big_smile" title="big_smile" />&nbsp; &nbsp;<img src="http://forum.projanmo.com/extensions/pun_bbcode_ext/smilies/big_smile.gif" alt="big_smile" title="big_smile" />&nbsp; &nbsp;<img src="http://forum.projanmo.com/extensions/pun_bbcode_ext/smilies/big_smile.gif" alt="big_smile" title="big_smile" /></p>]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[আশিফ শাহো]]></name>
				<uri>http://forum.projanmo.com/user4816.html</uri>
			</author>
			<updated>2010-08-20T08:50:17Z</updated>
			<id>http://forum.projanmo.com/topic18585new-posts.html</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[গানিতিক মজা]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://forum.projanmo.com/topic18458new-posts.html"/>
			<summary type="html"><![CDATA[<p>আপনারা গনিতকে অনেকেই ভয় পান।তবে গনিত অনেকের কাছে ভয়ের হলেও একে নয়ে মজাও করা যায়<br />এই ফাকে আপনাদের একটা মজার পদ্ধতি জানাই যার সাহায্যে যে কারো ভা-বোনের সংখ্যা বলে দিতে পারবেন<br />প্রথমে ভাইয়ের সংখ্যা কে ১ এর সাথে যোগ করুন এবার যোগফলকে ২ দিয়ে গুন করুন গুনফলকে কে ৩ এর সাথে যোগ করুন আবার যোগফলকে কে ৫ দিয়ে গুন করে এবার বোনের সংখ্যা যোগ করুন তাহলে যা পাচ্ছি এবার তা থেকে ২৫ বিয়োগ দিলে পাই ফলাফল।<br />ফলাফলের একক ঘরের সংখ্যা বোন আর দশক ঘরের সংখ্যা ভাই।</p>]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[রণ_এথিক্যাল হ্যাকার]]></name>
				<uri>http://forum.projanmo.com/user5845.html</uri>
			</author>
			<updated>2010-08-06T07:19:44Z</updated>
			<id>http://forum.projanmo.com/topic18458new-posts.html</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[আবিস্কারে নতুন চমক -শীঘ্রই আসিতেছে উড়ুক্কু গাড়ী]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://forum.projanmo.com/topic18425new-posts.html"/>
			<summary type="html"><![CDATA[<div class="quotebox"><blockquote><p>সম্প্রতি এক মার্কিন প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠান উড়ুক্কু এক গাড়ি উদ্ভাবন করেছে। <strong>ম্যাভরিক</strong> নামের এই গাড়িটি মরুভূমিতে চলার উপযোগী এবং এতে প্যারাসুটের শক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। এই গাড়ি দেখতে প্যারাজেট স্কাই কারের মতো। খবর গিজম্যাগ-এর।</p><p><span class="postimg"><img src="http://a.imageshack.us/img69/7272/maverick0308b.jpg" alt="http://a.imageshack.us/img69/7272/maverick0308b.jpg" /></span></p><p>সংবাদমাধ্যমটির বরাতে জানা গেছে, আই-টেক (ইনডিজেনাস পিপলস টেকনোলজি অ্যান্ড এডুকেশন সেন্টার) নামে ফ্লোরিডাভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের তৈরি এই উড়ুক্কু গাড়িটি বিনোদনের পাশাপাশি দরকারী কাজেও ব্যবহার করা যাবে। জানা গেছে, আফ্রিকার অনুন্নত অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছাতে এই গাড়ি ব্যবহার করা যাবে।</p><p>উড়া বাদ দিয়ে স্রেফ গাড়ি হিসেবে ব্যবহার করলেও এর পারফরমেন্স বেশ সন্তোষজনক।&nbsp; ১৪০ হর্সপাওয়ার ক্ষমতার এই গাড়ির সব্বোর্চ গতি প্রতি ঘন্টায় ৯০ মাইল। আর&nbsp; গাড়িটির পাখাসহ ওজন ১ হাজার পাউন্ডেরও কম।</p><p>জানা গেছে, ম্যাভরিকের উড়ার সময় কেন্দ্রে থাকা টেলিস্কোপিক পালটি ওপরে উঠে যায় এবং প্যারাসুটের মতো কাজ শুরু করে। এই পদ্ধতিটি র‌্যাম-এয়ার রিং নামে পরিচিত। ওড়ার প্রয়োজনে সুইচে চাপ দিলেই ইঞ্জিনের শক্তি চাকার বদলে গিয়ে পড়ে গাড়ির পিছন দিকে থাকা ৫ টি ব্লেড প্রপেলারে। আর এই প্রপেলারের শক্তিতেই উড়তে পারে মেভরিক। এ সময় গতি থাকে ঘন্টায় ৪০ মাইল।</p><p>সংবাদমাধ্যমটির বরাতে জানা গেছে, ম্যাভরিক অবশ্য খুব বেশি ওপরে উড়তে পারে না। এর ওড়ার ক্ষমতা মোটে ৩০০ ফুট পর্যন্ত। উড়ার সময়ও এটির চালককে রাস্তায় গাড়ি চালানোর মতোই স্রেফ স্টিয়ারিং হুইল ধরেই তা নিয়ন্ত্রণ করতে হয়।</p><p>সংবাদমাধ্যমটির বরাতে জানা গেছে, ২০০৮ সালে গবেষণা শুরু হওয়া ম্যাভরিক বর্তমানে মার্কিন কর্তৃপক্ষের লাইট স্পোর্ট ক্যাটেগরিতে অনুমোদন পাবার অপেক্ষায় আছে।</p><p>সূত্র : <a href="http://tech.bdnews24.com/details.php?shownewsid=1134">http://tech.bdnews24.com/details.php?shownewsid=1134</a></p></blockquote></div><p>গাড়িটা আমার কাছে খুবই ইন্টারেস্টিং ও প্রয়োজনীয় মনে হচ্ছে। তাছাড়া ব্যবহারের জন্য এরকম একটা গাড়ি পেলে জ্যামে আটকা পড়ে থাকতে হবে না। নিমিষেই উড়ে চলে যাওয়া যাবে। আপনারা কি বলেন?</p>]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[khmnrul]]></name>
				<uri>http://forum.projanmo.com/user5099.html</uri>
			</author>
			<updated>2010-08-05T07:30:11Z</updated>
			<id>http://forum.projanmo.com/topic18425new-posts.html</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[জেনেনিন তারাদের নাম]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://forum.projanmo.com/topic18319new-posts.html"/>
			<summary type="html"><![CDATA[<p>আকাশের দিকে তাকিয়ে অবাক হই,&nbsp; <img src="http://forum.projanmo.com/extensions/pun_bbcode_ext/smilies/surprised.gif" alt="surprised" title="surprised" />হাজার হাজার তারার মেলা। মাঝে মাঝে উদাস হয়ে যাই আবার কখনও মাহান আল্লাহ্‌র সৃষ্টিশীলতার শক্তি কে দেখে নিজেকে ক্ষুদ্র মনে হয়।<br />আকাশ আমাকে টানে সেই ছোটবেলা থেকে। সেই টানে ছুটে যই খোলা আকাশের নিচে। তারায়া তারায় রেখা টেনে হাজার ছবি আঁকি আর ভাবি ও তারা তোমার নাম কি? কিন্তু তারারা তো উত্তর দেয় না। কি আর করা গুগুলের কাছে আসতেই হলো তারাদের নাম জানতে। চলুন সবাই মিলে জেনেনেই তারাদের নাম। এই সাইট থেকে <a href="http://www.pa.msu.edu/people/horvatin/Astronomy_Facts/star_names.htm">http://www.pa.msu.edu/people/horvatin/A &#133; _names.htm</a></p>]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[আকাশছোঁয়া]]></name>
				<uri>http://forum.projanmo.com/user2102.html</uri>
			</author>
			<updated>2010-07-31T04:43:03Z</updated>
			<id>http://forum.projanmo.com/topic18319new-posts.html</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[চোখের ভুল ২]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://forum.projanmo.com/topic18339new-posts.html"/>
			<summary type="html"><![CDATA[<p>১) ছবিটির দিকে একদৃষ্টিতে ৩০ সেকেন্ড চেয়ে থাকুন, এরপর কোনো মসৃণ রঙিন দেওয়ালের দিকে তাকান, একেবারে না হলে বারে বারে করুণ, তারাতারি চোখ &quot;বন্ধ-খোলা&quot; করে চেষ্টা করুন, দেখবেন দেওয়ালে একটি বাল্ব জ্বলে উঠেছে।</p><p><span class="postimg"><img src="http://s4.postimage.org/5JZQS-fed4be2fc86ae097da6e829cb94bac7a.png" alt="http://s4.postimage.org/5JZQS-fed4be2fc86ae097da6e829cb94bac7a.png" /></span></p><p>২) আগেই দেওয়া ৮ নং ফাইলটি সেভ করুন এবং পাওয়ারপয়েন্টে ইনসার্ট করে, F5 টিপে ফুল স্ক্রিনে দেখুন।<br /><a href="http://www.postimage.org/image.php?v=Pq7xuTS">http://www.postimage.org/image.php?v=Pq7xuTS</a></p><p>অথবা এখান থেকে সরাসরি ডাউনলোড করে ওপেন করে F5 টিপে ফুল স্ক্রিনে দেখুন।</p><p>Download Link &gt; <a href="http://www.mediafire.com/?1z144wklh741zuv">http://www.mediafire.com/?1z144wklh741zuv</a></p><p>দেখবেন যে গোলাপি রং এর অংশগুলি নিভবে ও জলবে। মধ্যের কালো অংশটির দিকে একদৃষ্টিকে চেয়ে থাকুন, দেখবেন হঠাৎ করে একটি সবুজ রং এর অংশ চারপাশে ঘুরপাক খাচ্ছে এবং আস্তে আস্তে গোলাপি রং এর অংশগুলি অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে।</p><p>৩) ছবিটির মধ্যে থাকা চারটি বিন্দুর দিকে একদৃষ্টিতে ৩০ সেকেন্ড চেয়ে থাকুন, এরপর কোনো মসৃণ রঙিন দেওয়ালের দিকে তাকান, একটি গোলাকৃতির মধ্যে একটি মুখ দেখতে পাবেন, যাকে দেখতে কিছটা যীশু খ্রিষ্টের মতো। ( একেবারে না হলে বারে বারে করুণ, তারাতারি চোখ &quot;বন্ধ-খোলা&quot; করে চেষ্টা করুন / দেওয়াল অবশ্যই মসৃণ ও রঙিন হতে হবে। যত দুরের দেওয়াল হবে, মুখ তত বড় হবে )</p><p><span class="postimg"><img src="http://s2.postimage.org/AZ4Ui-fed4be2fc86ae097da6e829cb94bac7a.jpg" alt="http://s2.postimage.org/AZ4Ui-fed4be2fc86ae097da6e829cb94bac7a.jpg" /></span></p><p>৪) ছবিটিতে কি অসম্ভব বলুনতো, যা বাস্তবে সম্বব না।</p><p><span class="postimg"><img src="http://s3.postimage.org/dqoN9-fed4be2fc86ae097da6e829cb94bac7a.jpg" alt="http://s3.postimage.org/dqoN9-fed4be2fc86ae097da6e829cb94bac7a.jpg" /></span></p><p>৫) কি লেখা আছে ?</p><p><span class="postimg"><img src="http://s1.postimage.org/eokz0-fed4be2fc86ae097da6e829cb94bac7a.png" alt="http://s1.postimage.org/eokz0-fed4be2fc86ae097da6e829cb94bac7a.png" /></span></p><p>৬) ছবিটিতে কারা কারা আছে?</p><p><span class="postimg"><img src="http://s1.postimage.org/eoOuJ-fed4be2fc86ae097da6e829cb94bac7a.jpg" alt="http://s1.postimage.org/eoOuJ-fed4be2fc86ae097da6e829cb94bac7a.jpg" /></span></p>]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[xtremeuser]]></name>
				<uri>http://forum.projanmo.com/user5363.html</uri>
			</author>
			<updated>2010-07-31T01:54:40Z</updated>
			<id>http://forum.projanmo.com/topic18339new-posts.html</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[চোখের ভুল]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://forum.projanmo.com/topic18258new-posts.html"/>
			<summary type="html"><![CDATA[<p>ছবিগুলিতে ক্লিক করুন এবং ভালো করে দেখুন ...............</p><p><a href="http://www.postimage.org/image.php?v=aVMMVwr"><span class="postimg"><img src="http://null.postimage.org/aVMMVwr.jpg" alt="http://null.postimage.org/aVMMVwr.jpg" /></span></a></p><p>কালো ডট গুলির দিকে তাকানোর চেষ্টা করুন।</p><p><a href="http://www.postimage.org/image.php?v=gxTFxer"><span class="postimg"><img src="http://null.postimage.org/gxTFxer.jpg" alt="http://null.postimage.org/gxTFxer.jpg" /></span></a></p><p>হাতিটির কটি পা ?</p><p><a href="http://www.postimage.org/image.php?v=TsuXtfA"><span class="postimg"><img src="http://null.postimage.org/TsuXtfA.jpg" alt="http://null.postimage.org/TsuXtfA.jpg" /></span></a></p><p>কালো ডটটির দিকে একদৃষ্টিকে চেয়ে থাকুন, আশেপাশের ধুসর অংশটি অদৃশ্য হয়ে যাবে।</p><p><a href="http://www.postimage.org/image.php?v=aVMPpFr"><span class="postimg"><img src="http://null.postimage.org/aVMPpFr.jpg" alt="http://null.postimage.org/aVMPpFr.jpg" /></span></a></p><p>মধ্যের কালো অংশটির দিকে একদৃষ্টিকে চেয়ে থাকুন, এরপর আপনার মাথাটি মনিটারের একবার সামনে আনুন, সঙ্গে সঙ্গে পিছনে নিয়ে যান।</p><p><a href="http://www.postimage.org/image.php?v=TsuYZ20"><span class="postimg"><img src="http://null.postimage.org/TsuYZ20.jpg" alt="http://null.postimage.org/TsuYZ20.jpg" /></span></a></p><p>চারটি কালো স্কয়ারের মাঝে মাঝে ধুসর রং এর কিছু দেখতে পাচ্ছেন?</p><p><a href="http://www.postimage.org/image.php?v=Pq7vL8A"><span class="postimg"><img src="http://null.postimage.org/Pq7vL8A.jpg" alt="http://null.postimage.org/Pq7vL8A.jpg" /></span></a></p><p>কি লেখা আছে?</p><p><a href="http://www.postimage.org/image.php?v=gxTHPUJ"><span class="postimg"><img src="http://null.postimage.org/gxTHPUJ.jpg" alt="http://null.postimage.org/gxTHPUJ.jpg" /></span></a></p><p>এটা কি সম্ভব?</p><p><a href="http://www.postimage.org/image.php?v=Pq7xuTS"><span class="postimg"><img src="http://null.postimage.org/Pq7xuTS.jpg" alt="http://null.postimage.org/Pq7xuTS.jpg" /></span></a></p><p>মধ্যের কালো অংশটির দিকে একদৃষ্টিকে চেয়ে থাকুন, আশেপাশের গোলাপি অংশগুলি অদৃশ্য হয়ে যাবে।</p><p><a href="http://www.postimage.org/image.php?v=aVMRDlr"><span class="postimg"><img src="http://null.postimage.org/aVMRDlr.jpg" alt="http://null.postimage.org/aVMRDlr.jpg" /></span></a></p><p>বড় হরিণটি কোথায় ?</p><p><a href="http://www.postimage.org/image.php?v=Tsu__fi"><span class="postimg"><img src="http://null.postimage.org/Tsu__fi.jpg" alt="http://null.postimage.org/Tsu__fi.jpg" /></span></a></p><p>আশ্চর্য ছবি!</p><p>নিচের ছবি গুলি নড়াচড়া করছে, কেউ বা ঘুরছে, কিন্তু কিভাবে? ভালো করে দেখুন।</p><p><a href="http://www.postimage.org/image.php?v=aVMPC89"><span class="postimg"><img src="http://null.postimage.org/aVMPC89.jpg" alt="http://null.postimage.org/aVMPC89.jpg" /></span></a></p><p><a href="http://www.postimage.org/image.php?v=gxTJkH9"><span class="postimg"><img src="http://null.postimage.org/gxTJkH9.jpg" alt="http://null.postimage.org/gxTJkH9.jpg" /></span></a></p><p><a href="http://www.postimage.org/image.php?v=gxTJpGr"><span class="postimg"><img src="http://null.postimage.org/gxTJpGr.jpg" alt="http://null.postimage.org/gxTJpGr.jpg" /></span></a></p><p><a href="http://www.postimage.org/image.php?v=gxTJsaA"><span class="postimg"><img src="http://null.postimage.org/gxTJsaA.jpg" alt="http://null.postimage.org/gxTJsaA.jpg" /></span></a></p>]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[নীল-মাকড়সা]]></name>
				<uri>http://forum.projanmo.com/user5363.html</uri>
			</author>
			<updated>2010-07-28T23:45:13Z</updated>
			<id>http://forum.projanmo.com/topic18258new-posts.html</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[সৌরবিদ্যুতে আশার আলো]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://forum.projanmo.com/topic16547new-posts.html"/>
			<summary type="html"><![CDATA[<div class="quotebox"><blockquote><p><strong><a href="http://www.dailykalerkantho.com/?view=details&amp;type=single&amp;pub_no=159&amp;cat_id=1&amp;menu_id=13&amp;news_type_id=1&amp;index=5">সৌরবিদ্যুতে আশার আলো</a></strong><br /><span class="postimg"><img src="http://www.dailykalerkantho.com/admin/news_images/159/thumbnails/image_159_54851.jpg" alt="http://www.dailykalerkantho.com/admin/news_images/159/thumbnails/image_159_54851.jpg" /></span><br />সূর্য এক ঘণ্টায় পৃথিবীতে যে পরিমাণ শক্তি দেয়, তা থেকে সারা বিশ্বের সব মানুষের সারা বছরের বিদ্যুৎ চাহিদা মেটানো সম্ভব। বিজ্ঞানীরা গবেষণা করেই জানিয়েছেন এ তথ্য। এরই মধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সূর্যের আলো থেকে ব্যাপক হারে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। ভয়াবহ বিদ্যুৎ সংকটের মুখে বাংলাদেশ সরকারও সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর একটি উদ্যোগ নিয়েছে। এ জন্য উচ্চবিত্ত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণী, বিশেষ করে বাড়ি ও শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিকদের সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনে উৎসাহ দেওয়া হবে। আইন করে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা যায় কি না, তাও ভাবা হচ্ছে। এরই মধ্যে বিদ্যুৎ, জ্বালানি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি বাড়ির মালিক ও শিল্পপতিদের সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন বাধ্যতামূলক করতে গত মাসে সুপারিশ করেছে।<br />বাংলাদেশে বিদ্যুৎ ঘাটতি এরই মধ্যে দুই হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে গেছে। বহুতল ভবনগুলোতে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা বসানো গেলে এ ঘাটতি কিছুটা হলেও কমে আসবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।<br />সূত্রমতে, সরকার নবায়নযোগ্য বিকল্প শক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য পেট্রোবাংলার আদলে একটি স্বায়ত্তশাসিত কর্তৃপক্ষ গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। &#039;সাসটেইনেবল এনার্জি ডেভেলপমেন্ট অথরিটি&#039; বা সেড নামের এ প্রতিষ্ঠানের খসড়া আইন এরই মধ্যে তৈরি হয়েছে। পরবর্তী সংসদ অধিবেশনেই তা উত্থাপন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।<br />আইন প্রণয়নের উদ্যোগ : বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) সুবিদ আলী ভূঁইয়া কালের কণ্ঠকে বলেন, &#039;বিদ্যুতের সীমাহীন দুর্ভোগ থেকে আমরা এবার এক ধরনের শিক্ষা নিয়েছি। তাই নবায়নযোগ্য একটি টেকসই জ্বালানি সংস্কৃতি গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করছে সরকার।&#039; তিনি বলেন, সারা পৃথিবী এখন নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে যাচ্ছে। বাংলাদেশে সৌরশক্তিকে বিকল্প জ্বালানি হিসেবে অগ্রাধিকার দেওয়ার সিদ্ধান্ত দিয়েছে সরকার। তিনি বলেন, গত মাসে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি শহরাঞ্চলে বাড়ি ও শিল্পমালিকদের ছাদে সৌর প্যানেল বসাতে বাধ্য করতে প্রয়োজনে আইন প্রণয়নের সুপারিশ করেছে। বিষয়টি মন্ত্রণালয় এবং খোদ প্রধানমন্ত্রী আমলে নিয়েছেন বলে সুবিদ আলী ভূঁইয়া জানান। তিনি বলেন, &#039;আমি যত দূর জানি, এ নিয়ে মন্ত্রণালয় থেকে কমিটি গঠনের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।&#039;<br />এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বিদ্যুৎসচিব আবুল কালাম আজাদ কালের কণ্ঠকে বলেন, সৌরবিদ্যুৎসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতকে সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দেখছে। আইন প্রণয়নসহ অন্যান্য পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাইলে সচিব জানান, বিদ্যুৎ বিভাগের একজন যুগ্ম সচিবের নেতৃত্বে এ সংক্রান্ত কার্যক্রম চলবে।<br />বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে কালের কণ্ঠকে বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের উৎপাদনের জন্য এরই মধ্যে বিদ্যুৎ ও পূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে দুটি কমিটি করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। শহরে সৌর প্যানেল বসানোর বিষয়টি বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোডে (বিএনবিসি) বাধ্যতামূলক করার কথা ভাবছে সরকার।<br />বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এনামুল হক বলেন, &#039;বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধানে আমরা তৎপর। এ ক্ষেত্রে সৌরবিদ্যুৎকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রী একাধিকবার শহরে বাড়ির মালিক ও শিল্পপতিদের নিজেদের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল বসানোর আহ্বান জানিয়েছেন। সরকার যে বিকল্প বিদ্যুৎ হিসেবে সৌরবিদ্যুৎকে উৎসাহ দিতে চায় তার জ্বলন্ত উদাহরণ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সৌর প্যানেল বসানো।&#039; এ ব্যাপারে আইন বা বিধি প্রণয়ন প্রসঙ্গে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।<br />বাংলাদেশ সৌরশক্তি সমিতির সম্পাদক অধ্যাপক ড. সাইফুল হক কালের কণ্ঠকে বলেন, বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশ সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনার একটি দেশ। বিশ্বের বহু শীতপ্রধান দেশেও এরই মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের বিপ্লব ঘটেছে। অথচ সেসব দেশে দিনে প্রতি বর্গমিটারে তিন কিলোওয়াট-ঘণ্টার বেশি সূর্যরশ্মি পড়ে না। সেখানে বাংলাদেশে এ মাত্রা দিনে গড়ে প্রতি বর্গমটারে ৪ দশমিক ২১ কিলোওয়াট-ঘণ্টা।<br />অধ্যাপক সাইফুল হক আরো বলেন, ব্যয়বহুল বলে অনেকেই সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করতে চাইবে না। কিন্তু সরকারকে বোঝাতে হবে, দিনের বেলা সরাসরি সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে তেমন একটা খরচ পড়বে না। এ ব্যবস্থায় বেশি ব্যয় হয় রাতের জন্য বিদ্যুৎ সংরক্ষণ করতে গেলে। তিনি শহরে এই পদ্ধতি চালু করতে প্রয়োজনে সরকারকে কঠোর আইন প্রণয়নের পরামর্শ দিয়ে বলেন, উৎপাদিত বিদ্যুতের প্রায় ৮০ ভাগ শহরের সচ্ছল মানুষ ব্যবহার করেন। এদিক থেকে তারাই বিদ্যুতে দেওয়া ভর্তুকির বড় সুবিধাভোগী। তাই শিল্প ও বাড়ির মালিকদের সৌরশক্তি ব্যবহারে এগিয়ে আসা উচিত।<br />নবায়নযোগ্য জ্বালানি গবেষণা কেন্দ্র ও জ্বালানি উদ্যানের পরিচালক অধ্যাপক রেজাউল করিম কালের কণ্ঠকে বলেন, এখন পর্যন্ত সৌরবিদ্যুৎ অত্যন্ত ব্যয়বহুল। এক ওয়াট উৎপাদনেই ব্যয় হয় ৫০০ টাকা। সৌরবিদ্যুতের যন্ত্রপাতি নির্মাণে দেশে নিজস্ব উদ্যোগ যত বাড়বে, দাম তত কমে আসবে। তবে শুরুতে ভর্তুকি দিয়ে হলেও সৌরশক্তি ব্যবহার প্রচলন করা উচিত। কারণ তেল-গ্যাস-কয়লার মতো প্রচলিত জ্বালানি দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে।<br />বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ইজাজ হোসেনও শহরে বহুতল ভবনগুলোতে সৌর প্যানেল বসানো বাধ্যতামূলক করার পক্ষে মত দেন। তিনি বলেন, শহর এলাকায় গৃহস্থালির আলোর জন্য সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা গেলে পিক আওয়ারে বিদ্যুতের চাহিদার একটা অংশ কমে যাবে।<br />সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন নিয়ে গবেষণা করছে ইউকে সোলার প্যানেল সিস্টেম, ডেজার্ডটেক ও সোলার ফাউন্ডেশন। তাদের গবেষণা মতে, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনকে উৎসাহ দেওয়াই বিদ্যুৎ সংকট থেকে উত্তরণের প্রধান উপায়। সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের জন্য বাংলাদেশকে অপার সম্ভাবনার দেশ বলেও তারা মন্তব্য করেছে।<br />দৃষ্টান্ত মনোরঞ্জন : এরই মধ্যে খোদ রাজধানীতেই বাড়ি ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের মালিকদের মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল বসানোর আগ্রহ বাড়ছে। সম্প্রতি রাজধানীর তেজগাঁও এলাকায় &#039;সাউদার্ন সিএনজি&#039; নামের একটি প্রতিষ্ঠানের করপোরেট অফিসে এক কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল বসানোর কাজ শুরু হয়েছে। ব্যক্তিগত উদ্যোগে রাজধানীর কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের এটি প্রথম উদ্যোগ।<br />প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনোরঞ্জন ভক্ত কালের কণ্ঠকে জানান, এরই মধ্যে প্রায় ৫০০ ওয়াট হারে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়েছে। কাজ শেষ হলে তিনতলা ভবনের প্রায় সব বৈদ্যুতিক বাতি জ্বালানো সম্ভব হবে। মনোরঞ্জন ভক্ত বলেন, শিগগিরই দেশব্যাপী তাঁদের তিনটি সিএনজি স্টেশন এবং চারটি সিএনজি কনভারসন স্টেশনের বাতিগুলোকে সৌরবিদ্যুতের আওতায় আনা হবে। এক কিলোওয়াট (এক হাজার ওয়াট) ক্ষমতার প্রযুক্তিটির পেছনে তাঁর ব্যয় হচ্ছে সাড়ে সাত লাখ টাকা। মনোরঞ্জন জানান, ব্যাংকক থেকে আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতি আনার জন্য আরো লক্ষাধিক টাকা বেশি খরচ হয়েছে।<br />মনোরঞ্জন বলেন, &#039;চলতি মৌসুমে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত অন্তত তিনবার লোডশেডিং হচ্ছে। পিক আওয়ার শুরু হলে লোডশেডিং আরো বাড়ে। কিন্তু আমার তাতে অন্ধকারে থাকতে হয় না।&#039; সৌরবিদ্যুতের ব্যবস্থা থাকায় লোডশেডিংয়ে সমস্যা হচ্ছে না তাঁর। সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে আগ্রহ কেন হলো জানতে চাইলে মনোরঞ্জন বলেন, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কার্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের উদ্যোগই তাঁকে অনুপ্রাণিত করেছে। মনোরঞ্জন আশা করেন, অবস্থাসম্পন্নরা এ বিষয়ে এগিয়ে আসবে, কমবে জাতীয় গ্রিডের ওপর নির্ভরশীলতা।<br />পাঁচ লাখ প্যানেল স্থাপন : এরই মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে ২০০৩ সাল থেকে কাজ করছে ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কম্পানি লিমিটেড (ইডকল) নামের একটি প্রতিষ্ঠান। সরকারি মালিকানার এই প্রতিষ্ঠান এ পর্যন্ত সারা দেশে পাঁচ লাখ সোলার হোম সিস্টেম স্থাপন করেছে। তাদের সঙ্গে আছে ১৫টি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান। ইডকল এ প্রতিষ্ঠানগুলোকে আর্থিক সাহায্য এবং সহজ শর্তে বা কম সুদে সৌর প্যানেল বসানোর জন্য ঋণ পাওয়ার ব্যবস্থা করে দেয়।<br />প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক এস এম ফরমানুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, তাঁরা ২০১২ সালের মধ্যে ১০ লাখ সৌর প্যানেল বসানোর পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন। কিন্তু সম্প্রতি চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় তাঁরা আশা করছেন আগামী বছরের মধ্যেই তাঁদের এই লক্ষ্য পূরণ হয়ে যাবে। তিনি জানান, গত দুই মাসে ৪৫ হাজারেরও বেশি সোলার হোম সিস্টেম বসানো হয়েছে।<br />সৌরবিদ্যুৎে সেচপাম্পও চালানো যাবে বলে উল্লেখ করে ফরমানুল ইসলাম বলেন, নওগাঁর সাপাহারে ১১.২ কিলোওয়াটের একটি সেচপাম্প স্থাপন করেছে এবং ওই প্রকল্পের কাজ এখনো চলছে। ওই পাম্প প্রতিদিন প্রায় আড়াই লাখ লিটার পানি সেচ করতে পারে। প্রকল্পের কাজ পুরো শেষ হলে এর মাধ্যমে তিন মৌসুমে তিন হেক্টর করে জমির সেচকাজ করা সম্ভব হবে। যশোরের বানিয়ালীতে ইডকলের আরেকটি সেচপাম্প স্থাপন করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে সাড়ে ২২ হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধা দেওয়া সম্ভব হবে। ইডকলের গবেষণা থেকে জানা যাচ্ছে, এসব সেচপাম্প প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে সেচ বাবদ খরচ হওয়া বছরে আট হাজার লিটার ডিজেলের সাশ্রয় হবে।<br />সাম্প্রতিক সময়ে ইডকলের সবচেয়ে বড় উদ্যোগ ১০০ কিলোটওয়াট মাইক্রো গ্রিড বিদ্যুৎ প্রকল্প। চারটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার একটি কনসোর্টিয়ামের মাধ্যমে এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে। এই উদ্যোগে সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে একটি এলাকাকে আলোকিত করার পরিকল্পনা রয়েছে ইডকলের।<br />ইডকল যেসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করে তার মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ শক্তি। ইডকলের যে সাড়ে চার লাখ সোলার হোম সিস্টেম এ পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে স্থাপিত হয়েছে, তার মধ্যে সাড়ে তিন লাখই করেছে গ্রামীণ শক্তি। ২০১৫ সালের মধ্যে গ্রামীণ শক্তি ৭৫ লাখ সোলার প্যানেল বসানোর পরিকল্পনা করছে। জানা গেছে, প্রতি মাসে গ্রামীণ শক্তি সোলার প্যানেল স্থাপন করেছে গড়ে ১২ হাজারের মতো। এর নেটওয়ার্ক স্থাপন করেছে ৪০ হাজারের বেশি গ্রামে, ১৬টি বিচ্ছিন্ন দ্বীপে।<br />আছে ঋণসুবিধা : বাংলাদেশ ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় ২০০ কোটি টাকার একটি তহবিল আছে, যা থেকে ২০টি ব্যাংক সৌরবিদ্যুৎ ও বায়োগ্যাসের মতো প্রকল্পে সহজ শর্তে ঋণ দেয়। জানা যায়, এ ঋণসুবিধার জন্য খুব বেশি আগ্রহ নেই মানুষের। তাই প্রথমে ব্যাংকগুলোকে নিজেদেরই সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করে দৃষ্টান্ত স্থাপনের পরামর্শ দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর। মাস খানেক বাংলাদেশ ব্যাংক ভবনেও সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল বসানো হয়। ২০ কিলোওয়াট পিক ক্ষমতার একটি প্লান্টের মাধ্যমে গভর্নর সচিবালয়, গেস্ট লাউঞ্জ, কনফারেন্স রুম, সীমানাপ্রাচীরের নিরাপত্তাসহ প্রায় ২০০টি বাতি জ্বালানো হবে।<br />টেকসই বিকল্প জ্বালানি : মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ডেজার্টটেক ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুসারে, পৃথিবীর সব মরুভূমিতে সারা বছর যে পরিমাণ সৌরশক্তি থাকে, তার এক শতাংশও যদি সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল বসানো যায়, তাহলে পুরো পৃথিবীর বিদ্যুতের চাহিদা মেটানো সম্ভব। তাই গ্যাস, তেল ও কয়লানির্ভর বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপনের পাশাপাশি বিশ্বে দিন দিন জনপ্রিয়তা পাচ্ছে সৌরবিদ্যুৎ। ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি কাউন্সিলের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০০৮ সালে সৌরবিদ্যুতে বিনিয়োগ ছাড়িয়েছে তিন হাজার ৩৫০ কোটি ডলার। সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন পাঁচ বছরে বেড়েছে ছয়গুণ, আর বিনিয়োগ বেড়েছে ১৭২ গুণ।<br />দেখা গেছে, উন্নত দেশগুলো প্রযুক্তিতে অনেক এগিয়ে থাকলেও সৌরবিদ্যুতের জনপ্রিয়তা বেশি বেড়েছে এশিয়ার উন্নয়নশীল দেশগুলোতে_ বিশেষ করে চীন, ভারত ও বাংলাদেশে। ইউরোপের সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনকারীদের সংগঠন ইপিআইএ সমপ্রতি জানিয়েছে, ২০০৯ সালে বিশ্বজুড়ে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বেড়েছে ৪৪ ভাগ। সৌরবিদ্যুতের উৎপাদন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার মেগাওয়াট। এর মধ্যে গত বছরই বেড়েছে ছয় হাজার ৪০০ মেগাওয়াট। সৌরবিদ্যুতের ২০১০ সালের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ বছরও বিশ্বে সৌরবিদ্যুতে প্রবৃদ্ধি হবে ৪০ শতাংশের বেশি। সৌরশক্তির প্রযুক্তি আর ব্যবহারে ইউরোপ আছে শীর্ষে। তবে পিছিয়ে নেই যুক্তরাষ্ট্রও। ইউরোপ-আমেরিকাকে ছাড়িয়ে শীর্ষে আসার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে চীন।</p></blockquote></div>]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[Shajid]]></name>
				<uri>http://forum.projanmo.com/user1303.html</uri>
			</author>
			<updated>2010-07-19T10:20:12Z</updated>
			<id>http://forum.projanmo.com/topic16547new-posts.html</id>
		</entry>
		<entry>
			<title type="html"><![CDATA[আবিস্কারে নতুনত্বের ছোয়া -এসে গেল টয়লেট গাড়ি!]]></title>
			<link rel="alternate" href="http://forum.projanmo.com/topic18069new-posts.html"/>
			<summary type="html"><![CDATA[<p><strong>অসংখ্য গাড়ির ভিড়ে এবার শামিল হয়েছে &#039;টয়লেট গাড়ি&#039;।</strong></p><div class="quotebox"><blockquote><p>টয়োটা, মারুতি, পাজেরো, পোরশে, রোলস রয়েস, শেভরোলে... এমন কত গাড়িই না দাপিয়ে বেড়াচ্ছে দেশ-বিদেশের রাস্তা-ঘাট। প্রস্তুতকারক কম্পানিগুলোও নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, গ্রাহকের কাছে নতুন থেকে নতুনতর ডিজাইন ও বৈশিষ্ট্যের আনকোরা গাড়িটি তুলে ধরতে। এর মাঝে আবার ব্যক্তি-উদ্যোগের পসরাও বাজারে চলমান। নাম জানা বা না জানা এমন অসংখ্য গাড়ির মিছিলে এবার শামিল হয়েছে &#039;টয়লেট গাড়ি&#039;! গাড়িটিতে রয়েছে দুটি মলাধার, ছয়টি টিস্যু স্ট্যান্ড এবং একটি ম্যাগাজিন র‌্যাকের ব্যবস্থা। প্রাপ্তবয়স্ক দুজন যাত্রী নিয়ে গাড়িটি ঘণ্টায় ৩০ মাইল বেগে ছুটতে সক্ষম।</p><p><span class="postimg"><img src="http://img46.imageshack.us/img46/7349/toiletcar.jpg" alt="http://img46.imageshack.us/img46/7349/toiletcar.jpg" /></span></p><p>এই &#039;টয়লেট কারের&#039; নকশাটি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দা ডেভ হার্শ। তিনি জানান, গাড়িটি নির্মাণে তার প্রায় তিন বছর সময় লেগেছে। এ ধরনের একটি খেলনা গাড়ি দেখে তিনি সত্যি সত্যিই এমন একটি গাড়ি নির্মাণের ব্যাপারে উৎসাহ পান। এর আগে দুইবার দুই ধরনের টয়লেট বসিয়ে গাড়িটি পরীক্ষামূলকভাবে চালানোর চেষ্টা করা হয়। তবে সেসব উদ্যোগে সাফল্যের পরিবর্তে চূড়ান্তভাবেই ব্যর্থ হতে হয়। চালানোর অল্প সময়ের মধ্যেই টয়লেটটি ভেঙে গুঁড়িয়ে যায়। অবশেষে তৃতীয়বারের চেষ্টায় সাফল্য ধরা দেয়।<br />হার্শ জানান, সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমী বৈশিষ্ট্যের গাড়িটি নির্মাণের পর থেকে লোকজনের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল দেখা গেছে। বড়রা গাড়িটি দেখামাত্র এর ছবি তুলছেন, আর ছোটরা লাফিয়ে গাড়ির টয়লেটের ওপর উঠে যাচ্ছে। তিনি জানান, কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই খুব অল্প সময়ে প্রতিবেশীদের সবার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের জন্য এটি একটি অভিনব ও চমৎকার উপায়।</p><p>সূত্র : <a href="http://www.dailykalerkantho.com/?view=details&amp;type=single&amp;pub_no=227&amp;cat_id=1&amp;menu_id=14&amp;news_type_id=1&amp;news_id=73290">http://www.dailykalerkantho.com/?view=d &#133; s_id=73290</a></p></blockquote></div><p>টয়লেট গাড়ির আবিস্কার নতুনত্বের দাবি রাখলেও কিছু অসুবিধা কল্পনা করছি,<br />*প্রথমত গাড়িটা উন্মুক্ত অর্থাৎ ছাদবিহীন ও চারিদিকে খোলা। তাই বৃষ্টির সময় ভিজতে হবে।<br />*এই গাড়ির টয়লেট ব্যাবস্হাপনা কি আসলেই ব্যবহার করার যোগ্য নাকি শো? যদি ব্যবহারযোগ্য হয় তাহলে কিভাবে সম্ভব? কারন উন্মুক্ত পরিবেশ -বাইরে থেকে সব কিছু দেখা যাবে।<br />তাই আমার কাছে এই গাড়ি পছন্দ হলো না। <br /><strong>আপনারা কি বলেন?</strong></p>]]></summary>
			<author>
				<name><![CDATA[বোরহান]]></name>
				<uri>http://forum.projanmo.com/user5099.html</uri>
			</author>
			<updated>2010-07-19T05:32:34Z</updated>
			<id>http://forum.projanmo.com/topic18069new-posts.html</id>
		</entry>
</feed>
